সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩

পাইকগাছায় ভুমিহীনদের জমি জবর বাড়িঘর ভাংচুর, লুটপাট, মারপিট ও অগ্নি সংযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় ভুমিহীনদের জমি জবর বাড়িঘর ভাংচুর, লুটপাট, মারপিট ও অগ্নি সংযোগ

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় ভুমিহীনদের বন্দোবস্তকৃত জমি জবর দখল, বাড়ী-ঘর ভাংচুর, লুটপাট, মারপিট ও অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা করার অপরাধে ভুমিহীন ৮ পরিবারকে এলাকা ছাড়া করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
জানা যায়, পাইকগাছা উপজেলার আগড়ঘাটাস্থ রামনাথপুর গ্রামের একটি অংশ কপোতাক্ষ নদের ভাঙ্গনে জেগে ওঠা চরভরাটি জমি ৫৫ জন ভুমিহীন পরিবারকে ৩ বিঘা করে সরকার বন্দোবস্ত দেয়। যা পাররামনাথপুর গ্রাম বা মৌজা নামে পরিচিত। সে অনুযায়ী উক্ত জমিতে বসতবাড়ী বানিয়ে দীর্ঘ ৩০ বছর যাবৎ তারা সেখানে বসবাস করছেন। ১০ মে রোববার বিকেলে ৫ টার দিকে হঠাৎ হরিঢালী ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ফারুখ হোসেন লাকির নেতৃত্বে ৪০-৫০ জন ভুমিদস্যু ভুমিহীনদের বন্দোবস্তকৃত জমি জবর দখল করতে যায়। এসময় তারা ভুমিহীনদের বসত বাড়িতে হামলা চালিয়ে নারীপুরুষদের বেধড়ক মারপিট করে জখম করে। ফাইমা বেগম (২৮) কে জখম অবস্থায় পাইকগাছা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এঘটনায় হামিদ সরদার বাদী হয়ে রাতে থানায় এজহার দাখিল করেন। এ খবর পেয়ে গভীর রাতে আবারও ইউপি সদস্য লাকির নেতৃত্বে আশরাফ শেখ, আজিজ শেখ, মজিদ শেখ,রহিম শেখ, ইউনুছ শেখ, হোসেন আলী শেখ, মোশাররফ চৌধুরী, শেখ রাজনসহ ৪০-৫০ জন ঘেরের বাঁধ কেটে মাছ লুটপাট করে। অগ্নিসংযোগ করে তপন বিশ্বাস ও সুতপ্ত গাইনের দুটি ঘর ভস্মীভূত করে দেয়। লোকজন জীবন রক্ষায় এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যান বলে ভুক্তভোগী সিরাজুল ইসলামসহ ভুমিহীনরা জানান। তাদের দাবী নারীদের হেনস্থা করা হয়েছে, পুড়ে গেছে সাগরে মাছ ধরার বেহোনদি জাল। যার মুল্য ৫ লক্ষাধিক টাকা। এছাড়া অন্যান্য আসবাপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এবিষয়ে ইউপি সদস্য লাকি বলেন, ঐ জমি রেকর্ডীয় জমি। আর আমি ১৮শ’ লোকের প্রতিনিধিত্ব করি। তাদের দেখভালের দায়িত্ব আমার। পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ গোলাম কিবরিয়া বলেন, একটা এজহার দাখিল হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করেছে। আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

Ads small one

মঞ্চসারথী আতাউর রহমান আর নেই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ২:১২ পূর্বাহ্ণ
মঞ্চসারথী আতাউর রহমান আর নেই

দেশের প্রখ্যাত নাট্যজন আতাউর রহমান আর নেই। আজ রাত ১১টার দিকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন অভিনেতা ও নাট্যনির্দেশক অনন্ত হিরা। এর আগে তার মেয়ে শর্মিষ্ঠা রহমান জানিয়েছিলেন, তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।

অনন্ত হিরা বলেন, “রাত ১১টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এখনো তার মরদেহ হাসপাতালেই রাখা আছে। আগামীকাল শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের জন্য শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তাকে দাফন করা হবে।”

আতাউর রহমানের মৃত্যুতে সংস্কৃতাঙ্গনে গভীর শোক নেমে এসেছে।

বাংলা নাট্যাঙ্গনের এক অবিস্মরণীয় নাম আতাউর রহমান। অভিনেতা, নাট্যকার, নির্দেশক, সংগঠক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অগ্রসৈনিক—প্রতিটি পরিচয়েই তিনি ছিলেন অনন্য। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের মঞ্চনাটক, টেলিভিশন নাটক ও নাট্যচর্চাকে তিনি শুধু সমৃদ্ধই করেননি, বরং একটি প্রজন্মকে পথও দেখিয়েছেন।

১৯৪১ সালের ১৮ জুন নোয়াখালীর ফেনীতে জন্মগ্রহণ করেন আতাউর রহমান। শৈশব থেকেই সাহিত্য, অভিনয় ও সংস্কৃতির প্রতি ছিল তাঁর গভীর অনুরাগ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকা বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করলেও জীবনের প্রকৃত ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন নাটককে। ষাটের দশকে তিনি মঞ্চনাটকের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন এবং ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেন বাংলাদেশের আধুনিক নাট্যআন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ।

স্বাধীনতা-পূর্ব ও পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের নাট্যচর্চাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে যাঁরা কাজ করেছেন, আতাউর রহমান তাঁদের অগ্রভাগে ছিলেন। তিনি অভিনয়ের পাশাপাশি নাটক নির্দেশনা ও নাট্যরচনায়ও সমান দক্ষতা দেখান। তাঁর নির্মাণে সামাজিক বাস্তবতা, মানবিক সংকট, রাজনৈতিক অভিঘাত ও মধ্যবিত্ত জীবনের নানা টানাপোড়েন উঠে এসেছে সংবেদনশীল ভাষায়।

মঞ্চে তাঁর উপস্থিতি ছিল দৃঢ় অথচ সংযত। সংলাপ উচ্চারণ, চরিত্র বিশ্লেষণ এবং অভিনয়ের বুদ্ধিবৃত্তিক গভীরতার জন্য তিনি আলাদা মর্যাদা লাভ করেন। টেলিভিশন নাটকেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত জনপ্রিয় মুখ। বিটিভির স্বর্ণালি সময়ে তাঁর অভিনীত অসংখ্য নাটক দর্শকের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত হয়।

নাট্যসংগঠক হিসেবেও তাঁর অবদান ছিল গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বাংলাদেশ সেন্টার অব ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইনস্টিটিউট (BCITI)-এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং দেশের নাট্যচর্চাকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সঙ্গে যুক্ত করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখেন। নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের প্রশিক্ষণ, নাট্যআন্দোলনের বিস্তার এবং সাংস্কৃতিক চর্চার বিকাশে তিনি আজীবন কাজ করে গেছেন।

সাহিত্যচর্চাতেও তিনি ছিলেন সক্রিয়। তাঁর লেখা নাটক, প্রবন্ধ ও রম্যরচনায় সমাজ পর্যবেক্ষণের সূক্ষ্মতা এবং ব্যঙ্গরসের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। ‘ষষ্ঠী তৎপুরুষ’, ‘দুই দুগুণে পাঁচ’ ও ‘মধ্যরাতের জোকস’-এর মতো গ্রন্থ তাঁর সাহিত্যিক পরিচয়কে সমৃদ্ধ করেছে।

শিল্প ও সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি ২০০১ সালে একুশে পদক এবং ২০২১ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হন। জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত তিনি নাটক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।

আতাউর রহমানের প্রয়াণে বাংলাদেশের নাট্যাঙ্গন হারাল এক প্রজ্ঞাবান অভিভাবককে। তাঁর কর্ম, দর্শন ও নাট্যভাষা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

লেবাননে ইসরায়ালি ড্রোন হামলায় সাতক্ষীরার ২ যুবক নিহত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ১:১৫ পূর্বাহ্ণ
লেবাননে ইসরায়ালি ড্রোন হামলায় সাতক্ষীরার ২ যুবক নিহত

