শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

শিশু রামিসা হত্যা: আদালতে সোহেলের স্বীকারোক্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ
শিশু রামিসা হত্যা: আদালতে সোহেলের স্বীকারোক্তি

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ঘিরে ঘটে যাওয়া নৃশংস হত্যাকাণ্ডে একের পর এক লোমহর্ষক বর্ণনা সামনে আসছে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ ও আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিতে অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে বাথরুমে আটকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। ঘটনায় তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারসহ অজ্ঞাত আরও একজনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (২০ মে) বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক ওহিদুজ্জামান বলেন, সোহেল ওই শিশুকে টয়লেটে নিয়ে প্রথমে ধর্ষণ করে। পরে তাকে গলা কেটে হত্যা করেছে বলে স্বীকার করেছে।

গতকাল মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবী সেকশন-১১ এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় সোহেল রানা, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ও অজ্ঞাত আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের পর স্বপ্নাকে আটক করে পুলিশ। সোহেল আত্মগোপনে চলে গেলেও সন্ধ্যায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।

আদালত সূত্র জানায়, সোহেল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হয়েছে। তবে অজ্ঞাত আসামি এখনো পলাতক রয়েছে।

এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন।

শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা দ্রুত সেখানে গেলেও তার আগেই সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে এরই মধ্যে শিশুটির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

অন্যদিকে, বুধবার বিকেলে রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় সংঘটিত এ ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা নিজের দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। একই ঘটনায় গ্রেপ্তার সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, আসামিদের আদালতে হাজির করার পর সোহেল রানা স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। এরপর মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান তার জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন। একই সঙ্গে স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়।

আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালত সোহেল রানার জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। অন্যদিকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হকের আদালত স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ।

মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে রুমের ভেতরে নেয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। এক পর্যায়ে আসামির রুমের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি।

ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান।

ঘটনাস্থলে স্বপ্নাকে জিজ্ঞাসা করলে সে জানায়, তার স্বামী রামিসাকে বাথরুমের ভেতরে আটকে রেখে ধর্ষণ করে এবং গলা কেটে হত্যা করে। রামিসার মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে তার মাথা কাটে। এছাড়া যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত এবং দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এরপর জানালার গ্রিল কেটে সোহেল রানা পালিয়ে যায়।

পরবর্তীকালে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে থানায় এনে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে ঘটনার কথা স্বীকার করে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Ads small one

ভোমরায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর শাহাদাত বার্ষিকী পালন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ
ভোমরায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর শাহাদাত বার্ষিকী পালন

সীমান্ত প্রতিনিধি: শনিবার (৩০ মে) বিকাল ৫ টায় শাঁখরা কোমরপুর এজি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কক্ষে ভোমরা ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভোমরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ শাহানুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ভোমরা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী আব্দুর রশিদ।

 

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ভোমরা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ বজলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আমিরুল ইসলাম, ভোমরা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি গ্রাম্য ডাঃ মোঃ নাসিরউদ্দিন, ভোমরা ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক মোঃ খালিদ হোসেন, ৩ নং ওয়ার্ডের সভাপতি মোঃ শরিফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ কওসার আলী যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম, ৮নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কবির হোসেন, ৯ নং ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুস সোবহান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হুমায়ূন কবির লালটু, ২ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মোঃ আল আমিন, সদস্য আজিজুল ইসলামসহ ভোমরা ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ।

 

জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় তারেক মঞ্চের দোয়া মাহফিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ণ
জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় তারেক মঞ্চের দোয়া মাহফিল

সংবাদদাতা: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩০ মে) রাত ৮ টায় শহরের মিলগেটে তারেক মঞ্চ-সাতক্ষীরা জেলা কমিটির আয়োজনে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

 

তারেক মঞ্চ-সাতক্ষীরা জেলা কমিটির আহবায়ক মো. মনোয়ার হোসেন এর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মো. রফিকুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, জেলা যুবদলের সাবেক সমন্বয়ক আলিমুজ্জামান, জেলা জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের সদস্য সচিব সাইফুল্লাহ আল কাফি, জেলা জাসাসের আহবায়ক শেখ জিল্লুর রহমান, লাবসা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. আতিয়ার রহমান, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শেখ আজিজুর রহমান সেলিম, সদর থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ইউপি সদস্য মো. নজিবুর রহমান টুটুল, তারেক মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বাবলু, তারেক মঞ্চ সাতক্ষীরা জেলা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, সদস্য মইনুর ইসলাম, তারেক মঞ্চনেতা মো. মনিরুজ্জামান মনির, লাবসা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আমিরুল ইসলাম রাজু, সদর উপজেলা ইলেকট্রিক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. রেজাউল করিম প্রমুখ। এসময় বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

দোয়া মাহফিলে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন, জেলা জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের সদস্য সচিব হাফেজ সাইফুল্লাহ আল কাফি।

 

 

পাটকেলঘাটা আল-আমিন ফাজিল মাদ্রাসা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ঈদ পুনর্মিলনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটা আল-আমিন ফাজিল মাদ্রাসা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ঈদ পুনর্মিলনী

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটা আল-আমিন ফাজিল মাদ্রাসা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও বিশিষ্ট শিক্ষক মাওলানা শহীদুর রহমান এর বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৯ মে) বিকাল ৫ টায় পাটকেলঘাটা দারুল ইসলাম ট্রাষ্ট মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানটি অ্যালামনাই সদস্য, সাবেক শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানের মধ্যমণি ছিলেন দীর্ঘদিনের প্রিয় শিক্ষক মাওলানা শহীদুর রহমান।

অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জি. এম. হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এস. এম. জাকির হোসাইন এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি আব্দুল হালিম ও সহকারী অধ্যাপক ইয়াছীন আলী সরদার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ফায়সাল, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল জলিল, আইটি বিষয়ক সম্পাদক কামরুল ইসলাম মান্না এবং ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মো. মাসুম বিল্লাহ, মুনিরুজ্জামান, খুররম মুরাদ, হাবিবুর রহমান, আলী আজম সম্্রাট, আবু মুসা, শহিদুজ্জামান এবং মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষক মোশাররফ হোসেনসহ আরও অনেকে।

অনুষ্ঠানে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে মাওলানা শহীদুর রহমান এর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। এ সময় বক্তারা তাঁর দীর্ঘ শিক্ষাদান, নৈতিক মূল্যবোধ গঠন এবং শিক্ষার্থীদের মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

স্মৃতিচারণ পর্বে সাবেক শিক্ষার্থীরা তাঁদের প্রিয় শিক্ষকের বিভিন্ন স্মরণীয় ঘটনার কথা তুলে ধরেন। অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

বক্তারা বলেন, মাওলানা শহীদুর রহমান এর আদর্শ, সততা ও শিক্ষাদর্শ আগামী প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তাঁর বিদায়ের এই মুহূর্ত অ্যালামনাই সদস্য ও শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।