মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩

প্রাচীন যুগের সূচনা: ফুটবলের আদি উৎস/ শেখ সিদ্দিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ণ
প্রাচীন যুগের সূচনা: ফুটবলের আদি উৎস/ শেখ সিদ্দিকুর রহমান

শেখ সিদ্দিকুর রহমান

আজকের আধুনিক ফুটবল হুট করে একদিনে তৈরি হয়নি। হাজার বছর আগে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে বল পায়ে খেলার প্রচলন ছিল: চীন (চু জু): খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় ও তৃতীয় শতকে হান রাজবংশের আমলে চীনে ‘চু জু’ নামের একটি খেলার প্রচলন ছিল। চামড়ার তৈরি বল পায়ে মেরে জালে জড়ানো হতো। ফিফা একেই ফুটবলের সবচেয়ে প্রাচীন রূপ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। গ্রিস ও রোম: প্রাচীন গ্রিসে ‘এপিস্কিরোস’  এবং রোমে ‘হারপাসটাম’ নামে বল খেলার চল ছিল, তবে সেগুলোতে পায়ের পাশাপাশি হাতের ব্যবহারও হতো। মধ্যযুগীয় ইংল্যান্ড: মধ্যযুগে ইংল্যান্ডে এক ধরণের ‘মব ফুটবল’  খেলা হতো। কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম ছিল না, পুরো গ্রাম মিলে বল নিয়ে হুড়োহুড়ি করত। সহিংসতা বেশি হওয়ার কারণে বিভিন্ন সময়ে রাজারা এই খেলা নিষিদ্ধও করেছিলেন।

২. আধুনিক ফুটবলের জন্ম: ইংল্যান্ডের অবদান: ১৯ শতকের মাঝামাঝি সময়ে এসে ইংল্যান্ডের পাবলিক স্কুল এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর (যেমন ক্যামব্রিজ ও অক্সফোর্ড) মাধ্যমে খেলাটি একটি সুনির্দিষ্ট রূপ পেতে শুরু করে। ১৮৬৩ সালের ঐতিহাসিক বৈঠক: ১৮৬৩ সালের ২৬ অক্টোবর লন্ডনের ‘ফ্রিমেসন্স ট্যাভার্ন’-এ কয়েকটি স্কুল ও ক্লাবের প্রতিনিধিরা একত্রিত হয়ে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ঋঅ) গঠন করেন। এখানে প্রথমবারের মতো ফুটবলের লিখিত নিয়মকানুন বা ‘লজ অব দ্য গেম’ তৈরি হয়। হ্যান্ডবল ও ফুটবলের বিভাজন: এই বৈঠকেই নিয়ম করা হয় যে বল হাতে ছোঁয়া যাবে না। যারা বল হাতে নিয়ে খেলার পক্ষে ছিলেন, তারা আলাদা হয়ে গিয়ে ‘রাগবি’  খেলা শুরু করেন। বিশ্বের প্রথম টুর্নামেন্ট: ১৮৭১ সালে বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো ফুটবল টুর্নামেন্ট ‘এফএ কাপ’ শুরু হয়। আর ১৮৭২ সালে ইংল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের মধ্যে ইতিহাসের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।

 

৩. ফিফা গঠন ও বৈশ্বিক রূপ : ইংল্যান্ডে ফুটবলের নিয়ম ঠিক হওয়ার পর তা দ্রুত ইউরোপ এবং দক্ষিণ আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়ে। খেলাটিকে বিশ্বজুড়ে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। ফিফার প্রতিষ্ঠা: ১৯০৪ সালের ২১ মে ফ্রান্সের প্যারিসে ফিফা  প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাতা দেশগুলো ছিল ফ্রান্স, বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ডস, স্পেন, সুইডেন ও সুইজারল্যান্ড। অলিম্পিকে অন্তর্ভুক্তি: ১৯০৮ সালের লন্ডন অলিম্পিকে ফুটবল প্রথমবারের মতো অফিসিয়াল প্রতিযোগিতা হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

