বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩

শিশু রামিসা হত্যা: আদালতে সোহেলের স্বীকারোক্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ
শিশু রামিসা হত্যা: আদালতে সোহেলের স্বীকারোক্তি

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ঘিরে ঘটে যাওয়া নৃশংস হত্যাকাণ্ডে একের পর এক লোমহর্ষক বর্ণনা সামনে আসছে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ ও আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিতে অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে বাথরুমে আটকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। ঘটনায় তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারসহ অজ্ঞাত আরও একজনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (২০ মে) বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক ওহিদুজ্জামান বলেন, সোহেল ওই শিশুকে টয়লেটে নিয়ে প্রথমে ধর্ষণ করে। পরে তাকে গলা কেটে হত্যা করেছে বলে স্বীকার করেছে।

গতকাল মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবী সেকশন-১১ এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় সোহেল রানা, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ও অজ্ঞাত আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের পর স্বপ্নাকে আটক করে পুলিশ। সোহেল আত্মগোপনে চলে গেলেও সন্ধ্যায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।

আদালত সূত্র জানায়, সোহেল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হয়েছে। তবে অজ্ঞাত আসামি এখনো পলাতক রয়েছে।

এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন।

শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা দ্রুত সেখানে গেলেও তার আগেই সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে এরই মধ্যে শিশুটির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

অন্যদিকে, বুধবার বিকেলে রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় সংঘটিত এ ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা নিজের দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। একই ঘটনায় গ্রেপ্তার সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, আসামিদের আদালতে হাজির করার পর সোহেল রানা স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। এরপর মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান তার জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন। একই সঙ্গে স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়।

আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালত সোহেল রানার জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। অন্যদিকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হকের আদালত স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ।

মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে রুমের ভেতরে নেয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। এক পর্যায়ে আসামির রুমের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি।

ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান।

ঘটনাস্থলে স্বপ্নাকে জিজ্ঞাসা করলে সে জানায়, তার স্বামী রামিসাকে বাথরুমের ভেতরে আটকে রেখে ধর্ষণ করে এবং গলা কেটে হত্যা করে। রামিসার মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে তার মাথা কাটে। এছাড়া যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত এবং দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এরপর জানালার গ্রিল কেটে সোহেল রানা পালিয়ে যায়।

পরবর্তীকালে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে থানায় এনে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে ঘটনার কথা স্বীকার করে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Ads small one

শ্যামনগরে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার জসনে জুলুস এর আয়োজনে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন উপলক্ষে শ্যামনগরে উপজেলা জসনে জুলুস এর র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

গতকাল বুধবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতি ছিলেন মাস্টার মোঃ রিয়াজুল ইসলাম (হেলাল)। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন মাওলানা বেলাল হোসেন। পবিত্র কুরআন তেলওয়াত এর মাধ্যমে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। সভাপতি বক্তব্য শুরুতে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত নবী প্রেমিক মুসল্লীদেরকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং জসনে জুলুস এর উপর গুরুত্বারোব করে এক দীর্ঘ বক্তব্যে তিনি বলেন, অত্র সংগঠনটি একটি অ-রাজনৈতিক সংগঠন।

 

হুজুর পাক (সাঃ) এর আবির্ভাবের মূহুর্তে সমগ্র সৃষ্টিকুলের মধ্যে যে জাগরণ, শিহরণ ও উচ্ছাস সৃষ্টি হয়েছিল সেই দিনের অনুসরণে নবী প্রেমিকদের নিয়ে র‌্যালি, যাহা জসনে জুলুস র‌্যালী নামে আখ্যায়িত।

 

এই র‌্যালী অনন্তকাল ব্যাপী জারি থাকবে ইনশাআল্লাহ। সভায় হায়বাতপুর শেখ পাড়া জামে মসজিদের প্রধান উপদেষ্টা ও খায়রিয়া আজিজিয়া ফাউন্ডেশনের সুজগ্য সভাপতি আলহাজ্ব শেখ মোস্তাক আহম্মাদ জসনে জুুলুস উদযাপন সুশৃঙ্খল ও সুন্দর করার জন্য উপস্থিত সকলকে পরামর্শ পদান করেন। পর্যায়ক্রমে উপজেলা ব্যাপী বিভিন্ন মসজিদ ও সংগঠন থেকে র‌্যালী সহকারে উপজেলা ঈদগাহ ময়দানে আলোচন সভায় মিলিত হয়।

সাতক্ষীরায় বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত

সংবাদদাতা: যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও মর্যাদায় সাতক্ষীরার সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) জেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে দিনটি উপলক্ষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, আলোচনা সভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলসহ নানা আয়োজন করা হয়।

 

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বিদ্যালয়গুলোতে সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন, আদর্শ, মানবিক মূল্যবোধ ও তাঁর শিক্ষা নিয়ে বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এসব আয়োজনে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন।

 

এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের মননশীলতা বৃদ্ধি এবং মহানবী (সা.)-এর জীবন ও কর্ম সম্পর্কে তাদের জানার আগ্রহ তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে ছিল হামদ-নাত পরিবেশন, স্বরচিত কবিতা পাঠ, ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা এবং মহানবী (সা.)-এর জীবন ও কর্মের ওপর কুইজ প্রতিযোগিতা। দিনটি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, শিষ্টাচার, মানবিকতা ও পারস্পরিক সম্প্রীতির চর্চায় উদ্বুদ্ধ করার ওপর গুরুত্ব দেন।

 

পরে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. রুহুল আমীন বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন শিশুদের নৈতিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ সম্পর্কে শিশুদের জানার সুযোগ তৈরি হয় এসব আয়োজনের মাধ্যমে।’ তিনি জেলার সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনের জন্য শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।

 

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জেলার সাতটি উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। বিদ্যালয়ভেদে কর্মসূচির ধরনে কিছুটা ভিন্নতা থাকলেও ধর্মীয় আলোচনা, মিলাদ ও দোয়া এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ছিল আয়োজনের অন্যতম প্রধান অংশ।

দেবহাটার ঈদগাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) দেবহাটা উপজেলার ঈদগাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. মঈনউদ্দীন ময়না। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক মো. আনোয়ারুল ইসলাম ও বিদ্যালয়ের পিটিএ সদস্যবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাইফুল্লাহ আল তারিক ও সহকারী শিক্ষক আলী ফরহাদ। এতে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের এসএমসি সভাপতি মো. সোহরাব হোসেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সহকারী শিক্ষক মো. এবরান আলী। আলোচনা শেষে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন, আদর্শ ও মানবতার শিক্ষার ওপর আলোকপাত করা হয়।

 

 

কলারোয়ার কুশোডাঙ্গায় ভিডব্লিউবি সুফলভোগীদের জীবন দক্ষতা ও আয়বর্ধক প্রশিক্ষণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ণ
কলারোয়ার কুশোডাঙ্গায় ভিডব্লিউবি সুফলভোগীদের জীবন দক্ষতা ও আয়বর্ধক প্রশিক্ষণ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কুশোডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে ‘ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডিডব্লিউবি)’ কার্যক্রমের আওতায় ২০২৫-২০২৭ চক্রের সুবিধাভোগীদের জীবন দক্ষতা এবং আয়বর্ধক মূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সকাল ১০টার দিকে এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে এবং ‘আইডিয়াল পারুলিয়া -এর বাস্তবায়ন সহযোগিতায় এই কর্মসূচি পরিচালিত হয়। কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের রায়টা ও পিছলাপোল-এই দুটি ওয়ার্ডের মোট ৬০ জন নারী এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন।

কুশোডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সাঈদ আলী গাজীর সভাপতিত্বে এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেওয়া হয়। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুশোডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আনিসুর রহমান।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী নারীদের জীবন দক্ষতা ও আয়বর্ধক বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন ফিল্ড ট্রেইনার জাকির হোসেন। এছাড়া ট্রেইনার সেলিনা খাতুনও উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশ নেন এবং প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।