বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্ব জুড়ে আদিবাসী জনগোষ্ঠী ক্রমাগত ঝুঁকিতে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ২:০১ অপরাহ্ণ
বিশ্ব জুড়ে আদিবাসী জনগোষ্ঠী ক্রমাগত ঝুঁকিতে

প্রকাশ ঘোষ বিধান

বিশ্বজুড়ে আদিবাসী জনগোষ্ঠী তাদের ভূমি অধিকার হরণ, জলবায়ু পরিবর্তন, ভাষার বিলুপ্তি, প্রান্তিকীকরণ এবং সাংস্কৃতিক বিলুপ্তির মতো মারাত্মক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। আধুনিকায়নের চাপে এবং রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে তাদের নিজস্ব ভাষা, ঐতিহ্যবাহী জ্ঞান ও সাংস্কৃতিক পরিচয় দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে।

আদিবাসী জনগোষ্ঠী আধুনিক উন্নয়ন ও বন ধ্বংসের ফলে তাদের ঐতিহ্যবাহী জীবনযাত্রা ও অস্তিত্ব আজ মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। জাতিসংঘের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন ও বৈশ্বিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার মাত্র ৬.২ শতাংশ আদিবাসী। বিশ্বের ৯০টি দেশে প্রায় ৫০ কোটি আদিবাসী বসবাস করলেও তারা ক্রমাগত তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

১৯৯২ সালে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের উন্নয়ন ও সংরক্ষণ উপকমিশনের কর্মকর্তারা তাদের প্রথম সভায় বিশ্ব আদিবাসী দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। ১৯৯৩ সালকে জাতিসংঘ প্রথমবার বিশ্বে আদিবাসী বর্ষ ঘোষণা করে। পরের বছর ১৯৯৪ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রতি বছর ৯ আগস্টকে বিশ্ব আদিবাসী দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ১৯৯৪ সালে বিশ্বে প্রথমবারের মতো আদিবাসী দিবসটি পালিত হয়। বিশ্বের সব আদিবাসীর অধিকার, শত বছরের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে সুরক্ষার লক্ষ্যে প্রতি বছর দিবসটি পালন করা হয়।

আদিবাসী জনগোষ্ঠী বলতে কোনো একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে বা ভূখন্ডে উপনিবেশ স্থাপন বা অন্য কোনো অঞ্চলের মানুষের অভিবাসনের পূর্বে যারা প্রথাগতভাবে সেখানে বসবাস করে আসছে, তাদের বংশধরদের বোঝায়। এরা সাধারণত নিজস্ব সংস্কৃতি, সামাজিক নিয়ম, ভাষা এবং ঐতিহ্যের অধিকারী হয়ে থাকে।

বাংলাদেশের আদিবাসী জনগোষ্ঠীবাংলাদেশ এবং প্রাচীন বাংলার ইতিহাস পর্যালোচনা করলে বিভিন্ন সমৃদ্ধ আদিবাসী বা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সন্ধান পাওয়া যায়। ভৌগোলিক অবস্থানভেদে এদের প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন পাহাড় ও সমতাল। পার্বত্য অঞ্চলের আদিবাসীরা চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, ম্রো, বম, পাংখোয়া, খিয়াং, খুমি, লুসাই এবং চাক। সমতল অঞ্চলের আদিবাসীরা সাঁওতাল, গারো, খাসিয়া, মুন্ডা, ওরাওঁ, হাজং, রাজবংশী, কোচ, কোল এবং ডালু।

বাংলাদেশে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো, সাঁওতাল, মণিপুরি, ম্রো, তঞ্চঙ্গা প্রভৃতি ১৪ জনগোষ্ঠী প্রাচীনকাল থেকেই আদিবাসী হিসেবে বিশ্বে পরিচিত। কিন্তু বর্তমান সরকার সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আদিবাসী শব্দকে বিলুপ্ত করে ৫০টি জাতিগোষ্ঠীকে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে সম্প্রতি গেজেট প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ সরকারের তালিকা অনুযায়ী বর্তমানে দেশে ৫০ জাতের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী রয়েছেন। তারা হলো চাকমা,ওরাঁও, কোচ, কোল, খাসিয়া বা খাসি, খিয়ং, খুমি, গারো, চাক, ডালু, তঞ্চঙ্গা, ত্রিপুরা, পাংখোয়া বা পাংখো, বর্মণ, বম, মণিপুরী, মারমা, পাহাড়ি বা মালপাহাড়ি, মুন্ডা, ম্রো, রাখাইন, লুসাই, সাঁওতাল, হাজং, মাহাতো বা কুর্মি মাহাতো বা বেদিয়া মাহাতো, কন্দ, কড়া, গঞ্জু, গড়াইত, গুর্খা, তেলী, তুরি, পাত্র, বাগদী, বানাই, বড়াইক বা বাড়াইক, বেদিয়া, ভূমিজ ভূইমালী, ডিল, মালো বা ঘাসিমালো, মাহালী, মুসহর, রাজোয়াড়, লোহার, শবর, হুদি, হো, খারিয়া বা খাড়িয়া এবং খারওয়ার বা খেড়োয়ার। এসব নৃগোষ্ঠী বা আদিবাসী লোকজনের অধিকাংশই পাহাড়ে ও সামান্য কিছু সমতলে নানা বঞ্চনা ও হয়রানির শিকার হয়ে যুগ যুগ ধরে বসবাস করছে। তবে সংবিধানে উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শব্দগুলো পরিবর্তন করে সরাসরি আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি এখনও জোরালো।

