রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

সংসদ চত্বরে আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস: কূটনৈতিক সৌজন্যতা নাকি আত্মমর্যাদার সংকট?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ৪:৩০ অপরাহ্ণ
সংসদ চত্বরে আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস: কূটনৈতিক সৌজন্যতা নাকি আত্মমর্যাদার সংকট?

‎‎গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

‎একটি জাতির কিছু প্রতীক থাকে, যা কেবল ইট-পাথরের স্থাপনা নয়, বরং তার ইতিহাস, আত্মত্যাগ, স্বাধীনতা এবং জাতীয় চেতনার বহিঃপ্রকাশ। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন তেমনই একটি প্রতীক। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা এবং স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অস্তিত্বের অন্যতম প্রধান প্রতীক এই জাতীয় সংসদ ভবন।

‎সেই সংসদ ভবনের সামনে বিদেশি কোনো রাষ্ট্রের জাতীয় দিবস উদযাপনের আয়োজন নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রশ্নের জন্ম দেয়। প্রশ্নটি কোনো দেশের বিরুদ্ধে নয়, কোনো জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধেও নয়; বরং প্রশ্নটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা, জাতীয় আত্মসম্মান এবং পররাষ্ট্রনীতির ভারসাম্য রক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত।

‎বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হলো “সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়।” এই নীতির অর্থ কখনোই কোনো পরাশক্তির প্রতি অতিরিক্ত অনুরাগ প্রদর্শন নয়, বরং সমমর্যাদা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রাখা। কিন্তু জাতীয় সংসদের মতো একটি সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় প্রতীকের সামনে বিদেশি রাষ্ট্রের জাতীয় উৎসব আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হলে সাধারণ মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে এটি কি কেবল কূটনৈতিক সৌজন্য, নাকি এর মাধ্যমে একটি ভিন্ন রাজনৈতিক বার্তা দেওয়া হচ্ছে?

‎বিশ্বের অধিকাংশ স্বাধীন ও আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র তাদের জাতীয় প্রতীক, সংসদ ভবন কিংবা রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রকে বিশেষ মর্যাদার সঙ্গে সংরক্ষণ করে। এসব স্থান কেবল প্রশাসনিক কেন্দ্র নয়, বরং জাতীয় সার্বভৌমত্বের দৃশ্যমান প্রতীক। ফলে এসব স্থানের ব্যবহার নিয়ে জনগণের সংবেদনশীলতা থাকা স্বাভাবিক।

‎বাংলাদেশের জনগণ রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই রাষ্ট্র। সেই ইতিহাসের প্রতি সম্মান দেখানো রাষ্ট্রের প্রতিটি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানের নৈতিক কর্তব্য। জাতীয় সংসদ ভবনের মতো একটি স্থানের ব্যবহারে তাই সর্বোচ্চ সতর্কতা ও বিচক্ষণতা প্রত্যাশিত।

‎এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আসে। বিশ্বের প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোর জাতীয় সংসদ, প্রেসিডেন্সিয়াল কমপ্লেক্স কিংবা ক্ষমতার কেন্দ্রগুলোর সামনে অন্য দেশের জাতীয় দিবস উদযাপনের কতটুকু নজির রয়েছে? যদি এমন নজির খুবই সীমিত হয়, তাহলে বাংলাদেশে এমন আয়োজনের যৌক্তিকতা ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়।

‎ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতায় বর্তমান বিশ্ব ক্রমেই প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠছে। বড় শক্তিগুলোর কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। এ অবস্থায় রাষ্ট্রীয় প্রতীক ও জাতীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যবহার এমন হওয়া উচিত, যাতে দেশের নিরপেক্ষতা, স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং কৌশলগত ভারসাম্য সম্পর্কে কোনো বিভ্রান্তি সৃষ্টি না হয়।

‎জনগণের একটি অংশ মনে করে, জাতীয় সংসদ ভবনের মতো স্থানে বিদেশি রাষ্ট্রের জাতীয় উৎসব উদযাপনের সুযোগ দেওয়া হলে ভবিষ্যতে একই ধরনের দাবি অন্যান্য দেশও তুলতে পারে। তখন রাষ্ট্র কোন নীতির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে, সেই প্রশ্নও সামনে আসবে। তাই এ ধরনের সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট নীতিমালা, জনজবাবদিহিতা এবং জাতীয় স্বার্থের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

