শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

রাস্তায় পড়ে নষ্ট হচ্ছে কোরবানির চামড়া

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
রাস্তায় পড়ে নষ্ট হচ্ছে কোরবানির চামড়া

কোরবানির ঈদ এলেই দেশের এতিমখানা, মাদ্রাসা ও দরিদ্র মানুষের জন্য বড় একটি আশার নাম পশুর চামড়া। একসময় কোরবানির চামড়া ছিল ধর্মীয় ও সামাজিক অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু গত কয়েক বছরের মতো এবারও সেই চিত্রে ফিরেনি স্বস্তি। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় এবারও কাঁচা চামড়া রাস্তায় পড়ে নষ্ট হতে দেখা গেছে। প্রত্যাশিত দাম না পেয়ে হতাশ মৌসুমি ব্যবসায়ী, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও সাধারণ মানুষ।

সরকার চলতি বছর গরুর লবণযুক্ত চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুটে ২ টাকা বাড়ালেও বাস্তবে সেই দামে চামড়া বিক্রি করতে পারছেন না বিক্রেতারা। বরং অনেক ক্ষেত্রে গত বছরের তুলনায় প্রতি পিসে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা কম দাম পাওয়া যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সবচেয়ে বেশি সংকটে রয়েছে ছাগলের চামড়া। কোথাও কোথাও মাত্র ৫ থেকে ১০ টাকায় বিক্রি হয়েছে ছাগলের চামড়া, আবার অনেক জায়গায় বিনামূল্যেও কেউ নিতে চায়নি।

 

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাজধানীর সায়েন্সল্যাব, কলাবাগান, শ্যামলী, মালিবাগ, মোহাম্মদপুর ও হাজারীবাগ এলাকার বিভিন্ন অস্থায়ী সংগ্রহকেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, রাস্তার পাশে স্তূপ করে রাখা হয়েছে শত শত কাঁচা চামড়া। পিকআপ, অটোরিকশা, ভ্যান ও রিকশায় করে চামড়া এনে বিক্রির অপেক্ষায় বসে আছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। কিন্তু প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় অনেকেই ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করছেন। মানিকনগর বিশ্বরোড সংলগ্ন এলাকায় মসজিদের সামনে চামড়া পড়ে রয়েছে। শুধু মানিক নগর এলাকায়, বিভিন্ন এলাকায় চামড়া পড়ে থাকতে দেখা গেছে। জানা গেছে, ট্যানারি মালিকরা চামড়ার দাম কম বলার কারণে বিনা পয়সায় সংগ্রহ করা চামড়া সাভার নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।

বলিয়ারপুর এলাকা থেকে ৩০ পিস চামড়া নিয়ে আসা মৌসুমি ব্যবসায়ী পরেশ বলেন, “৭০০ টাকা দরে যে চামড়া কিনেছি, আড়তে এসে সেই চামড়ার দাম বলছে ৬০০ টাকা। লাভ তো দূরে থাক, গাড়ি ভাড়াই পকেট থেকে যাবে।”

সাভারের একটি ডেইরি ফার্ম থেকে চামড়া কিনে সায়েন্সল্যাবে আসা রতন ব্যাপারি ও মোহাম্মদ রাসেল জানান, তারা প্রতিটি চামড়া ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা দরে কিনেছিলেন। কিন্তু বাজারে এসে ৫০০ টাকার বেশি দাম পাচ্ছেন না। রতন ব্যাপারি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সিন্ডিকেট করে চামড়ার দাম কমিয়ে ফেলছে। আমরা ৭০০ টাকা পর্যন্ত দরে কিনে এনেছি, এখন ৫০০ টাকায় বিক্রি করতে বলছে।”

একই অভিযোগ করেন মিজানুর রহমান। তার ভাষায়, “প্রায় ৪ লাখ টাকার চামড়া এনেছি। কিন্তু সবাই একই দাম বলছে। বাজারে প্রতিযোগিতা নেই।”

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিকাল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে কাঁচা চামড়ার দাম আরও পড়ে যায়। কারণ কাঁচা চামড়া দ্রুত সংরক্ষণ না করলে তা নষ্ট হতে শুরু করে। ফলে বিক্রেতারা শেষ পর্যন্ত কম দামেই চামড়া ছেড়ে দিতে বাধ্য হন।

সায়েন্সল্যাব এলাকায় বিকেল ৫টার পর কিছু চামড়া প্রতি পিস মাত্র সাড়ে ৩০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। হাতিরপুল এলাকার একটি মাদ্রাসার দুই ছাত্র ১০টি গরুর চামড়া ওই দামে বিক্রি করেন।

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, “সকালে কোরবানি দেওয়া পশুর চামড়া সন্ধ্যার পর থেকেই নষ্ট হতে শুরু করে। ব্যাকটেরিয়া দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, ফলে গুণগত মান কমে যায় এবং দামও কমে যায়।”

