মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

বিশ্ব বাস্তুসংস্থান দিবস: প্রকৃতির সঙ্গে সুসম্পর্কই পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ
বিশ্ব বাস্তুসংস্থান দিবস: প্রকৃতির সঙ্গে সুসম্পর্কই পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব

সাকিবুর রহমান বাবলা

প্রকৃতি ও মানুষের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। উদ্ভিদ, প্রাণী, অণুজীব, মাটি, পানি, বায়ু ও জলবায়ু—সবকিছু মিলেই গড়ে উঠেছে পৃথিবীর জীবনের জটিল ও ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবস্থা। এর কোনো একটি উপাদান ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার প্রভাব পড়ে সমগ্র জীবজগতে। জীব ও পরিবেশের পারস্পরিক সম্পর্ক, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরতে ১ নভেম্বর বিশ্ব বাস্তুসংস্থান দিবস পালনের কথা বলা হয়। দিবসটির মূল বার্তা হলো, প্রকৃতিকে রক্ষা করা মানেই মানবজাতির ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করা।

বাস্তুবিদ্যা জীববিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। এতে জীবজগৎ এবং তাদের জীবিত ও জড় পরিবেশের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক, নির্ভরশীলতা ও মিথস্ক্রিয়া নিয়ে বৈজ্ঞানিক আলোচনা ও গবেষণা করা হয়। গ্রিক শব্দ ‘ইকোস’ অর্থ বাসস্থান এবং ‘লোগোস’ অর্থ অধ্যয়ন। এ দুটি শব্দের সমন্বয়ে ‘ইকোলজি’ শব্দটির উৎপত্তি। জার্মান প্রাণিবিজ্ঞানী আর্নস্ট হেকেল ১৮৬৬ সালে প্রথম শব্দটি প্রবর্তন করেন। সহজ কথায়, পৃথিবী নামের আমাদের আবাসস্থলে জীব ও পরিবেশ কীভাবে পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত, সেটিই বাস্তুবিদ্যার মূল আলোচ্য বিষয়।

অন্যদিকে, বাস্তুতন্ত্র হলো কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের জীব ও জড় উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত একটি কার্যকর প্রাকৃতিক ব্যবস্থা। এর জীব উপাদানের মধ্যে রয়েছে উৎপাদক, খাদক ও বিয়োজক। সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে খাদ্য তৈরি করে। প্রাণীরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অন্য জীবের ওপর খাদ্যের জন্য নির্ভরশীল। ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক মৃত জীবদেহ পচিয়ে পুষ্টি উপাদান পরিবেশে ফিরিয়ে দেয়। আলো, তাপমাত্রা, পানি, বায়ু, মাটি ও খনিজ পদার্থ হলো বাস্তুতন্ত্রের জড় উপাদান। খাদ্যশৃঙ্খল, খাদ্যজাল, শক্তির প্রবাহ এবং কার্বন, নাইট্রোজেন ও পানির মতো উপাদানের চক্রাকার আবর্তনের মাধ্যমে বাস্তুতন্ত্রের কার্যক্রম সচল থাকে।

বর্তমানে নির্বিচারে বন উজাড়, জলাভূমি ধ্বংস, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, অতিরিক্ত প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ, প্লাস্টিক ও রাসায়নিক দূষণ এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রকৃতির ভারসাম্যকে মারাত্মকভাবে বিপন্ন করছে। জীববৈচিত্র্য হ্রাস ও প্রজাতির বিলুপ্তির আশঙ্কা ক্রমেই বাড়ছে। বিজ্ঞানীদের একটি বড় অংশ বর্তমান সময়কে ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায় হিসেবে বিবেচনা করছেন। আবাসস্থল ধ্বংস ও খণ্ডিত হওয়ায় বন্যপ্রাণীর চলাচল, প্রজনন এবং টিকে থাকার সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে। অন্যদিকে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হিমবাহ গলছে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে এবং বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা ও তাপপ্রবাহের মতো চরম আবহাওয়ার ঘটনা বিভিন্ন বাস্তুতন্ত্রের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।

বাস্তুসংস্থানের সঙ্গে পানিসম্পদের সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের বহু দেশের মানুষের জীবন, কৃষি ও অর্থনীতি আন্তর্জাতিক নদী অববাহিকার ওপর নির্ভরশীল। এসব অববাহিকার পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে খাদ্যনিরাপত্তা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা জড়িত। আন্তসীমান্ত নদী ও হ্রদের পানি নিয়ে বিরোধের আশঙ্কা থাকলেও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে এসব সমস্যার সমাধান সম্ভব। অভিন্ন পানিসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় দেশগুলোর মধ্যে তথ্য বিনিময়, যৌথ পরিকল্পনা ও কার্যকর চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বৃষ্টিপাতের ধরন বদলে যাওয়া এবং পানির সংকট বাড়তে থাকায় এ ধরনের সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়েছে।

আধুনিক বাস্তুসংস্থান গবেষণায় পুনরুদ্ধারমূলক বাস্তুবিদ্যা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত বন, জলাভূমি ও প্রবালপ্রাচীর পুনরুদ্ধারের উপায় অনুসন্ধান করা হচ্ছে। জীবের শব্দ বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রজাতির উপস্থিতি শনাক্ত করতে বায়োঅ্যাকোস্টিকস প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে। একই সঙ্গে মাটির অণুজীবের ভূমিকা, কার্বন সংরক্ষণ ও মাটির উর্বরতা রক্ষার বিষয়েও গবেষণা চলছে। বন, জীববৈচিত্র্য, সামুদ্রিক পরিবেশ ও মাটির বাস্তুসংস্থান নিয়ে বিজ্ঞানীদের গবেষণা প্রকৃতির জটিল কার্যপ্রণালি বুঝতে এবং পরিবেশ সংরক্ষণের কার্যকর কৌশল নির্ধারণে সহায়তা করছে।

শিক্ষা ও গবেষণায় তথ্যপ্রযুক্তিও নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। ভার্চ্যুয়াল বাস্তবতা, ৩৬০ ডিগ্রি ভিডিও, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ড্রোন ও কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে বাস্তুতন্ত্র পর্যবেক্ষণ এবং পরিবেশের পরিবর্তন বিশ্লেষণ সহজ হচ্ছে। আইন্যাচারালিস্ট ও ই-বার্ডের মতো নাগরিক বিজ্ঞানভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে সাধারণ মানুষও উদ্ভিদ ও পাখির তথ্য সংগ্রহ করে বৈজ্ঞানিক গবেষণায় অবদান রাখতে পারছেন। বাংলাদেশের সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম অবিচ্ছিন্ন ম্যানগ্রোভ বন এবং জীববৈচিত্র্য ও বাস্তুসংস্থান গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। এ বনের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা উপকূলীয় পরিবেশ, বন্যপ্রাণী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকার জন্য অপরিহার্য।

বাস্তুসংস্থান রক্ষায় রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের পাশাপাশি প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব রয়েছে। একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, বৃক্ষরোপণ, বন ও জলাভূমি সংরক্ষণ, বর্জ্য পৃথকীকরণ ও পুনর্ব্যবহার, বিদ্যুৎ ও পানির অপচয় রোধ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব কৃষি, পরিকল্পিত নগরায়ণ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কার্যকর নীতি প্রণয়ন এবং তার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। উন্নয়ন পরিকল্পনায় পরিবেশের ধারণক্ষমতা ও প্রাকৃতিক সম্পদের সীমাবদ্ধতাকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

বিশ্ব বাস্তুসংস্থান দিবসের তাৎপর্য হলো, প্রকৃতির প্রতি মানুষের দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে দেওয়া। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী নিশ্চিত করতে প্রকৃতির সঙ্গে সংঘাত নয়, সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। মনে রাখতে হবে, মানুষ প্রকৃতির মালিক নয়; বরং তারই অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করতে পারলেই মানবসভ্যতার অস্তিত্ব ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত থাকবে।

Ads small one

গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন আমির

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১:২০ পূর্বাহ্ণ
গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন আমির

ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পাওয়ায় বিশ্বের সবচেয়ে দামি টি-টোয়েন্টি লিগ আইপিএলে খেলার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে মোহাম্মদ আমিরের। এমন গুঞ্জন ছড়ালেও পাকিস্তানের সাবেক এই বাঁহাতি পেসার জানিয়ে দিয়েছেন, আসন্ন আইপিএল নিলামে নাম লেখানোর কোনো পরিকল্পনা তার নেই।

ক্রিকবাজকে দেওয়া বার্তায় ৩৩ বছর বয়সী আমির নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুবাই থেকে পাঠানো বার্তায় আইপিএল নিলামে নিবন্ধনের বিষয়ে তিনি বলেছেন, ‘না, আমি নিবন্ধন করছি না।’

আগামী ১৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা আইপিএল ২০২৭-এর নিলাম। পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের আইপিএলে খেলার অনুমতি না থাকায় দেশটির খেলোয়াড়েরা দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রতিযোগিতার বাইরে। তবে সম্প্রতি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পাওয়ায় আমিরের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল।

আইপিএলের উদ্বোধনী আসরের পর থেকে পাকিস্তানের কোনো ক্রিকেটার এই লিগে খেলেননি। তবে ব্রিটিশ পাসপোর্ট থাকায় পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার আজহার মাহমুদ কয়েক মৌসুম আইপিএলে খেলেছিলেন। আমিরের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পাওয়ার পর তার ক্ষেত্রেও একই সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। যদিও নিলামে নাম লেখালেই দল পাওয়ার নিশ্চয়তা ছিল না।

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) সোমবার জানিয়েছে, আইপিএল নিলামে অংশ নিতে আগ্রহী বিদেশি ক্রিকেটাররা নিজ নিজ দেশের ক্রিকেট বোর্ডের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন। ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে নিবন্ধনপ্রক্রিয়া। ইংল্যান্ডে এখন স্থানীয় ক্রিকেটার হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় আমির চাইলে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) মাধ্যমে নিলামে নাম লেখাতে পারতেন।

ইংল্যান্ডের ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে ইতোমধ্যে স্থানীয় খেলোয়াড় হিসেবেই খেলেছেন আমির। দ্য হান্ড্রেডে নটিংহ্যামভিত্তিক দল ট্রেন্ট রকেটসের হয়ে স্থানীয় খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন তিনি।

অন্যদিকে সোমবার যুক্তরাজ্যের নাগরিক হিসেবে আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগের (এপিএল) প্লেয়ার্স ড্রাফটে নিবন্ধন করেছেন আমির। অর্থাৎ আইপিএলে আগ্রহ না থাকলেও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে খেলার সুযোগ খুঁজছেন এই পেসার।

চলতি বছরের পর ইসরায়েলকে আর আর্থিক সহায়তা দেবে না যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
চলতি বছরের পর ইসরায়েলকে আর আর্থিক সহায়তা দেবে না যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

চলতি বছর শেষে ইসরায়েলকে দেওয়া বার্ষিক আর্থিক সহায়তা বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে এ বিষয়ে ইতোমধ্যে তার একটি সমঝোতা হয়েছে।

মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলাকালে ফক্স নিউজ-এর ‘ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ইসরায়েলকে অর্থ দেওয়ার বিষয়ে আমি ও বিবি নেতানিয়াহু চুক্তি করেছি যে আমরা তাদের বছরে ৪০০ কোটি ডলার দিই। মাসখানেক আগেই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে এটি বন্ধ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা আগেই একমত হয়েছি যে এই বছরের শেষ নাগাদ আমরা ইসরায়েলকে আর কোনও অর্থ দেব না। তবে প্রয়োজন হলে আমরা ইসরায়েলকে সহায়তা করব।

ট্রাম্প ঠিক কোন ধরনের সহায়তার কথা বলছেন, তা তাত্ক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়নি।

ইসরায়েলকে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা এবং মার্কিন রাজনৈতিক প্রচারণায় ইসরায়েল সমর্থকদের অর্থায়ন চলতি বছর ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান উভয় দলের জন্যই একটি স্পর্শকাতর বিষয় হয়ে উঠেছে। বছরের পর বছর ধরে চলা দ্বিপক্ষীয় সমর্থনের জায়গা থেকে সরে মার্কিন নেতাদের তরফ থেকে ইসরায়েলের কঠোর সমালোচনা দেখা যাচ্ছে।

গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসনের জেরে গত জুলাইয়ে মার্কিন হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা বন্ধের একটি সংশোধনী প্রস্তাব পেশ করা হয়। কেন্টাকির রিপাবলিকান প্রতিনিধি থমাস ম্যাসি এই সংশোধনী আনেন। প্রায় অর্ধেক ডেমোক্র্যাট সদস্য এর পক্ষে সমর্থন জানালেও শেষ পর্যন্ত ৩১৪-১০৪ ভোটে প্রস্তাবটি নাকচ হয়ে যায়।

সূত্র: আল জাজিরা

ইরানে ‘অনেক মানুষ মারতে চান না’ ট্রাম্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১:১৪ পূর্বাহ্ণ
ইরানে ‘অনেক মানুষ মারতে চান না’ ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে ‘অনেক মানুষ মারতে চান না’ বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে প্রয়োজনে ওয়াশিংটন যে কঠোর পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না, সেই হুঁশিয়ারিও দিয়ে রেখেছেন তিনি।

ভোট গ্রহণ চলাকালে ফক্স নিউজ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, দেখুন, আমি তো আর অনেক মানুষ মেরে ফেলতে চাচ্ছি না। তবে আমাদের যদি করতেই হয়, তবে আমরা তা করতে বাধ্য হব।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিকে ট্রাম্প রাশিয়া-ইউক্রেন বা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো প্রথাগত যুদ্ধের চেয়ে আলাদা হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি দাবি করেন, ইরানের নৌ ও বিমান শক্তি পঙ্গু করে দেওয়ার পর তেহরানের ওপর ওয়াশিংটনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।

ট্রাম্প বলেন, আমরা তাদের পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণেই রেখেছি। আমরা চাইলে তাদের একদম নিঃশেষ করে দিতে পারি, অথবা আমরা নমনীয় হয়ে এমন হাজার হাজার মানুষকে বাঁচতে দিতে পারি, যারা এই যুদ্ধে মারা পড়ত।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, গত রাতে মার্কিন বাহিনী ইরানের সদ্য নির্মিত একটি বিমান বিধ্বংসী স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে, যার ওপর গত দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে নজর রাখা হচ্ছিল। এটিকে ‘সামান্য হামলা, কোনও যুদ্ধ নয়’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানায়, সোমবার ইরানের কেশম দ্বীপে প্রতিরক্ষামূলক হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি