শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

পাইকগাছায় ভোরবেলার গাছের চারার হাট জমে উঠেছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় ভোরবেলার গাছের চারার হাট জমে উঠেছে

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): খুলনার পাইকগাছায় গদাইপুর বাজারে ভোর বেলার গাছের চারার হাট জমে উঠেছে। হাটে প্রচুর পরিমানে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ-বনজ, ফুল ও ঔষধী গাছের চারা উঠছে। ক্রেতা-বিক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের সমাগমে নার্সারী চারার হাট জমে উঠেছে। ভোরের হাট সকাল ১০টার মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। তবে স্থানীয় ক্রেতাদের জন্য বিকাল বেলাও আংশিক এলাকায় চারার হাট বসে।

বর্ষাকাল বৃক্ষরোপনের উপযুক্ত সময়। পরিবেশ সুরক্ষায় বৃক্ষের অবদান অপরিসীম। বৃক্ষ ছাড়া পরিবেশ সুরক্ষা অসম্ভব। আষাঢ়-শ্রাবন বর্ষাকাল শেষ হলেও এখনও বর্ষাকালের মতো বৃস্টি হচ্ছে। এতে চারা রোপনের উপযুক্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। তাই গদাইপুরে ভোরবেলার চারার হাটে বিভিন্ন প্রকারের চারা ক্রয়- বিক্রয়ের হিড়িক পড়েছে।

গদাইপুরে ভোরবেলার চারার হাট দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের মধ্যে সাড়া ফেলেছে। উপকূলের কয়রা, দেবহাটা, তালা ও আশাশুনিসহ দক্ষিণ অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ী ও খুচরা ক্রেতারা ভোরবেলার হাট থেকে পছন্দমত বিভিন্ন প্রজাতির চারা ক্রয় করছেন।

দক্ষিণ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী একটি বাজার পাইকগাছার গদাইপুর। এ বাজারে সপ্তাহে শুক্রবার, সোমবার ও বুধবার হাট বসে। হাটে পাইকারী ও খুচরা বিভিন্ন মালামাল বিক্রয় হয়। বর্ষাকালে ভোরবেলা বাজারে চারার হাট দক্ষিণ অঞ্চলে ব্যবসায়ী ক্রেতাদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

 

গদাইপুর নার্সারীর জন্য বিখ্যাত। গদাইপুরের নার্সারীর চারা দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে। দেশ ব্যাপি গদাইপুর নার্সারীর নাম ছড়িয়ে পড়েছে। গদাইপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে প্রায় সাাড়ে ৪শত নার্সারী প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এ সকল নার্সারীতে উৎপাদিত বিভিন্ন চারা ও কলম নার্সারী মালিকরা ভোরবেলা গদাইপুর হাটে তুলছে। ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা খুব ভোরে এসে পছন্দমত চারা ক্রয় করে দক্ষিণ অঞ্চলের বিভিন্ন হাটে বিক্রয় করছে। হাটে আম, কাঁঠাল, জাম, জামরুল, লিচু, কদবেল, বিভিন্ন জাতের কুল, পেয়ারা, বাতাবি লেবু, মাল্টা, কমলা লেবু, দেশী বিদেশী নারিকেল চারা, সুপারী, মেহগনি, সিরিশ, লম্বুসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশী বিদেশী ফুলের চারা হাটে ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে।

 

ক্রেতারা বাজার ঘুরে পছন্দমত গাছ কিনছে। সর্বনিন্মে ২০ টাকা থেকে ৬শ টাকা দরে কলম বিক্রি হচ্ছে। মাল্টা ও কমলা লেবুর চারা ও বিদেশী নারিকেলের চারা দাম বেশী। বিদেশী নারিকেলের চারা ৫শ টাকা, বড় মাল্টা ও কমলা লেবুর চারা প্রায় ৬শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়া চারা বড় ও মানের উপরে বিভিন্ন দামে চারা বিক্রি হচ্ছে। বাজারে প্রচুর পরিমানে গাছের চারা উঠেছে। বাজার ঘুরে পছন্দমত চারা ক্রয় করা যাচ্ছে এবং বাজারের চারা দামও কম।

