সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

পাইকগাছায় গদাইপুর হাটে সুপারি বেচাকেনা জমে উঠেছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৩ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় গদাইপুর হাটে সুপারি বেচাকেনা জমে উঠেছে

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): খুলনার পাইকগাছা উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে সুপারি বেচাকেনা বেশ জমে উঠেছে। উপজেলার গদাইপুর বাজারে সুপারির সব থেকে বড় বসে। সাপ্তাহিক হাটে সুপারির বেচা কেনা জমে উঠেছে। অক্টোবর-নভেম্বর মাস জুড়ে সুপারির ভরা মৌসুম চলে।

উপজেলার গদাইপুর, আগড়ঘাটা, বাকা, নতুন বাজার, কপিলমুনিসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রচুর পরিমাণে সুপারি বিক্রি হচ্ছে। এ বছর সুপারির ফলন খুব বেশি ভাল হয়নি। ব্যবসাহীরা জানান, সুপারি পাকার শুরুতে দাম বেশী ছিলো, এখন দাম কিছুটা কমে গেছে। এখন সুপারির ভরা মৌসুম চলছে। ফলে বাগান মালিক, খুচরা ও পাইকারী বিক্রেতারা সুপারি ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে ব্যস্ত রয়েছে।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ৪০ হেক্টর জমিতে সুপারি বাগান রয়েছে।

 

গাছের সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার ৪শতটি। গাছ প্রতি ২ থেকে ৪ কাধি সুপারির ফলন ধরে। কোন কোন গাছে সর্বনিন্মে ৫০ থেকে ১৫০ আবার কোন কোন গাছে ৫শত থেকে ৬শত সুপারি ফলন হয়। লবণাক্ত এ উপজেলার ভূমির অবস্থান উচু ও বিলান, নিচু ও বিলান জমির পরিমাণ বেশী। উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার মধ্যে গদাইপুর, হরিঢালী, কপিলমুনি, রাড়ুলীতে সুপারি গাছের পরিমাণ বেশী। চাঁদখালী ও পৌরসভার আংশিক এলাকায় সুপারি গাছ রয়েছে। বাকী ইউনিয়নগুলোতে গাছ নেই বললেই চলে।

বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন হাটে সুপারি সরবরাহ করে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বাজার থেকে পাইকারী সুপারি ক্রয় করে এলাকার বাইরে মোকাম গুলোতে বিক্রি করছে। তাছাড়া স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ীরা সুপারি ক্রয় করে গুদামজাত করছে। যা পরে শুকিয়ে বা পানিতে মজিয়ে পরবর্তীতে বিক্রি করা হবে।

গদাইপুর গ্রামের সুপারি বাগান মালিক শফিকুল ইসলাম জানান, এ বছর সুপারির ফলন খুব ভাল হয়নি সে সাথে বাজার মূল্যও ভাল না। স্থানীয় সুপারি ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলামসহ অন্যান্য ব্যবসায়ীরা জানান, এ বছর বাজারে সুপারির পরিমাণ কিছুটা কম। সুপারির দাম উঠানামা করেছে, প্রথমে ৪শত থেকে ৫ শত টাকা কুড়ি বিক্রি হলেও এখন ২৫০ থেকে ৩শত টাকা দরে কুড়ি বিক্রি হচ্ছে। সুপারির হিসাব অঞ্চল হিসাবে ভিন্ন। এ এলাকায় এক কুড়ি ৫৫গোন্ডা অর্থাৎ ২২০টি সুপারি। ব্যবসায়ীরা স্থানীয় হাট-বাজার থেকে পাইকারী সুপারি কিনে বড়দল, সোলাদানা, শান্তাসহ পাশ্ববর্তী হাট-বাজারের আড়ৎ গুলোতে সুপারি বিক্রয় করেন।

পাইকগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ একরামুল হোসেন জানান, সুপারি এ অঞ্চলের একটি অর্থকারী গুরুত্বপূর্ণ ফসল। তাছাড়া এ এলাকার সুপারির মানও ভালো। তবে লম্বা সুপারি গাছ গুলো মরে যাওয়ায় অথবা কেঁটে ফেলায় নতুন করে সুপারির বাগান তেমন একটা গড়ে উঠছে না। তাই কৃষি অফিস থেকে নতুন করে সুপারি বাগান তৈরীর জন্য বাগান মালিক ও কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

Ads small one

ফিফা সভাপতিকে ঢাকায় স্বাগত জানালেন বাফুফে সভাপতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪৩ পূর্বাহ্ণ
ফিফা সভাপতিকে ঢাকায় স্বাগত জানালেন বাফুফে সভাপতি

মরক্কো থেকে ভুটান যাওয়ার পথে ঢাকায় সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি করেছেন বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। রবিবার দুপুরের পর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল।

ভুটানে যাওয়ার পথে ঢাকাকে ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করেছেন ইনফান্তিনো। তার যাত্রাপথে সরাসরি ফ্লাইট না থাকায় ঢাকায় এই যাত্রাবিরতি।

এ সময় ঘণ্টাখানেক তারা বাংলাদেশ ও সামগ্রিক ফুটবল নিয়ে আলোচনা করেন। বাফুফে সহ-সভাপতি ও গভর্নমেন্ট রিলেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরি হ্যাপি বলেন, ‘সভাপতি ও আমরা সবাই বাংলাদেশের ফুটবলের নানা বিষয় তুলে ধরেছি। কক্সবাজারে ফিফার অর্থায়নে টেকনিক্যাল সেন্টার নির্মাণের বিষয়টি তাকে অবহিত করা হয়েছে। প্রয়োজনে ফিফার আর্থিক সহায়তার পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়ার ব্যাপারে প্রাথমিক আশ্বাসও মিলেছে। ’

 

বিমানবন্দরে ইনফান্তিনোর ট্রানজিট সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করেছিল বাফুফে।

তবে ফিফা সভাপতির বাংলাদেশে এই সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতির বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে কিছু জানায়নি দেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। এমনকি জাতীয় দল কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সভা নিয়েও কোনও তথ্য জানানো হয়নি। অথচ নারায়ণগঞ্জে সম্ভাব্য ফুটবল অ্যাকাডেমির জন্য জায়গা পরিদর্শনের আগাম আমন্ত্রণপত্র প্রচারে গুরুত্ব দিয়েছে বাফুফে।

বাফুফের মিডিয়া বিভাগে দুজন উচ্চ বেতনে কর্মরত থাকলেও সংস্থাটির গণমাধ্যম ব্যবস্থাপনা ও তথ্য সরবরাহ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাদের একজন জাতীয় নারী দলের ম্যানেজার হিসেবে ভারতের গোয়ায় সাফে বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলেন; তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া আমিরুল ইসলাম বাবুর নেতৃত্বে মিডিয়া কমিটি থাকলেও কার্যকারিতা নিয়ে আছে প্রশ্ন।

 

টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের নতুন অধিনায়ক নাহিদা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪২ পূর্বাহ্ণ
টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের নতুন অধিনায়ক নাহিদা

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের টি-টোয়েন্টি নেতৃত্বে পরিবর্তন এসেছে। নিগার সুলতানার জায়গায় নতুন অধিনায়ক করা হয়েছে নাহিদা আক্তারকে। তার সহ-অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সোবহানা মোস্তারি।

এশিয়ান গেমসের পর টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন নিগার সুলতানা। নিজের খেলায় আরও মনোযোগ দিতেই নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান তিনি। এর আগে ক্রিকবাজ জানিয়েছিল, নিগারের উত্তরসূরি হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন নাহিদা-ই।

ক্রিকবাজকে বিসিবির নারী বিভাগের প্রধান রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচক প্যানেলের সদস্যদেরসহ অন্যদের সঙ্গে আমরা বসেছিলাম। এরপর টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়কত্ব নাহিদার হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সোবহানা মোস্তারি তার সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।’

