বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

প্রধানমন্ত্রী ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে বিএনপি নেতৃবৃন্দের ফেসবুক পোস্ট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৯:১৫ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রী ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে বিএনপি নেতৃবৃন্দের ফেসবুক পোস্ট

তীব্র লোডশেডিংয়ে অচল সাতক্ষীরা: গ্রামে ত্রাহি অবস্থা, হটাৎ পরিস্থিতির পরিবর্তন

সংবাদদাতা: কোনো এলাকাতেই স্বস্তি নেই; তীব্র তাপদাহ আর ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো সাতক্ষীরা সদর উপজেলা। শহরের কাটিয়া, পলাশপোল, ইটাগাছা কিংবা সুলতানপুর-সবখানেই বিদ্যুতের একই দশা। অপরদিকে গ্রামীণ ফিডারগুলোর অবস্থা আরও শোচনীয়। ঝাউডাঙ্গা, বল্লী, ফিংড়ী, বাশদহা কিংবা কুশখালী ইউনিয়নে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অর্ধেকর ও বেশি সময়ই বিদ্যুৎ থাকছে না। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, এটি এখন আর সাধারণ বিভ্রাট নয়, এটি বিদ্যুতের ‘মহামারি’। তবে বুধবার দুপুরের পর থেকে সাতক্ষীরা শহর এলাকায় লোডশেডিং কমে আসে। এব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ একটি পোস্ট দেন।

সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও ওজোপাডিকো মিলিয়ে পুরো জেলায় বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৫০ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ মিলছে মাত্র ৯৫ মেগাওয়াট। প্রতিদিন প্রায় ৫৫ মেগাওয়াট ঘাটতি নিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে সরবরাহ।

পৌর এলাকায় তাও কিছুটা বিদ্যুৎ পাওয়া গেলেও, সদরের গ্রামগুলোতে লোডশেডিংয়ের মাত্রা ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। রাতে কমপক্ষে ৮ থেকে ১০ বার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করছে।

সাতক্ষীরা বিসিক শিল্পনগরী সূত্র জানায়, ৪২টি কারখানাসহ সদরের শত শত লেদ ও চালকলের উৎপাদন পুরোপুরি লাটে উঠেছে। বিদ্যুৎ না থাকায় শ্রমিকেরা অলস বসে থাকছেন, অথচ মালিকদের গুনতে হচ্ছে নিয়মিত বেতন।
দাবদাহের কারণে ফসলের মাঠ শুকিয়ে চৌচির হলেও বিদ্যুৎ সংকটে সেচ পাম্পগুলো চালানো যাচ্ছে না। এতে আমন ও রবি শস্যের আবাদ মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে।

রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের বিশেষ করে পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রচন্ড গরমে ভাইরাসজনিত রোগ ও চর্মরোগের প্রকোপ বাড়ায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে রোগীর ভিড় উপচে পড়ছে।

ক্ষুব্ধ গ্রাহক ও কর্তৃপক্ষের অসহায়ত্ব বিদ্যুতের এই ভয়াবহ সংকটের কারণে সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেক এলাকায় গ্রাহকেরা বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তাদের অবহেলাকে দায়ী করছেন। তবে বিদ্যুৎ বিভাগের দাবি, জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ না পাওয়ায় তাদের কিছুই করার নেই। তীব্র গরমে ফ্যানের পাশাপাশি এসির ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় লোড আরও বেড়েছে, যা বর্তমান সরবরাহ দিয়ে সামাল দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সংবাদদাতা: মোঃ রবিউল ইসলাম

প্রধানমন্ত্রী ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীকে অভিনন্দন
এদিকে বুধবার দুপুরের পর থেকে সাতক্ষীরা পৌর এলাকায় বিদ্যুৎ এর লোডশেডিং কমে যায়। এসম্পর্কে সামাজিক মাধ্যমে জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের একটি পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে। ঐ পোস্টে বলা হয়, “সাতক্ষীরা পৌরসভাসহ জেলায় বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত, অফিস আদালতে কার্যক্রম বিঘিœত হচ্ছে, এ বিষয়ে মাননীয় জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত মহোদয়ের সাথে কথা বলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু ও জেলা বিএনপির সদস্য মাসুম বিল্লাহ শাহীন।

 