কয়রা উপজেলার উত্তর বেদকাশী গ্রামের ব্যবসাহী আব্দুলরহিম জানান, সোহবান, করিম, রহমত রাত দুইটায় রওনা দিয়ে সকালে গদাইপুর চারার হাটে এসেছে। চারা কিনে তারা কাশীর হাটে বিক্রি করবেন। তাছড়া পাটকেলঘাটা, কুলিয়া, আাঠার মাইলসহ বিভিন্নস্তান থেকে ব্যবসাহীরা কলমের চারা কিনতে বাজারে এসেছে। গদাইপুর গ্রামের চারা ব্যবসাহী মোবারক হোসেন ও মিজানুর রহমান জানান, এবছর প্রচুর বৃস্টি হচ্ছে আর বৃস্টি শুরু হওয়ায় চারার চাহিদা ও বিক্রি বেড়েছে ।

পাইকগাছা উপজেলা নার্সারী মালিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অশোক কুমার পাল জানান, গদাইপুর এলাকায় ছোট বড় প্রায় সাড়ে ৪শ নার্সারী রয়েছে। এ সকল নার্সারী থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় চারা সরবরাহ করা হয়। তবে গদাইপুর বাজারে ভোরবেলার হাটে প্রচুর পরিমাণ চারা উঠছে। ক্রেতারা তাদের পছন্দমত চারা ক্রয় করতে পারছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ একরামুল হোসেন জানান, পরিবেশ সু-রক্ষায় বৃক্ষের অবদান অপরিসীম। সারাদেশে সরকারি ভাবে প্রচুর পরিমাণে বৃক্ষরোপন করা হচ্ছে। গদাইপুরে ভোরবেলা হাট থেকে ক্রেতারা চারা ক্রয় করে সূর্যের তাপ ছাড়াই সুস্থ্য ও সবল চারা চারা গন্তব্যস্থানে নিয়ে যেতে পারে। এতে চারার মানও ভাল থাকে। এ কারণে ভোরবেলার গদাইপুর হাটে চারার হাট থেকে ক্রেতাদের চারা ক্রয়ের আগ্রহ বাড়ছে।

Ads small one

পাটকেলঘাটায় পুজা উপলক্ষে হাজার পরিবারের মাঝে শাড়ি লুঙ্গি নগদ অর্থ বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২১ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটায় পুজা উপলক্ষে হাজার পরিবারের মাঝে শাড়ি লুঙ্গি নগদ অর্থ বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি: হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শাড়ি লুঙ্গি নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। টাটা ক্রপকেয়ার কোম্পানির ম্যানেজিং ডিরেক্টর কেশব সাধু শুক্রবার সকাল দশটায় তার নিজ গ্রাম তৈলকুপিতে প্রায় হাজার পরিবারের মাঝে উক্ত শাড়ি লুঙ্গি নগদ অর্থ বিতরণ করেন।

 

কেশব সাধু বলেন, প্রতি বছর পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা উপলক্ষে গরীব অসহায় মানুষের মাঝে সাহায্য সহযোগিতা প্রদান করে আসছেন।

 

কেবশ সাধু বলেন, আমি এলাকার মানুষের ভালবাসায় সিক্ত। গতবছর পুজায় আমার বাবা আনন্দ সাধু নিজ হাতে বিতরণ কাজ করেছিলেন। এ বছর বাবা নেই, বাবা থাকলে তিনি নিজ হাতে এ কাজ করতেন। তিনি সকলের কাছে বাবার জন্য আর্শিবাদ কামনা করেন, বাবা যেন পরপারে সুখে শান্তিতে থাকতে পারেন। বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টাটা ক্রপকেয়ারের স্বত্বাধিকারী গোবিন্দ সাধু, ব্যবসায়ী নারায়ণ চন্দ্র সাধুসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু সচেতনতায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০৪ অপরাহ্ণ
কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু সচেতনতায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: মশার বংশবিস্তার রোধ এবং স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসা মানুষকে ডেঙ্গু সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষ্যে খুলনার কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আয়োজনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

অভিযানকালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও কর্মচারীরা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে জমা পানি, পরিত্যক্ত পাত্র ও ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেন। পরবর্তীতে বহির্বিভাগ ও অন্তর্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাঁদের স্বজনদের ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষায় কী কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত-সে বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ প্রদান করেন।

কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন ও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. ডালটন সানা, ডা. তন্ময় মন্ডল, ডা. মাম্পি মন্ডল এবং ডেন্টাল সার্জন ডা. মো. আব্দুর রহমান রাজ।

উপস্থিত চিকিৎসকরা বলেন, “ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ব্যক্তি সচেতনতার বিকল্প নেই। ঘরের চারপাশ ও আঙিনা পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি রাতে ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহারের গুরুত্ব বোঝাতেই আমরা রোগী ও সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলছি। এ ধরনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।”

