বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

বিশ্ব বাস্তুসংস্থান দিবস: প্রকৃতির সঙ্গে সুসম্পর্কই পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ
বিশ্ব বাস্তুসংস্থান দিবস: প্রকৃতির সঙ্গে সুসম্পর্কই পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব

সাকিবুর রহমান বাবলা

প্রকৃতি ও মানুষের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। উদ্ভিদ, প্রাণী, অণুজীব, মাটি, পানি, বায়ু ও জলবায়ু—সবকিছু মিলেই গড়ে উঠেছে পৃথিবীর জীবনের জটিল ও ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবস্থা। এর কোনো একটি উপাদান ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার প্রভাব পড়ে সমগ্র জীবজগতে। জীব ও পরিবেশের পারস্পরিক সম্পর্ক, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরতে ১ নভেম্বর বিশ্ব বাস্তুসংস্থান দিবস পালনের কথা বলা হয়। দিবসটির মূল বার্তা হলো, প্রকৃতিকে রক্ষা করা মানেই মানবজাতির ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করা।

বাস্তুবিদ্যা জীববিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। এতে জীবজগৎ এবং তাদের জীবিত ও জড় পরিবেশের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক, নির্ভরশীলতা ও মিথস্ক্রিয়া নিয়ে বৈজ্ঞানিক আলোচনা ও গবেষণা করা হয়। গ্রিক শব্দ ‘ইকোস’ অর্থ বাসস্থান এবং ‘লোগোস’ অর্থ অধ্যয়ন। এ দুটি শব্দের সমন্বয়ে ‘ইকোলজি’ শব্দটির উৎপত্তি। জার্মান প্রাণিবিজ্ঞানী আর্নস্ট হেকেল ১৮৬৬ সালে প্রথম শব্দটি প্রবর্তন করেন। সহজ কথায়, পৃথিবী নামের আমাদের আবাসস্থলে জীব ও পরিবেশ কীভাবে পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত, সেটিই বাস্তুবিদ্যার মূল আলোচ্য বিষয়।

অন্যদিকে, বাস্তুতন্ত্র হলো কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের জীব ও জড় উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত একটি কার্যকর প্রাকৃতিক ব্যবস্থা। এর জীব উপাদানের মধ্যে রয়েছে উৎপাদক, খাদক ও বিয়োজক। সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে খাদ্য তৈরি করে। প্রাণীরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অন্য জীবের ওপর খাদ্যের জন্য নির্ভরশীল। ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক মৃত জীবদেহ পচিয়ে পুষ্টি উপাদান পরিবেশে ফিরিয়ে দেয়। আলো, তাপমাত্রা, পানি, বায়ু, মাটি ও খনিজ পদার্থ হলো বাস্তুতন্ত্রের জড় উপাদান। খাদ্যশৃঙ্খল, খাদ্যজাল, শক্তির প্রবাহ এবং কার্বন, নাইট্রোজেন ও পানির মতো উপাদানের চক্রাকার আবর্তনের মাধ্যমে বাস্তুতন্ত্রের কার্যক্রম সচল থাকে।

বর্তমানে নির্বিচারে বন উজাড়, জলাভূমি ধ্বংস, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, অতিরিক্ত প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ, প্লাস্টিক ও রাসায়নিক দূষণ এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রকৃতির ভারসাম্যকে মারাত্মকভাবে বিপন্ন করছে। জীববৈচিত্র্য হ্রাস ও প্রজাতির বিলুপ্তির আশঙ্কা ক্রমেই বাড়ছে। বিজ্ঞানীদের একটি বড় অংশ বর্তমান সময়কে ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায় হিসেবে বিবেচনা করছেন। আবাসস্থল ধ্বংস ও খণ্ডিত হওয়ায় বন্যপ্রাণীর চলাচল, প্রজনন এবং টিকে থাকার সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে। অন্যদিকে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হিমবাহ গলছে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে এবং বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা ও তাপপ্রবাহের মতো চরম আবহাওয়ার ঘটনা বিভিন্ন বাস্তুতন্ত্রের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।

