শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

শ্যামা কালী: সৃষ্টি, শক্তি ও অশুভ বিনাশের আদ্যশক্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
শ্যামা কালী: সৃষ্টি, শক্তি ও অশুভ বিনাশের আদ্যশক্তি

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথি। চারদিকে ঘন অন্ধকার, আর সেই অন্ধকার দূর করতে জ্বলে ওঠে অগণিত প্রদীপ। মন্দিরে মন্দিরে শোনা যায় শ্যামাসংগীত, ধূপের গন্ধে মুখরিত হয় পূজামণ্ডপ। ভক্তদের প্রার্থনা ও আরাধনায় উদ্ভাসিত হন দেবী শ্যামা। হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শ্যামাপূজা ও দীপাবলি এভাবেই নিয়ে আসে ভক্তি, সাধনা ও আলোর বার্তা।

শ্যামা কালী বা দক্ষিণাকালী শক্তির এক বিশেষ রূপ। হিন্দুধর্মীয় দর্শনে তিনি আদ্যাশক্তি, মহামায়া ও বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টির মূল উৎস। তিনি সৃষ্টি, পালন ও সংহারের শক্তির প্রতীক। ভক্তদের বিশ্বাস, দেবী কালীর আরাধনায় জীবনের অশুভ, অন্ধকার, ভয় ও বাধা দূর হয়। তাঁর কাছে মানুষ প্রার্থনা করে সাহস, শক্তি, জ্ঞান ও কল্যাণ।

দেবী কালীর উৎপত্তি নিয়ে পুরাণে নানা কাহিনি প্রচলিত রয়েছে। দেবীমাহাত্ম্য অনুসারে, অসুরদের সঙ্গে যুদ্ধে দেবী দুর্গার ক্রোধ থেকে তাঁর ললাটে কৃষ্ণবর্ণের এক ভয়ংকর শক্তির আবির্ভাব ঘটে। সেই শক্তিই দেবী কালী। অসুরবিনাশের জন্যই তাঁর আবির্ভাব। তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে অসুরদের পরাজিত করে দেবতাদের স্বর্গরাজ্য ফিরিয়ে দেন।

রক্তবীজ বধের কাহিনি দেবী কালীর অন্যতম পরিচিত পৌরাণিক আখ্যান। রক্তবীজ নামের অসুরের বিশেষ ক্ষমতা ছিল, তার রক্তের এক ফোঁটা মাটিতে পড়লেই সেখান থেকে আরেক অসুরের জন্ম হতো। ফলে তাকে পরাজিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। তখন দেবী কালী ভয়ংকর রূপ ধারণ করে রক্তবীজের রক্ত মাটিতে পড়ার আগেই পান করতে থাকেন। এভাবে তিনি রক্তবীজকে বধ করে দেবতাদের বিপদমুক্ত করেন। এই কাহিনি অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভশক্তির সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।

দেবী কালীর বিভিন্ন রূপের মধ্যে শ্যামা কালী বিশেষভাবে পূজিত। বাংলার ঘরে ঘরে তিনি মা শ্যামা, আদ্যামা কিংবা মহামায়া হিসেবে পরিচিত। তাঁর গায়ের রং সাধারণত কৃষ্ণ বা নীল বর্ণের। চার হাতে থাকে খড়্গ, অসুরের ছিন্নমুণ্ড এবং বর ও অভয় মুদ্রা। গলায় মুণ্ডমালা, কোমরে কর্তিত হাতের মালা, উন্মুক্ত কেশ ও প্রসারিত জিহ্বা তাঁর পরিচিত প্রতীকী রূপ। তাঁর পদতলে শায়িত থাকেন দেবাদিদেব মহাদেব।