৪. বিশ্বকাপ ফুটবলের যুগ: ফুটবলকে জনপ্রিয়তার শিখরে নিয়ে যায় বিশ্বকাপ। ফিফা সভাপতি জুল রিমে-র উদ্যোগে এই মহাযজ্ঞ শুরু হয়। প্রথম বিশ্বকাপ (১৯৩০): ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে প্রথম ফিফা বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়। মাত্র ১৩টি দেশ এতে অংশ নিয়েছিল। ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের গৌরব অর্জন করে স্বাগতিক উরুগুয়ে। টেলিভিশন ও বিশ্বায়ন: ১৯৫৪ সালের বিশ্বকাপ প্রথম টেলিভিশনে সম্প্রচার করা হয়। এরপর থেকে ফুটবল কেবল একটি খেলা নয়, বরং কোটি কোটি মানুষের আবেগ ও বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় বিনোদনে পরিণত হয়। পেলে, ম্যারাডোনা থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের মেসি-রোনালদোদের হাত ধরে ফুটবল আজ এক বৈশ্বিক মহোৎসবে রূপ নিয়েছে।

আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলার মাঠের মাপ, গোল বক্সের পরিমাপ এবং খেলোয়াড় পরিবর্তন সংক্রান্ত ফিফা (ঋওঋঅ) এর আন্তর্জাতিক নিয়মাবলির বিস্তারিত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো: ১. আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলার মাঠের পরিমাপ : আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য ফুটবল মাঠের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ ফুট হিসেবে নিচে দেওয়া হলো: দৈর্ঘ্য : সর্বনি¤œ ৩০০ ফুট থেকে সর্বোচ্চ ৩৬০ ফুট (১০০ থেকে ১১০ মিটার)। প্রস্থ : সর্বনি¤œ ২১০ ফুট থেকে সর্বোচ্চ ২৫০ ফুট (৬৪ থেকে ৭৫ মিটার)। আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টগুলোর (যেমন বিশ্বকাপ) জন্য সাধারণত ৩৩০ ফুট দ্ধ ২৩০ ফুট (১০৫ মিটার দ্ধ ৬৮ মিটার) সাইজের মাঠ সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। ২. গোল বক্স এবং পেনাল্টি এরিয়ার পরিমাপ পোস্টের সামনে মূলত দুটি বক্স থাকে একটি ছোট (গোল বক্স) এবং একটি বড় (পেনাল্টি বক্স)। এদের পরিমাপ নিচে দেওয়া হলো:

গোল বক্স : প্রতিটি গোলপোস্টের ভেতরের দিক থেকে দুই পাশে ১৮ ফুট (৬ গজ) লম্বা দুটি রেখা মাঠের ভেতরের দিকে টানা হয় এবং সে দুটিকে আরেকটি রেখা দিয়ে জুড়ে দেওয়া হয়। এটি গোলপোস্ট থেকে মাঠের ভেতরের দিকে ১৮ ফুট চওড়া হয়। পেনাল্টি বক্স : প্রতিটি গোলপোস্টের ভেতরের দিক থেকে দুই পাশে ৪৮ ফুট (১৬.৫ গজ) লম্বা দুটি রেখা মাঠের ভেতরের দিকে টানা হয়। এটি গোলপোস্ট থেকে মাঠের ভেতরের দিকে ৪৮ ফুট চওড়া হয়। পেনাল্টি স্পট : গোললাইন থেকে ঠিক ৩৬ ফুট (১২ গজ বা ১১ মিটার) দূরে পেনাল্টি শট নেওয়ার জন্য একটি বিন্দু বা স্পট চিহ্নিত থাকে।

গোলপোস্টের পরিমাপ: দুই পোস্টের ভেতরের দূরত্ব ২৪ ফুট (৮ গজ বা ৭.৩২ মিটার) এবং মাটি থেকে ক্রসবারের উচ্চতা ৮ ফুট (২.৪৪ মিটার)। ৩. খেলোয়াড়ের সংখ্যা : মাঠে খেলোয়াড়: খেলা চলাকালীন উভয় দলে মাঠের ভেতরে ১১ জন করে মোট ২২ জন খেলোয়াড় থাকেন (যার মধ্যে ১ জন গোলরক্ষক বা গোলকিপার)। স্কোয়াড বা অতিরিক্ত খেলোয়াড়: আন্তর্জাতিক ম্যাচে মূল একাদশের বাইরে বেঞ্চে বা স্কোয়াডে সাধারণত ১২ থেকে ১৫ জন পর্যন্ত অতিরিক্ত  খেলোয়াড় রাখার অনুমতি থাকে। ৪. খেলোয়াড় বদল বা সাবস্টিটিউশন নিয়ম বর্তমান ফিফা নিয়ম অনুযায়ী একটি ম্যাচে খেলোয়াড় বদলের নিয়মটি নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো: সর্বোচ্চ পরিবর্তন: নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলায় একটি দল সর্বোচ্চ ৫ বার (৫ জন) খেলোয়াড় বদল করতে পারবে। সুযোগ বা উইন্ডোজ : খেলা চলাকালীন সময় অপচয় রোধ করার জন্য এই ৫ জন খেলোয়াড়কে সর্বোচ্চ ৩টি সুযোগে  বদল করতে হবে। অর্থাৎ, এক সুযোগে একসাথে ২ বা ৩ জন খেলোয়াড়ও বদল করা যাবে। তবে হাফ-টাইম বা মধ্যবিরতির সময় খেলোয়াড় বদল করলে তা এই ৩টি সুযোগের মধ্যে গণনা করা হয় না। অতিরিক্ত সময় : নক-আউট পর্বের ম্যাচে খেলা যদি অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে গড়ায়, তবে দলগুলো আরও ১ জন অতিরিক্ত খেলোয়াড় (৬ষ্ঠ খেলোয়াড়) বদল করার সুযোগ পায় এবং এর জন্য আরও ১টি বাড়তি সুযোগ পাওয়া যায়।

কনকাশন সাবস্টিটিউশন: কোনো খেলোয়াড়ের মাথায় মারাত্মক আঘাত লাগলে, বিশেষ নিয়মে অতিরিক্ত আরও একজন খেলোয়াড় বদল করা যায়, যা মূল ৫টি পরিবর্তনের নিয়মের বাইরে থাকে। ফুটবল মাঠের এই আন্তর্জাতিক নিয়মগুলো মূলত খেলাটিকে বিশ্বজুড়ে একই মানে পরিচালনা করতে সাহায্য করে। এই বিষয়ে আপনার আর কোনো নির্দিষ্ট অংশ জানার থাকলে জানাতে পারেন। বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চ ফিফা বিশ্বকাপ এবং আন্তর্জাতিক ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত অধ্যায় হলো চ্যাম্পিয়নদের গৌরবগাথা এবং মাঠ কাঁপানো সেরা গোলদাতাদের কীর্তি। আপনার অনুরোধ অনুযায়ী, বিশ্বকাপের সর্বকালের সেরা গোলদাতা (যাদের পারিবারিক বা বাবার নাম ও ক্লাবের তথ্য পাওয়া যায়) এবং ১৯৩০ সাল থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত কোন দেশ কোন সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, তার একটি বিস্তারিত এবং বিশাল প্রতিবেদন নিচে তুলে ধরা হলো।
বিশ্ব ফুটবলের সর্বকালের সেরা গোলদাতাদের প্রোফাইল
বিশ্বকাপের ইতিহাসে গোল করাকে বলা হয় সবচেয়ে কঠিন কাজ। চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপসহ বিশ্বমঞ্চের ইতিহাসে শীর্ষ গোলদাতাদের বিশদ বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:

১. লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা) বাবার নাম: হোর্হে হোরাসিও মেসি দেশ: আর্জেন্টিনা বর্তমান ক্লাব: ইন্টার মায়ামি (সাবেক বার্সেলোনা ও পিএসজি) বিশ্বকাপে গোল সংখ্যা: ২০টি (সর্বোচ্চ) সংক্ষিপ্ত পরিচিতি: জন্ম : ২৪ জুন ১৯৮৭। ২০২৬ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফর্ম করে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসেকে টপকে তিনি এখন বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বকালের একক শীর্ষ গোলদাতা। ২০২২ সালে তিনি আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ এনে দেন।

২. কিলিয়ান এমবাপে  বাবার নাম: উইলফ্রেড এমবাপে (ডরষভৎরবফ গনধঢ়ঢ়ল্ক) দেশ: ফ্রান্স । বর্তমান ক্লাব: রিয়াল মাদ্রিদ (সাবেক পিএসজি) বিশ্বকাপে গোল সংখ্যা: ১৮টি
সংক্ষিপ্ত পরিচিতি: জন্ম : ২০ ডিসেম্বর ১৯৯৮। বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা এই ফরাসি ফরোয়ার্ড ২০১৮ সালে ফ্রান্সের হয়ে বিশ্বকাপ জেতেন এবং ২০২২ বিশ্বকাপের ফাইনালে হ্যাটট্রিকসহ গোল্ডেন বুট লাভ করেন। মাত্র তিন বিশ্বকাপে অংশ নিয়েই তিনি অল-টাইম গোলদাতার তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন।