জল, জঙ্গল আর পাহাড়ের সাথে তাদের জীবন ও অর্থনীতি নিবিড়ভাবে জড়িত। অধিকাংশ সম্প্রদায়েরই নিজস্ব মৌখিক বা লিখিত মাতৃভাষা রয়েছে। বিজু, সাংগ্রাই, ওয়ানগালা, সোহরাই ইত্যাদি তাদের নিজস্ব প্রধান উৎসব। নিজস্ব সমাজ পরিচালনা ও বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য প্রথাগত রাজা বা হেডম্যান ব্যবস্থা বিদ্যমান থাকে। বর্তমান প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহভূমির অধিকার সংকট, প্রথাগত জমির মালিকানা হারানো এবং উচ্ছেদ হওয়া বর্তমান সময়ের অন্যতম বড় সমস্যা। নিজস্ব ভাষার লিখিত রূপের অভাব এবং চর্চা কমে যাওয়ায় অনেক ভাষা হারিয়ে যাচ্ছে।

বিশ্বব্যাপী আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রধান প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো হলো; বহুজাতিক কর্পোরেশন ও প্রভাবশালী মহলের কারণে আদিবাসীরা তাদের পূর্বপুরুষের ভিটেমাটি হারাচ্ছে। অনেক দেশে আদিবাসীদের প্রথাগত ভূমি অধিকারের কোনো আইনি দলিল বা স্বীকৃতি নেই। আধুনিকতার চাপ এবং রাষ্ট্রীয় অবহেলার কারণে আদিবাসীদের নিজস্ব মাতৃভাষা ও মৌখিক ঐতিহ্য দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে। মূলধারার সংস্কৃতির আধিপত্যের কারণে তরুণ আদিবাসীরা তাদের নিজস্ব ঐতিহ্য থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে।

গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও আলাস্কার মতো অঞ্চলের উপকূলীয় ক্ষয় আদিবাসীদের বাস্তুচ্যুত করছে। আমাজনের দাবানল ও নির্বিচারে বন উজাড়ের কারণে আদিবাসীরা তাদের জীবন ধারণের মূল উৎস হারাচ্ছে। শিক্ষা, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপদ কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে তারা চরমভাবে বঞ্চিত। বিশ্বজুড়ে আদিবাসী জনগোষ্ঠী সাধারণ জনসংখ্যার তুলনায় অনেক বেশি দারিদ্র্যের মধ্যে জীবনযাপন করে।

এই বৈশ্বিক সংকটগুলোর সমাধানে প্রতি বছর ৯ আগস্ট আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালনের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে সচেতনতা বৃদ্ধির চেষ্টা করা হয়। বিশ্ব জুড়ে আদিবাসী জনগোষ্ঠী তাদের জমি ও সম্পদ নিয়ে হুমকি, তাদের অধিকার ক্ষুণ্ণতার চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তারা সাংস্কৃতিক বিলুপ্তি, প্রান্তিকীকরণ ও বর্জনের ক্রমাগত ঝুঁকিতে থাকে। বিশ্বজুড়ে আদিবাসী দিবসের আলোচনা ও বৈশ্বিক ফোরামগুলোতে তাদের সুরক্ষার বিষয়টি এখন সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

 

Ads small one

জেলা লিগ্যাল এইড অফিসারের সাথে তালায় সংলাপ অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
জেলা লিগ্যাল এইড অফিসারের সাথে তালায় সংলাপ অনুষ্ঠিত

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার লিটন দাশ’র সাথে তালায় প্রান্তিক, দলিত ও পিছিয়ে পড়া জনোগষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সাথে সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তালার বেসরকারি সংস্থা ভূমিজ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের সহেযাগীতায় সমতার জন্য লড়ি (সজল) প্রকল্পের অধিনে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভূমিজ ফাউন্ডেশন সেমিনার কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