পুরাণের একটি কাহিনি অনুসারে, অসুরবিনাশের পর দেবী কালী ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে ওঠেন। তাঁর প্রলয়ংকরী নৃত্যে বিশ্বব্রহ্মাণ্ড ধ্বংসের আশঙ্কা দেখা দিলে দেবতারা তাঁকে থামাতে ব্যর্থ হন। তখন শিব তাঁর চলার পথে শুয়ে পড়েন। শিবের বুকে পা পড়তেই দেবী নিজের স্বামীকে চিনতে পেরে বিস্মিত ও লজ্জিত হন। তিনি জিহ্বা বের করে ফেলেন। কালীর এই রূপে শক্তি ও চেতনার এক গভীর দার্শনিক ব্যাখ্যা রয়েছে। শক্তি ও শিব পরস্পরের পরিপূরক—এই ভাবনাও এর মধ্য দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে।

হিন্দুধর্মীয় দর্শনে কালীকে দশমহাবিদ্যার অন্যতম প্রধান দেবী হিসেবে মানা হয়। শাক্ত ও তান্ত্রিক সাধনায় তাঁর বিশেষ স্থান রয়েছে। শ্মশানকালী, দক্ষিণাকালী, মহাকালী, ভদ্রকালী, তারা ও চামুণ্ডা—বিভিন্ন নামে ও রূপে তিনি পূজিত হন। তবে বাংলায় শ্যামা কালী বা দক্ষিণাকালীর মাতৃরূপের আরাধনা বিশেষ জনপ্রিয়।

দুর্গাপূজার বিজয়ার পর কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে শ্যামাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। এই রাতেই উদযাপিত হয় দীপাবলি বা দীপান্বিতা উৎসব। অমাবস্যার ঘন অন্ধকারে প্রদীপ জ্বালানোর মধ্য দিয়ে মানুষ অন্ধকারের ওপর আলোর, অজ্ঞতার ওপর জ্ঞানের এবং অশুভের ওপর শুভশক্তির বিজয় কামনা করে।

দীপাবলি শুধু আলোকসজ্জার উৎসব নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে নানা পৌরাণিক ও ধর্মীয় বিশ্বাস। রামায়ণের কাহিনি অনুসারে, চৌদ্দ বছরের বনবাস শেষে রাবণকে পরাজিত করে শ্রীরাম যখন অযোধ্যায় ফিরে আসেন, তখন নগরবাসী প্রদীপ জ্বালিয়ে তাঁকে স্বাগত জানিয়েছিল। সেই আনন্দ থেকেই দীপ জ্বালানোর ঐতিহ্যের একটি প্রচলিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়।

আবার বিষ্ণুপুরাণের কাহিনিতে বামন অবতারের মাধ্যমে অসুররাজ বলিকে পাতালে পাঠানোর কথা রয়েছে। দীপাবলির সঙ্গে এই কাহিনিরও যোগসূত্র রয়েছে। বিভিন্ন অঞ্চলে দীপাবলি উদযাপনের পেছনে ভিন্ন ভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আখ্যান প্রচলিত।

বাংলার অনেক পরিবারে দীপাবলির রাতে পূর্বপুরুষদের স্মরণে প্রদীপ জ্বালানোর রীতি রয়েছে। তাঁদের আত্মার শান্তি কামনায় বাড়ির আঙিনা, মন্দির ও শ্মশানে প্রদীপ প্রজ্বালন করা হয়। কোথাও কোথাও বাঁশের মাথায় প্রদীপ বসিয়ে আলো জ্বালানোর ঐতিহ্যও দেখা যায়।

কালীপূজা মূলত শক্তির আরাধনা। তবে এই শক্তি কেবল অসুরবিনাশের প্রতীক নয়; অন্যায়, অবিচার, হিংসা, লোভ, অহংকার ও অজ্ঞতার বিরুদ্ধে মানুষের নৈতিক শক্তিরও প্রতীক। দেবী কালীর মাতৃরূপ মানুষকে সাহস ও আশ্রয়ের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

তন্ত্রশাস্ত্রে পঞ্চমকারের যে ব্যাখ্যা রয়েছে, তার অন্তর্নিহিত আধ্যাত্মিক তাৎপর্যও বিশেষভাবে আলোচিত। মদ্য, মাংস, মৎস্য, মুদ্রা ও মৈথুনের আক্ষরিক অর্থের বাইরেও আত্মসংযম, ইন্দ্রিয়জয়, সাধনা এবং জীবাত্মার সঙ্গে পরমাত্মার মিলনের প্রতীকী ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে আত্মশুদ্ধি ও আত্মোপলব্ধির গুরুত্ব প্রকাশ পায়।

ধর্মীয় উৎসবের প্রকৃত শিক্ষা হওয়া উচিত মানুষের মধ্যে ভালোবাসা, সহমর্মিতা, সহিষ্ণুতা ও সম্প্রীতির বন্ধন দৃঢ় করা। অন্ধকার দূর করতে যেমন একটি প্রদীপই যথেষ্ট, তেমনি সমাজের অন্যায় ও অমানবিকতা দূর করতে প্রত্যেক মানুষের বিবেক, সততা ও মানবিকতার আলো প্রয়োজন।

শ্যামাপূজা উপলক্ষে মন্দিরে মন্দিরে নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পূজার সূচিতে থাকে দেবীর আবাহন, বাল্যভোগ, পূজা-অর্চনা, ভোগ নিবেদন, প্রসাদ বিতরণ, শ্যামাসংগীত, ভক্তিমূলক গান, ধর্মীয় আলোচনা, চণ্ডীপাঠ ও প্রদীপ প্রজ্বালন। মধ্যরাতে অনুষ্ঠিত হয় শ্রীশ্রী শ্যামা মায়ের মহাপূজা।

এদিন ভক্তরা দেবীর কাছে পরিবার-পরিজনের মঙ্গল, সুস্বাস্থ্য, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং বিশ্বমানবতার শান্তির জন্যও প্রার্থনা করা হয়।

শ্যামা কালী সৃষ্টির আদ্যাশক্তির প্রতীক। তাঁর আরাধনা মানুষকে মনে করিয়ে দেয়, অন্ধকার যত গভীরই হোক, আলোর সম্ভাবনা কখনো শেষ হয় না। অন্যায় যত শক্তিশালীই হোক, শুভশক্তির জয়ই চিরন্তন প্রত্যাশা। তাই শ্যামাপূজা ও দীপাবলির মূল বাণী হোক—অশুভের বিনাশ, শুভবোধের জাগরণ এবং মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা।

লেখক: সংবাদকর্মী

Ads small one

তালার জলাশয়ে কচুরিপানার বেগুনি-সাদা ফুলের সমারোহ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
তালার জলাশয়ে কচুরিপানার বেগুনি-সাদা ফুলের সমারোহ

এম এম জামান মনি, পাটকেলঘাটা: শরৎ পেরিয়ে হেমন্তের আগমনী আবহে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার জলাশয়, বিল ও নিচু জমিতে ফুটেছে কচুরিপানার বেগুনি ও সাদা ফুল। একসময় অবহেলিত এই জলজ উদ্ভিদের ফুল এখন প্রকৃতির সৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলেছে। সবুজের বুকে বেগুনি-সাদা ফুলের সমারোহ মুগ্ধ করছে পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের।

উপজেলার বিভিন্ন জলাশয় ঘুরে দেখা যায়, পানির ওপর ছড়িয়ে থাকা কচুরিপানার ফুলে কোথাও কোথাও তৈরি হয়েছে প্রাকৃতিক গালিচার মতো দৃশ্য। নিভৃত জলাশয়ে ফুটে থাকা এসব ফুল দেখতে চলার পথে থমকে দাঁড়াচ্ছেন স্থানীয় তরুণ-তরুণী ও পথচারীরা। কেউ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে সৌন্দর্য উপভোগ করছেন, কেউবা মুঠোফোনে ছবি তুলে রাখছেন।

