শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

নিজেদের সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যাটারি নিয়ে বাজারে ‘শাওমি ১৭টি’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ণ
নিজেদের সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যাটারি নিয়ে বাজারে ‘শাওমি ১৭টি’

চীনা প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান শাওমি তাদের নতুন ‘শাওমি ১৭টি’ ও ‘শাওমি ১৭টি প্রো’ স্মার্টফোন উন্মোচন করেছে। মূল ফ্ল্যাগশিপ ১৭ সিরিজের তুলনায় কম দামের এই দুটি মডেলে ক্যামেরার চেয়ে পারফরম্যান্স, ডিসপ্লে ও ব্যাটারির ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ‘১৭টি প্রো’-তে ব্যবহার করা হয়েছে ৭ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি, যা চীনের বাইরে বাজারজাত হওয়া শাওমির ফোনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যাটারি।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮ মে) অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শাওমি ১৭টি সিরিজের বৈশ্বিক উন্মোচন হয়েছে। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট ভার্জ বলছে, ইউরোপের বাজারে ফোন দুটি বিক্রি শুরু হচ্ছে, দাম শুরু হয়েছে ৭৪৯ ইউরো থেকে।

ভার্জ বলছে, ‘১৭টি’ মডেলে রয়েছে ৬ হাজার ৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার সিলিকন-কার্বন ব্যাটারি। আর ১৭টি প্রোতে থাকা ৭ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি একবার চার্জে প্রায় দুই দিন পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়। এর আগে শুধু চীনের বাজারে উন্মোচিত কিছু শাওমি ফোনে এর চেয়েও বড় ব্যাটারি দেখা গেছে। যেমন সম্প্রতি প্রকাশিত শাওমি ১৭ ম্যাক্স–এ রয়েছে ৮ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে এত বড় ব্যাটারির ফোন এবারই প্রথম আনলো কোম্পানিটি।

বাংলাদেশে ফোনটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে বিক্রি শুরু হয়নি। তবে শাওমি বাংলাদেশ–এর ফেসবুক পোস্টে ১৭টি সিরিজ বাংলাদেশে আনার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। কয়েকটি স্থানীয় মোবাইল মার্কেটপ্লেস ও তথ্যভিত্তিক ওয়েবসাইটে ফোনটির সম্ভাব্য দামও প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে শাওমি ১৭টি–এর আনঅফিশিয়াল দাম প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার টাকা দেখানো হচ্ছে।

ডিসপ্লে ও ডিজাইন

শাওমি ১৭টি মডেলে রয়েছে ৬ দশমিক ৫৯ ইঞ্চির অ্যামোলেড ডিসপ্লে। রেজল্যুশন ১.৫কে এবং রিফ্রেশ রেট ১২০ হার্টজ। অন্যদিকে ১৭টি প্রোতে রয়েছে ৬ দশমিক ৮৩ ইঞ্চির ওএলইডি ডিসপ্লে ও ১৪৪ হার্টজ রিফ্রেশ রেট। ফলে ভিডিও দেখা, স্ক্রলিং কিংবা গেম খেলার অভিজ্ঞতা তুলনামূলক মসৃণ হবে।

ডিসপ্লের সর্বোচ্চ উজ্জ্বলতা ৩ হাজার ৫০০ নিটস পর্যন্ত উঠতে পারে। ফলে রোদেও স্ক্রিন দেখতে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। চোখের সুরক্ষার জন্য এতে রয়েছে ৩ হাজার ৮৪০ হার্টজ পিডব্লিউিএম ডিমিং, ডলবি ভিশন ও একাধিক টিইউভি রেইনল্যান্ড সার্টিফিকেশন। স্ক্রিন সুরক্ষায় ব্যবহার করা হয়েছে কর্নিং গরিলা গ্লাস ৭আই।

ফোন দুটিতে আইপি৬৮ রেটিং থাকায় পানি ও ধুলাবালুর বিরুদ্ধেও কিছুটা সুরক্ষা পাওয়া যাবে।

পারফরম্যান্সে ফ্ল্যাগশিপের ছোঁয়া

দুটি ফোনেই ব্যবহার করা হয়েছে মিডিয়াটেকের প্রসেসর। ১৭টি মডেলে রয়েছে ডাইমেনসিটি ৮৫০০-আল্ট্রা এবং ১৭টি প্রোতে ডাইমেনসিটি ৯৫০০ চিপসেট। উভয় ফোনেই রয়েছে ১২ জিবি র‍্যাম। পাশাপাশি এলপিডিডিআর৫এক্স র‍্যাম ও ইউএফএস ৪.১ স্টোরেজ প্রযুক্তি থাকায় ভারী গেমিং, মাল্টিটাস্কিং ও এআইভিত্তিক কাজেও দ্রুতগতির অভিজ্ঞতা পাওয়া যেতে পারে।

শাওমির নতুন হাইপারওএস ৩ ইন্টারফেসের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে বিভিন্ন এআই সুবিধাও। এর মধ্যে রয়েছে এআই রাইটিং, ভয়েস ট্রান্সক্রিপশন ও গুগল জেমিনি সমর্থন।

ব্যাটারিই সবচেয়ে বড় আকর্ষণ

১৭টি সিরিজের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এর ব্যাটারি। ১৭টি মডেলে রয়েছে ৬৭ ওয়াট দ্রুতগতির চার্জিং সুবিধা। আর ১৭টি প্রোতে যুক্ত করা হয়েছে ১০০ ওয়াট তারযুক্ত দ্রুত চার্জিং ও ওয়্যারলেস চার্জিং সুবিধা।

তবে চার্জার বক্সে না থাকায় বিষয়টি অনেক ব্যবহারকারীর জন্য হতাশার কারণ হতে পারে।

ক্যামেরা ভালো, তবে ফ্ল্যাগশিপ নয়

ক্যামেরা ব্যবস্থায় দুটি ফোন প্রায় একই ধরনের। উভয় মডেলেই রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের ৫এক্স টেলিফটো ক্যামেরা, ১২ মেগাপিক্সেলের আলট্রাওয়াইড ক্যামেরা এবং ৩২ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা। তবে ১৭টি প্রোতে মূল ক্যামেরা সেন্সর কিছুটা বড় হওয়ায় ছবির মান তুলনামূলক ভালো হওয়ার কথা।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রিভিউয়ে বলা হয়েছে, ১৭টি প্রোর ক্যামেরা ব্যবহার করে সন্তোষজনক অভিজ্ঞতা পাওয়া গেলেও এটি মূল শাওমিন ১৭ ফ্ল্যাগশিপ ফোনের তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে। বিশেষ করে অন্যান্য লেন্সের ক্ষেত্রে ফ্ল্যাগশিপ সংস্করণটি বেশি উন্নত। ফলে যারা বড় ডিসপ্লে, দীর্ঘ ব্যাটারি ব্যাকআপ ও শক্তিশালী পারফরম্যান্স চান, তাদের জন্য ১৭টি সিরিজ উপযোগী হতে পারে। তবে ক্যামেরাকেন্দ্রিক ব্যবহারকারীরা হয়তো আরও প্রিমিয়াম বিকল্পের দিকে নজর দেবেন।

Ads small one

ভোমরায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর শাহাদাত বার্ষিকী পালন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ
ভোমরায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর শাহাদাত বার্ষিকী পালন

সীমান্ত প্রতিনিধি: শনিবার (৩০ মে) বিকাল ৫ টায় শাঁখরা কোমরপুর এজি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কক্ষে ভোমরা ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভোমরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ শাহানুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ভোমরা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী আব্দুর রশিদ।

 

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ভোমরা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ বজলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আমিরুল ইসলাম, ভোমরা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি গ্রাম্য ডাঃ মোঃ নাসিরউদ্দিন, ভোমরা ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক মোঃ খালিদ হোসেন, ৩ নং ওয়ার্ডের সভাপতি মোঃ শরিফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ কওসার আলী যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম, ৮নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কবির হোসেন, ৯ নং ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুস সোবহান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হুমায়ূন কবির লালটু, ২ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মোঃ আল আমিন, সদস্য আজিজুল ইসলামসহ ভোমরা ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ।

 

জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় তারেক মঞ্চের দোয়া মাহফিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ণ
জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় তারেক মঞ্চের দোয়া মাহফিল

সংবাদদাতা: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩০ মে) রাত ৮ টায় শহরের মিলগেটে তারেক মঞ্চ-সাতক্ষীরা জেলা কমিটির আয়োজনে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

 

তারেক মঞ্চ-সাতক্ষীরা জেলা কমিটির আহবায়ক মো. মনোয়ার হোসেন এর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মো. রফিকুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, জেলা যুবদলের সাবেক সমন্বয়ক আলিমুজ্জামান, জেলা জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের সদস্য সচিব সাইফুল্লাহ আল কাফি, জেলা জাসাসের আহবায়ক শেখ জিল্লুর রহমান, লাবসা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. আতিয়ার রহমান, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শেখ আজিজুর রহমান সেলিম, সদর থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ইউপি সদস্য মো. নজিবুর রহমান টুটুল, তারেক মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বাবলু, তারেক মঞ্চ সাতক্ষীরা জেলা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, সদস্য মইনুর ইসলাম, তারেক মঞ্চনেতা মো. মনিরুজ্জামান মনির, লাবসা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আমিরুল ইসলাম রাজু, সদর উপজেলা ইলেকট্রিক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. রেজাউল করিম প্রমুখ। এসময় বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

দোয়া মাহফিলে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন, জেলা জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের সদস্য সচিব হাফেজ সাইফুল্লাহ আল কাফি।

 

 

পাটকেলঘাটা আল-আমিন ফাজিল মাদ্রাসা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ঈদ পুনর্মিলনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটা আল-আমিন ফাজিল মাদ্রাসা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ঈদ পুনর্মিলনী

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটা আল-আমিন ফাজিল মাদ্রাসা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও বিশিষ্ট শিক্ষক মাওলানা শহীদুর রহমান এর বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৯ মে) বিকাল ৫ টায় পাটকেলঘাটা দারুল ইসলাম ট্রাষ্ট মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানটি অ্যালামনাই সদস্য, সাবেক শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানের মধ্যমণি ছিলেন দীর্ঘদিনের প্রিয় শিক্ষক মাওলানা শহীদুর রহমান।

অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জি. এম. হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এস. এম. জাকির হোসাইন এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি আব্দুল হালিম ও সহকারী অধ্যাপক ইয়াছীন আলী সরদার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ফায়সাল, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল জলিল, আইটি বিষয়ক সম্পাদক কামরুল ইসলাম মান্না এবং ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মো. মাসুম বিল্লাহ, মুনিরুজ্জামান, খুররম মুরাদ, হাবিবুর রহমান, আলী আজম সম্্রাট, আবু মুসা, শহিদুজ্জামান এবং মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষক মোশাররফ হোসেনসহ আরও অনেকে।

অনুষ্ঠানে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে মাওলানা শহীদুর রহমান এর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। এ সময় বক্তারা তাঁর দীর্ঘ শিক্ষাদান, নৈতিক মূল্যবোধ গঠন এবং শিক্ষার্থীদের মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

স্মৃতিচারণ পর্বে সাবেক শিক্ষার্থীরা তাঁদের প্রিয় শিক্ষকের বিভিন্ন স্মরণীয় ঘটনার কথা তুলে ধরেন। অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

বক্তারা বলেন, মাওলানা শহীদুর রহমান এর আদর্শ, সততা ও শিক্ষাদর্শ আগামী প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তাঁর বিদায়ের এই মুহূর্ত অ্যালামনাই সদস্য ও শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।