পরবর্তীতে বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলুকে জানানো হয় পৌরসভায় বিদ্যুৎ বৃদ্ধি করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে জেলার বিদ্যুতের মেগাওয়াট বৃদ্ধি করা হবে। সাতক্ষীরা ওজেপাডিকো নিবার্হী প্রকৌশলী সোয়াইব হোসেন জানান, সাতক্ষীরা পৌর এলাকায় অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বৃদ্ধি করা হয়েছে। সাতক্ষীরা পৌর এলাকার বাসিন্দারা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সুবিধা পাবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীকে সাতক্ষীরা পৌর এলাকার বাসিন্দারা ধন্যবাদ জানিয়েছেন।”

Ads small one

আর্জেন্টিনার বড় জয়, মেসির হ্যাটট্রিকে মেতেছে শোবিজ অঙ্গন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ণ
আর্জেন্টিনার বড় জয়, মেসির হ্যাটট্রিকে মেতেছে শোবিজ অঙ্গন

লিওনেল মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়াকে ৩–০ ব্যবধানে হারিয়ে জয় দিয়ে শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। মাঠের এই দাপুটে পারফরম্যান্সে যেমন গ্যালারি মাতোয়ারা, তেমনি সোশ্যাল মিডিয়াতেও ছড়িয়ে পড়ে উচ্ছ্বাস—শোবিজ তারকারাও যোগ দেন সেই আনন্দে।

মাঠে উপস্থিত থেকে ম্যাচ দেখা অভিনেত্রী নাঈম নাদিয়া লিখেছেন, “ইয়েস, আমরা এখানে, আর্জেন্টিনা। গর্জন তুলুন!”

যুক্তরাষ্ট্রে থাকা অভিনেতা অমিত হাসান একটু খোঁচা মেরে লিখেছেন, “আমার পূর্বানুমান ঠিক হলো। তিন গোল দিলাম। রাগ করলা।” অর্থাৎ আগে থেকেই যেন তিনি স্কোর জানতেন!

অভিনেত্রী কেয়া পায়েল পুরো ম্যাচ দেখে মুগ্ধ হয়ে বলেন, “তিনটি গোল। একজন সর্বকালের সেরা। সম্পূর্ণ আধিপত্য! এই মানুষটি যখন নিজের সেরা ছন্দে থাকে, তখন তাকে থামানোর কোনো উপায় থাকে না।”

অভিনেতা জায়েদ খান আবার ইতিহাস টেনে এনেছেন, লিখেছেন, “অভিনন্দন আর্জেন্টিনা। ম্যারাডোনার জন্যই আজকে ফুটবল ভালোবাসি, আর্জেন্টিনাকে ভালোবাসি। অসাধারণ লিওনেল মেসি।”

পরীমনি নিজের ছেলের ছবির সঙ্গে মেসি-ভাবনা মিশিয়ে লিখেছেন, “আমার ছোট্ট মেসি। মাশা আল্লাহ।”—যেখানে ফুটবল আর মাতৃত্ব এক ফ্রেমে এসে গেছে।

গায়িকা লুইপা আবার ফুটবলের চেয়ে বেশি ব্যস্ত ছিলেন স্বামীকে নিয়ে, লিখেছেন, “আমার স্বামী আর্জেন্টিনা নাকি ব্রাজিলের সাপোর্টার এইটা কখনোই বলে না… কিন্তু আজকে আমার কেমন একটা সন্দেহ হচ্ছে…”—অর্থাৎ খেলা না দেখেই ঘুমিয়ে পড়া স্বামীই এখন মূল রহস্য!

অভিনেত্রী সালহা খানম নাদিয়া প্রথমবার সন্তানের সঙ্গে খেলা দেখে আবেগে ভেসে লিখেছেন, “সানার জীবনের প্রথম দেখা আর্জেন্টিনার ম্যাচ, আর সেই ম্যাচেই আর্জেন্টিনার জয়, মেসির হ্যাটট্রিক! বিশ্বকাপযাত্রার শুরুটা এর চেয়ে সুন্দর আর কী হতে পারে?”

অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম খুব সংক্ষেপে শান্ত ভঙ্গিতে লিখেছেন, “সবাইকে শুভ সকাল, অত্যন্ত চমৎকার একটি জয়।”—যেন পুরো ফুটবল উন্মাদনাকে এক লাইনে কুল ডাউন করে দিলেন তিনি।

আরেক অভিনেত্রী মন্দিরা চক্রবর্তী মাঠ থেকেই পোস্ট দিয়ে লিখেছেন, “মাই লাভ মেসি, প্রিয় দল আর্জেন্টিনার জন্য ভালোবাসা।”—মেসির প্রতি ভালোবাসা যেন স্কোরলাইনকেও ছাপিয়ে গেছে।

সব মিলিয়ে মেসির হ্যাটট্রিক শুধু ম্যাচ জিতিয়ে দেয়নি, দেশের তারকাদের টাইমলাইনও পুরোপুরি দখল করে নিয়েছে—ফুটবল উৎসব এখন স্টেডিয়াম থেকে ফেসবুক পর্যন্ত!

রোনালদোর রেকর্ড ছোঁয়ার দিনে প্রথমার্ধে পর্তুগালকে রুখে দিলো কঙ্গো, ১-১ সমতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ
রোনালদোর রেকর্ড ছোঁয়ার দিনে প্রথমার্ধে পর্তুগালকে রুখে দিলো কঙ্গো, ১-১ সমতা

যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টন স্টেডিয়ামে তীব্র উত্তেজনা আর রোমাঞ্চের মধ্য দিয়ে শেষ হলো পর্তুগাল ও ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) মধ্যকার বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচের প্রথমার্ধ। ম্যাচের শুরুতেই জোয়াও নেভেসের দুর্দান্ত গোলে পর্তুগাল লিড নিলেও, প্রথমার্ধের ঠিক শেষ মুহূর্তে কঙ্গোর স্ট্রাইকার ইয়োয়ান উইসার নাটকীয় গোলে ১-১ সমতা নিয়ে বিরতিতে গেছে দুই দল।

পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর রেকর্ড ছোঁয়ার ঐতিহাসিক ষষ্ঠ বিশ্বকাপ অভিযানের শুরুটা পর্তুগালের জন্য হয়েছিল স্বপ্নের মতো। হিউস্টন স্টেডিয়ামে ম্যাচের বাঁশি বাজার পর একটুও সময় নষ্ট করেনি রবার্তো মার্তিনেসের শিষ্যরা। খেলার ঠিক ৬ষ্ঠ মিনিটে ডানপ্রান্ত থেকে আসা চমৎকার এক ক্রস বাতাসে ভেসে কঙ্গোর ডি-বক্সে ঢুকলে নিখুঁত পজিশন নেন পর্তুগিজ মিডফিল্ডার জোয়াও নেভেস। নিজের মার্কারকে সম্পূর্ণ ফাঁকি দিয়ে এক বুলেট গতির হেডে কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসিকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান তিনি। গোল উদযাপনে আকাশের দিকে তাকিয়ে ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এই তরুণ। ৫২ বছর পর বিশ্বকাপ মঞ্চে ফেরা কঙ্গোর জন্য এটি ছিল এক বিশাল ধাক্কা।

শুরুর গোল খেয়ে ব্যাকফুটে চলে গেলেও দমে যায়নি কঙ্গোর ‘চিতারা’। পর্তুগালের তারকাখচিত মাঝমাঠ ও বার্নার্ডো সিলভাদের আক্রমণ সামলে ধীরে ধীরে কাউন্টার অ্যাটাকে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে তারা। পুরো প্রথমার্ধ জুড়েই পর্তুগাল বল পজিশনে আধিপত্য বজায় রাখলেও কঙ্গোর রক্ষণভাগ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে কড়া পাহারায় রেখে বড় কোনো সুযোগ তৈরি করতে দেয়নি।

যখন মনে হচ্ছিল প্রথমার্ধে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যাচ্ছে পর্তুগাল, ঠিক তখনই ম্যাচের ৪৫ মিনিটে (৪৫+৪ মিনিটে যোগ করা সময়ে) নাটকীয়ভাবে জ্বলে ওঠেন কঙ্গোর নিউক্যাসল ইউনাইটেড স্ট্রাইকার ইয়োয়ান উইসা। পর্তুগিজ ডিফেন্সের একটি মুহূর্তের অসতর্কতার সুযোগ নিয়ে দুর্দান্ত এক ফিনিশিংয়ে ডিওগো কস্তাকে পরাস্ত করে বল জালে পাঠান তিনি। উইসার এই অবিশ্বাস্য ও নাটকীয় সমতাসূচক গোলে কঙ্গো শিবিরে উল্লাসের জোয়ার বয়ে যায়। ফলে ১-১ গোলের সমতা ও টানটান উত্তেজনা নিয়েই মাঠ ছেড়েছে দুই দল।

দ্বিতীয় হাফে রোনালদোরা পূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেন, নাকি কঙ্গো বড় কোনো অঘটন ঘটায়— এখন সেটাই দেখার অপেক্ষা।

রোনালদোর ষষ্ঠ বিশ্বকাপ, কঙ্গোর মুখোমুখি পর্তুগাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ
রোনালদোর ষষ্ঠ বিশ্বকাপ, কঙ্গোর মুখোমুখি পর্তুগাল

ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটছে আজ। লিওনেল মেসির পর দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে ষষ্ঠ বিশ্বকাপে মাঠে নামছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ৪১ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি জানিয়ে দিয়েছেন, এটাই হতে পারে তার শেষ বিশ্বকাপ। আর শেষবারের মতো সেই একমাত্র শিরোপাটা ছোঁয়ার স্বপ্ন বুকে নিয়েই মাঠে নামছেন তিনি।

গ্রুপ ‘কে’-র উদ্বোধনী ম্যাচে রবার্তো মার্টিনেজের পর্তুগাল মুখোমুখি ডিআর কঙ্গোর, যারা ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরেছে।

 

রোনালদো খেলবেন ৪-২-৩-১ ছকের একমাত্র স্ট্রাইকার হিসেবে। তার পেছনে তিনজন— বের্নার্দো সিলভা, ব্রুনো ফার্নান্দেস ও পেদ্রো নেতো। মাঝমাঠের হোল্ডিং ভূমিকায় জোয়াও নেভেস ও ভিতিনহা। রক্ষণে কানসেলো, আরাউহো, ভেইগা ও মেন্দেস।

পর্তুগাল একাদশ: দিয়োগো কস্তা; তোমাস আরাউহো, রেনাতো ভেইগা, জোয়াও কানসেলো, নুনো মেন্দেস; জোয়াও নেভেস, ভিতিনহা; বের্নার্দো সিলভা, ব্রুনো ফার্নান্দেস, পেদ্রো নেতো; ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (অধিনায়ক)।

শেষ প্রস্তুতি ম্যাচ থেকে বেঞ্চে গেছেন নেলসন সেমেদো, রুবেন দিয়াস, দিয়োগো দালোত, গনসালো ইনাসিও ও ফ্রান্সিসকো ত্রিনকাও।

ডিআর কঙ্গোতে চার পরিবর্তন

কোচ সেবাস্তিয়ান দেজাবরে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচের একাদশে চারটি পরিবর্তন আনলেন। দলে এসেছেন স্টিভ কাপুয়াদি, সেদ্রিক বাকাম্বু, এদো কাইয়েম্বে ও আর্থার মাসুয়াকু— বেঞ্চে গেছেন নাথানিয়েল মবুকু, থিও বঙ্গোন্দা, জোরিস কাইয়েম্বে ও নোয়া সাদিকি।

ডিআর কঙ্গো একাদশ: লিওনেল এমপাসি; অ্যারন ওয়ান-বিসাকা, স্টিভ কাপুয়াদি, আক্সেল তুয়ানজেবে, চ্যান্সেল মবেম্বা (অধিনায়ক), আর্থার মাসুয়াকু; এনগালায়েল মুকাউ, স্যামুয়েল মুতুসামি, এদো কাইয়েম্বে; ইয়োয়ান উইসা, সেদ্রিক বাকাম্বু।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ওয়ান-বিসাকা ও ব্রেন্টফোর্ডের উইসার মতো প্রিমিয়ার লিগ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন খেলোয়াড় থাকলেও কাগজে-কলমে পর্তুগালই স্পষ্ট ফেভারিট।

৬০ বছরের অপেক্ষা, একজনের শেষ সুযোগ

পর্তুগালের ইতিহাসে সেরা সাফল্য ১৯৬৬ সালে তৃতীয় স্থান— ইউসেবিওর সেই কীর্তির পর ছয় দশক কেটে গেছে। নেশনস লিগ চ্যাম্পিয়ন পর্তুগাল এবার ফেভারিটদের তালিকায়, আর রোনালদোর জন্য এটাই শেষ সুযোগ ক্যারিয়ারের একমাত্র অপূর্ণ স্বপ্নটা পূর্ণ করার।