পত্রদূত রিপোর্ট: দক্ষিণ লেবাননের জেবদিন নামের এলাকায় একটি বাড়িতে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় দুই বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মী ও একজন সিরীয় নাগরিক নিহত হয়েছেন। সোমবার লেবাননভিত্তিক সংবাদমাধ্যম লরিয়েন্ট টুডে এই তথ্য জানিয়েছে।
নিহতদের একজন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভালুকা চাদপুর গ্রামের আফসার আলী ও আজেয়া খাতুন দম্পতির ছেলে শফিকুল ইসলাম এবং অপরজন আশাশুনির কাদাকাটি গ্রামের মোঃ আব্দুল কাদের ও নুরুন্নাহান খাতুন দম্পত্তির ছেলে নাহিদুল ইসলাম নাহিদ বলে পবিারের সদস্যদের উদ্বৃতি দিয়ে নিশ্চিত করেছেন ভালুকা চাদপুর মডেল হাইস্কালের সহকারী প্রধান শিক্ষক আল কালাম আবু ওয়াহিদ ওরফে বাবলু মাষ্টার।
লেবাননে বাংলাদেশ দুতাবাসের প্রথম সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত এক শোকবার্তায় মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে পাওয়া শোকবার্তাটির সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
সামাজি যোগাযোগ মাধ্যমে পাওয়া শোবার্তায় বলা হয়েছে“ অত্যন্ত দুঃখের সহিত জানানো যাচ্ছে যে, লেবানন প্রবাসী দু’জন রেমিট্যান্সযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম পিতা মোঃ আফসার আলী, মাতা: আজেয়া খাতুন, ঠিকানা: ভালুকা চাঁদপুর, সাতক্ষীরা সদর, সাতক্ষীরা এবং মো নাহিদুল ইসলাম নাহিদ পিতা: মো: আব্দুল কাদের, মাতা: নুরুন্নাহার খাতুন, কাদাকাটি, আশাশুনি, সাতক্ষীরা আজ ১১ মে, ২০ ১২ টায় লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের নাবাতিয়ের যেবদীন এলাকায় তাদের আবাসস্থলে ইসরায়েলে ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহী ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।)
লেবানন প্রবাসী উপরোক্ত দু’জন রেমিট্যান্সযোদ্ধার মৃত্যুতে বাংলাদেশ দূতাবাস, বৈরুত একই সাথে দু’জন মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে। বর্তমানে মরদেহ নাখাতিয়ের নাবিহ বেররী হাসপাতালে রাখা হয়েছে।” শোকবার্তায় স্বাক্ষর করেছেন প্রথম সচিব মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন। রাত ১টায় এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সাতক্ষীরার কোন সরকারী কর্মকর্তার সাথেও নিহতদের পরিচয় সংক্রান্ত বিষয়টি নিশ্চিত করতে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
জানা গেছে, নিহত তিন ব্যক্তিই ওই এলাকায় কাজ করছিলেন। গতকাল ওই এলাকায় এটি ছিল ইসরায়েলি বাহিনীর দ্বিতীয় দফা হামলা। এর আগে জেবদিন পৌরসভার একটি রুটি বহনকারী ভ্যানে ড্রোন হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল। এতে স্থানীয় আরও দুজন বাসিন্দা নিহত হন।
চলতি বছরের ২ মার্চ লেবাননে পুনরায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। তখন থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ২ হাজার ৮৬৯ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া ইসরায়েলি হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৮ হাজার ৭৩০ জন মানুষ।
উল্লেখ্য, গত ১৬ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিলেন। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওই যুদ্ধবিরতিতে ইরান-সমর্থিত লেবানিজ সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর কোনো উল্লেখ ছিল না। অথচ দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে হিজবুল্লাহরই সরাসরি সংঘর্ষ ও গোলাগুলি চলছে।

পাটকেলঘাটায় ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই ভাইয়ের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ
পাটকেলঘাটায় ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই ভাইয়ের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটায় মাত্র ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে দুই সহোদরের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার পৃথক অসুস্থতায় ভুগে মারা যান যুগিপুকুরিয়া গ্রামের শহর আলী সরদারের দুই ছেলে আছিরদ্দীন (৫৮) ও মোহাম্মদ আলী (৫০)।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শহর আলীর পাঁচ ছেলের মধ্যে বড় ছেলে আছিরদ্দীন গত ২০ দিন ধরে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ছিলেন। সোমবার ভোরে নিজ বাড়িতেই তাঁর মৃত্যু হয়। বড় ভাইয়ের দাফনের প্রস্তুতি চলাকালেই দুপুর ১২টার দিকে মারা যান সেজ ভাই মোহাম্মদ আলী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন। স্বজনদের দাবি, তাঁর শরীরে একটি টিউমার জটিল আকার ধারণ করে পরবর্তীতে ক্যানসারে রূপ নিয়েছিল।
একই দিনে দুই ভাইয়ের এমন মৃত্যুতে পরিবারটিতে চলছে কান্নার রোল। মৃত আছিরদ্দীনের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। অন্যদিকে মোহাম্মদ আলী রেখে গেছেন এক ছেলে ও পাঁচ মেয়েকে। সোমবার বাদ জোহর বড় ভাই আছিরদ্দীনের এবং বাদ মাগরিব সেজ ভাই মোহাম্মদ আলীর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁদের পাশাপাশি দাফন করা হয়।

প্রতিবেশী ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অল্প সময়ের ব্যবধানে দুই ভাইয়ের মৃত্যুতে গ্রামে বিষাদময় পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারটিকে সান্ত¡না দিতে ভিড় করছেন আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী।