রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬ এর উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৩:১৮ অপরাহ্ণ
প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬ এর উদ্বোধন

পত্রদূত রিপোর্ট: বিভাগীয় পর্যায়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৭ মে) সকাল সাড়ে ৯ টায় খুলনা নগরীর খালিশপুর পোর্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গণে উক্ত টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী পর্বের আয়োজন করা হয়।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় উপপরিচালক ড. মোঃ শফিকুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন খুলনা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলম।

এসময় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলম বলেন, খেলাধুলা কেবল শারীরিক কসরত বা বিনোদন নয়, বরং এটি একটি সুস্থ, সুন্দর ও সুশৃঙ্খল জীবন গঠনের অন্যতম মাধ্যম। এটি শিক্ষার্থীদের শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি মানসিক বিকাশ, একতা, এবং নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে। নিয়মিত খেলাধুলা হৃদপিন্ডের কার্যকারিতা বাড়ায়, রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ ও বিষন্নতা দূর করে।

 

এটি মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং মনোযোগ ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা উন্নত করে। খেলার মাঠে নিয়ম মেনে চলার মাধ্যমে নিয়মানুবর্তিতা তৈরি হয়। এটি ধৈর্য, সহমর্মিতা এবং পরাজয় মেনে নিয়ে নতুন উদ্যমে শুরু করার মানসিকতা তৈরি করে। তিনি আরও বলেন, দলীয় খেলার মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং দলনেতা হিসেবে কাজ করার গুণাবলি অর্জিত হয়। ‘সুস্থ দেহে সুস্থ মন’ এই প্রবাদটি চিরন্তন। তাই শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য পড়াশোনা বা অন্যান্য কাজের পাশাপাশি খেলাধুলাকে দৈনন্দিন জীবনের একটি অপরিহার্য অংশ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তৃতা করেন কেএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ শাহনেওয়াজ খালেদ, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলাম, খালিশপুর পোর্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম গাজী।

উদ্বোধনী ১ম ম্যাচে (বালক) খুলনা বটিয়াঘাটা হরিণটানা রহমানিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৩/১ গোলে কুষ্টিয়া মিরপুর আটগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে পরাজিত করে।

Ads small one

কলারোয়ার দক্ষিণ মুরারিকাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো, পাকা সেতুর দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ণ
কলারোয়ার দক্ষিণ মুরারিকাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো, পাকা সেতুর দাবি
শেখ জিল্লু, কলারোয়া: দূর থেকে দেখলে নীল রঙের রেলিং আর কাঠের পাটাতনে তৈরি সাঁকোটি বেশ দৃষ্টিনন্দন। কিন্তু কাছে গেলেই চোখে পড়ে এর নড়বড়ে অবস্থা। বাঁশের খুঁটির ওপর দাঁড়িয়ে থাকা সাঁকোটি দিয়ে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগমাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হলেও বেত্রবতী নদীর ওপর নির্মিত এই কাঠের সাঁকোটি এখন এলাকাবাসীর দুর্ভোগ ও নিরাপত্তাঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই সাঁকোটির স্থলে একটি পাকা ও টেকসই সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
কলারোয়া পৌরসভার যুগিবাড়ি মোড় থেকে পূর্ব দিকে প্রায় ২০০ মিটার এগোলেই বেত্রবতী নদীর ওপর সাঁকোটির অবস্থান। দক্ষিণ মুরারিকাটি পূজামণ্ডপ-সংলগ্ন এই সাঁকোর পূর্ব পাশে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড এবং পশ্চিম পাশে ৭ নম্বর ওয়ার্ড। দুই ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম এটি।
সরেজমিনে দেখা যায়, সাঁকোটির কাঠের পাটাতন ও অবকাঠামো নড়বড়ে। ফলে পথচারীদের অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পারাপার হতে হয়। দুই চাকার যানবাহন ছাড়া অন্য কোনো যান চলাচলের উপযোগী নয় সাঁকোটি। এতে মানুষের স্বাভাবিক যাতায়াতের পাশাপাশি মালামাল পরিবহনেও ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
সাঁকোটির পূর্ব পাশে রয়েছে যুগিবাড়ি বাজার ও বাসস্টপেজ। পশ্চিম পাশে রয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুটি পূজামণ্ডপ ও একটি কালীমন্দির। দুর্গাপূজা এবং তালের রসের মেলাকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ মুরারিকাটি গ্রামে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটে। এসব উৎসবে দর্শনার্থীদের যাতায়াতের অন্যতম পথ এই সাঁকো। কিন্তু এর নড়বড়ে ও অপ্রশস্ত কাঠামোর কারণে ভিড়ের সময় পারাপারে দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়।
এ বিষয়ে দক্ষিণ মুরারিকাটির বাসিন্দা নির্মল মণ্ডল ও অনিমেষ পাল বলেন, প্রতিবছর দুর্গাপূজার সময় তাঁদের মণ্ডপসহ আশপাশের পূজামণ্ডপগুলোতে বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী আসেন। কিন্তু মণ্ডপ-সংলগ্ন বেত্রবতী নদীর সাঁকোটি নড়বড়ে ও অপ্রশস্ত হওয়ায় দর্শনার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। জনসাধারণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে তাঁরা সাঁকোটির স্থলে একটি পাকা সেতু নির্মাণের দাবি জানান।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মাহবুবুর রহমান ও আকবর হোসেন বলেন, মুরারিকাটি হাইস্কুল-সংলগ্ন বেত্রবতী নদীর ওপরের সাঁকোটির স্থলে ইতোমধ্যে পাকা সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। একই আদলে দক্ষিণ মুরারিকাটির কাঠের সাঁকোটির স্থলেও পাকা সেতু নির্মাণ করা প্রয়োজন। এ জন্য এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রতিনিধিদের কাছে দাবি জানিয়ে আসছেন। তবে এখনো সেই দাবি বাস্তবায়িত হয়নি।
এলাকাবাসীর মতে, গুরুত্বপূর্ণ এই যোগাযোগপথে একটি পাকা সেতু নির্মিত হলে দুই ওয়ার্ডের মানুষের যাতায়াত সহজ হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে আসা দর্শনার্থীদের দুর্ভোগ কমবে এবং নিরাপদ যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত হবে।
প্রসঙ্গে রোববার বিকেলে কলারোয়া পৌরসভার উপসহকারী প্রকৌশলী শেখ রুহুল আমিন জানান, কাঠের সাঁকোটির স্থলে একটি সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক আরিফুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, বেত্রবতীর দুটি কাঠের সাঁকোই স্থায়ী(কনক্রিট/বেইলি)করার জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রস্তাব পাঠানোর জন্য কাজ চলমান রয়েছে।

সম্পাদকীয়/ বিপন্ন গাবুরার দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা ও সুপেয় পানির সংকট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ বিপন্ন গাবুরার দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা ও সুপেয় পানির সংকট

উপকূলীয় অঞ্চল শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের সোরায় খোলপেটুয়া নদীর চরে অবস্থিত সরকারি ‘দৃষ্টিনন্দন’ স্থাপনাটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। ২০০৩ সালে খাবার পানির সংকট নিরসন ও সবুজ বনায়ন সৃষ্টির লক্ষ্যে ইকোপার্কের আদলে নির্মিত এই প্রকল্প সময়ের ব্যবধানে একটি পরিচিত দর্শনীয় স্থান এবং দুর্যোগকালীন ভরসাস্থলে পরিণত হয়েছিল। কিন্তু প্রতিষ্ঠার পর দুই দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও প্রয়োজনীয় তদারকি ও সংস্কার না হওয়ায় আজ এর পুকুর, চারপাশের সরকারি খাল, প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, মাদ্রাসা ও সবুজ গাছপালা নদীভাঙন এবং লবণাক্ত পানির আগ্রাসনে বিলীন হওয়ার পথে।

উপকূলীয় জনপদ গাবুরায় সুপেয় পানির সংকট এক ভয়াবহ বাস্তবতার নাম। ২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় সিডর ও ২০০৯ সালের আইলার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর সমগ্র এলাকার খাবার পানির প্রধান উৎস হয়ে উঠেছিল দৃষ্টিনন্দন স্থাপনার এই পুকুরটি। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে যখন পুরো অঞ্চল জুড়েই লবণাক্ততার তীব্রতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখন কয়েক হাজার মানুষের নিরাপদ পানির অন্যতম প্রধান উৎস রক্ষায় এমন অবহেলা মেনে নেওয়া যায় না। বর্তমানে চারপাশের মাটির বাঁধ ক্ষয় হয়ে যাওয়া এবং পুকুরের পাড় ভেঙে বর্ষা মৌসুমে জোয়ারের লবণাক্ত পানি প্রবেশের ঝুঁকিতে এই শেষ সম্বলটুকুও নষ্ট হতে বসেছে।

গাবুরার বিভিন্ন এলাকায় মেগা প্রকল্পের আওতায় যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন হলেও এই গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল চরাঞ্চলীয় স্থাপনাটি কেন এখনো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। মাটির বাঁধ ও পুকুরের পাড় উঁচুকরণ, লবণাক্ত পানি প্রতিরোধে স্লুইসগেট বা শক্ত সুরক্ষা বাঁধ নির্মাণ, সরকারি খাল পুনঃখনন এবং স্থাপনাসংলগ্ন পরিবেশ রক্ষায় অবহেলা অব্যাহত থাকলে জলবায়ু উদ্বাস্তু ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে থাকা মানুষের জীবনযাত্রা আরও দুঃসহ হয়ে উঠবে।

উপকূলীয় মানুষের সুপেয় পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নিছক কোনো স্থানীয় দাবি নয়, এটি জীবন ও জীবিকা রক্ষার মৌলিক শর্ত। তাই অবিলম্বে জরুরি ভিত্তিতে দৃষ্টিনন্দন স্থাপনাটির চারপাশের ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ ও পুকুরের পাড় টেকসইভাবে সংস্কার করতে হবে। পাশাপাশি এই স্থাপনা ও সংলগ্ন সুপেয় পানির আধারটিকে স্থায়ী দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

শ্যামনগর উপজেলা ছাত্রশক্তির আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ণ
শ্যামনগর উপজেলা ছাত্রশক্তির আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠন

সংবাদদাতা: জাতীয় ছাত্রশক্তির সাতক্ষীরা জেলা শাখার আওতাধীন শ্যামনগর উপজেলা শাখার আংশিক আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ছয় মাসের জন্য অনুমোদিত এ কমিটিকে ১৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) জেলা শাখার অনুমোদনপত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

কমিটিতে মো. তৌহিদুর রহমানকে আহ্বায়ক, সোহেল হাসানকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং শাওন হোসেন, মো. নজরুল ইসলাম, মো. মারুফ বিল্লাহ ও মো. আফজাল হোসেনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে।

সাইফুজ্জামানকে সদস্যসচিব, মো. ইসমাইল হোসাইনকে সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব এবং মো. ফয়ছাল আহমেদ, মো. আরিফুল ইসলাম, জাকির হোসেন ও মো. মাহফুজ হোসেনকে যুগ্ম সদস্যসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া মো. আবু সাঈদকে প্রধান সংগঠক এবং মো. মাসুদ রানা, মো. নাঈম হোসেন, ফাহিম ও রাকিবুলকে সংগঠক করা হয়েছে। কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন মো. হুমায়ুন কবির, মো. আজমির হোসেন ও মো. মুজাহিদ হোসেন।

জাতীয় ছাত্রশক্তি সাতক্ষীরা জেলা শাখার প্রধান সংগঠক মুজাহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত অনুমোদনপত্রে কমিটির মেয়াদ ছয় মাস উল্লেখ করা হয়েছে। জেলা শাখার আহ্বায়ক হাসিবুল হাসান রুমন ও সদস্যসচিব বখতিয়ার হোসেন কমিটিটি অনুমোদন করেন।