শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

মুক্তমত: সাতক্ষীরায় কিশোর গ্যাংয়ের দাপট: উত্তরণের পথ ও নাগরিক ভাবনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ
মুক্তমত: সাতক্ষীরায় কিশোর গ্যাংয়ের দাপট: উত্তরণের পথ ও নাগরিক ভাবনা

মো. মাসুদ রানা

সাম্প্রতিক সময়ে সাতক্ষীরা জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় একটি বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক হয়ে দাঁড়িয়েছেÑতা হলো ‘কিশোর গ্যাং’-এর অপতৎপরতা। জেলার পৌর এলাকা (যেমন: সুলতানপুর, ইটাগাছা, কাটিয়া, কদমতলা) এবং বিভিন্ন উপজেলা সদরগুলোতে এদের উপস্থিতি ও অপরাধপ্রবণতা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। মূলত ১৪ থেকে ২০ বছর বয়সী কিশোর ও যুবকেরা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে স্থানীয় সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্ট করছে। স্কুল-কলেজগামী ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করা, তুচ্ছ ঘটনায় দল বেঁধে মারামারি, পাড়া-মহল্লার দোকানে চাঁদাবাজি, মোটরসাইকেলে বেপরোয়া মহড়া এবং মাদক সেবন ও কারবারের সঙ্গে এরা প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে পড়ছে। এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক গ্রুপ, টিকটক কিংবা রিলস ব্যবহার করে নিজেদের গ্যাং কালচার বা দলগত পরিচিতি তৈরি ও আধিপত্য বিস্তারের এক অসুস্থ প্রতিযোগিতা দেখা যাচ্ছে।

সাতক্ষীরায় এই গ্যাং কালচার ছড়িয়ে পড়ার পেছনে বেশ কয়েকটি স্পষ্ট কারণ চিহ্নিত করা যায়:
পারিবারিক সচেতনতার অভাব: সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছেÑএ বিষয়ে অভিভাবকদের পর্যাপ্ত তদারকির অভাব রয়েছে।

মাদক ও প্রযুক্তির অপব্যবহার: সীমান্তঘেঁষা জেলা হওয়ায় সাতক্ষীরায় মাদকের সহজলভ্যতা একটি বড় ফ্যাক্টর। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে স্মার্টফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপরাধভিত্তিক কনটেন্টের অপব্যবহার।

রাজনৈতিক ও স্থানীয় আশ্রয়ের ছত্রচ্ছায়া: স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ও তথাকথিত ‘বড় ভাই’ নিজেদের স্বার্থে এই উদীয়মান তরুণদের ব্যবহার করছেন ও অপরাধ শেষে সুরক্ষা দিচ্ছেন।
বিনোদনের সুযোগের ঘাটতি: সুস্থ সামাজিক-সাংস্কৃতিক চর্চার অভাব এবং পর্যাপ্ত খেলার মাঠ না থাকায় তরুণদের মনস্তাত্ত্বিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার রোধে কেবল দমনপীড়ন বা আইনি পদক্ষেপই যথেষ্ট নয়; এর জন্য প্রয়োজন একটি সমন্বিত ও বহুমুখী পরিকল্পনা।

১. প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা:
শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এলাকা, পার্ক ও নির্জন স্থানগুলোতে নিয়মিত পুলিশি টহল ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে হবে। সন্ধ্যার পর নির্দিষ্ট কারণ ছাড়া কিশোরদের মোড়ে মোড়ে আড্ডা দেওয়া বন্ধে আইনি তদারকি প্রয়োজন। সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ কর্তৃক এলাকার চিহ্নিত গ্যাংগুলোর ডেটাবেস বা তালিকা তৈরি করা এবং এদের পেছনের নেতৃত্বদাতাদের (তথাকথিত ‘বড় ভাই’) চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে সীমান্ত দিয়ে মাদকের রুট বন্ধ করতে বিজিবি ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে কঠোর অভিযান জোরদার করা জরুরি।

২. পারিবারিক ও সামাজিক প্রতিরোধ:
সন্তান রাতে কখন বাড়ি ফিরছে, কার সঙ্গে মিশছে এবং অতিরিক্ত অর্থের ব্যবহার করছে কি নাÑতা নিয়মিত তদারকি করা পরিবারের মূল দায়িত্ব। সন্তানকে প্রযুক্তিভিত্তিক ভার্চ্যুয়াল জগত থেকে বের করে পরিবারে গুণগত সময় দেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি প্রতিটি ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে শিক্ষক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ‘কিশোর অপরাধ প্রতিরোধ কমিটি’ গঠন করা যেতে পারে।

