শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

মা এবং আমি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৯ অপরাহ্ণ
মা এবং আমি

গাজী গিয়াস উদ্দিন
আমার মা আমার আল্লাহ আর আমি
আমরা তিনজনই একত্রে বাস করতাম
এখন মা নেই
প্রভু আছেন
মা প্রভুর কাছেই আছেন।

মা আমাকে সৃষ্টিকর্তার মতোই ভালোবাসতেন
মায়ের আঁচলের নিচেই ভালোবাসা ও আমি ঘুমাতাম
মা ফজরে আমাকে জাগাতেন
আমি ও মা আল্লাহর কাছে চলে যেতাম।

পৃথিবীর সকল বৈভব-সকল আশা আকাঙ্খা
জীবনের সকল সাহস ও সহায় মাকে ঘিরে পেয়েছি
এখন আর চিন্তা কিসের-
আমি ও মা দুজনই আল্লাহর কাছে আছি।

Ads small one

শ্যামনগরে জুয়ার আসর থেকে গ্রেপ্তার ১০

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে জুয়ার আসর থেকে গ্রেপ্তার ১০

মো. সিরাজুল ইসলাম: শ্যামনগরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে একটি জুয়ার আসর থেকে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত সোয়া একটার দিকে উপজেলার খোসালখালী গ্রামের একটি চায়ের দোকানের পাশের ঘর থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় জুয়া খেলার সরঞ্জাম এবং নগদ ৪ হাজার ৮৯০ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন খোসালখালী গ্রামের শাহিনুর রহমান (৩২), জাহিদ হোসেন (৩৩), ইয়াছিন মোড়ল (৪০), শফিকুল ইসলাম গাইন (৫৪), আবু ইছা গাজী (২৬) ও শহিদুল্লাহ মাঝী (৩২); খেগড়াঘাট গ্রামের আহম্মদ আলী (৩৮) ও আহসান আলী (৩৬); শ্রীফলকাটি গ্রামের এবাদত মোড়ল (৩২) এবং আবাদচন্ডীপুর গ্রামের মোসলেম গাজী (৩৬)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনায় শ্যামনগর থানা পুলিশের একটি দল খোসালখালী গ্রামের জনৈক জাকিরের চায়ের দোকানসংলগ্ন ঘরে অভিযান চালায়। হাতেনাতে ১০ জুয়াড়িকে গ্রেপ্তারের পর তাঁদের কাছ থেকে তাস ও টাকা উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় শ্যামনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুদেব পাল বাদী হয়ে ১৮৬৭ সালের জুয়া আইনের ৩/৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খালেদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের শনিবার সকালেই আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সাতক্ষীরায় আন্তধর্মীয় সংলাপ: সম্প্রীতি রক্ষায় ১১ দফার ঘোষণাপত্র স্বাক্ষর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় আন্তধর্মীয় সংলাপ: সম্প্রীতি রক্ষায় ১১ দফার ঘোষণাপত্র স্বাক্ষর

নিজস্ব প্রতিনিধি: ‘সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় এক আন্তধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বেলা ১১টায় শহরের ম্যানগ্রোভ সভাঘরে এই সংলাপের আয়োজন করা হয়। সাতক্ষীরা সদর ও কালিগঞ্জ পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি) যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় এবং ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসের (এফসিডিও) অর্থায়নে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিএফজি কো-অর্ডিনেটর অধ্যক্ষ পবিত্র মোহন দাশ এবং সঞ্চালনা করেন পিস অ্যাম্বাসেডর ও সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জ্বল। সংলাপে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রোকনুজ্জামান, সাতক্ষীরা আলিয়া মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. মুফতি আখতারুজ্জামান, সুকুমার দাস বাচ্চু, হেনরি সরদার, আইনজীবী সোমনাথ ব্যানার্জি ও মাওলানা সাখাওয়াত উল্লাহ।
জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং পবিত্র কোরআন, গীতা ও বাইবেল পাঠের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর সংলাপের মূল উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন দি হাঙ্গার প্রজেক্টের এরিয়া কো-অর্ডিনেটর এস এম রাজু জবেদ।
সংলাপে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ চিরকালই ধর্মীয় ও জাতিগত সম্প্রীতির দেশ। কোনো ধর্মই মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে না। তবে কিছু বিপথগামী মানুষ ধর্মকে পুঁজি করে সমাজে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করে, যা রুখে দিতে ধর্মীয় নেতাদের বিশেষ ভূমিকা রাখতে হবে। উসকানিমূলক কোনো গুজবে কান না দিয়ে সত্য তথ্য যাচাই করার এবং একটি অসাম্প্রদায়িক, মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানান বক্তারা।
সংলাপ শেষে জেলার আন্তধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তি বজায় রাখার লক্ষ্যে সর্বসম্মতিক্রমে ১১টি ঘোষণা সম্বলিত একটি ঘোষণাপত্র তৈরি করা হয়, যেখানে উপস্থিত সকল প্রতিনিধি স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা ও কালিগঞ্জের বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় নেতা, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং পিএফজি ও ওয়াইপিএজি সদস্যরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানটির সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর মো. আবু তাহের।

আসছে চরকি অ্যাওয়ার্ডস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ণ
আসছে চরকি অ্যাওয়ার্ডস

