শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

পরিবেশ ও প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রাণীর ভূমিকা অপরিসীম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ণ
পরিবেশ ও প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রাণীর ভূমিকা অপরিসীম

প্রকাশ ঘোষ বিধান

পরিবেশ ও প্রকৃতিতে প্রাণীর ভূমিকা অপরিসীম এবং পরিবেশের ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বন্যপ্রাণী ও কীটপতঙ্গ এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে কাজ করে। একটি সুস্থ ইকোসিস্টেম বা বাস্তুতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে অণুজীব থেকে শুরু করে বিশাল আকারের হাতি পর্যন্ত প্রতিটি প্রাণীরই নির্দিষ্ট এবং গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে।

৪ অক্টোবর বিশ্ব প্রাণী দিবস অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পালিত হয়। গৃহপালিত কিংবা বন্য সব ধরনের প্রাণীর প্রতি মানুষের নিষ্ঠুরতা বন্ধ করা এবং তাদের নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিত করার জন্য সচেতনতা তৈরি করতে এই দিনটি পালন করা হয়।

প্রাণীদের অধিকার রক্ষা, তাদের কল্যাণের মাধ্যমে সার্বিক অবস্থার উন্নতি করা এবং বিশ্বজুড়ে প্রাণী কল্যাণ আন্দোলনকে জোরদার করাই এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য। প্রাণীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা, অধিকার রক্ষা করা এবং তাদের প্রতি মানুষের দায়িত্ববোধ বাড়াতে সচেতনতা তৈরি করা। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রাণীকুলের ভূমিকা ও অবদানকে স্বীকার করা।

জার্মান লেখক ও প্রকাশক হেনরীক জি¤œারমেন প্রথম এই দিবসের প্রবর্তক। ১৯২৫ সালের ২৫শে মার্চ জার্মানির বার্লিন স্পোর্ট প্যালেসে ৫ হাজারেরও বেশি মানুষের উপস্থিতিতে প্রথম প্রাণী দিবস উদযাপন করা হয়। পরবর্তীতে ১৯২৯ সালে প্রথমবার এই দিবসটি ৪ঠা অক্টোবরে পালন করা হয়। ১৯৩১ সালে ইতালির ফ্লোরেন্সে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক প্রাণী সুরক্ষা কংগ্রেসে ৪ঠা অক্টোবরকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব প্রাণী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

পরিবেশ ও প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রতিটি প্রাণীর ভূমিকা অপরিসীম। পৃথিবীতে কোনো প্রাণীই অপ্রয়োজনীয় নয়; ছোট একটি কীটপতঙ্গ থেকে শুরু করে বিশাল আকারের তিমি বা হাতি সবাই মিলে প্রকৃতির একটি জটিল ও স্বয়ংক্রিয় ভারসাম্য রক্ষা করে চলেছে।

একটি সুস্থ ও সচল বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে প্রতিটি ছোট-বড় প্রাণীরই নিজস্ব এবং নির্দিষ্ট কার্যকারিতা রয়েছে। প্রতিটি প্রাণীই কোনো না কোনো খাদ্যশৃঙ্খলের অংশ। তৃণমূল বা উদ্ভিদভোজী প্রাণী উদ্ভিদ খেয়ে বেঁচে থাকে, আবার মাংসাশী প্রাণী তাদের শিকার করে। এর ফলে কোনো নির্দিষ্ট প্রজাতির সংখ্যা অতিরিক্ত বাড়তে বা কমতে পারে না, যা প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখে।
ব্যাঙ, চড়ুই পাখি, মাকড়শা এবং বিভিন্ন ছোট পাখি ফসলের ক্ষতিকারক পোকা-মাকড় খেয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে বালাই নিয়ন্ত্রণ করে। এর ফলে জমিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না, যা পরিবেশ ও মাটির স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