বাস্তুসংস্থানের সঙ্গে পানিসম্পদের সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের বহু দেশের মানুষের জীবন, কৃষি ও অর্থনীতি আন্তর্জাতিক নদী অববাহিকার ওপর নির্ভরশীল। এসব অববাহিকার পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে খাদ্যনিরাপত্তা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা জড়িত। আন্তসীমান্ত নদী ও হ্রদের পানি নিয়ে বিরোধের আশঙ্কা থাকলেও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে এসব সমস্যার সমাধান সম্ভব। অভিন্ন পানিসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় দেশগুলোর মধ্যে তথ্য বিনিময়, যৌথ পরিকল্পনা ও কার্যকর চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বৃষ্টিপাতের ধরন বদলে যাওয়া এবং পানির সংকট বাড়তে থাকায় এ ধরনের সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়েছে।

আধুনিক বাস্তুসংস্থান গবেষণায় পুনরুদ্ধারমূলক বাস্তুবিদ্যা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত বন, জলাভূমি ও প্রবালপ্রাচীর পুনরুদ্ধারের উপায় অনুসন্ধান করা হচ্ছে। জীবের শব্দ বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রজাতির উপস্থিতি শনাক্ত করতে বায়োঅ্যাকোস্টিকস প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে। একই সঙ্গে মাটির অণুজীবের ভূমিকা, কার্বন সংরক্ষণ ও মাটির উর্বরতা রক্ষার বিষয়েও গবেষণা চলছে। বন, জীববৈচিত্র্য, সামুদ্রিক পরিবেশ ও মাটির বাস্তুসংস্থান নিয়ে বিজ্ঞানীদের গবেষণা প্রকৃতির জটিল কার্যপ্রণালি বুঝতে এবং পরিবেশ সংরক্ষণের কার্যকর কৌশল নির্ধারণে সহায়তা করছে।

শিক্ষা ও গবেষণায় তথ্যপ্রযুক্তিও নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। ভার্চ্যুয়াল বাস্তবতা, ৩৬০ ডিগ্রি ভিডিও, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ড্রোন ও কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে বাস্তুতন্ত্র পর্যবেক্ষণ এবং পরিবেশের পরিবর্তন বিশ্লেষণ সহজ হচ্ছে। আইন্যাচারালিস্ট ও ই-বার্ডের মতো নাগরিক বিজ্ঞানভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে সাধারণ মানুষও উদ্ভিদ ও পাখির তথ্য সংগ্রহ করে বৈজ্ঞানিক গবেষণায় অবদান রাখতে পারছেন। বাংলাদেশের সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম অবিচ্ছিন্ন ম্যানগ্রোভ বন এবং জীববৈচিত্র্য ও বাস্তুসংস্থান গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। এ বনের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা উপকূলীয় পরিবেশ, বন্যপ্রাণী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকার জন্য অপরিহার্য।

বাস্তুসংস্থান রক্ষায় রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের পাশাপাশি প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব রয়েছে। একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, বৃক্ষরোপণ, বন ও জলাভূমি সংরক্ষণ, বর্জ্য পৃথকীকরণ ও পুনর্ব্যবহার, বিদ্যুৎ ও পানির অপচয় রোধ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব কৃষি, পরিকল্পিত নগরায়ণ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কার্যকর নীতি প্রণয়ন এবং তার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। উন্নয়ন পরিকল্পনায় পরিবেশের ধারণক্ষমতা ও প্রাকৃতিক সম্পদের সীমাবদ্ধতাকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

বিশ্ব বাস্তুসংস্থান দিবসের তাৎপর্য হলো, প্রকৃতির প্রতি মানুষের দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে দেওয়া। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী নিশ্চিত করতে প্রকৃতির সঙ্গে সংঘাত নয়, সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। মনে রাখতে হবে, মানুষ প্রকৃতির মালিক নয়; বরং তারই অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করতে পারলেই মানবসভ্যতার অস্তিত্ব ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত থাকবে।

Ads small one

জামায়াতের জেলা ও মহানগর আমিরের নাম ঘোষণা, সাতক্ষীরায় শহীদুল ইসলাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৭ পূর্বাহ্ণ
জামায়াতের জেলা ও মহানগর আমিরের নাম ঘোষণা, সাতক্ষীরায় শহীদুল ইসলাম

পত্রদূত ডেস্ক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ২০২৭-২০২৮ সাংগঠনিক সেশনের জন্য ৭৭টি জেলা ও মহানগর শাখার আমিরের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমির নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম।

বুধবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর মগবাজারে দলীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে নির্বাচিত আমিরদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

দলীয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সংগঠনের রুকনদের (সদস্য) গোপন ব্যালটে প্রত্যক্ষ ভোটে এসব আমির নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁরা আগামী ২০২৭-২০২৮ সাংগঠনিক সেশনে নিজ নিজ জেলা ও মহানগর শাখার দায়িত্ব পালন করবেন।

ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, খুলনা বিভাগের ১০টি সাংগঠনিক জেলার মধ্যে সাতক্ষীরায় অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম, খুলনায় অধ্যক্ষ মাওলানা কবিরুল ইসলাম, বাগেরহাটে মাওলানা রেজাউল করিম, যশোরে অধ্যাপক মো. গোলাম রসুল, ঝিনাইদহে মাওলানা আবদুল আউয়াল, মাগুরায় অধ্যাপক সাঈদ আহমদ, নড়াইলে অ্যাডভোকেট মো. আতাউর রহমান বাচ্চু, কুষ্টিয়ায় অধ্যক্ষ খন্দকার এ কে এম আলী মহসিন, চুয়াডাঙ্গায় অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন এবং মেহেরপুরে মাওলানা মো. তাজউদ্দীন খান আমির নির্বাচিত হয়েছেন।

এ ছাড়া ঢাকা মহানগরী উত্তরে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এবং দক্ষিণে নূরুল ইসলাম বুলবুলসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগর শাখায় নতুন আমির নির্বাচিত হয়েছেন।

সাতক্ষীরার ছয়ঘরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নারী নিহত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৮ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরার ছয়ঘরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নারী নিহত

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ছয়ঘরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নহিমন বিবি (৫০) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ভোরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত নহিমন বিবি সদর উপজেলার বাঁশঘাটা গ্রামের ইনছান আলীর স্ত্রী। তবে কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে ওই নারী মহাসড়ক পার হওয়ার সময় সাতক্ষীরা থেকে যশোরগামী দ্রুতগতির একটি পরিবহন তাঁকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে পথেই তাঁর মৃত্যু হয়।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম শফিক জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং ঘাতক বাসটি শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।

সাতক্ষীরায় ফেন্সিডিলসহ নারী আটক, পালিয়েছে আরেকজন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:২৯ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ফেন্সিডিলসহ নারী আটক, পালিয়েছে আরেকজন

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) বিশেষ অভিযানে ৩০ বোতল ফেন্সিডিলসহ হালিমা (৪৮) নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরও এক ব্যক্তি পালিয়ে যান।

বুধবার (৪ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শ্রীরামপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

পুলিশ জানায়, সাতক্ষীরা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, শ্রীরামপুর পশ্চিমপাড়ার রবিউল গাজীর বাড়ির উঠানে কয়েকজন ব্যক্তি মাদকদ্রব্য বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছেন। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে সেখানে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুজন পালানোর চেষ্টা করলে হালিমাকে আটক করা সম্ভব হয়। এ সময় অপর ব্যক্তি পালিয়ে যান। পরে হালিমার কাছ থেকে ৩০ বোতল ফেয়ারহাইল কফ লিনকটাস (ফেন্সিডিল) জব্দ করা হয়।

আটক হালিমা একই এলাকার রবিউল গাজীর স্ত্রী। এ ঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানায় এজাহার দাখিল করা হয়েছে।