সভায় সভাপতিত্ব করেন, ভূমিজ ফাউন্ডেশন’র নির্বাহী পরিচালক অচিন্ত্য সাহা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে লিগ্যাল এইড এর কর্মপরিধি, সেবা গ্রহীতাদের সেবা প্রদান ও গ্রহণসহ বিচার প্রক্রিয়া বিষয়ে আলোচনা করেন, সাতক্ষীরা জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার লিটন দাশ। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা বারের আইনজীবী অ্যাড. মনির উদ্দীন। এসময় সাংবাদিক জুলফিকার রায়হান, ভূমিজ ফাউন্ডেশনের প্রকল্প কর্মকর্তা দে অঞ্জন কুমার, তারেক সরকার, সপ্না বিশ^াস, মহাদেব দাশসহ অংশগ্রহণকারী দলিত ও প্রান্তিক নারী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালায় আইটি পেশাজীবী ও যুব ক্ষমতায়ন বিষয়ক দিবস পালন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
তালায় আইটি পেশাজীবী ও যুব ক্ষমতায়ন বিষয়ক দিবস পালন

তালা প্রতিনিধি: র‌্যালী ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরার তালায় আইটি পেশাজীবী ও যুব ক্ষমতায়ন বিষয়ক দিবস-২৬ পালিত হয়েছে। বেসরকারি সংস্থা দলিত, খুলনা’র ইনক্লুসিভ ডিজিটাল পাথওয়েস ফর ডিসঅ্যাডভানটেস ভালনারেবল কমিউনিটি (আইডিপিডিভিসি) প্রকল্পের আয়োজনে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, দলিত’র টেকনোলজি প্রশিক্ষক পবিত্র দাস।

 

দাতা সংস্থা ফান্দাজিওন সানজিনো অনলুস ইতালী’র সহযোগীতায়, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদ সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, তালা সদর ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুর রাজ্জাক।

 

বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক জুলফিকার রায়হান, দলিত’র প্রকল্প কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার দাস ও স্বেচ্ছাসেবক রঘু দাস প্রমুখ। এরআগে একটি র‌্যালী তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদের সামনের সড়কে প্রদক্ষিণ করে। এসময় শিক্ষার্থী, ই-কর্মার্স উদ্যোক্তা ও দলিত’র উপকারভোগী কম্পিউটার শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

তালায় লিগ্যাল এইড পরিসেবা বিষয়ক গণশুণানী অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
তালায় লিগ্যাল এইড পরিসেবা বিষয়ক গণশুণানী অনুষ্ঠিত

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালায় ঝুঁকিপূর্ণ নারীদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণে লিগ্যাল এইড পরিসেবা বিষয়ক গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউরোপীয়ন ইউনিয়ন এবং খ্রীষ্টান এই’র অর্থায়নে, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) এর সহযোগিতায়, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তালা উইমেন জব ক্রিয়েশন সেন্টারের সভা কক্ষে এই শুণানী অনুষ্ঠিত হয়। উইমেন জব ক্রিয়েশন সেন্টার’র আয়োজনে শুনানী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, সংস্থার নির্বাহী পরিচালক আশরাফুন নাহার আশা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ও সেবা গ্রহীতাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন, সাতক্ষীরা জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার লিটন দাশ।

হাসিনা পারভীন’র পরিচালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন, অধ্যাপক রেজাউল ইসলাম, অধ্যাপক অচিন্ত্য সাহা, সাতক্ষীরা বারের আইনজীবী মনির উদ্দীন, তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুর রাজ্জাক, রুপালী পরিচালক শফিকুল ইসলাম, পানি কমিটির নেতা মীর জিল্লুর রহমান, শিশু তীর্থের প্রধান শিক্ষক সাবিনা ইয়াসমিন, সাংবাদিক গাজী জাহিদুর রহমান, জুলফিকার রায়হান, মাগুরা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা রেহেনা খাতুন, উইমেন জব ক্রিয়েশন সেন্টারের প্রকল্প কর্মকর্তা বাবর আলী, তানজিলা কাতুন, মনজিলা খাতুন, বিরাম কুমার ঘোষ, হাসি কুন্ডু ও প্রশান্ত কুমার ঘোষ প্রমুখ।

সভায় লিগ্যাল এইড সেবা প্রদান ও গ্রহণসহ আদালতের বিচার পাওয়া, মামলা দায়ের এবং গ্রহণ প্রক্রিয়া বিষয়ে আলোচনা হয়। এসময় এনজিও কর্মী, শিক্ষক, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও প্রান্তিক নারী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।