কচুরিপানার ফুল দেখতে আসা স্থানীয় শিক্ষার্থী আহনাফ হক বলেন, “প্রতিদিনের পড়ালেখার ক্লান্তি কাটাতে প্রকৃতির এই রূপ সত্যিই মনকে প্রফুল্ল করে তোলে।”

কাজের ফাঁকে ঘুরতে আসা আবুল হোসেন বলেন, “যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততার পর গ্রামবাংলার এমন শান্ত পরিবেশ ও ফুলের সৌন্দর্য দেখতে চমৎকার লাগে। প্রকৃতির এই স্বাভাবিক রূপ মনে একধরনের প্রশান্তি এনে দেয়।”

গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠ বাসিন্দা হায়দার আলী বলেন, “একসময় বিল-ঝিলে এমন কচুরিপানার ফুল অনেক দেখেছি। কিন্তু এখন আর আগের মতো চোখে পড়ে না।” কচুরিপানাকে ঘিরে তাঁর জীবনের নানা স্মৃতি ও অভিজ্ঞতাও রয়েছে বলে জানান তিনি।

পরিবেশবিদদের মতে, কচুরিপানার ফুল সাময়িকভাবে জলাশয়ের সৌন্দর্য বাড়ালেও অতিরিক্ত কচুরিপানা জলাশয়ের স্বাভাবিক পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এর নান্দনিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি জলাশয়ের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

জেলা সবুজ পরিবেশ আন্দোলনের সভাপতি এজাজ আহম্মেদ স্বপন বলেন, ঋতুবদলের এই সময়ে কচুরিপানার বেগুনি ও সাদা ফুল গ্রামীণ পরিবেশে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। সাধারণ এই জলজ উদ্ভিদের ফুল প্রকৃতিপ্রেমীদের মনে করিয়ে দিচ্ছে, গ্রামবাংলার চিরচেনা সৌন্দর্য আজও লুকিয়ে আছে নিভৃত জলাশয় ও সবুজের মাঝে।

৭ নভেম্বরের কর্মসূচি সফল করতে তালা উপজেলা বিএনপির প্রস্তুতি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ
৭ নভেম্বরের কর্মসূচি সফল করতে তালা উপজেলা বিএনপির প্রস্তুতি সভা

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে তালা উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার বিকেল ৪টায় পাটকেলঘাটা প্রেসক্লাবে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়ের সভাপতিত্বে সভা সঞ্চালনা করেন অধ্যক্ষ মো. শফিকুল ইসলাম।

সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও কুমিরা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. হাফিজুর রহমান হাফিজ, জেলা কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলী, শরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাশেদুল রাজু ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রকিব এবং সরুলিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ডা. মো. রফিকুল ইসলাম। এ ছাড়া উপজেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বক্তব্য দেন।

সভায় নেতারা জানান, ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে তালা উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের বিকেল ৩টায় পাটকেলঘাটার পাঁচ রাস্তার মোড়ে শহীদ স ম আলাউদ্দীন চত্বরে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

লাবসা ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:১১ অপরাহ্ণ
লাবসা ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন

oplus_0

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন লাবসা ইউনিয়ন পরিষদের বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মো. আব্দুল আলীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আবুল হাসান, শেখ জাহাঙ্গীর হাসেমী, সাংবাদিক আবু সাঈদ ও বিএনপি নেতা মনিরুজ্জামান মনি।

এ সময় বক্তব্য দেন আবুল হাসান, ডা. আনোয়ার হোসেন, শাহজাহান আলী, কবীর হোসেন, যশোর আলী, মাসুম বিল্লাহ ও রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সাতক্ষীরার কয়েকটি ইউনিয়নে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। লাবসা ইউনিয়নেও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তাঁদের দাবি, এ কার্ডের মাধ্যমে দরিদ্র ও অসহায় পরিবারগুলো প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা করে সহায়তা পাবে।

অনুষ্ঠানে ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য, বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।