নাহিদাকে দায়িত্ব দেওয়ার উপযুক্ত সময় এখনই বলে মনে করছে বিসিবি। ২০২২ সালে নিগার টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হওয়ার পর থেকেই দলের সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করে আসছেন নাহিদা।

রফিকুল বলেন, ‘নাহিদা বেশ দীর্ঘ সময় ধরে সহ-অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। এখন আমরা মনে করছি, টি-টোয়েন্টি দলের দায়িত্ব তার হাতে তুলে দেওয়ার সঠিক সময় এসেছে।’

টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব ছাড়লেও ওয়ানডেতে অধিনায়ক থাকছেন নিগার। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সফরে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজেও তার নেতৃত্বেই খেলেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ নারী দলের পরবর্তী সূচি আইসিসি উইমেন্স এমার্জিং নেশনস ট্রফি। থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় এই প্রতিযোগিতায় আগামী ১২ নভেম্বর পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু করবে দলটি।

 

ব্যাটিংয়ে বারবার একই ধরনের ভুল হচ্ছে: তাসকিন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪০ পূর্বাহ্ণ
ব্যাটিংয়ে বারবার একই ধরনের ভুল হচ্ছে: তাসকিন

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করা বাংলাদেশের জন্য কঠিন হওয়ার কথা ছিল না। অন্তত আবুধাবির ব্যাটিং-সহায়ক উইকেটে ২৭০ রান জয়ের মতো সংগ্রহই ছিল- এমনটা মনে করেন তাসকিন আহমেদ। কিন্তু ব্যাটাররা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারেননি। ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৯৯ রানের বড় হারের পর ব্যাটিং ব্যর্থতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের এই পেসার।

শনিবার শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের দেওয়া ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩৩.৪ ওভারে মাত্র ১৭২ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। অথচ বল হাতে ভালো শুরুর পর ম্যাচে ফেরার সুযোগ তৈরি হয়েছিল তাদের সামনে। তাসকিন নিজে তিনটি উইকেটও নিয়েছিলেন। কিন্তু ব্যাটিংয়ের বেহাল দশায় সেই লড়াই শেষ পর্যন্ত কাজে আসেনি।

লক্ষ্য তাড়ায় বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ব্যর্থতাও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করতে নেমে সর্বশেষ ১০ ইনিংসের আটটিতেই ২৪০ বা তার বেশি রান তাড়া করতে পারেনি দলটি। পূর্ণকালীন ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে তাওহীদ হৃদয়ের প্রথম ম্যাচেও সেই চিত্রের পরিবর্তন হয়নি। টুর্নামেন্ট থেকে চোটের কারণে ছিটকে গেছেন লিটন দাস। তবে অভিজ্ঞ এই ব্যাটারের অনুপস্থিতিকে হারের অজুহাত হিসেবে দেখাতে রাজি নন তাসকিন।

ম্যাচের পর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘২৭২ রান অবশ্যই তাড়া করা সম্ভব ছিল, অন্তত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।’

তাসকিনের মতে, একটি জুটি গড়তে পারলেই ম্যাচের চিত্র বদলে যেতে পারত। তিনি বলেন, ‘আমরা আসলে ভালো খেলিনি। এই রান তাড়া করা উচিত ছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা একটিও জুটি গড়তে পারিনি। একটি জুটি হলে ম্যাচটা বের করে আনতে পারতাম। কিন্তু ব্যাটিংয়ে বারবার একই ধরনের ভুল হচ্ছে।’

বোলিংয়ে কিছুটা ধারাবাহিকতা ফিরলেও ব্যাটিংয়ে সেই উন্নতি দেখা যাচ্ছে না বলে মনে করেন তাসকিন। তার ভাষায়, ‘বোলিংয়ে অন্তত কিছুটা ধারাবাহিকতা এসেছে বলে মনে হচ্ছে। কিন্তু আমার মনে হয়, এই ম্যাচটা আমাদের ব্যাটারদেরই জেতানো উচিত ছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে তারা পারেনি। তারপরও একটি ম্যাচ বাকি আছে। আশা করি, আমরা ভালোভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারব এবং ফাইনালে খেলতে পারব।’