রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩

শ্যামনগরে সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও উপকারভোগীদের সংলাপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৫:২৭ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও উপকারভোগীদের সংলাপ

শ্যামনগর উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে উপকারভোগীদের সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সংলাপ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষক রণজিৎ কুমার বর্মণ। শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী সুব্রত অধিকারী।

লিডার্সের আয়োজনে মানুষের জন্য ফাউনডেশন (এমজেএফ) ও এ্যাম্বাসি অফ সুইডেন এর সহযোগিতায় কমিউনিটি ভিত্তিক জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন কর্মসূচী (সিআরইএ) প্রকল্পের আওতায় বুধবার (০৬ মে) উক্ত সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেল প্রোগ্রাম অফিসার, ওসি তদন্ত শ্যামনগর থানা, শিক্ষা কর্মকর্তা, শ্যামনগর প্রেসক্লাব, শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টাস ইউনিট, সুন্দরবন প্রেস ক্লাব, উপকূলীয় প্রেস ক্লাব এর সাংবাদিকবৃন্দ, জেন্ডার সমতা ও জলবায়ু জোট সভাপতি ও সিডিও নির্বাহী পরিচালক, ফ্রেন্ডশিপ এর প্রতিনিধি, বুড়িগোয়ালিনী ও গাবুরা ইউনিয়নের উপকারভোগী সদস্যরা।

উপকারভোগী সুদিপ্তা মন্ডল বলেন, নারী শ্রমিকরা লবণাক্ত পানিতে কাজ করার ফলে যে সকল শারীরিক সমস্যা হয় তার চিকিৎসা কমিউনিটি ক্লিনিকে দেওয়া হয় না এবং চিকিৎসা সেবার কোন প্রচারণা হয় না। তিনি কমিউনিটি ক্লিনিকে একজন ডাক্তার এর দাবী করেন।

উপকারভোগী খোকন চন্দ্র হালদার বলেন, নারী শ্রমিকদের শ্রমের স্থানে কোন স্যানিটেশন এর সুব্যবস্থা না থাকায় নারীরা বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হন। এছাড়া তিনি আরও বলেন বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে ইউনিয়ন পর্যায় নারী ও শিশু কমিটির প্রয়োজন।

গাবুরা থেকে আগত জেবুন্নেছা বলেন, দুর্যোগের সময় আশ্রয় কেন্দ্র গুলিতে নারী বান্ধব না হওয়ায় নারীরা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হন। তিনি আশ্রয় কেন্দ্রগুলিতে নারী বান্ধব করার দাবী করেন। তারা এসব সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেল প্রোগ্রাম অফিসার প্রণব কুমার বিশ্বাস ইউনিয়ন পর্যায় নারী ও শিশু কমিটি গঠন করার প্রতিশ্রুতি দেন।

প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা সুব্রত কুমার বিশ্বাস নারীর ক্ষমতায়ন এর ক্ষেত্রে পারিবারিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ এর কথা বলেন।

প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, উপকূলীয় এলাকার মানুষের সমস্যার সমাধানে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সমূহকে একযোগে কাজ করতে হবে। উক্ত সংলাপ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রজেক্ট অফিসার সুলতা সাহা। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

Ads small one

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস টুর্নামেন্ট: জেলা ক্রিকেটে ছেলে ও মেয়ে দুই বিভাগেই চ্যাম্পিয়ন শ্যামনগর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস টুর্নামেন্ট: জেলা ক্রিকেটে ছেলে ও মেয়ে দুই বিভাগেই চ্যাম্পিয়ন শ্যামনগর

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় অনুষ্ঠিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস টুর্নামেন্ট’-এ ক্রিকেটে দাপট দেখিয়েছে শ্যামনগর উপজেলা। রোববার (১০ মে) জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে বালক ও বালিকাÑউভয় বিভাগেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে তারা।
ক্রিকেটের বালক বিভাগের চূড়ান্ত লড়াইয়ে শ্যামনগর বালক দল সাতক্ষীরা পৌরসভা দলকে পরাজিত করে। অন্যদিকে, বালিকা বিভাগের ফাইনালে আশাশুনি উপজেলা দলকে হারিয়ে শিরোপা জেতে শ্যামনগরের মেয়েরা। শুধু ক্রিকেট নয়, এর আগে ফুটবল মাঠেও সফল ছিল শ্যামনগরের মেয়েরা। ফুটবলের ফাইনালে তারা কালিগঞ্জ উপজেলা দলকে ২-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।
টুর্নামেন্টের অন্যান্য ইভেন্টেও শ্যামনগরের জয়জয়কার দেখা গেছে। দলটির উল্লেখযোগ্য অর্জনগুলো হলোÑ ব্যাডমিন্টনে বালিকা বিভাগ একক ও দ্বৈতÑউভয় ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন। তায়কোয়ান্দো প্রতিযোগিতাতেও শিরোপা ঘরে তুলেছে তারা। ক্যারাতে ইভেন্টে শ্যামনগর রানার্সআপ হওয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছে।

