বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মিলনমেলায় ‘দৈনিক সাতক্ষীরা খবর’-এর যাত্রা শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:২৯ অপরাহ্ণ
বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মিলনমেলায় ‘দৈনিক সাতক্ষীরা খবর’-এর যাত্রা শুরু

সংবাদদাতা: বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে নতুন সংবাদপত্র ‘দৈনিক সাতক্ষীরা খবর’। বুধবার (৪ নভেম্বর) সাতক্ষীরা শহরের তুফান কনভেনশন সেন্টারে পত্রিকাটির মোড়ক উন্মোচন ও প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক মীর আবু বকরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। তিনি বলেন, সংবাদপত্র সমাজের দর্পণ। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমে ‘দৈনিক সাতক্ষীরা খবর’ জেলার সম্ভাবনা, সমস্যা এবং মানুষের সুখ-দুঃখ তুলে ধরবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। সত্য প্রকাশে আপস না করে জেলার উন্নয়নে পত্রিকাটি ভূমিকা রাখবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

পত্রিকাটির সহসম্পাদক ও জেলা কলেজ শিক্ষক সমিতির নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নূর মোহাম্মাদ পাড়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব। তিনি বলেন, সংবাদপত্র সমাজের অতন্দ্র প্রহরী। হলুদ সাংবাদিকতা পরিহার করে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য পরিবেশনের মাধ্যমে পত্রিকাটি সাতক্ষীরার সম্ভাবনা, ঐতিহ্য ও মানুষের কথা তুলে ধরবে বলে তিনি আশা করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমতুল্লাহ পলাশ, সাতক্ষীরা-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ আব্দুর রউফ, জেলা জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আবুল হাসেম, মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ বাসুদেব বসু, জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম ফারুক, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু, জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান হাদী, দৈনিক যুগের নির্বাহী সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, জেলা তথ্য কর্মকর্তা জাহারুল ইসলাম, সাবেক ফিফা রেফারি তৈয়ব হাসান সামসুজ্জামান, দৈনিক দক্ষিণের মশাল-এর সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী, জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান বাবু, জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক কাউন্সিলর মাসুম বিল্লাহ শাহিন, সেতারা নাসরিন নিশী, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মনিরুল ইসলাম মিনি, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক শেখ শরিফুজ্জামান সজিব, সাবেক কাউন্সিলর শফিকউদ্দৌলা সাগর, সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান রাসেল, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা ইমরান হোসেন, পত্রিকাটির নির্বাহী সম্পাদক এস এম মহিদার রহমান, আশাশুনি প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জি এম মুজিবুর রহমান, কালীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল বারী সফুসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

বক্তারা বলেন, একটি অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ‘দৈনিক সাতক্ষীরা খবর’ ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থের ঊর্ধ্বে থেকে সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করবে বলে তাঁরা প্রত্যাশা করেন। সাতক্ষীরার শিক্ষা, কৃষি ও পর্যটন খাতের সম্ভাবনা তুলে ধরার পাশাপাশি অবহেলিত মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠতে পত্রিকাটির প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা। এ সময় পত্রিকাটির অঙ্গসজ্জা ও বিষয়বস্তুর প্রশংসাও করেন বক্তারা।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঝাউডাঙ্গা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল বারী, জেলা যুবদলের সভাপতি হাফিজুর রহমান মুকুল, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর শফিকুল ইসলাম বাবু, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, মনিরুল ইসলাম মনিসহ জেলার শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, আইনজীবী, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা।

অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে অতিথিরা সম্মিলিতভাবে পত্রিকাটির মোড়ক উন্মোচন করেন। পরে সম্পাদক ও প্রকাশক মীর আবু বকর এবং নির্বাহী সম্পাদক এস এম মহিদার রহমান অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

সমাপনী বক্তব্যে মীর আবু বকর উপস্থিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, সাতক্ষীরার মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতাকে পাথেয় করে পত্রিকাটির পথচলা শুরু হলো। বস্তুনিষ্ঠতা ও পেশাদারত্ব বজায় রেখে পাঠকদের আস্থা অর্জন করাই তাঁদের লক্ষ্য।

Ads small one

বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ নেই: ভারত কোচ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:৪০ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ নেই: ভারত কোচ

বাংলাদেশে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো উদ্বেগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের সাফ দলের প্রধান কোচ নওশাদ মুসার। ঢাকায় এসে স্বাভাবিকভাবেই চলাফেরার কথা জানিয়েছেন তারা। বৃহস্পতিবার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী ম্যাচে পাকিস্তানকে ৩-২ গোলে হারানোর পর সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন ভারতীয় কোচ।