আসছে চরকি অ্যাওয়ার্ডস। দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই আয়োজনে ২০২৩ ও ২০২৪ সালের সেরাদের পুরস্কৃত করার পাশাপাশি প্রয়াত অভিনেত্রী কারিনা কায়সারকে বিশেষ সম্মাননা জানাবে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকি। আগামী ৩ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে ‘সেনসেশন চরকি কার্নিভাল পাওয়ার্ড বাই ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা’।

বাংলা কনটেন্ট ইন্ডাস্ট্রিতে পাঁচ বছর পূর্ণ করতে যাচ্ছে চরকি। এই সময়ে প্ল্যাটফর্মটির প্রিমিয়াম কনটেন্ট দেখা হয়েছে ১০০ কোটিরও বেশি ঘণ্টা। চরকির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন ৩ কোটির বেশি নিবন্ধিত গ্রাহক। দর্শকদের জন্য শতাধিক কনটেন্ট নিয়ে আসার এই যাত্রায় দেশের শিল্পী, কলাকুশলী ও নির্মাতাদের অবদানকে স্বীকৃতি দিতেই আয়োজন করা হচ্ছে এই পুরস্কার অনুষ্ঠান।

সমালোচকদের মূল্যায়ন এবং সাবস্ক্রাইবারদের ভোটের ভিত্তিতে ২৩টি বিভাগে দেওয়া হবে পুরস্কার। ১৩ জুন থেকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। দর্শকরা chorki.com/awards-এ গিয়ে ২০২৪ সালের সাবস্ক্রাইবারস চয়েস বিভাগে ভোট দিতে পারবেন।

২০২৪ সালের সাবস্ক্রাইবারস চয়েস বিভাগে বেস্ট ফিল্ম ক্যাটাগরিতে মনোনয়ন পেয়েছে ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’, ‘তুফান’, ‘লাস্ট ডিফেন্ডারস অব মনোগামী’ এবং ‘৩৬–২৪–৩৬’। বেস্ট অ্যাক্টর (মেল), ফিল্ম বিভাগে মনোনীত হয়েছেন ইয়াশ রোহান, প্রীতম হাসান, শাকিব খান ও সৈয়দ জামান শাওন। বেস্ট অ্যাক্টর (ফিমেল), ফিল্ম বিভাগে রয়েছেন তাসনিয়া ফারিণ, মাসুমা রহমান নাবিলা এবং মেহজাবীন চৌধুরী।

এ ছাড়া বেস্ট সিরিজ বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছে ‘আধুনিক বাংলা হোটেল’, ‘কালপুরুষ’, ‘সিনপাট’ এবং ‘২ষ’। বেস্ট অ্যাক্টর (মেল), সিরিজ বিভাগে মনোনীত হয়েছেন এফ এস নাঈম, তাহসান খান, মোশাররফ করিম ও সিয়াম আহমেদ। বেস্ট অ্যাক্টর (ফিমেল), সিরিজ বিভাগে রয়েছেন কাজী নওশাবা আহমেদ, জয়া আহসান, রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও সাফা কবির। অন্যদিকে বেস্ট সং বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছে ‘কেমনে কি?’, ‘দুষ্টু কোকিল’, ‘মেঘ বালিকা’ এবং ‘লাগে উরা ধুরা’।

চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রেদওয়ান রনি বলেন, “চরকি অ্যাওয়ার্ডসে সাবস্ক্রাইবারস চয়েস ২০২৪ ক্যাটাগরিতে বেস্ট অ্যাক্টর (ফিমেল)-ফিল্ম বিভাগে ‘৩৬–২৪–৩৬’ চলচ্চিত্রের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন প্রিয় কারিনা কায়সার। তাঁর অসাধারণ সব কাজ রয়ে গেলেও, তিনি আজ সকল প্রতিযোগিতার ঊর্ধ্বে। প্রয়াত কারিনা কায়সারের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁকে এই বিভাগে প্রতিযোগিতার বাইরে রাখা হয়েছে। তাঁর অসামান্য অবদানকে স্মরণ করে এবারের চরকি অ্যাওয়ার্ডসে আমরা তাঁকে বিশেষভাবে সম্মান জানাতে চাই।”

চরকি জানিয়েছে, শিগগিরই প্রকাশ করা হবে ২০২৪ সালের সমালোচক পুরস্কারের মনোনয়ন তালিকা। এরপর প্রকাশ করা হবে ২০২৩ সালের সমালোচক ও সাবস্ক্রাইবারস চয়েস বিভাগের মনোনয়নও।

তবে এবারের ‘সেনসেশন চরকি কার্নিভাল’ শুধু একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে অভিনয়ের মাস্টারক্লাস এবং প্যানেল আলোচনা। পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা তৈরির বিভিন্ন উদ্যোগও থাকবে আয়োজনে।

রেদওয়ান রনি বলেন, “চরকি প্রতি মাসেই দর্শকদের জন্য নানা ধরনের কনটেন্ট নিয়ে আসে। ফিল্ম, সিরিজ, শর্ট কনটেন্ট থেকে শুরু করে প্রেক্ষাগৃহের সিনেমাও রয়েছে এই তালিকায়। এসব কনটেন্ট তৈরির পেছনে শত মানুষের সৃজনশীল পরিশ্রম রয়েছে। সেই মানুষগুলোকে সম্মান জানাতেই এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।”

তিনি আরও জানান, দেশের পরিস্থিতি এবং কনটেন্ট নিয়ে বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে চরকি অ্যাওয়ার্ডের আয়োজন কিছুদিন বন্ধ ছিল। তবে আগামী বছর থেকে নিয়মিতভাবে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।