৩. মিরোস্লাভ ক্লোসে  বাবার নাম: জোসেফ ক্লোসে (ঔড়ংবভ কষড়ংব – তিনিও একজন ফুটবলার ছিলেন) দেশ: জার্মানি ঐতিহাসিক ক্লাব: বায়ার্ন মিউনিখ, লাৎসিও, ওয়ের্ডার ব্রেমেন (অবসরপ্রাপ্ত) বিশ্বকাপে গোল সংখ্যা: ১৬টি। সংক্ষিপ্ত পরিচিতি: জন্ম : ৯ জুন ১৯৭৮। ২০০২ থেকে ২০১৪ টানা চারটি বিশ্বকাপে জার্মানির গোলমেশিন ছিলেন ক্লোসে। ২০১৪ সালে জার্মানির বিশ্বকাপ জয়ের পেছনে তার বিশাল অবদান ছিল।

৪. রোনালদো নাজারিও  বাবার নাম: নেলিও নাজারিও লিমা সিনিয়র (ঘল্কষরড় ঘধুপ্সৎরড় ফব খরসধ ঝবহরড়ৎ) দেশ: ব্রাজিল ঐতিহাসিক ক্লাব: রিয়াল মাদ্রিদ, বার্সেলোনা, ইন্টার মিলান (অবসরপ্রাপ্ত) বিশ্বকাপে গোল সংখ্যা: ১৫টি। সংক্ষিপ্ত পরিচিতি: জন্ম : ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৭৬। ‘দ্য ফেনোমেনন’ নামে পরিচিত রোনালদো ১৯৯৪ (খেলেননি) ও ২০০২ সালের বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য। ২০০২ বিশ্বকাপের ফাইনালে জোড়া গোল করে ব্রাজিলকে পঞ্চম শিরোপা এনে দিয়েছিলেন তিনি।

৫. গার্ড মুলার (ডবংঃ এবৎসধহু) বাবার নাম: হাইনরিখ মুলার দেশ: পশ্চিম জার্মানি (বর্তমান জার্মানি) ঐতিহাসিক ক্লাব: বায়ার্ন মিউনিখ (প্রয়াত) বিশ্বকাপে গোল সংখ্যা: ১৪টি। সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:জন্ম : ৩ নভেম্বর ১৯৪৫। ১৯৭৪ সালের বিশ্বকাপ জয়ী এই কিংবদন্তি স্ট্রাইকারকে বলা হতো বক্সের ভেতরের সবচেয়ে বিপজ্জনক শিকারী। মাত্র ২টি বিশ্বকাপ খেলেই তিনি ১৪টি গোল করেছিলেন।

কোন দেশ কোন কোন সালে চ্যাম্পিয়ন (১৯৩০-২০২২/২০২৬)
১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে প্রথম বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ফুটবল বিশ্ব বেশ কিছু ঐতিহাসিক চ্যাম্পিয়ন পেয়েছে। নিচে চ্যাম্পিয়ন দেশগুলোর তালিকা সালভিত্তিক বিস্তারিত দেওয়া হলো: বিশ্বকাপের ইতিহাসে শিরোপার স্বাদ পেয়েছে কেবল মাত্র ৮টি দেশ। নিচে তাদের অর্জনের পরিসংখ্যান দেওয়া হলো:

১. ব্রাজিল (৫ বার – রেকর্ড চ্যাম্পিয়ন) ১৯৫৮: সুইডেনের মাটিতে মাত্র ১৭ বছর বয়সী পেলের জাদুতে প্রথম শিরোপা জেতে ব্রাজিল। ১৯৬২: পেলে ইনজুরিতে পড়লেও গারিঞ্চার দুর্দান্ত নৈপুণ্যে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হয় সেলেসাওরা। ১৯৭০: পেলের শেষ বিশ্বকাপে ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবল খেলে ইতালিকে হারিয়ে তৃতীয় শিরোপা ঘরে তোলে তারা। ১৯৯৪: ইতালিকে টাইব্রেকারে হারিয়ে ২৪ বছর পর রোমারিও-বেবেতোর হাত ধরে চতুর্থ শিরোপা জয়। ২০০২: এশিয়ার মাটিতে (জাপান-দক্ষিণ কোরিয়া) রোনালদো নাজারিওর জাদুতে জার্মানিকে হারিয়ে পঞ্চম ও শেষ শিরোপা।

২. জার্মানি/পশ্চিম জার্মানি (৪ বার) ১৯৫৪: হাঙ্গেরির ঐতিহাসিক ‘ম্যাজিকাল ম্যাগিয়ার্স’ দলকে হারিয়ে ‘মিরাকল অব বার্ন’ খ্যাত ম্যাচে প্রথম জয়। ১৯৭৪: টোটাল ফুটবলের জনক ইয়োহান ক্রুইফের নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে ঘরের মাঠে দ্বিতীয় শিরোপা। ১৯৯০: ডিয়েগো ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে হারিয়ে রোমায় তৃতীয় শিরোপা উদযাপন। ২০১৪: লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনাকে অতিরিক্ত সময়ের গোলে হারিয়ে ব্রাজিলের মাটিতে চতুর্থ শিরোপা লাভ।

৩. ইতালি (৪ বার) ১৯৩৪: ঘরের মাঠে চেকোস্লোভাকিয়াকে হারিয়ে প্রথম শিরোপা জয়। ১৯৩৮: হাঙ্গেরিকে হারিয়ে ইতিহাসের প্রথম দেশ হিসেবে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের রেকর্ড। ১৯৮২: পাওলো রসি-র একক নৈপুণ্যে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনাকে বিদায় করে পশ্চিম জার্মানিকে হারিয়ে তৃতীয় শিরোপা। ২০০৬: ফ্রান্সকে টাইব্রেকারে হারিয়ে জিনেদিন জিদানের বিদায়ী বিশ্বকাপে চতুর্থবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয় ইতালি।

৪. আর্জেন্টিনা (৩ বার) ১৯৭৮: ঘরের মাঠে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে মারিও কেম্পেসের হাত ধরে প্রথম বিশ্বকাপ জয়। ১৯৮৬: মেক্সিকোর মাটিতে ডিয়েগো ম্যারাডোনার একক জাদুতে পশ্চিম জার্মানিকে হারিয়ে দ্বিতীয় শিরোপা। ২০২২: কাতারের মাটিতে কিলিয়ান এমবাপের ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফাইনাল খেলে টাইব্রেকারে লিওনেল মেসির হাত ধরে তৃতীয় শিরোপা।

৫. ফ্রান্স (২ বার) ১৯৯৮: ঘরের মাঠে জিনেদিন জিদানের জোড়া হেডের গোলে ফাইনালে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে ৩-০ ব্যবধানে উড়িয়ে প্রথম শিরোপা। ২০১৮: রাশিয়ার মাটিতে তরুণ কিলিয়ান এমবাপে ও আঁতোয়ান গ্রিজম্যানের নৈপুণ্যে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় শিরোপা।

৬. উরুগুয়ে (২বার) ১৯৩০: ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ৪-২ গোলে হারিয়ে প্রথম বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। ১৯৫০: ব্রাজিলের মারাকানা স্টেডিয়ামে প্রায় ২ লাখ দর্শকের সামনে স্বাগতিক ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অঘটন ঘটিয়ে দ্বিতীয় শিরোপা জেতে (যা ‘মারাকানাজো’ নামে পরিচিত)।
৭. ইংল্যান্ড (১ বার) ১৯৬৬: ঘরের মাঠে ফাইনালে পশ্চিম জার্মানিকে ৪-২ গোলে হারিয়ে জিওফ হার্স্টের বিতর্কিত হ্যাটট্রিকে একমাত্র বিশ্বকাপটি জেতে ইংল্যান্ড।

৮. স্পেন (১ বার) ২০১০: আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত প্রথম বিশ্বকাপে নিজেদের বিখ্যাত ‘টিকি-টাকা’ ফুটবল শৈলী দিয়ে ফাইনালে নেদারল্যান্ডসকে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার অতিরিক্ত সময়ের গোলে হারিয়ে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয় স্পেন।

সর্বকালের সেরা ফুটবলারদের শীর্ষে যাঁরা
পেলে (ব্রাজিল): একমাত্র ফুটবলার যিনি ৩টি ফিফা বিশ্বকাপ (১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০) জিতেছেন। তাঁর অবিশ্বাস্য গোল করার রেকর্ড এবং খেলার ধরন তাঁকে ফুটবল সম্রাটের মর্যাদা দিয়েছে।