সম্প্রতি নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতীয় ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফরে না আসার বিষয়টি সামনে রেখে মুসাকে প্রশ্ন করা হয়। তবে সাফ খেলতে ঢাকায় আসা ভারতীয় ফুটবল দলের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।

জাতীয় স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে মুসা বলেন, ‘আমি বলবো, একদমই না। কোনো উদ্বেগ নেই। আমাদের নিরাপত্তা কর্মকর্তা আগেই পরামর্শ দিয়েছেন, যেন আমরা একা বাইরে না যাই। যেহেতু আমাদের খেলা ছিল, তাই আমরা বাইরে ঘোরাঘুরি করিনি।’

বাংলাদেশে আসার পর অনুশীলন ও ম্যাচের জন্য যাতায়াতে কোনো সমস্যার মুখে পড়তে হয়নি বলেও জানিয়েছেন ভারতের এই কোচ। তার কথায়, ‘আমরা চলাফেরা করছি, গতকাল অনুশীলনে গিয়েছি, আজ ম্যাচ ছিল। আমাদের কোনো সমস্যা হয়নি। আমি কোনো সমস্যা দেখছি না। ক্রিকেটের ক্ষেত্রে কী পরিস্থিতি, তা আমি জানি না। তাই সে বিষয়ে কিছু বলতে পারবো না।’

ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন থেকে নিরাপত্তার বিষয়ে কোনো নির্দেশনা বা সতর্কবার্তা পেয়েছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মুসা জানান, এ ধরনের কোনো নির্দেশনা তারা পাননি।

এর আগে বৃহস্পতিবার জাতীয় স্টেডিয়ামে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী ম্যাচে পাকিস্তানকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে ভারত। এই জয়ে টুর্নামেন্টে শুভসূচনা করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

ইমরানের ‘বর্ষা চোখ’, কেন আলোচনায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ণ
ইমরানের ‘বর্ষা চোখ’, কেন আলোচনায়

বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুলের কণ্ঠে ‘বর্ষা চোখ’ গানটি আবারও আলোচনায় এসেছে। গানটি ইউটিউবে ৫ কোটি ভিউয়ের মাইলফলক স্পর্শ করেছে। প্রেম, আবেগ আর প্রিয় মানুষকে সব দুঃখ থেকে আগলে রাখার আকুতিতে তৈরি গানটি দীর্ঘদিন ধরেই শ্রোতাদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে।

২০১৫ সালে সংগীতা থেকে প্রকাশিত ইমরানের একক অ্যালবাম ‘বলতে বলতে চলতে চলতে’র সাত নম্বর গান `বর্ষা চোখ’। গানটির কথা লিখেছেন গীতিকার তারেক আনন্দ। সুর, সংগীতায়োজন ও কণ্ঠ দিয়েছেন ইমরান নিজেই।

 

গানটিতে প্রিয় মানুষের চোখে অশ্রু বা বিষাদ দেখতে না চাওয়ার আকুলতা এবং তাকে সবসময় সুখে রাখার প্রতিশ্রুতি ফুটে উঠেছে। নতুন প্রজন্মের কাছেও গানটি বেশ জনপ্রিয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও টিকটকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফরমে গানটির সঙ্গে জেন-জি প্রজন্মের তরুণ-তরুণীদের পারফরম্যান্সও চোখে পড়ছে।

গীতিকার তারেক আনন্দ জানান, একদম শেষ মুহূর্তে গানটি লেখার সুযোগ পান তিনি। দ্রুত লেখা শেষ করে ইমরানকে পাঠানোর পরদিনই তৈরি হয় গানটির ট্র্যাক। প্রথমবার শুনেই আবেগাপ্লুত হয়েছিলেন তিনি।

অন্যদিকে ইমরান বলেন, ‘রোমান্টিক কথার সঙ্গে মানানসই সহজ ও সুন্দর সুর করার চেষ্টা করেছিলেন। শ্রোতাদের ভালোবাসাই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।’

আদালতে সাংবাদিকের ফোন কেড়ে নিলেন পরীমণি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ণ
আদালতে সাংবাদিকের ফোন কেড়ে নিলেন পরীমণি

ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন নিয়ে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নেন চিত্রনায়িকা পরীমণি। এসময় তিনি বিরক্তিও প্রকাশ করেন।

এদিকে পরীমণির সঙ্গে আসা তার নিরাপত্তারক্ষীর ধাক্কায় আদালতে আসা এক বিচারপ্রার্থীর মাথা ফেটে গেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এসব ঘটনা ঘটে। পরীমণির আদালতে আসাকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ছিল বুধবার। তবে পরীমণি আদালতে হাজির হননি। তার পক্ষে অ্যাডভোকেট নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী সময়ের আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, অ্যালার্জিজনিত কারণে পরীমনি অসুস্থ। এই কারণে তিনি আদালতে হাজির হতে পারেননি।