৩. প্রাতিষ্ঠানিক ও সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত কিশোর অপরাধ ও মাদকের কুফল সংক্রান্ত সচেতনতামূলক কর্মশালা এবং কাউন্সেলিংয়ের আয়োজন করা উচিত। সাতক্ষীরা স্টেডিয়াম, জেলা পরিষদ মাঠসহ স্থানীয় খেলার মাঠগুলোকে খেলাধুলার উপযোগী রাখা এবং কিশোরদের জেলা শিল্পকলা একাডেমি ও স্কাউটিংয়ের মতো সুস্থ ধারার কর্মকা-ে যুক্ত করা প্রয়োজন।

৪. সংশোধনমূলক দৃষ্টিভঙ্গি:
লঘু বা প্রথমবার অপরাধে জড়িতদের সরাসরি অপরাধী হিসেবে না দেখে প্রবেশন এবং মনস্তাত্ত্বিক কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফেরানোর পথ সুগম করা প্রয়োজন।
কিশোর গ্যাং কোনো স্থায়ী বা দূরারোগ্য সমস্যা নয়; এটি মূলত সামাজিক অসচেতনতা ও দিকনির্দেশনাহীনতার ফল। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, শিক্ষক, অভিভাবক ও সুশীল সমাজের ঐক্যবদ্ধ এবং সময়োপযোগী পদক্ষেপই পারে আমাদের তরুণদের সুপথে ফিরিয়ে এনে একটি নিরাপদ ও শান্তিময় সাতক্ষীরা উপহার দিতে। লেখক: মো. মাসুদ রানা, এমএসসি (পদার্থবিজ্ঞান), সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ

Ads small one

পাটকেলঘাটায় পুজা উপলক্ষে হাজার পরিবারের মাঝে শাড়ি লুঙ্গি নগদ অর্থ বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২১ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটায় পুজা উপলক্ষে হাজার পরিবারের মাঝে শাড়ি লুঙ্গি নগদ অর্থ বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি: হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শাড়ি লুঙ্গি নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। টাটা ক্রপকেয়ার কোম্পানির ম্যানেজিং ডিরেক্টর কেশব সাধু শুক্রবার সকাল দশটায় তার নিজ গ্রাম তৈলকুপিতে প্রায় হাজার পরিবারের মাঝে উক্ত শাড়ি লুঙ্গি নগদ অর্থ বিতরণ করেন।

 

কেশব সাধু বলেন, প্রতি বছর পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা উপলক্ষে গরীব অসহায় মানুষের মাঝে সাহায্য সহযোগিতা প্রদান করে আসছেন।

 

কেবশ সাধু বলেন, আমি এলাকার মানুষের ভালবাসায় সিক্ত। গতবছর পুজায় আমার বাবা আনন্দ সাধু নিজ হাতে বিতরণ কাজ করেছিলেন। এ বছর বাবা নেই, বাবা থাকলে তিনি নিজ হাতে এ কাজ করতেন। তিনি সকলের কাছে বাবার জন্য আর্শিবাদ কামনা করেন, বাবা যেন পরপারে সুখে শান্তিতে থাকতে পারেন। বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টাটা ক্রপকেয়ারের স্বত্বাধিকারী গোবিন্দ সাধু, ব্যবসায়ী নারায়ণ চন্দ্র সাধুসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু সচেতনতায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০৪ অপরাহ্ণ
কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু সচেতনতায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: মশার বংশবিস্তার রোধ এবং স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসা মানুষকে ডেঙ্গু সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষ্যে খুলনার কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আয়োজনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

অভিযানকালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও কর্মচারীরা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে জমা পানি, পরিত্যক্ত পাত্র ও ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেন। পরবর্তীতে বহির্বিভাগ ও অন্তর্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাঁদের স্বজনদের ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষায় কী কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত-সে বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ প্রদান করেন।

কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন ও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. ডালটন সানা, ডা. তন্ময় মন্ডল, ডা. মাম্পি মন্ডল এবং ডেন্টাল সার্জন ডা. মো. আব্দুর রহমান রাজ।

উপস্থিত চিকিৎসকরা বলেন, “ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ব্যক্তি সচেতনতার বিকল্প নেই। ঘরের চারপাশ ও আঙিনা পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি রাতে ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহারের গুরুত্ব বোঝাতেই আমরা রোগী ও সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলছি। এ ধরনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।”

মেরুদন্ডের চিকিৎসায় বিদেশমুখিতা কমাতে সরকারি হাসপাতালে স্পাইন ইউনিটের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৬ অপরাহ্ণ
মেরুদন্ডের চিকিৎসায় বিদেশমুখিতা কমাতে সরকারি হাসপাতালে স্পাইন ইউনিটের দাবি

এসএম বিপ্লব হোসেন: মেরুদন্ডের উন্নত চিকিৎসাসেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে দেশের প্রতিটি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও জেলা সদর হাসপাতালে পৃথক স্পাইন ইউনিট চালুর দাবি জানিয়েছেন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্পাইন সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও স্পাইন বিশেষজ্ঞ ডা. মো. মাহামুদুল হাসান পলাশ। একই সঙ্গে স্পাইন সার্জনদের জন্য পৃথক পদ সৃষ্টি ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিশ্ব স্পাইন ডে উপলক্ষে সাতক্ষীরা স্পেশালাইজড হসপিটালের উদ্যোগে আয়োজিত র‌্যালি ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘স্পাইন হেলথ ফর লাইফ’ অর্থাৎ আজীবন মেরুদন্ডের সুস্বাস্থ্য।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থোপেডিকস, ট্রমা ও স্পাইন বিশেষজ্ঞ ডা. মো. মাহামুদুল হাসান পলাশ। বক্তব্য রাখেন কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. বাপ্পী কুমার দাশ, প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক ডা. আবুল কালাম বাবলা, সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান রাসেল, সাতক্ষীরা পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ-দৌলা সাগর, ধানদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, সাতক্ষীরা সুলতানপুর বড়বাজার কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রওশন আলী এবং সাধারণ সম্পাদক রজব আলী খাঁসহ অন্যরা।

সভায় ডা. মো. মাহামুদুল হাসান পলাশ বলেন, মেরুদন্ড সুস্থ না থাকলে স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হয়। হাঁটাচলা, দৈনন্দিন কাজকর্ম ও শারীরিক সক্ষমতার সঙ্গে মেরুদন্ডের সুস্বাস্থ্যের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তাই মেরুদন্ড সুস্থ রাখতে সচেতনতা, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ, নিয়মিত হাঁটাচলা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন জরুরি। ফাস্ট ফুড ও জাঙ্ক ফুড পরিহার এবং পর্যাপ্ত ঘুমের প্রতিও গুরুত্ব দেন তিনি।

মেরুদন্ডের ব্যথাকে অবহেলা না করার আহ্বান জানিয়ে এই চিকিৎসক বলেন, অনেকে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই ওষুধের দোকান থেকে ব্যথানাশক ওষুধ কিনে সেবন করেন। এতে কিডনি ও যকৃতের ক্ষতির ঝুঁকি রয়েছে। মেরুদন্ডের ব্যথার পেছনে ডিস্কের সমস্যা ছাড়াও যক্ষ্মা, ক্যানসার, হাড়ের ক্ষয়, কাইফোসিস, স্কলিওসিস ও অস্টিওপোরোটিক ফ্র্যাকচারের মতো বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। তাই সঠিক রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

সরকারি পর্যায়ে উন্নত স্পাইন চিকিৎসার সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, বেসরকারি হাসপাতালে মেরুদন্ডের চিকিৎসা অনেকের সামর্থ্যের বাইরে। ফলে সাধারণ ও দরিদ্র রোগীদের জন্য সরকারি হাসপাতালে এ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা জরুরি। দেশের প্রতিটি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও জেলা সদর হাসপাতালে পৃথক স্পাইন ইউনিট চালু, স্পাইন সার্জনদের জন্য স্বতন্ত্র পদ সৃষ্টি এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য অনেক রোগীকে বিদেশে যেতে হচ্ছে। দেশে মানসম্মত স্পাইন চিকিৎসার সুযোগ বাড়ানো গেলে রোগীদের বিদেশমুখিতা কমবে এবং দেশের অর্থ সাশ্রয় হবে। এ লক্ষ্যে সরকার, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও গণমাধ্যমকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

ডা. পলাশ জানান, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় স্পাইন চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। সাতক্ষীরাতেও এ ধরনের সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিশ্ব স্পাইন ডে উপলক্ষে আয়োজিত র‌্যালিতে চিকিৎসক, ইন্টার্ন চিকিৎসক, হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাংবাদিকেরা অংশ নেন।