দিয়েগো ম্যারাডোনা (আর্জেন্টিনা): ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে তাঁর একক নৈপুণ্যে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জেতানো এবং ড্রিবলিংয়ের জাদুকরী ক্ষমতা তাঁকে ফুটবলের অন্যতম সেরা আইকন করে তুলেছে।

লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা): আধুনিক ফুটবলের রেকর্ড ৮ বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এবং ২০২২ বিশ্বকাপজয়ী মেসিকে অনেকে ইতিহাসের সবচেয়ে পরিপূর্ণ ও ধারাবাহিক ফুটবলার মনে করেন।

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (পর্তুগাল): ফুটবলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ অফিশিয়াল গোলদাতা। তাঁর অবিশ্বাস্য ফিটনেস, গোল করার ক্ষুধা এবং ৫টি ব্যালন ডি’অর জয় তাঁকে সর্বকালের সেরাদের কাতারে মজবুত স্থান দিয়েছে।

উপসংহার: বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডায় যৌথভাবে ৪৮ দলের অংশগ্রহণে চলছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের মহাযজ্ঞ। ফুটবল ইতিহাসের প্রতিটি পাতায় লুকিয়ে আছে এমন অসংখ্য বীরত্বগাথা, যা প্রতি চার বছর পর পর বিশ্ববাসীকে এক সুতোয় বেঁধে ফেলে। ইতিহাসের এই গৌরবময় পথ বেয়ে ফুটবল এগিয়ে যাচ্ছে তার চিরন্তন সৌন্দর্যের দিকে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: বর্তমানে উত্তর আমেরিকায় (যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা) ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ অত্যন্ত জমজমাটভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে মেসি ও এমবাপের মতো তারকারা তাদের গোলের রেকর্ডকে আরও উঁচুতে নিয়ে যাচ্ছেন। লেখক: সাবেক ব্যাংকার, গবেষক

 

Ads small one

অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মিসরকে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ
অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মিসরকে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

প্রথমার্ধে এক গোলে পিছিয়ে, পেনাল্টি মিস, প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের একের পর এক দুর্দান্ত সেভ। তার পর দ্বিতীয়ার্ধেও গোল হজম! দুই গোলে পিছিয়ে শেষ ষোলোর ম্যাচে মিসরের বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছিল আর্জেন্টিনা। পড়ে যায় বিদায়ের শঙ্কার মুখে। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন তারা। যারা শেষ মুহূর্তেও ঘুরে দাঁড়াতে পারে। রুদ্ধশ্বাস লড়াই উপহার দিয়ে দ্বিতীয়ার্ধের শেষভাগে ৪ মিনিটের ব্যবধানে মেসি ম্যাজিকে ম্যাচে ফেরে তারা। দুই গোল শোধ দিয়ে সেই অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।

বল দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখালেও ম্যাচের ১৫ মিনিটে কর্নার থেকে এগিয়ে যায় মিসর। শর্ট কর্নার থেকে আতিয়ার ক্রসে নিখুঁত হেডে গোল করেন ইব্রাহিম। এর মধ্য দিয়ে ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে ফ্রান্সের বিপক্ষে হারের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচের প্রথমার্ধে গোল হজম করে আর্জেন্টিনা।

২১ মিনিটে সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল লিওনেল স্ক্যালোনির দল। পেনাল্টি আদায় করলেও স্পট কিক থেকে গোল করতে পারেননি লিওনেল মেসি। তার শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক শোবাইর।

এরপর ২৮ মিনিটে রদ্রিগো ডি পলের নিখুঁত ক্রস থেকে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের হেডও রুখে দেন শোবাইর। ৩৯ মিনিটে নিকোলাস তাগলিয়াফিকোর কাটব্যাক থেকে হুলিয়ান আলভারেজের প্রথম ছোঁয়ার শটও দুর্দান্ত সেভে পোস্টের বাইরে পাঠিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক। প্রথমার্ধ শেষে তাই ১-০ গোলের লিড নিয়েই মাঠ ছাড়ে মিসর।

দ্বিতীয়ার্ধে ৬৭ মিনিটে জিকোর গোল আরও বড় আঘাত হয়ে আসে আলবিসেলেস্তে শিবিরে। শঙ্কা জাগে এখানেই কি শেষ আর্জেন্টিনার? কিন্তু শেষভাগে ম্যাচের চেহারাই বদলে দেয় আর্জেন্টিনা। ৭৯ মিনিটে লিওনেল মেসির নিখুঁত ক্রস থেকে শক্তিশালী হেডে ব্যবধান কমান ক্রিস্তিয়ান রোমেরো।

