মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

বজ্রপাতে মৃত্যুর মিছিল থামে না: আশাশুনির আকাশে শঙ্কা, উদ্যোগে ঘাটতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
বজ্রপাতে মৃত্যুর মিছিল থামে না: আশাশুনির আকাশে শঙ্কা, উদ্যোগে ঘাটতি

সচ্চিদানন্দ দে সদয়, আশাশুনি: আশাশুনির আকাশে কালো মেঘ জমলেই এখন এক ধরনের অদৃশ্য আতঙ্ক নেমে আসে। মাঠে কাজ করা কৃষক, খালে মাছ ধরা জেলে, কিংবা স্কুল ফেরত শিশু-সবার চোখে-মুখে এক অজানা শঙ্কা। বিদ্যুতের ঝলকানি আর বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে চারপাশ। এই বজ্রধ্বনি যেন শুধু প্রকৃতির শব্দ নয়, অনেক পরিবারের জন্য তা হয়ে উঠছে মৃত্যুর পূর্বাভাস।

 

বাংলাদেশে বজ্রপাত এখন এক নীরব ঘাতক। প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৩০০ মানুষ প্রাণ হারায় এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে। চলতি বছরের প্রথম চার মাসেই অর্ধশতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত্যুর বড় অংশই গ্রামাঞ্চলে-যেখানে মানুষ খোলা আকাশের নিচে জীবিকা নির্বাহ করে। সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলাও এর বাইরে নয়; বরং উপকূলীয় ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এখানে ঝুঁকি আরও বেশি।

 

আশাশুনির বুধহাটা, শ্রীউলা বা প্রতাপনগরের বিস্তীর্ণ ধানক্ষেত-এই অঞ্চলগুলোর মানুষ মূলত কৃষিনির্ভর। বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে যখন ধান কাটার মৌসুম, তখনই বজ্রপাতের প্রকোপ বাড়ে। কৃষকরা জানান, “মেঘ দেখলেই এখন কাজ বন্ধ করে বাড়ি ফিরতে হয়। কিন্তু সবসময় তা সম্ভব হয় না।” বেসরকারি এক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বজ্রপাতে নিহতদের প্রায় ৭০ শতাংশই কৃষিকাজের সঙ্গে জড়িত। অর্থাৎ জীবিকার প্রয়োজনে যারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি নেন, তারাই সবচেয়ে বেশি প্রাণ হারান।

 

এই আশঙ্কারই বাস্তব রূপ দেখা গেল গত ২৯ এপ্রিল রাতে। উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ একসরা গ্রামে বজ্রপাতে মারা যান ২৮ বছর বয়সী মৎস্য ঘের ব্যবসায়ী মো. সুমন হোসেন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সেদিন রাতেও তিনি নিজের মৎস্য ঘেরে ছিলেন। হঠাৎ বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হলে ঘেরের পাশের একটি ছোট ঘরে আশ্রয় নেন। কিন্তু মুহূর্তেই ভয়াবহ বজ্রপাত আঘাত হানে।

 

নিহতের বাবা আব্দুল মান্নান মোল্লা বলেন, “ছেলেটা আমার সংসারের একমাত্র ভরসা ছিল। সারাদিন ঘেরে কাজ করত, রাতে পাহারা দিত। বজ্রপাত এভাবে কেড়ে নেবে, কখনো ভাবিনি।” স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার জানান, “বজ্রপাতের সময় আমরা ঘরেই ছিলাম। হঠাৎ বিকট শব্দ হলো। পরে শুনি সুমন মারা গেছে। প্রতি বছরই এমন ঘটনা ঘটছে, কিন্তু প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেই।”

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেই বজ্রপাতের তীব্রতা ও ঘনত্ব বাড়ছে। আগে যেখানে বর্ষাকালকে বজ্রপাতের মৌসুম ধরা হতো, এখন তা বছরের বিভিন্ন সময়েই ঘটছে। তবে মার্চ, এপ্রিল ও মে-এই তিন মাসে দেশের প্রায় ৩৮ শতাংশ বজ্রসহ ঝড় হয়, যা আশাশুনির মতো উপকূলীয় অঞ্চলে পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে। উপকূলীয় এলাকায় জলীয় বাষ্পের আধিক্য এবং বায়ুর সংঘর্ষ বজ্রপাতের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। ফলে সাতক্ষীরা, যশোর, খুলনা অঞ্চলেও বজ্রপাতের হার বাড়ছে।