মেরুদন্ডের চিকিৎসায় বিদেশমুখিতা কমাতে সরকারি হাসপাতালে স্পাইন ইউনিটের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৬ অপরাহ্ণ
মেরুদন্ডের চিকিৎসায় বিদেশমুখিতা কমাতে সরকারি হাসপাতালে স্পাইন ইউনিটের দাবি

এসএম বিপ্লব হোসেন: মেরুদন্ডের উন্নত চিকিৎসাসেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে দেশের প্রতিটি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও জেলা সদর হাসপাতালে পৃথক স্পাইন ইউনিট চালুর দাবি জানিয়েছেন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্পাইন সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও স্পাইন বিশেষজ্ঞ ডা. মো. মাহামুদুল হাসান পলাশ। একই সঙ্গে স্পাইন সার্জনদের জন্য পৃথক পদ সৃষ্টি ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিশ্ব স্পাইন ডে উপলক্ষে সাতক্ষীরা স্পেশালাইজড হসপিটালের উদ্যোগে আয়োজিত র‌্যালি ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘স্পাইন হেলথ ফর লাইফ’ অর্থাৎ আজীবন মেরুদন্ডের সুস্বাস্থ্য।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থোপেডিকস, ট্রমা ও স্পাইন বিশেষজ্ঞ ডা. মো. মাহামুদুল হাসান পলাশ। বক্তব্য রাখেন কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. বাপ্পী কুমার দাশ, প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক ডা. আবুল কালাম বাবলা, সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান রাসেল, সাতক্ষীরা পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ-দৌলা সাগর, ধানদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, সাতক্ষীরা সুলতানপুর বড়বাজার কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রওশন আলী এবং সাধারণ সম্পাদক রজব আলী খাঁসহ অন্যরা।

সভায় ডা. মো. মাহামুদুল হাসান পলাশ বলেন, মেরুদন্ড সুস্থ না থাকলে স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হয়। হাঁটাচলা, দৈনন্দিন কাজকর্ম ও শারীরিক সক্ষমতার সঙ্গে মেরুদন্ডের সুস্বাস্থ্যের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তাই মেরুদন্ড সুস্থ রাখতে সচেতনতা, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ, নিয়মিত হাঁটাচলা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন জরুরি। ফাস্ট ফুড ও জাঙ্ক ফুড পরিহার এবং পর্যাপ্ত ঘুমের প্রতিও গুরুত্ব দেন তিনি।

মেরুদন্ডের ব্যথাকে অবহেলা না করার আহ্বান জানিয়ে এই চিকিৎসক বলেন, অনেকে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই ওষুধের দোকান থেকে ব্যথানাশক ওষুধ কিনে সেবন করেন। এতে কিডনি ও যকৃতের ক্ষতির ঝুঁকি রয়েছে। মেরুদন্ডের ব্যথার পেছনে ডিস্কের সমস্যা ছাড়াও যক্ষ্মা, ক্যানসার, হাড়ের ক্ষয়, কাইফোসিস, স্কলিওসিস ও অস্টিওপোরোটিক ফ্র্যাকচারের মতো বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। তাই সঠিক রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

সরকারি পর্যায়ে উন্নত স্পাইন চিকিৎসার সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, বেসরকারি হাসপাতালে মেরুদন্ডের চিকিৎসা অনেকের সামর্থ্যের বাইরে। ফলে সাধারণ ও দরিদ্র রোগীদের জন্য সরকারি হাসপাতালে এ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা জরুরি। দেশের প্রতিটি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও জেলা সদর হাসপাতালে পৃথক স্পাইন ইউনিট চালু, স্পাইন সার্জনদের জন্য স্বতন্ত্র পদ সৃষ্টি এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য অনেক রোগীকে বিদেশে যেতে হচ্ছে। দেশে মানসম্মত স্পাইন চিকিৎসার সুযোগ বাড়ানো গেলে রোগীদের বিদেশমুখিতা কমবে এবং দেশের অর্থ সাশ্রয় হবে। এ লক্ষ্যে সরকার, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও গণমাধ্যমকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

ডা. পলাশ জানান, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় স্পাইন চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। সাতক্ষীরাতেও এ ধরনের সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিশ্ব স্পাইন ডে উপলক্ষে আয়োজিত র‌্যালিতে চিকিৎসক, ইন্টার্ন চিকিৎসক, হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাংবাদিকেরা অংশ নেন।