বানর, পাখি, কাঠবিড়ালি ইত্যাদি প্রাণী ফল খাওয়ার পর তার বীজ দূরে ফেলে দেয় বা মলের মাধ্যমে ত্যাগ করে। এর ফলে বনের পরিধি বাড়ে এবং নতুন নতুন উদ্ভিদ জন্মায়। মৌমাছি, প্রজাপতি, পাখি এবং বাদুড়ের মতো প্রাণীরা উদ্ভিদের পরাগায়নে সরাসরি সাহায্য করে। পরাগায়ন না হলে ফুল থেকে ফল বা বীজ হতো না, যার ফলে পৃথিবীর অধিকাংশ উদ্ভিদ একসময় বিলুপ্ত হয়ে যেত। পাখি এবং স্তন্যপায়ী প্রাণী ফল খাওয়ার পর মলত্যাগের মাধ্যমে বা শরীরের সাথে আটকে রেখে দূর-দূরান্তে উদ্ভিদের বীজ ছড়িয়ে দেয়। এর ফলে নতুন নতুন এলাকায় বনাঞ্চল গড়ে ওঠে।

মৃত প্রাণী ও বর্জ্য পদার্থগুলোকে বিভিন্ন ছোট পোকা-মাকড় এবং অণুজীব ভেঙে মাটিতে মিশিয়ে দেয়। এই পচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নাইট্রোজেন, কার্বন ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান পুনরায় মাটিতে ফিরে আসে এবং নতুন উদ্ভিদ জন্মাতে সাহায্য করে। কেঁচো, উইপোকা এবং বিভিন্ন অণুজীব মাটিকে আলগা করে, যা উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান গ্রহণে সাহায্য করে এবং মাটির উর্বরতা বাড়ায়। কেঁচোকে প্রকৃতির লাঙল বলা হয়, কারণ এটি মাটির উর্বরতা বহু গুণ বাড়িয়ে দেয়।

কিছু প্রাণী প্রকৃতির ঝাড়ুদার হিসেবে কাজ করে পরিবেশকে রোগজীবাণু মুক্ত রাখে। শকুন, কাক, হায়েনা এবং গুই সাপের মতো প্রাণীরা মৃত ও পচা প্রাণীর দেহাবশেষ খেয়ে পরিবেশকে দুর্গন্ধ ও রোগজীবাণুর হাত থেকে মুক্ত রাখে। তারা মূলত প্রকৃতির ময়লা পরিষ্কারকারী হিসেবে কাজ করে। এরা না থাকলে প্রকৃতিতে মহামারী বা নানাবিধ রোগ ছড়িয়ে পড়ত। মরা ও পচা জন্তু-জানোয়ার খেয়ে এরা পরিবেশ পরিষ্কার রাখে। এতে ব্যাকটিরিয়া বা মহামারী ছড়াতে পারে না।

জলজ ও স্থলজ প্রাণীরা শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে বায়ুম-লে কার্বন ডাই অক্সাইড ও অক্সিজেনের ভারসাম্য বজায় রাখতে পরোক্ষভাবে ভূমিকা রাখে। প্রাণীরা শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগ করে, যা উদ্ভিদ নিজের খাদ্য তৈরির সালোকসংশ্লেষণ জন্য গ্রহণ করে। আবার উদ্ভিদ যে অক্সিজেন ত্যাগ করে, তা গ্রহণ করে প্রাণীকুল বেঁচে থাকে। এই পারস্পরিক আদান-প্রদান বায়ুম-লের ভারসাম্য বজায় রাখে।

প্রকৃতি একটি বিশাল জালের মতো, যেখানে প্রতিটি সুতো হলো একটি প্রাণী। একটি সুতো ছিঁড়ে গেলে পুরো জালটিই দুর্বল হয়ে পড়ে। বাস্তুতন্ত্রের একটি ছোট অংশ বা কোনো একটি নির্দিষ্ট প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে গেলে পুরো শৃঙ্খলটি ভেঙে পড়ে। তাই মানবজাতির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতেই আমাদের চারপাশের জীববৈচিত্র্য ও প্রাণীজগৎকে রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Ads small one

ঝাউডাঙ্গায় ১৩ সদস্যের মাদক নির্মূল কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ
ঝাউডাঙ্গায় ১৩ সদস্যের মাদক নির্মূল কমিটি গঠন

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১১নম্বর ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের পাথরঘাটা গ্রামে মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে এক নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে মাহবুবর রহমানকে সভাপতি এবং আলমগীর হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৩ সদস্যের নির্বাহী কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

৩ আগস্ট সন্ধ্যায় পাথরঘাটা ২ নম্বর ওয়ার্ডের মোড়ে আয়োজিত এক সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝাউডাঙ্গা বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আবু মোসা, সদর উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আক্তারুজ্জামান বাপ্পি, ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহিদ ইকবাল, জামায়াতে ইসলামীর ওয়ার্ড সভাপতি জুলফিকার আলী, ইউনিয়ন জাসদ সভাপতি আফসার আলী, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, ইউনিয়ন তাঁতী দলের সভাপতি শরিফুল ইসলাম ও স্থানীয় সমাজসেবক হাফিজুর রহমান খোকন। সভায় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সর্বস্তরের বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা এলাকাকে সম্পূর্ণরূপে মাদকমুক্ত করার সংকল্প ব্যক্ত করেন।

সবার হক নিশ্চিত করার দায়িত্ব আমার: এমপি ইজ্জতউল্যাহ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ
সবার হক নিশ্চিত করার দায়িত্ব আমার: এমপি ইজ্জতউল্যাহ

এম এম জামান মনি, পাটকেলঘাটা: তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়নে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩ অক্টোবর বিকেল পাঁচটায় ঘোনা বাজারে ইসলামকাটি ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাওলানা বাহাউদ্দিনের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন সেক্রেটারি মো. আক্তার হোসেনের পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য বলেন, ‘এলাকার উন্নয়নে আমি সকলের সহযোগিতা চাই। বরাদ্দের অর্থ যেন কোনো জনপ্রতিনিধি বা অন্য কেউ আত্মসাৎ করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। চাঁদা ও ঘুষের কারণে কাউকে যেন হয়রানির শিকার হতে না হয়। যার হক, তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে। সবার হক নিশ্চিত করার দায়িত্ব আমার, আর আমার কোনো ত্রুটি থাকলে তা শুধরে দেওয়ার দায়িত্ব আপনাদের।’
পথসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, ইসলামকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সহ-অধ্যাপক গোলাম ফারুখ, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উপজেলা সভাপতি মাস্টার আমিনুর রহমান, সেক্রেটারি মো. আব্দুল হালিম, আব্দুল হাকিম, মাওলানা খসরুল আলম, মাওলানা সাইফুল্লাহ মনসুর, মো. জুবায়ের হোসেন ও কাসেদ আলী। সভায় স্থানীয় জামায়াত ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা এলাকার সার্বিক সামাজিক ও রাজনৈতিক দিকনির্দেশনামূলক নানা বিষয়ে আলোচনা করেন।

বাকশিস সাতক্ষীরা জেলা শাখার নির্বাচনে সভাপতি খলিলুর ও সম্পাদক নূর মোহাম্মদ বিজয়ী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
বাকশিস সাতক্ষীরা জেলা শাখার নির্বাচনে সভাপতি খলিলুর ও সম্পাদক নূর মোহাম্মদ বিজয়ী

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি (বাকশিস) সাতক্ষীরা জেলা শাখার ১০ম ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২৬-এর ফলাফল চূড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। এতে সভাপতি পদে মো. খলিলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক পদে নূর মোহাম্মদ পাড় বিজয়ী হয়েছেন। নির্বাচনে বিভিন্ন পদে বিজয়ী প্রার্থী, তাঁদের প্রাপ্ত ভোট এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটের চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো: সভাপতি: বিজয়ী মো. খলিলুর রহমান পেয়েছেন ৩৩৪ ভোট (১০টি বাতিল)। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আশফাকুর রহমান পেয়েছেন ১৯৬ ভোট।

সহ-সভাপতি: প্রথম বিজয়ী এস. এম. সহিদুল আলম পেয়েছেন ৩৪৮ ভোট। অন্য বিজয়ীদের মধ্যে মো. অলিউল ইসলাম ৩৪২ ভোট, মো. আবুল কালাম ৩৩৯ ভোট এবং মো. আজিয়ার রহমান ৩৩৪ ভোট পেয়েছেন।

এই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী শিবপদ গাইন ৩১৩ ভোট, মো. আরিফ বিল্লাহ ১৮৬ ভোট, তপন কুমার রায় ১৮৫ ভোট, মু. শহীদুল ইসলাম ১৮১ ভোট, মো. আজিজুর রহমান ১৬৯ ভোট এবং মো. মশিউল আজম ১৯৪ ভোট পেয়েছেন।
সাধারণ সম্পাদক: বিজয়ী নূর মোহাম্মদ পাড় পেয়েছেন ৩৪২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এস.এম সফিউল ইসলাম পেয়েছেন ১৯৫ ভোট।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: বিজয়ী মো. শাহাদাৎ হোসেন পেয়েছেন ৩৪৫ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আব্দুর রউফ পেয়েছেন ১৮৫ ভোট।
সহ-সম্পাদক: বিজয়ী মো. রফিকুল ইসলাম ৩৪৫ ভোট এবং মো. সাইফুল ইসলাম ৩৪১ ভোট পেয়েছেন। অপর প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে শেখ আবু নঈম ১৮৫ ভোট এবং মো. রুহুল আমীন ১৯২ ভোট পেয়েছেন।
কোষাধ্যক্ষ: বিজয়ী মো. আবদুল জব্বার পেয়েছেন ৩৫১ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বখতিয়ার উদ্দিন পেয়েছেন ১৮৫ ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক: বিজয়ী জি.এম আবদুল ওহাব পেয়েছেন ৩৬৪ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আকবর হোসেন পেয়েছেন ১৮৫ ভোট।
দপ্তর সম্পাদক: বিজয়ী মো. আরিফ হোসেন পেয়েছেন ৩৪৮ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মো. টিপু সুলতান বিশ্বাস পেয়েছেন ১৮৫ ভোট।
সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক: বিজয়ী মো. ইদ্রিস আলী পেয়েছেন ৩৪৪ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মুহা. ইবাদুল ইসলাম পেয়েছেন ১৮৯ ভোট।
প্রকাশনা ও প্রচার সম্পাদক: বিজয়ী মো. নাজমুল হক পেয়েছেন ৩৫৯ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী নূর হোসাইন পেয়েছেন ১৮৪ ভোট।
গণসংযোগ সম্পাদক: বিজয়ী শেখ রফিকুল ইসলাম পেয়েছেন ৩৪০ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মো. হাবিবুর রহমান পেয়েছেন ১৮৫ ভোট।
সমাজ কল্যাণ সম্পাদক: বিজয়ী আসিফ বায়েজীদ পেয়েছেন ৩৫১ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মো. হুমায়ুন কবীর পেয়েছেন ১৮০ ভোট।
ক্রীড়া সম্পাদক: বিজয়ী মো. আরিফুল ইসলাম পেয়েছেন ২৭৪ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী কাজী মো. তৌহিদুল ইসলাম পেয়েছেন ১৯১ ভোট।
মহিলা সম্পাদক: বিজয়ী নাসরিন আক্তার বানু পেয়েছেন ৩৩০ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মোমেনা খানম পেয়েছেন ২০৪ ভোট।
সহ-মহিলা সম্পাদক: বিজয়ী চম্পা রানী হাজরা পেয়েছেন ৩৪৭ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মাহহুরা খাতুন পেয়েছেন ১৮৩ ভোট।
বিজয়ী কার্যকরী সদস্যবৃন্দ হলেনÑ মো. রেজাউল করিম, মো. বাবলুর রহমান, মো. নওরশাদ আলম, মো. তৌহিদুল রহমান -১, মো. তোফাজ্জল হোসেন, মো. সাইদুল হোসেন, মো. আমজাদ হোসেন, বাসুদেব কুমার সিংহ, মো. আবদুল মান্নান, মো. কামরুজ্জামান, এস.এম শফিকুল আজম, শঙ্কর কুমার সরকার, আবু সাঈদ তৌহিদ উদ্দীন আহমেদ, মো. ইয়াসিন আলী, রবীন্দ্রনাথ কর্মকার, অমরেন্দ্র নাথ মৃধা, পরেশ কুমার পাল, স.ম আবদুল মান্নান, হারুন-অর-রশিদ, আবুল হাসান মো. ফিরোজ কবীর, এস.এম কামরুজ্জামান, শেখ মঞ্জুরুল ইসলাম, পরমেশ চন্দ্র হারামী, মো. আনারুল ইসলাম, মো. আহসান হাবিব, মো. আশফাকুর রহমান, বি. এম আশরাফ উদ্দীন, সরদার নুরুল ইসলাম, মো. শফিউল আলম, মধুসূদন মন্ডল, সন্দীপ দাস, নাজমুল হাসান, পবিত্র কুমার মন্ডল প্রমুখ।