 

রোববার বিকেলে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামসুজ্জাহান কনকসহ বিভিন্ন উপজেলার শরীরচর্চা শিক্ষক ও ক্রীড়াপ্রেমীরা।
শ্যামনগর উপজেলার এই অভাবনীয় সাফল্যে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা, শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাব, ফুটবল রেফারী সমিতি ও ফুটবল একাডেমিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানিয়েছে।
ইউএনও শামসুজ্জাহান কনক এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “শ্যামনগরের ছেলে-মেয়েরা ক্রীড়াঙ্গনে যে সাফল্য দেখিয়েছে, তা পুরো উপজেলার জন্য গর্বের। এই ধারা অব্যাহত রাখতে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।”

আশাশুনিতে লোকালয়ে অবৈধ কয়লা চুল্লি, ধোঁয়ায় বিপন্ন জনস্বাস্থ্য ও প্রকৃতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে লোকালয়ে অবৈধ কয়লা চুল্লি, ধোঁয়ায় বিপন্ন জনস্বাস্থ্য ও প্রকৃতি

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের তকিপুর এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে তোলা হয়েছে কাঠ পোড়ানো কয়লার চুল্লি। লোকালয়ের একদম পাশে গড়ে ওঠা এসব কারখানার বিষাক্ত ধোঁয়ায় আশপাশের এলাকার জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। প্রশাসনের কোনো অনুমোদন না থাকলেও রাজনৈতিক প্রভাব আর গোপন লেনদেনের জোরে নির্বিঘেœ চলছে এই ক্ষতিকর ব্যবসা।

তেঁতুলিয়া-সোনাই সড়কের মাঝামাঝি তকিপুর নামক স্থানে ৪টি বিশেষ চুল্লি তৈরি করা হয়েছে। মাটি ও ইটের তৈরি এসব চুল্লিতে দিনরাত পোড়ানো হচ্ছে শত শত মণ কাঠ। শাহনগর গ্রামের বিপুল শাহর জমি ভাড়া নিয়ে বড়দল ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের আলী গাজী এই কারবার চালাচ্ছেন। কারখানার কালো ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ছে আশপাশের বাড়িঘরে। এতে নষ্ট হচ্ছে ফলন্ত গাছপালা ও জমির ফসল।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই ধোঁয়ার কারণে এলাকার শিশু ও বৃদ্ধদের মধ্যে শ্বাসকষ্টসহ নানা জটিল রোগ দেখা দিচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা খুব কষ্টে আছি। চুল্লির মালিক প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। প্রভাবশালী মহলকে ম্যানেজ করেই তারা এই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।”

এর আগে স্থানীয়রা মৌখিকভাবে অভিযোগ জানালেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, “বিষয়টি আমার জানা ছিল না। দ্রুত তদন্ত করে এই অবৈধ চুল্লির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

১৫ জুনের মধ্যে উন্নয়নকাজ শেষের কড়া নির্দেশ এমপি রবিউলের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ণ
১৫ জুনের মধ্যে উন্নয়নকাজ শেষের কড়া নির্দেশ এমপি রবিউলের

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলায় চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ আগামী ১৫ জুনের মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য ঠিকাদারদের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার। রোববার (১০ মে) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই নির্দেশনা দেন।
সভার শুরুতে উপজেলা প্রকৌশলী অনিন্দ্যদেব চলমান প্রকল্পগুলোর কাজের অগ্রগতি তুলে ধরেন। এ সময় তিনি বেশ কিছু ঠিকাদারের কাজের ধীরগতি ও অনিয়ম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। প্রকৌশলী জানান, অর্থবছর শেষ হতে চললেও অনেক কাজের অগ্রগতি আশানুরূপ নয়, যা চুক্তির শর্তের পরিপন্থী।
সংসদ সদস্য রবিউল বাশার ঠিকাদারদের বক্তব্য শোনেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গুণমান বজায় রেখে কাজ শেষ করার তাগিদ দেন। তিনি বলেন, “চুক্তি মোতাবেক কাজ করা বাধ্যতামূলক। আগামী ১৫ জুনের মধ্যে সব কাজ সম্পন্ন করতে হবে। জনস্বার্থের কাজে কোনো ধরনের গাফিলতি বরদাশত করা হবে না।”
সভায় জেলা জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য উপাধ্যক্ষ আব্দুস সবুর, উপজেলা আমির আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার, অফিস সেক্রেটারি মাওলানা রুহুল কুদ্দুছ এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন।