মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

শ্যামনগরে অ্যাডভোকেসি গ্রুপের কর্মশালা: খাল খননের মাটি ব্যবস্থাপনায় জোর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে অ্যাডভোকেসি গ্রুপের কর্মশালা: খাল খননের মাটি ব্যবস্থাপনায় জোর

মুন্সিগঞ্জ (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগরে স্থানীয় সমস্যা সমাধান ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে উপজেলা পর্যায়ের অ্যাডভোকেসি গ্রুপের সদস্যদের দিনব্যাপী দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে সিএনআরএস-জিফরসিআর প্রকল্পের আওতায় এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
প্রশিক্ষণে অ্যাডভোকেসি গ্রুপের ভূমিকা, স্থানীয় সমস্যা চিহ্নিতকরণ এবং তা সমাধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয়ের কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে উপকূলীয় এই জনপদে খাল খনন ও এর পরবর্তী প্রভাব নিয়ে গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামসুজ্জামান কনক। তিনি তাঁর বক্তব্যে সিএনআরএস কর্তৃক পরিচালিত খাল খনন কার্যক্রমের সময় উত্তোলিত মাটির সঠিক ব্যবস্থাপনার ওপর বিশেষ জোর দেন। ইউএনও বলেন, “খাল খননের মাটি যেন কৃষকের পথের কাঁটা না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। খাল পাড়ের জমিতে কৃষকদের যাতায়াত সহজ করতে এবং উৎপাদিত ফসল নিরাপদে বাড়িতে পৌঁছানোর সুবিধা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।” এ সময় তিনি অ্যাডভোকেসি গ্রুপের সদস্যদের উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠানে বিফোরআরএল প্রকল্পের ফিল্ড ম্যানেজার সারোয়ার হোসেন ও জি-ফরসিআর প্রকল্পের অফিসার নাজিম উদ্দিনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিয়ারাজ হোসেন, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম। এছাড়াও বক্তব্য দেন উপজেলা

প্রেসক্লাবের সভাপতি সামিউল আযম মনির, অ্যাডভোকেট মনসুর আলম এবং সিডিও’র নির্বাহী পরিচালক গাজী আল ইমরান।
কর্মশালায় উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ২২জন অ্যাডভোকেসি সদস্য অংশ নেন। প্রশিক্ষণের এক পর্যায়ে সদস্যরা নিজ নিজ এলাকার জলাবদ্ধতা, খাল খনন ও স্থানীয় কৃষি সমস্যার বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের আইনি ও কৌশলগত সমাধান বাতলে দেন অ্যাডভোকেট মনসুর আলম। আয়োজকেরা জানান, এই প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য হলো স্থানীয় পর্যায়ে নেতৃত্ব তৈরি করা, যাতে তারা টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সঙ্গে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করতে পারে। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর মায়া রানী, ফিল্ড অরগানাইজার মিনারুল ইসলাম, শিরিন সীমা এবং সাংবাদিক পিযুষ বাউলিয়া পিন্টু উপস্থিত ছিলেন।

Ads small one

সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তে কঠোর সতর্কাবস্থায় বিজিবি-জনতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৪:৪৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তে কঠোর সতর্কাবস্থায় বিজিবি-জনতা

আরিফ মাহমুদ: ভারত থেকে অবৈধভাবে পুশইন ঠেকাতে সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির পাশাপাশি সতর্ক অবস্থানে সাধারণ জনতা। কিছু সীমান্তে বিজিবি ও এলাকাবাসীর যৌথ পাহারার খবর পাওয়া গিয়েছে। সম্প্রতি কলারোয়া সীমান্তের ওপারে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণা জেলার স্বরূপনগর থানার হাকিমপুরসহ কয়েকটি সীমান্তে অবৈধভাবে পুশইন করতে বহু নারী-পুরুষকে জড়ো করা হয় বলে ভারতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ পায়। এরই জের ধরে কলারোয়া সীমান্তজুড়ে কঠোর টহল, নজরদারী ও অবস্থান জোরদার করে বিজিবি। বিভিন্নভাবে বিজিবিকে সহায়তা করছেন স্থানীয় জনতাও।