মাটিতে পুঁতে ফেলার শঙ্কা

২০১৯ সাল থেকে কয়েক বছর ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি না হওয়া চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। গত বছরও বহু মানুষ চামড়া বিক্রি করতে না পেরে মাটিতে চাপা দিয়েছেন। এবারও সেই শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বাসিন্দা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “গত বছর অনেকেই চামড়া বিক্রি করতে পারেননি। পরে মাটিতে পুঁতে রাখতে হয়েছিল। এবারও দাম খুব কম। বিক্রি না হলে আবারও পুঁতে রাখতে হবে।”

খুলনায়ও একই চিত্র দেখা গেছে। শের-ই-বাংলা রোড এলাকায় বড় গরুর কাঁচা চামড়া ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং ছোট গরুর চামড়া ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। রাস্তার ওপর ধুলা-ময়লার মধ্যেই চামড়া স্তূপ করে রাখতে দেখা যায় ব্যবসায়ীদের।

সরকার দাম বাড়ালেও বাস্তবতা ভিন্ন

চলতি বছর সরকার ঢাকায় গরুর প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত চামড়ার দাম নির্ধারণ করেছে ৬২ থেকে ৬৭ টাকা, যা গত বছর ছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। ঢাকার বাইরে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৭ থেকে ৬২ টাকা। এছাড়া খাসির চামড়া ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং বকরির চামড়া ২২ থেকে ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই হিসাবে একটি মাঝারি আকারের গরুর চামড়ার দাম হওয়ার কথা ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৮৫০ টাকা। কিন্তু বাস্তবে অধিকাংশ চামড়া বিক্রি হয়েছে ৫০০ থেকে ৬৫০ টাকায়। মৌসুমি ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকার দাম নির্ধারণ করলেও মাঠপর্যায়ে সেই দাম কার্যকর করার কোনও ব্যবস্থা নেই। ট্যানারি মালিকরা কম দাম দিলে বাধ্য হয়ে তারাও কম দামে চামড়া কিনছেন।

মালিবাগ এলাকার ব্যবসায়ী আবদুল কাইয়ুম বলেন, “ট্যানারি মালিকরা আগেই বলে দিয়েছেন বেশি দামে চামড়া নেবেন না। তাই আমরা বেশি দামে কিনতে পারছি না।”

ছাগলের চামড়ায় ভয়াবহ সংকট

সবচেয়ে করুণ অবস্থা ছাগলের চামড়ার। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছাগলের চামড়া ৫ থেকে ১০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কোথাও কোথাও বিনামূল্যেও নিয়ে যেতে দেখা গেছে।

ধানমন্ডি এলাকার মৌসুমি ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, “ছাগলের চামড়া তো প্রায় কেউ নিতে চাচ্ছে না। অনেকে বিনা টাকায় দিয়ে দিচ্ছেন।” ব্যবসায়ীরা বলছেন, সংরক্ষণ খরচ ও প্রক্রিয়াজাত ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ছাগলের চামড়ায় আগ্রহ হারাচ্ছেন ক্রেতারা।

ট্যানারি মালিকদের যুক্তি

চামড়ার বাজারে মন্দার পেছনে ব্যবসায়িক সংকট, রফতানি আদেশ কমে যাওয়া এবং পুরোনো স্টকের চাপকে দায়ী করছেন ট্যানারি মালিকরা। আজমীর লেদারের মালিক মো. শহিদুল্লাহ বলেন, “আমাদের কারখানায় এখনো ৫০ হাজার পিসের বেশি পুরোনো স্টক পড়ে আছে। ব্যবসার পরিস্থিতি ভালো না হওয়ায় অনেকের মূলধন অর্ধেক হয়ে গেছে।”

হেমায়েতপুরের আড়ত মালিক সমিতির সভাপতি আজিজুর রহমান বলেন, “মূল সমস্যা অর্থসংকট। ট্যানারিগুলোর কাছে আমাদের বিপুল টাকা বাকি পড়ে আছে। ব্যাংক ঋণও সহজে পাওয়া যায় না।”

তবে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা দাবি করছেন, গত বছরের তুলনায় দাম কমেনি। বিটিএর সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, “এ বছর আমি নিজেই ৬৫০ থেকে ৯৫০ টাকা পর্যন্ত দামে চামড়া কিনেছি। বাজার পুরোপুরি ভেঙে পড়েনি।”

কেন বারবার সংকটে চামড়া খাত?

সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশের চামড়া খাত দীর্ঘদিন ধরেই নানা সংকটে রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— ট্যানারিগুলোর অর্থসংকট, আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি মূল্য কমে যাওয়া, পরিবেশগত মানদণ্ড ও এলডাব্লিউজি সনদের অভাব,চীনের বাজারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা, সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং বাজারে সিন্ডিকেট ও সমন্বয়হীনতা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকার নির্ধারিত দাম কার্যকর করতে না পারলে এবং মাঠপর্যায়ে মনিটরিং জোরদার না হলে প্রতিবছর একই সংকট তৈরি হবে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এতিমখানা, মাদ্রাসা, মৌসুমি ব্যবসায়ী ও সাধারণ কোরবানিদাতারা।

আশার বদলে হতাশা

একসময় কোরবানির চামড়া ছিল দরিদ্র শিক্ষার্থীদের বড় সহায়। কিন্তু এখন সেই চামড়াই পরিণত হয়েছে দুর্ভোগে। রাস্তার পাশে পড়ে থাকা চামড়া, ক্রেতাহীন ছাগলের চামড়া এবং লোকসানে পড়া মৌসুমি ব্যবসায়ীদের দীর্ঘশ্বাস যেন দেশের চামড়া শিল্পের গভীর সংকটকেই সামনে এনে দিয়েছে।

ব্যবসায়ীদের ভাষায়, “সরকার দাম বাড়িয়েছে কাগজে-কলমে, কিন্তু বাস্তবে সেই দামের কোনো অস্তিত্ব নেই।”

Ads small one

সাতক্ষীরায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১:২০ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছে বলে একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে আকস্মিক এ মিছিলটি অনুষ্ঠিত হতে দেখা যায়। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা “শেখ হাসিনা আসবে-বাংলাদেশ হাসবে, আওয়ামী লীগৈর নিষেধাজ্ঞা মানি না মানবো না, ছাত্রলীগের নিষেধাজ্ঞা মানি না মানবো না” সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। মিছিলের স্থানটি সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের পাটকেলঘাটা থানার নগরঘাটা এলাকায় হতে পারে বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে।
স্থানীয় বিভিন্ন নিউজ পোটাল ও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, “শিশু হত্যা, খুন, ধর্ষণ, তেল-গ্যাস, বিদ্যুৎ এর সংকট ও শিক্ষার অধিকার হরণের দায়ে সরকারের পদত্যাগ করতে হবে” স্লোগান লেখা ব্যানার হাতে মছিলটি সড়কের কিছু অংশ অতিক্রম করে। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। মিছিল শেষে নেতাকর্মীরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। মিছিলটি শুক্রবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে এসব নিউজ পোটালের খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

আশাশুনিতে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রতিযোগিতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রতিযোগিতা

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) সকালে আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কনফারেন্স কক্ষে এ প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়।
“মেধা-বিজ্ঞান উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে” এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোের্ট স্কিম, এসইডিপি, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বাংলাদেশ, ঢাকার আয়োজনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু। একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ হাসানুজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ) আসনের এমপি, মুহাদ্দিস রবিউল বাশারের প্রতিনিধি ও উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাও. নূরুল আফসার মুর্তাজা। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক স ম হেদায়েতুল ইসলাম, সাবেক সদস্য সচিব মশিউল হুদা তুহিন, আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মাজহারুল ইসলাম মুকুল। অন্যদের মধ্যে আশাশুনি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়েরর প্রধান শিক্ষক এসএম মোস্তাফিজুর রহমান, আশাশুনি প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক লিংকন আসলাম, কোষাধ্যক্ষ এসএম মোস্তাফিজুর রহমান, শিক্ষক মুস্তাহিদুর রহমানসহ উপজেলার ১২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে অতিথিবৃন্দ ১২টি বিদ্যালয়ের “স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প এবং উদ্ভাবনী আইডিয়া উপস্থাপনকৃত মেলার স্টল ঘুরে ঘুরে পর্যবেক্ষণ করেন। মেলায় প্রথম স্থান অধিকার করে, সরাপপুর ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দ্বিতীয় আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করে, গুনাকরকাটি শাহ মোহাম্মদ ইয়াহিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের কর্মী শিক্ষাশিবির

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ
ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের কর্মী শিক্ষাশিবির

সংবাদদাতা: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা সদরের ৯নং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে এক কর্মী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে সাতক্ষীরা শহরের মুন্সিপাড়াস্থ আল-আমিন ট্রাস্ট মিলনায়তনে এ শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত হয়।
ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা জাকির হোসাইনের সভাপতিত্বে ও সহকারী সেক্রেটারি মো. শাহিনুর রহমানের সঞ্চালনায়
অনুষ্ঠিত শিক্ষা শিবিরে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমীর ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য শহীদুল ইসলাম মুকুল।
এছাড়াও বিভিন্ন সেশনে বিষয় ভিত্তিক আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী প্রভাষক ওবায়দুল্লাহ, সদর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মোশাররফ হোসেন,জেলা জামায়াতের শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য এবং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী প্রফেসর আব্দুল ওয়ারেছ, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক শহিদুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের যুব বিভাগের সভাপতি মাওলানা আনিছুর রহমান, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা উসমান গনি, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মনিরুল ইসলাম, যুব বিভাগের সভাপতি আলী আহসান আল মুজাহিদ প্রমুখ।