তবে আসামিপক্ষের আবেদনে আপত্তি জানিয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী আবুল কালাম মোহাম্মদ সোহেল জামিন বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি নিয়ে আদালত জামিন বাতিল করে পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আদালত।

বৃহস্পতিবার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরদিনই আত্মসমর্পণ করে জামিন নিতে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আদালতে এসে পৌঁছান পরীমণি।

ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে গাড়িতেই বসে ছিলেম পরীমণি। তাকে ঘিরে ছিলেন তার নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীরা। আশপাশ দিয়ে মানুষের চলাচল কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করেন তারা।

কালো পোশাক পরিহিত ১১ নিরাপত্তারক্ষীসহ সাধারণ পোশাকে আরও কয়েকজনকে তাকে ঘিরে রাখতে দেখা যায়।

এদিকে পরীমণি আত্মসমর্পণ করবেন জেনে অনেক সাংবাদিক আদালতপাড়ায় ভীড় জমান।

১১টা ৪০ মিনিটের দিকে গাড়ি থেকে এজলাসের উদ্দেশে বের হন পরীমণি। তার নিরাপত্তারক্ষীরা তাকে ঘিরে এজলাসে নিয়ে যান। এসময় সাংবাদিকরা ছবি, ভিডিও করতে গেলে ধাক্কাধাক্কি করেন তার নিরাপত্তারক্ষীরা।

লিফটে ওঠার সময় ভিডিও করতে গেলে সমকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার রবিউল হোসাইনের মোবাইল কেড়ে নেন পরীমণি। পরে রবিউল হোসাইন আবার টান মেরে মোবাইল ফিরিয়ে নেন।

ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১-এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক মাহফুজুর রহমানের আদালতে যান পরীমণি। পরে শুনানি শুরু হয়। আদালতের বেঞ্চে বসে থাকা পরীমণি আসামির কাঠগড়ায় গিয়ে দাঁড়ান। পরীমণির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানি নিয়ে আদালত ৫০০ টাকা মুচলেকায় তার জামিনের আদেশ দেয়।

জামিন নিয়ে আদালত থেকে বের হওয়ার সময় পরীমণিকে ঘিরে রাখেন তার নিরাপত্তারক্ষীরা। সাংবাদিকরা ছবি তুলতে গেলে, ভিডিও করতে গেলে ধাক্কাধাক্কি করেন পরীমণির নিরাপত্তারক্ষীরা। তাদের ধাক্কায় আদালতের বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা সুজন চন্দ্র মনি দাস নামে এক বিচারপ্রার্থীর মাথা ফেটে যায়। সেখান থেকে রক্তক্ষরণ হতে দেখা যায়।

এবিষয়ে সুজন চন্দ্র মনি দাসের ভাই বলেন, ‘আমরা আদালতে এসেছিলাম। এখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম। নায়িকা পরীমণির নিরাপত্তারক্ষীরা ধাক্কা দিয়ে আমার ভাইয়ের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে।’

এদিকে নিচে এসে গাড়িতে ওঠার আগে সমকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার রবিউল হোসাইনের দিকে তেড়ে যান পরীমণি। এসময় সাংবাদিকদের ওপর বিরক্তি প্রকাশ করতে দেখা যায় তাকে। পরে আদালতপ্রাঙ্গন ছাড়েন তিনি।

পরীমণির নিরাপত্তারক্ষীদের ধাক্কায় অনেক সাংবাদিক হেনস্তা হওয়ার অভিযোগ করেছেন।

এমনভাবে নিরাপত্তারক্ষীদের নিয়ে আদালতে আসা নিয়ে পরীমণি প্রতি অনেক আইনজীবী ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ৬ জুলাই আদালতে মামলাটি করেন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন। আদালত অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেয়।

২০২৩ সালের ১৮ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের ঢাকা জেলার পরিদর্শক মনির হোসেন আদালতে পরীমণি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দেন। তাদের বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

ওই বছরের ১৮ এপ্রিল আদালত দুই আসামিকে ২৫ জুন আদালতে হাজির হতে সমন জারি করে। ওই দিন আত্মসমর্পণ করে জামিন পান তারা।

গত বছরের গত ২৬ জানুয়ারি পরীমণি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ঢাকার তৎকালীন জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মো. জুনাইদ।

সেদিন পরীমণি আদালতে হাজির না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। তবে পরোয়ানা জারির পর দিনই আত্মসমর্পণ করে জামিন পান তিনি।

এরপর ২৭ মার্চ এ মামলায় অভিযোগ গঠনের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে রিভিশন দায়ের করেছিলেন এ চিত্রনায়িকা। গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর ঢাকার নবম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সাজ্জাদুর রহমান খান খারিজ করে দিয়ে মামলা চলতে কোনও বাধা নেই মর্মে আদেশ দেন।