 

বজ্রপাতকে সরকার ২০১৬ সালে দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর থেকে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। আশাশুনিসহ বিভিন্ন এলাকায় বজ্র নিরোধক দ- স্থাপন, মাল্টিপারপাস শেড নির্মাণ, এমনকি তালগাছ রোপণের মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। আশাশুনির অনেক এলাকায় এখনো বজ্র নিরোধক দ- চোখে পড়ে না। তালগাছ রোপণের প্রকল্পও স্থায়ী ফল দেয়নি-অনেক গাছই হারিয়ে গেছে অবহেলায়।

 

আনুলিয়া ইউনিয়নের এক জনপ্রতিনিধি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “প্রকল্প কাগজে-কলমে থাকে, বাস্তবে তার সুফল মানুষ পায় না। বজ্রপাতের মতো ঝুঁকিতে কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি।” দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর থেকে সচেতনতা বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হলেও, আশাশুনির গ্রামগুলোতে এর বাস্তব প্রয়োগ খুব কম। স্থানীয় শিক্ষক মাষ্টার লিয়াকত আলী বলেন, “স্কুলে বা গ্রামে নিয়মিত সচেতনতা কার্যক্রম নেই।

 

অনেকেই জানেন না, বজ্রপাতের সময় কোথায় আশ্রয় নেওয়া নিরাপদ।” অনেকেই এখনো গাছের নিচে দাঁড়ান বা খোলা মাঠে অবস্থান করেন, যা ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু প্রকল্প নিলেই হবে না, তার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। আশাশুনির মতো ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায়-পর্যাপ্ত বজ্র নিরোধক দ- স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ, মাঠের পাশে আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, স্কুল-কলেজে সচেতনতা শিক্ষা, কৃষকদের জন্য মোবাইল সতর্কবার্তা ব্যবস্থা তালগাছসহ উপযোগী বৃক্ষরোপণ-এসব কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন জরুরি। আশাশুনির মানুষ এখনো সেই অপেক্ষায়-যেদিন আকাশে মেঘ জমলেও আতঙ্ক নয়, বরং নিরাপত্তার নিশ্চয়তা অনুভব করবে তারা।

 

Ads small one

কেশবপুরে সীমানা বিরোধে স্কুল ভবন নির্মাণ: জমির মালিককে মারধরের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ
কেশবপুরে সীমানা বিরোধে স্কুল ভবন নির্মাণ: জমির মালিককে মারধরের অভিযোগ

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর উপজেলার রেজাকাটি শহীদ জিয়াউর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে জোরপূর্বক নতুন ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। বাধা দেওয়ায় প্রধান শিক্ষক ও তাঁর সহযোগীর হাতে জমির মালিক দম্পতি লাঞ্ছিত ও মারধরের শিকার হয়েছেন বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় গত ২০ জুলাই (সোমবার) জমির মালিক ফিরোজা বেগম বাদী হয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জাহানারা বেগম ও সহকারী শিক্ষক কাকরকে অভিযুক্ত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হাসানপুর ইউনিয়নের ৫০ নম্বর রেজাকাটি মৌজার ৩৭৫৪ নম্বর দলিল ও সংশ্লিষ্ট খতিয়ান সূত্রে ফিরোজা খাতুন ডাঙ্গা ও অন্যান্য শ্রেণিতে মোট ১৮.৩৮ শতক জমির মালিক হয়ে ভোগদখল করে আসছেন। জমিতে বিভিন্ন ফলের গাছগাছালিও রোপণ করেছিলেন তিনি। তবে প্রধান শিক্ষিকা স্কুলের আয়াকে দিয়ে গাছগুলো উপড়ে ফেলেন এবং উক্ত বিতর্কিত জমিতেই স্কুলের নতুন ভবনের কাজ শুরু করেন।
গত ২০ জুলাই সকালে ফিরোজা বেগম ও তাঁর স্বামী মো. আব্দুল হাদিস নির্মাণকাজে বাধা দেন এবং সরকারি আমিন দিয়ে জমি মেপে ভবন করার অনুরোধ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্তরা আব্দুল হাদিসকে মারধর ও গলাধাক্কা দিয়ে তাড়িয়ে দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষিকা জাহানারা বেগম বলেন, মারামারির কোনো ঘটনা ঘটেনি। স্কুলে শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের কাজ চলছে। ফিরোজা বেগমের জমি স্কুলের ভেতর রয়েছে কিনা তা তাঁর জানা নেই; সরকারিভাবে নকশা এলে জমি মেপে দেখা হবে।
যোগাযোগ করা হলে কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেকসোনা খাতুন জানান, অভিযোগপত্রটি পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাইকগাছায় শিক্ষকদের স্বাক্ষর জাল করে অর্থ আদায়ের মিথ্যা অভিযোগের প্রমাণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:০৪ পূর্বাহ্ণ
পাইকগাছায় শিক্ষকদের স্বাক্ষর জাল করে অর্থ আদায়ের মিথ্যা অভিযোগের প্রমাণ

