শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

মহালয়া, শুভশক্তির আগমনী ধ্বনি/ সচ্চিদানন্দ দে সদয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৪৮ অপরাহ্ণ
মহালয়া, শুভশক্তির আগমনী ধ্বনি/ সচ্চিদানন্দ দে সদয়

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

শনিবার ভোরে মহালয়া। অমাবস্যার অন্ধকার পেরিয়ে শুরু হবে দেবীপক্ষ। পিতৃপক্ষের অবসানে মহালয়ার ভোরে শঙ্খধ্বনি, চ-ীপাঠ ও আগমনী সুরে বাঙালির মনে জেগে ওঠে দেবীর আগমনের প্রত্যাশা। মহালয়া তাই নিছক একটি ধর্মীয় তিথি নয়; এটি স্মৃতি, বিশ্বাস ও শুভশক্তির প্রত্যাবর্তনের এক তাৎপর্যপূর্ণ মুহূর্ত। ‘মহ’ অর্থ পূজা বা উৎসব, ‘আলয়’ অর্থ আশ্রয়। আবার সনাতন বিশ্বাসে মহালয় পিতৃলোকের প্রতীক-যেখানে প্রয়াত পূর্বপুরুষদের অবস্থান। ফলে মহালয়ার সঙ্গে জড়িয়ে আছে দুটি গভীর অনুষঙ্গ: পূর্বপুরুষের স্মরণ এবং দেবীপক্ষের সূচনা।

 

পিতৃপক্ষের শেষ দিনে প্রয়াত পিতা-মাতা ও পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে তর্পণ ও অঞ্জলি নিবেদনের রীতি রয়েছে। এর ধর্মীয় তাৎপর্যের পাশাপাশি রয়েছে গভীর মানবিক মূল্যবোধ। মানুষ যত আধুনিকই হোক, তার অস্তিত্বের পেছনে থাকে পূর্বসূরিদের শ্রম, ত্যাগ ও উত্তরাধিকার। মহালয়া সেই ঋণের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। দুর্গাপূজার সূচনালগ্ন হিসেবেও মহালয়ার গুরুত্ব অনস্বীকার্য। পুরাণকথা অনুযায়ী, রাবণের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাওয়ার আগে শ্রী রামচন্দ্র শরৎকালে দেবী দুর্গার আরাধনা করেন। প্রচলিত পূজার সময়ের বাইরে এই আরাধনাই ‘অকালবোধন’ নামে পরিচিত।

 

সেই ঐতিহ্যই আজকের শারদীয় দুর্গোৎসবের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। চ-ীপাঠের মন্ত্রে মহালয়ার ভোরে যে দেবীকে আহ্বান করা হয়, তিনি শুধু পৌরাণিক অসুরবিনাশিনী ননÑতিনি শুভবোধের প্রতীক। মহিষাসুরের বিরুদ্ধে দেবীর সংগ্রাম তাই আজও প্রতীকী অর্থে প্রাসঙ্গিক। অন্যায়, অহংকার, হিংসা, লোভ ও অমানবিকতার বিরুদ্ধে ন্যায়, সংযম ও মানবিকতার লড়াই কখনো শেষ হয় না। এ কারণেই মহালয়ার আলোকবার্তা আজও সমান জরুরি। সমাজে বিভাজন বাড়লে, সহনশীলতা কমলে, স্বার্থ যখন বিবেককে ঢেকে ফেলেÑতখন দেবীর আগমন আমাদের মনে করিয়ে দেয়, অশুভকে মেনে নেওয়া নয়, তার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোই মানুষের ধর্ম।

 

শরতের প্রকৃতিও যেন এই আবাহনের সঙ্গে একাত্ম হয়ে ওঠে। নীল আকাশ, সাদা মেঘ, কাশফুল ও শিউলির সুবাসের সঙ্গে ম-পে ম-পে চলে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। প্রতিমাশিল্পী, কারিগর, ঢাকি, আলোক সজ্জা কর্মী ও আয়োজকদের শ্রমে পূর্ণতা পায় উৎসবের আয়োজন। এই সম্মিলিত শ্রমই দুর্গোৎসবকে কেবল পূজার আনুষ্ঠানিকতা থেকে বৃহত্তর সামাজিক উৎসবে পরিণত করেছে। বাংলার দুর্গোৎসবের সবচেয়ে বড় শক্তি তার মিলনের চরিত্র। ধর্মীয় আচার এক সম্প্রদায়ের হলেও উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে সমাজের সর্বস্তরে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহাবস্থান ও সম্প্রীতির যে ঐতিহ্য বাংলাকে সমৃদ্ধ করেছে, মহালয়া সেই মূল্যবোধকেও নতুন করে স্মরণ করার সুযোগ দেয়।

 

মহালয়ার প্রকৃত তাৎপর্য তাই কেবল ‘মা আসছেন’-এই আনন্দে সীমাবদ্ধ নয়। এর গভীরে রয়েছে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে উত্তরণের দর্শন। পূর্বপুরুষের স্মৃতি আমাদের শিকড়ের কাছে ফিরিয়ে নেয়, আর দেবীর আবাহন সামনে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি জোগায়। অমাবস্যার রাত শেষে যেমন সূর্য ওঠে, তেমনি অশুভের দীর্ঘ ছায়ার পরও শুভবোধের সম্ভাবনা কখনো নিঃশেষ হয় না। মহালয়া সেই সম্ভাবনারই নাম। মহালয়ার এই ভোরে তাই প্রার্থনা একটাইÑঅশুভের বিনাশ হোক, বিবেক জাগুক, মানবিকতা শক্তিশালী হোক। দেবীর আগমন হোক মানুষের অন্তরে। শুভ মহালয়া।

সচ্চিদানন্দ দে সদয়, সাংবাদিক, আশাশুনি, সাতক্ষীরা

Ads small one

তালার ধানদিয়ায় প্রায় দুই লাখ টাকার গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
তালার ধানদিয়ায় প্রায় দুই লাখ টাকার গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেশে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে বৃক্ষরোপণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ঠিক সেই মুহূর্তে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ধানদিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ঝড়গাছা-পানপাড়া গ্রামের নিমাই কৃষ্ণ ঘোষের তিন ছেলেÑপ্রণব ঘোষ, সন্ন্যাসী কুমার ঘোষ ও সুমন ঘোষের পৈতৃক সম্পত্তিতে লাগানো ১৫ বছরের পুরোনো দুটি বড় শীলকড়া গাছ জোরপূর্বক কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।

একই এলাকার সুধীর ঘোষের ছেলে ও স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু ঘোষ এবং রবীন ঘোষসহ তাঁদের সন্ত্রাসী বাহিনী বৈদ্যুতিক করাত দিয়ে এই গাছগুলো কেটে ফেলে।

ভুক্তভোগী প্রণব ঘোষ, সন্ন্যাসী কুমার ঘোষ ও সুমন ঘোষ জানান, তাঁদের না জানিয়ে প্রভাবশালী পিন্টু ঘোষ ও তাঁর লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জোরপূর্বক গাছ দুটি কেটে নেন, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় দুই লাখ টাকা। এ সময় গাছ কাটার ফলে ওই স্থানে থাকা অসংখ্য বাঁশঝাড় ও ফলজ গাছেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

আশাশুনির নবাগত সমাজসেবা কর্মকর্তার প্রথম অনুষ্ঠানেই অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনির নবাগত সমাজসেবা কর্মকর্তার প্রথম অনুষ্ঠানেই অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলায় নবাগত সমাজসেবা কর্মকর্তা এস এম দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর গত ১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালনের মধ্য দিয়ে তিনি প্রথম কোনো সরকারি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। তবে উপজেলা পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ এই সরকারি অনুষ্ঠানটিতে প্রবীণদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি ও জনসমাগম ছিল না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে উপজেলা পরিষদ ভবনের সামনে থেকে একটি সংক্ষিপ্ত র‌্যালি বের করা হয়, যা মাত্র ২০-৩০ হাত এগিয়ে ফটোসেশনের মাধ্যমেই শেষ করা হয়। আমন্ত্রিত অতিথি ও কয়েকজন আধা প্রবীণ এবং যুবকদের নিয়ে এই র‌্যালি সম্পন্ন হয়। এরপর উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে ২০-৩০ জনের অংশগ্রহণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে হাতেগোনা কয়েকজন প্রবীণ উপস্থিত থাকলেও তাঁদের কোনো বক্তব্য বা অনুভূতি প্রকাশের সুযোগ দেওয়া হয়নি। এমনকি এনজিও প্রতিনিধি ও উপস্থিত সাংবাদিকদেরও কোনো মতামত নেওয়া হয়নি। সংক্ষিপ্ত পরিসরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সমাজসেবা কর্মকর্তা এবং দুজন রাজনৈতিক ব্যক্তি বক্তব্য দিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত করেন।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে সরকারিভাবে আর্থিক বরাদ্দ থাকার পরও সমাজসেবা কর্মকর্তা অনুষ্ঠান খরচের অজুহাতে উপজেলার ছয়টি এনজিওর কাছ থেকে চাঁদা আদায় করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অনুষ্ঠানে বিতরণ করা ব্যানারে ফ্রেন্ডশিপ, উত্তরণ, ইএসডিও, বারসিক, ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স, ন্যাজারিন মিশন ও আইডিয়াল এনজিওর নাম ও মনোগ্রাম ব্যবহার করা হয়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ব্যানার ও নাশতা বাবদ মোট খরচ হয়েছে ৪ হাজার ৯৬০ টাকা, যা এনজিওদের কাছ থেকে তোলা চাঁদার মাধ্যমেই মূলত পূরণ করা হয়েছে। এর ফলে সরকারি বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের পথ উন্মুক্ত হয়েছে বলে অভিযোগ সচেতন মহলের। এ বিষয়ে সচেতন নাগরিকরা অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা সমাজসেবা অফিসের ইউনিয়ন সমাজকর্মী মৃণাল স্বর্ণকার জানান, এনজিওদের কাছ থেকে টাকা আদায় করা হয়েছে এবং মোট ৪,৯৬০ টাকা খরচ হয়েছে; পরবর্তীতে তিনটি অনুষ্ঠানের জন্য ২৫ হাজার টাকার বরাদ্দ পাওয়া যাবে। তবে অভিযুক্ত উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এস এম দেলোয়ার হোসেন সুনির্দিষ্ট অভিযোগের সরাসরি জবাব না দিয়ে অফিসে গিয়ে কথা বলার পরামর্শ দেন।

 

শরতের আলতো ছোঁয়ায় গুড়পুকুর মেলা: ঐতিহ্য, আনন্দ ও জীবিকার মেলবন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ
শরতের আলতো ছোঁয়ায় গুড়পুকুর মেলা: ঐতিহ্য, আনন্দ ও জীবিকার মেলবন্ধন

0-0x0-0-0#

মিলন বিশ্বাস: নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা আর কাশের দোলায় মোড়ানো শরতের শান্ত বিকেলে অনন্য এক প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে সাতক্ষীরার শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে। শৈশবের সোনালি স্মৃতি, প্রিয়জনদের সান্নিধ্য আর খেটে খাওয়া মানুষের জীবিকার আলোÑসবকিছুর মোহনীয় সংমিশ্রণ ঘটে চলেছে ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুর মেলায়। দুই বছরের দীর্ঘ বিরতি পেরিয়ে প্রায় তিন শ বছরের প্রাচীন এ মেলা যেন এক নতুন ভোরে জেগে উঠেছে। মেলার দশম দিনে উৎসবমুখর আবহের মাঝে আগত দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় দায়িত্বশীল পুলিশ প্রশাসনের কর্মতৎপরতাও ছিল লক্ষণীয়।

মেলার তোরণ পেরিয়ে ভেতরে পা রাখতেই নজরে আসে সব বয়সের মানবের মিলনমেলা। পরিবারের হাত ধরে খুদে পথচলা, সন্তানের হাসিমুখের জন্য খেলনার বায়না মেটানো আর কেনাকাটার নানা আয়োজনে চারপাশটা যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছে। নাগরদোলার দোলাচল, দূর থেকে ভেসে আসা পথশিশুদের রেলগাড়ির হুইসেল, রকমারি মিষ্টির সুবাস আর গৃহস্থালি পণ্যের ঝলকানিÑসব মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত পরিবেশ।

মেলা প্রাঙ্গণে বিরাজ করছিল এক স্নিগ্ধ ও স্বাভাবিক সুর। দর্শনার্থীরা যখন আনন্দ উদযাপনে মগ্ন, তখন অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা এড়াতে মেলার বিভিন্ন কোণে ঘুরে নজরদারি চালাচ্ছিলেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। তাঁদের এমন পদচারণায় নিশ্চিত নিরাপদ পরিবেশ পেয়ে আগতদের চোখেমুখে ছিল স্বস্তির ছাপ।

কেবল কেনাকাটার ধুম নয়, এই গুড়পুকুর মেলার ধূলিকণায় মাখানো রয়েছে সাতক্ষীরার প্রজন্মের পর প্রজন্মের স্মৃতিচিহ্ন ও আবেগ। বয়সের ভারে নয়ে পড়া প্রবীণদের কাছে এই মেলা যেন দূর শৈশবের দিনগুলো নতুন করে ছুঁয়ে দেখার এক সুযোগ, আর নবীনদের কাছে আনন্দ ও অভিজ্ঞতার দিগন্ত ছোঁয়ার রঙিন প্রান্তর। ছোটদের উচ্ছ্বল চোখের তারা আর মা-বাবার মমতাময় হাত ধরে ঘেঁষে হাঁটার দৃশ্যটি ছিল অনবদ্য।
উৎসবের এই আবহের অন্তরালে রয়েছে বহু শ্রমজীবী মানুষের জীবনসংগ্রাম ও স্বপ্নপূরণের গল্প। দেশের নানা প্রান্ত থেকে ছোট-বড় ব্যবসায়ীরা পসরা সাজিয়ে বসেছেন। জামাকাপড়, প্রসাধনী, শিশুদের খেলার সামগ্রী কিংবা খাবারÑসব দোকানঘিরেই মানুষের উপচে পড়া ভিড়। শরতের এই মেলার বেচাকেনা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বাড়তি কিছু উপার্জনের এক বড় পথ খুলে দিয়েছে। তাই তো ক্রেতাদের উপস্থিতিতে ফুটে ওঠে তাঁদের আশাজাগানিয়া হাসি।

পণ্য বিক্রির মিষ্টি হাঁকডাক, ক্রেতা-বিক্রেতার দরদাম আর নিষ্পাপ শিশুদের খিলখিল হাসিতে এক মোহময় আবহের সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রাঙ্গণ আর কেবল বেচাকেনায় সীমাবদ্ধ নেই, পরিণত হয়েছে সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করার এক মানবিক উদ্যানে। শিকড় আঁকড়ে ধরে এগিয়ে যাওয়া এই ঐতিহ্য আগামীতেও যেন স্বমহিমায় টিকে থাকে, সে প্রত্যাশাই স্থানীয়দের।

এদিকে দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে মেলার সময়সীমা আরও দুই ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে। মেলা কমিটির সদস্য হাসান শিকদার জানান, নতুন সময়সূচি অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে। সময় বাড়ায় কেনাকাটা ও ভ্রমণের জন্য পর্যাপ্ত অবকাশ পাবেন দর্শনার্থীরা।
জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার সার্বিক তত্ত্বাবধানে শহরতলির শহীদ আবদুর রাজ্জাক পার্কে ১ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ২০ দিনব্যাপী এই মিলনমেলা চলবে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত। শিশু-কিশোরের আনন্দ-হাসি, প্রবীণদের স্মৃতিমেদুরতা আর খেটে খাওয়া মানুষের বেঁচে থাকার প্রেরণা নিয়ে গুড়পুকুর মেলা শরতের হাওয়ায় ডানা মেলেছে অনন্য এক রূপ নিয়ে।