বছরের পর বছর উপজেলার ১৭ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকাটি মাদক ও চোরাকারবারীদের কাছে বিভিন্ন চোরাচালান, অবৈধভাবে মানুষ যাতায়াতের জন্য নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহৃত বলে জানা যায়। এর সাথে যোগ হয়েছে সম্প্রতি পুশইনশংকা। ফলে সতর্কাবস্থনে বিজিবিসহ বিভিন্ন সংস্থা। উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন স্থলভাগ ও নদী দ্বারা ভারতের সাথে বিভক্ত। এর মধ্যে কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের সিংহভাগ ও সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের পুরোটা সোনাই নদী দ্বারা ভারতের সাথে বিভক্ত, আর চন্দনপুর ইউনিয়নের কিছু অংশ ইছামতি নদী ও বাকী অংশ স্থলভাগে বিভক্ত।

 

নদী সীমান্তের চেয়ে তুলনামূলক স্থলভাগ দিয়ে পুশইন সম্ভাবনা বেশি থাকায় উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের হিজলদী, সুলতানপুর ও গোয়ালপাড়ার স্থল সীমান্তে বিজিবির টহল ও তদারকি জোরদার করা হয়েছে।

 

বিজিবির সুলতানপুর বিওপির কমান্ডার নায়েক সুবেদার কামরুজ্জামান জানান, ইতোমধ্যে ওই বিওপির অধীনে সাড়ে ৪ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। জনগণকে সাথে নিয়ে যেকোন অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ করতে সার্বক্ষণিক কঠোর নজরদারী অব্যাহত রয়েছে।

সুলতানপুর ইউপি সদস্য হুমায়ুন কবীর জানান, হ্যান্ড মাইকে সতর্কতা, সীমান্তে বিজিবি ও এলাকাবাসীর যৌথ পাহারা, রাতে টর্চলাইটের আলো এবং কঠোর অবস্থান রয়েছে।

সাতক্ষীরা, ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের মিডিয়া ইনচার্জ সার্জেন্ট মিলন জানান, এখন পর্যন্ত সাতক্ষীরা সীমান্তে অবৈধ পুশইন রোধ করতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে।

সাতক্ষীরায় জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবের সঙ্গে ছাত্রদল নেতাদের শুভেচ্ছা বিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৪:৪০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবের সঙ্গে ছাত্রদল নেতাদের শুভেচ্ছা বিনিময়
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন ছাত্রদলের নেতারা।
মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুর ১টায় জেলা পরিষদের প্রশাসকের কার্যালয়ে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহিন ইসলামের নেতৃত্বে এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মাসুদুল আলম, দিবা-নৈশ কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব তামিম রশিদ, সিটি কলেজ ছাত্রদল নেতা মাহমুদুল হাসান, সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আকবর হোসেন, আশাশুনি উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিয়ারাজ হোসেন, শহর ছাত্রদলের সদস্য শরিফুল ইসলাম এবং ছাত্রনেতা মো. গোলাম রাব্বি।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে জেলা প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেম, সামাজিক দায়িত্ববোধ ও ইতিবাচক রাজনৈতিক চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, তরুণদের মাদক, সন্ত্রাস ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে থেকে শিক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ এবং সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার পাশাপাশি নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জনের মাধ্যমে আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

কলারোয়ায় দুটি ডায়গনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৪:৩৬ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় দুটি ডায়গনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় দুটি ডায়গনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে কলারোয়া হাসপাতাল রোডে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম।

তিনি জানান, লাইসেন্স নবায়ন না থাকা, অপরিচ্ছন্নতাসহ বিভিন্ন কারণে মিতালী ডায়গনস্টিক সেন্টারকে ২০হাজার টাকা ও ডক্টরস ডিজিটাল ল্যাবকে ৫হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এসময় কলারোয়া থানার ওসি এইচএম শাহীন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.শফিকুল ইসলাম, বেঞ্চ সহকারী আব্দুল মান্নানসহ সংশ্লিষ্ট অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।