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড পাইয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা আদায়ের যে অভিযোগ উঠেছিল, তা ভুয়া এবং স্বাক্ষর জালের মাধ্যমে করা হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। সোমবার (২০ জুলাই) বিকেল পর্যন্ত উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে শেষ ধাপের তদন্ত শেষে এ তথ্য জানা যায়।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশে তেরখাদা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এম এম মতিয়ার রহমান ও খুলনা সদর থানা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম এই অভিযোগের ওপর তদন্ত চালান। এতে উপজেলার ৩৪ জন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাজির হয়ে নিজেদের বক্তব্য লিখিত ও মৌখিকভাবে জমা দেন।
অভিযোগে দাবি করা হয়েছিল, ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের রিট মামলার খরচ বাবদ শিক্ষক সমিতির সভাপতি রবীন্দ্রনাথ রায়, সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান ও সহকারী শিক্ষক আবদুল আলীম মিলে শিক্ষকদের কাছ থেকে ৬ হাজার ২০০ টাকা করে আদায় করেছেন। তবে অভিযোগের মূল ভিত্তি নিয়েই বিতর্ক তৈরি হয়।
তদন্তে হাজির হয়ে অভিযোগকারী হিসেবে নাম থাকা সহকারী শিক্ষক হাফিজুল ইসলাম স্পষ্টভাবে জানান, তিনি এমন কোনো কাগজে সই করেননি; তাঁর স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। অন্যদিকে ফোনে যোগাযোগের পর অপর অভিযোগকারী সুভাষ চন্দ্র মন্ডলও একই কথা জানিয়ে বলন, মধুখালী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল আক্তার তাঁর সই জাল করেছেন।
অবশ্য বাবুল আক্তার জানান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অনুমতি নিয়েই অন্য প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান কাগজে স্বাক্ষর করেছিলেন। এ বক্তব্যের পরই সেখানে উপস্থিত অন্যান্য শিক্ষকরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং স্বাক্ষর জালিয়াতদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান।
পাইকগাছা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান বলেন, ১০ম গ্রেড নিয়ে কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেন হয়নি। শিক্ষক সংগঠনকে হেয় করতে একদল শিক্ষক জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন। পুরো বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনার মাধ্যমে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।

আশাশুনিতে জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসে সমন্বয় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:০২ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসে সমন্বয় সভা

আশাশুনি প্রতিনিধি: উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরার আশাশুনিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগাম সতর্কতা, ঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীদের নিয়ে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১১টায় আশাশুনি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মুসলিম এইড ইউকে বাংলাদেশ ফিল্ড অফিসের আর্থিক সহায়তায় এবং ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) ‘আইসিআরডিসিভি-৩’ প্রকল্পের আওতায় এ সভার আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু।
ইএসডিওর প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. শামসুল হক মৃধার সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক আহ্বায়ক সম হেদায়েতুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমীর আবু মুসা তারিকুজ্জামান তুষার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নিতীশ চন্দ্র গোলদার, কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস সোবহান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলাম, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার বর্মণ, এবং সহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান মনির।
এ ছাড়া সভায় মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মো. সাইদুল ইসলাম, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সঞ্জীব কুমার দাস, বন বিভাগের কর্মকর্তা মো. রিজাউল করিম, আশাশুনি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. আকাশ হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান হাজী আবু দাউদ ঢালী ও আবু বক্কর সিদ্দিকসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সিপিপি দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা, নদীভাঙন ও লবণাক্ততা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে আগাম সতর্কবার্তা পৌঁছানো এবং টেকসই অভিযোজন কৌশলের ওপর জোর দেন বক্তারা। দুর্যোগ পূর্ববর্তী প্রস্তুতি গ্রহণ ও ঝুঁকি হ্রাসে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা।