সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩

শ্যামনগরে বিএনপি নেতৃবৃন্দের সভায় বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে গ্রহণযোগ্য কমিটির দাবী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে বিএনপি নেতৃবৃন্দের সভায় বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে গ্রহণযোগ্য কমিটির দাবী

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি থেকে বিতর্কিত ও অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে সৎ, যোগ্য, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের অন্তর্ভুক্ত করে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠনের দাবিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির প্রধান কার্যালয়ে উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ আলহাজ মাস্টার আব্দুল ওয়াহেদ।

সভাপতির বক্তব্যে মাস্টার আব্দুল ওয়াহেদ বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তৃণমূলের ত্যাগী, পরীক্ষিত ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীদের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা একটি গণমানুষের দল। তাই সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে হলে বিতর্কিত, সুবিধাবাদী ও অনুপ্রবেশকারী ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে জনসম্পৃক্ত, সৎ ও যোগ্য নেতাদের নিয়ে আহ্বায়ক কমিটি পুনর্গঠন সময়ের দাবি।

তিনি আরও বলেন, ব্যক্তি নয়, সংগঠনই বিএনপির সবচেয়ে বড় পরিচয়। দলের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে সফল করতে নেতাকর্মীদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

আলোচনা সভায় বক্তারা দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য ত্যাগ স্বীকারকারী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন না করে বিতর্কিত ব্যক্তিদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করায় তৃণমূলের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। তারা বর্তমান আহ্বায়ক কমিটি পুনর্বিবেচনা করে বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে বিগত ১৭ বছর দলের দুঃসময়ে মামলা-হামলার শিকার ও সক্রিয়ভাবে দলের পাশে থাকা নেতাকর্মীদের নিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য কমিটি গঠনের আহ্বান জানান।

বক্তারা আরও দাবি করেন, শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ মাস্টার আব্দুল ওয়াহেদকে আহ্বায়ক করে নতুন উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হলে দল সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে দলের ভাবমূর্তি অক্ষুণœ রাখা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে দ্রুত কমিটি পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

সভায় শ্যামনগর উপজেলা, পৌর ও বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপি এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ দলের কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃত্বের প্রতি বর্তমান আহ্বায়ক কমিটি পুনর্বিবেচনা করে সৎ, যোগ্য, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের সমন্বয়ে একটি গ্রহণযোগ্য আহ্বায়ক কমিটি গঠনের জোর দাবি জানান। তারা আশা প্রকাশ করেন, তৃণমূলের প্রত্যাশার প্রতি সম্মান জানিয়ে দলের উচ্চপর্যায় দ্রুত কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে এবং একটি ঐক্যবদ্ধ ও জনসম্পৃক্ত নেতৃত্বের মাধ্যমে শ্যামনগর উপজেলা বিএনপিকে আরও সুসংগঠিত করা হবে।

 

 

Ads small one

সম্পাদকীয়/ নিরাপত্তা সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপ নিতে হবে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৩ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ নিরাপত্তা সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপ নিতে হবে

উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় মানবাধিকার ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মানবাধিকার কর্মীসহ স্থানীয় সুশীল সমাজ। রবিবার ‘পত্রদূত’-এ প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, মে থেকে জুলাই পর্যন্ত মাত্র তিন মাসে জেলায় ৬৮৪টি অপরাধের ঘটনা এবং ১৩৬ জনের অপমৃত্যুর তথ্য আমাদের চিন্তিত করে। ২৫১টি মাদক মামলা, ৫০টি নারী নির্যাতন, ২১টি ধর্ষণ এবং ৯টি হত্যাকা-ের মতো ঘটনা প্রমাণ করে যে, অপরাধপ্রবণতা নিয়ন্ত্রণ কতটা জরুরি হয়ে পড়েছে।
সর্বাধিক চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে মানসিক স্বাস্থ্য ও সামাজিক অস্থিরতার প্রকাশ। তিন মাসে ৬৫টি আত্মহত্যার ঘটনা কোনো সাধারণ পরিসংখ্যান নয়; এটি তীব্র মানসিক সংকট, অর্থনৈতিক টানাপোড়েন ও সামাজিক সহমর্মিতার অভাব নির্দেশ করে। এর পাশাপাশি সুন্দরবনে ডাকাতদের হাতে ৩২ জন জেলের অপহরণ এবং সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে প্রাণহানি ও আহতের ঘটনা উপকূলীয় ও সীমান্তঘেঁষা মানুষের জীবিকা ও জীবনকে প্রতিনিয়ত চরম ঝুঁকিতে ফেলছে।
আইনশৃঙ্খলার এই ধসের পাশাপাশি বিচারপ্রার্থী মানুষের আইনি সুরক্ষার পথও আজ অবরুদ্ধ। সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দীর্ঘদিন বিচারক না থাকায় শত শত ভুক্তভোগী নারী ও শিশু বিচার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেনÑযা মানবাধিকারের আরেকটি বড় লঙ্ঘন। বিচারিক প্রক্রিয়ার এই স্থবিরতা অপরাধীদের আরও বেপরোয়া করে তুলছে। মানবাধিকার রক্ষা কেবল কোনো নির্দিষ্ট সংস্থার একক দায়িত্ব হতে পারে না; এটি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রতিশ্রুতি। সাতক্ষীরার এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে অবিলম্বে কয়েকটি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। তা হলোÑ মাদক ট্রাফিকিং, চুরি-ডাকাতি ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে পুলিশের দৃশ্যমান ও কঠোর টহল নিশ্চিত করা। জজ কোর্টের শূন্য পদে দ্রুত বিচারক নিয়োগ দিয়ে স্থবির হয়ে থাকা মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি করা। সীমান্তে কঠোর কূটনৈতিক তদারকি এবং সুন্দরবনে জেলেদের নিরাপত্তায় কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশের যৌথ অভিযান জোরদার করা। আত্মহত্যা প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসন ও সামাজিক সংগঠনগুলোর যৌথ উদ্যোগে কাউন্সেলিং ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালু করা।
একটি সভ্য সমাজে সংখ্যা দিয়ে মানুষের জীবনের মূল্য বিচার করা যায় না। প্রতিটি অপমৃত্যু ও অপরাধের পেছনে লুকিয়ে রয়েছে একটি পরিবারের ট্র্যাজেডি। জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সুশীল সমাজকে অবিলম্বে একসঙ্গে বসে এই নিরাপত্তা সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপ নিতে হবে।

ক্যালারোয়ায় ‘জাতীয় তরুণ সংঘের’ নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি রবিউল, সম্পাদক রঞ্জু, সাংগঠনিক মোস্তাক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
ক্যালারোয়ায় ‘জাতীয় তরুণ সংঘের’ নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি রবিউল, সম্পাদক রঞ্জু, সাংগঠনিক মোস্তাক

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়ায় ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া সংগঠন জাতীয় তরুণ সংঘের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে কলারোয়া সরকারি কলেজ সংলগ্ন ক্লাবের নিজস্ব ভবনে এক জরুরি সভায় ক্লাবের সকল সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে ২৩ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়। তিন বছর মেয়াদি নতুন কার্যনির্বাহী কমিটিতে মো. রবিউল হোসেনকে সভাপতি, আরিফুর রহমান রঞ্জুকে সাধারণ সম্পাদক ও মোস্তাক আহমেদকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়। এছাড়া কমিটিতে ৬ জনকে উপদেষ্টা হিসেবে রাখা হয়েছে।
সভা শেষে নবনির্বাচিত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক জানান, ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত কলারোয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া সংগঠন জাতীয় তরুণ সংঘ তার ঐতিহ্য অব্যাহত রাখতে কাজ করবে। মাদক থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখতে অতি দ্রুতই কলারোয়া সরকারি কলেজ মাঠে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন, তরুণ প্রতিভাবান ফুটবল খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন ক্রীড়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। একই সাথে উপজেলায় বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন-সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম মল্লিক, এনায়েত খাঁন টুন্টু, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আহম্মেদ সোহেল, সহ-সাধারণ সম্পাদক ই-ইউনুছ আলী, কোষাধ্যক্ষ আলমগীর কবীর তারেক, দপ্তর সম্পাদক খালিদ সাইফুল্লাহ, সহ-দপ্তর সম্পাদক মুকুল হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক শাহাদাত হোসেন অপু, প্রচার সম্পাদক নাছির উদ্দিন, সহ-প্রচার সম্পাদক আতিয়ার রহমান, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সাহেব আলী, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক উত্তম গোলদার, সহ-সংস্কৃতি সম্পাদক সন্তোষ কুমার, শ্রমিক কল্যাণ সম্পাদক আনারুল ইসলাম, সহ-শ্রমিক কল্যাণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী সদস্য মজনুর রহমান মজনু, শাহীনুজ্জামান খাঁন পপি, মোজাম্মেল হক ও নজরুল ইসলাম।
এছাড়া উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন-সিরাজুল ইসলাম, মাগফুর রহমান রাজু (সাবেক পৌর কাউন্সিলর), শেখ জামিল হোসেন (সাবেক পৌর কাউন্সিলর), শেখ আমজাদ হোসেন (সাবেক সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সদস্য), রফিকুল হাসান (সাবেক পৌর কাউন্সিলর) ও ড্যা. মনোয়ার হোসেন।

দেবহাটায় শিশুশ্রমমুক্ত ও শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়ামুক্ত ইউনিয়ন ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় শিশুশ্রমমুক্ত ও শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়ামুক্ত ইউনিয়ন ঘোষণা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটায় শিশুশ্রমমুক্ত ও শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়ামুক্ত ইউনিয়ন ঘোষণা ও উদযাপন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৩ আগস্ট) সকাল ১১টায় উপজেলার পারুলিয়া সীমান্ত ট্রেড স্কুল চত্বরে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের অর্থায়নে এবং সুশীলন দেবহাটা এরিয়া প্রোগ্রামের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান।
সুশীলনের সিভিও কমিটির সভাপতি ও সাংবাদিক লিটন ঘোষ বাপির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমান, সাংবাদিক মীর খাইরুল আলম, সাংবাদিক আর. কে. বাপ্পা, ইছামতি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আহসান সালেহীন, সাংবাদিক কে. এম. রেজাউল করিম, পারুলিয়া ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য নূর বানু কাদেরী, হাছিনা খাতুন ও রেহেনা পারভীন।