রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

পরিবেশ ও প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রাণীর ভূমিকা অপরিসীম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ণ
পরিবেশ ও প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রাণীর ভূমিকা অপরিসীম

প্রকাশ ঘোষ বিধান

পরিবেশ ও প্রকৃতিতে প্রাণীর ভূমিকা অপরিসীম এবং পরিবেশের ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বন্যপ্রাণী ও কীটপতঙ্গ এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে কাজ করে। একটি সুস্থ ইকোসিস্টেম বা বাস্তুতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে অণুজীব থেকে শুরু করে বিশাল আকারের হাতি পর্যন্ত প্রতিটি প্রাণীরই নির্দিষ্ট এবং গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে।

৪ অক্টোবর বিশ্ব প্রাণী দিবস অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পালিত হয়। গৃহপালিত কিংবা বন্য সব ধরনের প্রাণীর প্রতি মানুষের নিষ্ঠুরতা বন্ধ করা এবং তাদের নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিত করার জন্য সচেতনতা তৈরি করতে এই দিনটি পালন করা হয়।

প্রাণীদের অধিকার রক্ষা, তাদের কল্যাণের মাধ্যমে সার্বিক অবস্থার উন্নতি করা এবং বিশ্বজুড়ে প্রাণী কল্যাণ আন্দোলনকে জোরদার করাই এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য। প্রাণীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা, অধিকার রক্ষা করা এবং তাদের প্রতি মানুষের দায়িত্ববোধ বাড়াতে সচেতনতা তৈরি করা। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রাণীকুলের ভূমিকা ও অবদানকে স্বীকার করা।

জার্মান লেখক ও প্রকাশক হেনরীক জি¤œারমেন প্রথম এই দিবসের প্রবর্তক। ১৯২৫ সালের ২৫শে মার্চ জার্মানির বার্লিন স্পোর্ট প্যালেসে ৫ হাজারেরও বেশি মানুষের উপস্থিতিতে প্রথম প্রাণী দিবস উদযাপন করা হয়। পরবর্তীতে ১৯২৯ সালে প্রথমবার এই দিবসটি ৪ঠা অক্টোবরে পালন করা হয়। ১৯৩১ সালে ইতালির ফ্লোরেন্সে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক প্রাণী সুরক্ষা কংগ্রেসে ৪ঠা অক্টোবরকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব প্রাণী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

পরিবেশ ও প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রতিটি প্রাণীর ভূমিকা অপরিসীম। পৃথিবীতে কোনো প্রাণীই অপ্রয়োজনীয় নয়; ছোট একটি কীটপতঙ্গ থেকে শুরু করে বিশাল আকারের তিমি বা হাতি সবাই মিলে প্রকৃতির একটি জটিল ও স্বয়ংক্রিয় ভারসাম্য রক্ষা করে চলেছে।

একটি সুস্থ ও সচল বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে প্রতিটি ছোট-বড় প্রাণীরই নিজস্ব এবং নির্দিষ্ট কার্যকারিতা রয়েছে। প্রতিটি প্রাণীই কোনো না কোনো খাদ্যশৃঙ্খলের অংশ। তৃণমূল বা উদ্ভিদভোজী প্রাণী উদ্ভিদ খেয়ে বেঁচে থাকে, আবার মাংসাশী প্রাণী তাদের শিকার করে। এর ফলে কোনো নির্দিষ্ট প্রজাতির সংখ্যা অতিরিক্ত বাড়তে বা কমতে পারে না, যা প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখে।
ব্যাঙ, চড়ুই পাখি, মাকড়শা এবং বিভিন্ন ছোট পাখি ফসলের ক্ষতিকারক পোকা-মাকড় খেয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে বালাই নিয়ন্ত্রণ করে। এর ফলে জমিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না, যা পরিবেশ ও মাটির স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

বানর, পাখি, কাঠবিড়ালি ইত্যাদি প্রাণী ফল খাওয়ার পর তার বীজ দূরে ফেলে দেয় বা মলের মাধ্যমে ত্যাগ করে। এর ফলে বনের পরিধি বাড়ে এবং নতুন নতুন উদ্ভিদ জন্মায়। মৌমাছি, প্রজাপতি, পাখি এবং বাদুড়ের মতো প্রাণীরা উদ্ভিদের পরাগায়নে সরাসরি সাহায্য করে। পরাগায়ন না হলে ফুল থেকে ফল বা বীজ হতো না, যার ফলে পৃথিবীর অধিকাংশ উদ্ভিদ একসময় বিলুপ্ত হয়ে যেত। পাখি এবং স্তন্যপায়ী প্রাণী ফল খাওয়ার পর মলত্যাগের মাধ্যমে বা শরীরের সাথে আটকে রেখে দূর-দূরান্তে উদ্ভিদের বীজ ছড়িয়ে দেয়। এর ফলে নতুন নতুন এলাকায় বনাঞ্চল গড়ে ওঠে।

মৃত প্রাণী ও বর্জ্য পদার্থগুলোকে বিভিন্ন ছোট পোকা-মাকড় এবং অণুজীব ভেঙে মাটিতে মিশিয়ে দেয়। এই পচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নাইট্রোজেন, কার্বন ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান পুনরায় মাটিতে ফিরে আসে এবং নতুন উদ্ভিদ জন্মাতে সাহায্য করে। কেঁচো, উইপোকা এবং বিভিন্ন অণুজীব মাটিকে আলগা করে, যা উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান গ্রহণে সাহায্য করে এবং মাটির উর্বরতা বাড়ায়। কেঁচোকে প্রকৃতির লাঙল বলা হয়, কারণ এটি মাটির উর্বরতা বহু গুণ বাড়িয়ে দেয়।

কিছু প্রাণী প্রকৃতির ঝাড়ুদার হিসেবে কাজ করে পরিবেশকে রোগজীবাণু মুক্ত রাখে। শকুন, কাক, হায়েনা এবং গুই সাপের মতো প্রাণীরা মৃত ও পচা প্রাণীর দেহাবশেষ খেয়ে পরিবেশকে দুর্গন্ধ ও রোগজীবাণুর হাত থেকে মুক্ত রাখে। তারা মূলত প্রকৃতির ময়লা পরিষ্কারকারী হিসেবে কাজ করে। এরা না থাকলে প্রকৃতিতে মহামারী বা নানাবিধ রোগ ছড়িয়ে পড়ত। মরা ও পচা জন্তু-জানোয়ার খেয়ে এরা পরিবেশ পরিষ্কার রাখে। এতে ব্যাকটিরিয়া বা মহামারী ছড়াতে পারে না।

জলজ ও স্থলজ প্রাণীরা শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে বায়ুম-লে কার্বন ডাই অক্সাইড ও অক্সিজেনের ভারসাম্য বজায় রাখতে পরোক্ষভাবে ভূমিকা রাখে। প্রাণীরা শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগ করে, যা উদ্ভিদ নিজের খাদ্য তৈরির সালোকসংশ্লেষণ জন্য গ্রহণ করে। আবার উদ্ভিদ যে অক্সিজেন ত্যাগ করে, তা গ্রহণ করে প্রাণীকুল বেঁচে থাকে। এই পারস্পরিক আদান-প্রদান বায়ুম-লের ভারসাম্য বজায় রাখে।

প্রকৃতি একটি বিশাল জালের মতো, যেখানে প্রতিটি সুতো হলো একটি প্রাণী। একটি সুতো ছিঁড়ে গেলে পুরো জালটিই দুর্বল হয়ে পড়ে। বাস্তুতন্ত্রের একটি ছোট অংশ বা কোনো একটি নির্দিষ্ট প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে গেলে পুরো শৃঙ্খলটি ভেঙে পড়ে। তাই মানবজাতির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতেই আমাদের চারপাশের জীববৈচিত্র্য ও প্রাণীজগৎকে রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Ads small one

তালায় মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের ওপর হামলা: আটক ৩

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ
তালায় মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের ওপর হামলা: আটক ৩

‎তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার হাজরাকাটি গ্রামে মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে পুলিশের ওপর হামলা ও কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় একটি চক্রের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ বাধা প্রদানের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে তালা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তপনের নেতৃত্বে একটি দল হাজরাকাটি এলাকায় নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে এলাকার ফারুক বিশ্বাস ও তার সহযোগী হযরতকে আটক করা হয়।

‎সূত্রে জানা যায়, আটকের পরপরই আটক ব্যক্তিদের সহযোগীরা সংঘবদ্ধ হয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায় এবং অভিযানিক দলকে সাময়িকভাবে অবরুদ্ধ করে রাখে।

‎পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার খবর পেয়ে তালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবু বক্কর সিদ্দিক তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে যান এবং অবরুদ্ধ পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
‎এ ঘটনায় আটককৃতরা হলেন মৃত আপু বিশ্বাসের ছেলে মো. ফারুক বিশ্বাস, নূর ইসলাম বিশ্বাসের ছেলে রফিকুল বিশ্বাস ও মোসলেম খাঁ এর ছেলে রাশেদ খাঁ।