চার মিনিট পরই আসে মেসি ম্যাজিক। মিসরের ডিফেন্ডারদের ভুলে গনসালো মন্তিয়েলের পাস পেয়ে প্রথম ছোঁয়ায় জোরালো শট নেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। শোবাইর বলটি স্পর্শ করলেও সেটি ক্রসবারে লেগে জালে জড়িয়ে যায়। তাতেই ২-২ সমতায় ফেরে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

নাটকীয়তার শেষটা লিখেছেন এনসো ফার্নান্দেস। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে তার গোলে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। শেষ পর্যন্ত সেই ব্যবধান ধরে রেখে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের জয় নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে মেসির দল।

সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: কপোতাক্ষের মাটি লুট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: কপোতাক্ষের মাটি লুট

জাতীয় স্বার্থ ও পরিবেশগত সুরক্ষাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে পাটকেলঘাটার কাটাখালি অঞ্চলে কপোতাক্ষ নদের খননকৃত মাটি অবৈধভাবে বিক্রি ও পাচারের যে খবর সামনে এসেছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নদী খননের মূল উদ্দেশ্য যেখানে জলাবদ্ধতা নিরসন ও নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা, সেখানে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের পকেট ভারী করতে এই প্রকল্প এখন স্থানীয়দের জন্য উল্টো কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। দিন-রাত ট্রাক ও ট্রলিযোগে মাটি কেটে নেওয়ার ফলে একদিকে যেমন সরকারের বিপুল রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে কপোতাক্ষ তীরের গ্রামগুলোতে আসন্ন বর্ষায় ভয়াবহ বন্যার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

নিয়ম অনুযায়ী, খননকৃত মাটি নদী তীরবর্তী বেড়িবাঁধ শক্তিশালী করতে বা সরকারি নির্দেশনানুযায়ী নির্দিষ্ট স্থানে সংরক্ষণ করার কথা। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, প্রশাসনের নাকের ডগায় বসেই সেই মাটি চলে যাচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটা, বাড়ি ও বেসরকারি জমি ভরাটের কাজে। স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট এই পুরো অবৈধ বাণিজ্যের নেপথ্যে রয়েছে। জনস্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে ব্যক্তি ও বাণিজ্যিক স্বার্থকে এভাবে অগ্রাধিকার দেওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। কপোতাক্ষ তীরের বাসিন্দাদের এই ক্ষোভ ও আশঙ্কা সম্পূর্ণ যৌক্তিক।

নদী অববাহিকার মানুষের জীবন-জীবিকা এমনিতেই প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে লড়াই করে টিকে থাকে। তার ওপর ভরা বর্ষা মৌসুমে যখন নদীর পানি ক্রমান্বয়ে বাড়ছে, ঠিক সেই মুহূর্তে বেড়িবাঁধ বা নদীর তীর থেকে এভাবে মাটি সরানো চরম আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। এর ফলে যেকোনো মুহূর্তে বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে; তলিয়ে যেতে পারে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও মাছের ঘের।

আমাদের বক্তব্য স্পষ্টÑ কেবল মুখের আশ্বাস বা তদন্তের আনুষ্ঠানিকতায় সাধারণ মানুষের এই গভীর উৎকণ্ঠা দূর হবে না। তালা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) ঘটনাস্থলে পাঠানোর উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই, তবে মাঠপর্যায়ে এর দৃশ্যমান ও কঠোর প্রতিফলন দেখতে চায় কপোতাক্ষপাড়ের মানুষ।

আমরা মনে করি, অবিলম্বে এই মাটি পাচার চক্রের অবৈধ কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। কপোতাক্ষকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই লুটেরা সিন্ডিকেটের সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। একই সাথে, বর্ষার তীব্রতা বাড়ার আগেই ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলো সংস্কারে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে। কপোতাক্ষ তীরবর্তী হাজার হাজার মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষা করতে প্রশাসন অতি দ্রুত কঠোর ও আপসহীন ভূমিকা পালন করবেÑএটাই আমাদের প্রত্যাশা।

এক গোল শোধ করল আর্জেন্টিনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
এক গোল শোধ করল আর্জেন্টিনা

আর্জেন্টিনা ১ : ২ মিসর
আর্জেন্টিনার হয়ে এক গোল শোধ করলেন ক্রিস্টিয়ান রোমেরো।