‎এ ঘটনায় স্থানীয় যুব নেতা নুরুল ইসলাম বিশ্বাস (নুরু) এর নেতৃত্বে হামলার অভিযোগ উঠলেও এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

‎এবিষয়ে এসআই তপন জানান, সরকারি কাজে বাধা, পুলিশের ওপর মব সৃষ্টি ও মাদক সংশ্লিষ্টতায় ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মৃত্যুর পরে মানুষ ভালো বললে তবেই আমি ভালো মানুষ: জেলা জজ নজরুল ইসলাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ণ
মৃত্যুর পরে মানুষ ভালো বললে তবেই আমি ভালো মানুষ: জেলা জজ নজরুল ইসলাম

বদিউজ্জামান: সাতক্ষীরার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেছেন, “প্রতিটি মৃত্যু আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়Ñএই পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। মৃত্যুর পরে মানুষ যদি আমাকে ভালো বলে, তবেই আমি ভালো মানুষ।”

রোববার (৪ অক্টোবর) সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য প্রয়াত আইনজীবী নিরোধ কুমার মজুমদারের স্মরণে আয়োজিত ফুলকোর্ট রেফারেন্স অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য সচিব আইনজীবী মো. নুরুল আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. জাকারিয়া হোসেন, শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আবু বক্কার সিদ্দিক ও ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারকসহ জেলা বিচার বিভাগের অন্যান্য বিচারকেরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জেলা আইনজীবী সমিতির আহ্বায়ক আইনজীবী বিএম মিজানুর রহমান পিন্টু, সাবেক সভাপতি আইনজীবী আব্দুল মজিদ, জিপি আইনজীবী অসীম কুমার ম-ল ও আইনজীবী রঘুনাথ ম-ল। প্রয়াত আইনজীবীর আত্মার শান্তি কামনায় ধর্মীয় গ্রন্থ গীতা পাঠ করেন সিনিয়র আইনজীবী গোবিন্দ চন্দ্র বল্লভ।

মৃত্যুর আগে প্রত্যেক মানুষের নিজের জীবন ও কর্মকে মূল্যায়ন করা উচিত উল্লেখ করে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, নিজের মধ্যে ভালো গুণের কোনো ঘাটতি থাকলে সময় থাকতেই তা পূরণ করতে হবে। প্রয়াত আইনজীবী নিরোধ কুমার মজুমদারের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “তিনি ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান হয়েও অত্যন্ত বিনয়ী ও ভদ্র মানুষ ছিলেন। তিনি নিরহংকার ছিলেন এবং কখনো উচ্চস্বরে কথা বলতেন না। তাঁর এই বিনয়ী ও মার্জিত আচরণের কারণেই আমরা তাঁকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।”

বক্তারা বলেন, আইনজীবী নিরোধ কুমার মজুমদার ছিলেন একজন দক্ষ, বিনয়ী ও সদালাপী মানুষ। সহকর্মী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁর সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। তাঁর মৃত্যুতে আইনজীবী অঙ্গনে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।

এর আগে গত ৩ অক্টোবর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন আইনজীবী নিরোধ কুমার মজুমদার। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঘোনা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত সনাতন পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। দীর্ঘ পেশাজীবনে তিনি আইন পেশার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

এদিকে ফুলকোর্ট রেফারেন্স শেষে দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে সমিতির হলরুমে প্রয়াত আইনজীবী নিরোধ কুমার মজুমদারের স্মরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সমিতির আহ্বায়ক আইনজীবী বিএম মিজানুর রহমান পিন্টু।

রাজধানীতে চালের বস্তায় মিললো ১৩২ বোতল ফেন্সিডিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
রাজধানীতে চালের বস্তায় মিললো ১৩২ বোতল ফেন্সিডিল

পত্রদূত রিপোর্ট: চালের বস্তার মধ্যে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে পরিবহনের সময় ১৩২ বোতল ফেন্সিডিলসহ মো. ইমরান খান (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

রবিবার (৪ অক্টোবর) সকাল ৬টার দিকে দারুস সালাম থানাধীন গাবতলী বাগবাড়ীর সড়কে অভিযান চালানো হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে সাতক্ষীরা থেকে ঢাকায় যাওয়া পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস তল্লাশি করা হয়।

এ সময় চালের বস্তার মধ্যে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ১৩২ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার ও জব্দ করা হয়। এছাড়া ৪৫ কেজি চাল, একটি বাসের টিকিট ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত ইমরান খান বর্তমানে ঢাকার গুলশান এলাকায় বসবাস করেন। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দারুস সালাম থানায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, মাদকবিরোধী ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে মাদকের অবৈধ পরিবহন, সরবরাহ ও বিস্তারের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।