‎রাষ্ট্রের মর্যাদা কখনো অর্থনৈতিক সহায়তা, উন্নয়ন সহযোগিতা কিংবা কূটনৈতিক সম্পর্কের বিনিময়ে পরিমাপ করা যায় না। একটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শক্তি তার আত্মমর্যাদা, স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং জনগণের আস্থা। জাতীয় প্রতীকসমূহের মর্যাদা রক্ষার মধ্য দিয়েই সেই শক্তি প্রতিফলিত হয়।

‎আজ প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা। জনগণ জানতে চায় কোন নীতির আলোকে জাতীয় সংসদ চত্বরে এ ধরনের আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, ভবিষ্যতে একই সুযোগ কি অন্য দেশগুলোকেও দেওয়া হবে, এবং জাতীয় প্রতীকগুলোর মর্যাদা রক্ষায় সরকারের দীর্ঘমেয়াদি অবস্থান কী।

‎বাংলাদেশ কারও বিরোধী নয়, কারও শত্রুও নয়। বাংলাদেশ বন্ধুত্ব চায়, সহযোগিতা চায়, উন্নয়ন চায়। কিন্তু সেই বন্ধুত্ব হতে হবে সমমর্যাদার, সেই সহযোগিতা হতে হবে সম্মানের, আর সেই উন্নয়ন হতে হবে জাতীয় স্বার্থ ও আত্মসম্মান অক্ষুণœ রেখে। কারণ স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও যদি আমরা রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও জাতীয় প্রতীকগুলোর প্রশ্নে স্পষ্ট অবস্থান নিতে না পারি, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আমাদের অনেক প্রশ্নের জবাব দিতে হবে।

‎জাতীয় সংসদ ভবন বাংলাদেশের। এটি কোনো রাজনৈতিক দল, কোনো সরকার কিংবা কোনো বিদেশি শক্তির প্রতীক নয়; এটি ১৮ কোটি মানুষের আশা-আকাঙ্খা, সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের প্রতীক। সেই মর্যাদা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিক এবং প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব।

‎‎‎লেখক: গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ, সাবেক ছাত্রনেতা ও উদ্যোক্তা 

Ads small one

দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:২১ পূর্বাহ্ণ
দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ড এবং স্পেনের কাছে ফ্রান্সের বিদায়ের পর দুই দলের সমর্থকদের মাঝেই যেন বিশ্বকাপের আমেজ অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে। তারই সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ সময় রবিবার রাত ৩টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য দুই ইউরোপীয় জায়ান্টের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী বা ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে। ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর আগমুহূর্তেও ফিফার অফিসিয়াল সাইটগুলোতে হাজার হাজার টিকিট অবিক্রিত পড়ে রয়েছে।

ফিফার টিকিট পোর্টাল এবং অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের এই ম্যাচটি ঘিরে এখনও প্রায় ৭,০০০ টিকিট অবিক্রিত অবস্থায় তালিকাভুক্ত রয়েছে। সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১,২৪৬টি টিকিট অবিক্রিত আছে, যার একেকটির মূল্য হাঁকা হচ্ছে ৮৬৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬৫৭ পাউন্ড) থেকে ১,১২৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৮৫৫ পাউন্ড) পর্যন্ত।

সবচেয়ে বড় চমক দেখা গেছে অফিসিয়াল রিসেল বা পুনঃবিক্রয় প্ল্যাটফর্মে। সেখানে প্রায় ৫,৮৬৪টি টিকিট বিক্রির জন্য জমা পড়ে আছে। সমর্থকরা তাদের কেনা টিকিট নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিতে চাইছেন। সবচেয়ে সস্তা ক্যাটাগরি-৩-এর টিকিটগুলো ফেস ভ্যালু ৪৫৫ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে (এর সঙ্গে ফিফার ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত ফি যুক্ত হবে)।

ম্যাচের আকর্ষণ ও দর্শক আগ্রহ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে প্রিমিয়াম বা ক্যাটাগরি-১-এর টিকিটগুলোতে। যে টিকিটগুলোর মূল ক্রয়মূল্য ছিল ১,১২৫ ডলার, সেগুলো এখন প্রায় অর্ধেক বা বিশাল ডিসকাউন্টে মাত্র ৬৫৯ ডলারে রিসেল প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:১০ পূর্বাহ্ণ
মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের মহারণে নামার ঠিক আগের দিন বড়সড় ধাক্কা খেলো স্পেন শিবির। নিউজার্সির বৈরী আবহাওয়ার কারণে শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত প্রস্তুতি আর ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন করতে পারলো না লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। প্রবল বৃষ্টি ও লাগাতার বজ্রপাতের কারণে শনিবারের (১৮ জুলাই) নির্ধারিত শেষ দিনের পুরো অনুশীলন সেশনটিই বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শনিবার নিউজার্সির হুইপ্যানিতে স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়) স্পেনের অনুশীলনে নামার কথা ছিল। স্প্যানিশরা এই সেশনের জন্য বেছে নিয়েছিল নিউইয়র্ক রেড বুলসের সাবেক অনুশীলন কেন্দ্র এবং বর্তমানে এনডব্লিউএসএল ক্লাব গথাম এফসির ভবিষ্যৎ ট্রেনিং কমপ্লেক্সটি। কিন্তু সকাল থেকেই শুরু হয় তীব্র বজ্রঝড়। প্রথমে অনুশীলন কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত পুরো সেশনই বাতিল ঘোষণা করা হয়। মাঠে প্রবেশের অপেক্ষায় থাকা সংবাদকর্মীদেরও নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারিত কর্মক্ষেত্রের ভবনের ভেতরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রে বজ্রঝড় নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা নিখুঁত ও কঠোর, তা প্রকাশ পেয়েছে মাঠের এক কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, অনুশীলন বা ম্যাচ ভেন্যুর ৮ মাইলের মধ্যে কোথাও বজ্রপাত শনাক্ত হলেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের সব ধরনের কার্যক্রম সঙ্গে সঙ্গে স্থগিত করা হয়। এরপর প্রতি ৩০ মিনিট পরপর পরিস্থিতি গভীরভাবে মূল্যায়ন বা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

বজ্রপাতের এই ঝুঁকি যখন পুরোপুরি কেটে যায়, তখনই কেবল নিরাপত্তা বিভাগ থেকে ‘অল ক্লিয়ার’ সংকেত দেওয়া হয়। এই সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই খেলোয়াড়রা মাঠে প্রবেশের অনুমতি পান। তবে শনিবার সকালে হুইপ্যানির পরিস্থিতি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল যে স্পেনকে মাঠে নামার অনুমতি দেওয়াই সম্ভব হয়নি।

চলতি বিশ্বকাপজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ভেন্যুগুলোতে একই বজ্রঝড়-সংক্রান্ত কঠোর নিরাপত্তা নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে। এর আগে এই নিয়মের মারপ্যাঁচে পড়ে চলমান টুর্নামেন্টের একাধিক ম্যাচের সময়সূচিতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছিল। কোনও কোনও ম্যাচ দীর্ঘ সময় স্থগিতও রাখতে হয়েছিল।

বাংলাদেশ সময় রবিবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় (স্থানীয় সময় সন্ধ্যা) নিউজার্সির বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বসেরার মুকুটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। যেখানে আর্জেন্টিনা দল তাদের প্রস্তুতি ঠিকঠাক সারতে পেরেছে, সেখানে অনুশীলনের এই ঘাটতি স্পেনের জন্য কতটা ভোগান্তি বাড়াবে তা বলা মুশকিল। তবে ফুটবলপ্রেমীদের মনে এখন সবচেয়ে বড় শঙ্কা— নিউজার্সির এই বৈরী আবহাওয়া ফাইনালকেও কোনও বিঘ্নের মুখে ফেলে কি না!

বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

বিশ্বকাপ ট্রফি শুধু ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পুরস্কারই নয়, এটি মর্যাদা ও ঐতিহ্যেরও প্রতীক। সেই ট্রফিকে ফাইনালের মঞ্চে নিয়ে যেতে এবারও বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে ফরাসি বিলাসবহুল ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান লুই ভিতোঁ। ২০১০ সাল থেকে টানা পঞ্চম বিশ্বকাপে এই দায়িত্ব পালন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বিশেষভাবে তৈরি লুই ভিতোঁর এই ট্রাঙ্কে করেই মাঠে আনা হবে বিশ্বকাপ ট্রফি।

বিশেষ এই ট্রাঙ্কের সামনে রয়েছে সোনালি রঙের ইংরেজি অক্ষর ‘ভি’। যা একদিকে ভিক্টরি তথা জয় -এর প্রতীক, অন্যদিকে ভিতোঁর আলাদা পরিচয় বহন করছে। ট্রাঙ্কজুড়ে রয়েছে লুই ভিতোঁর পরিচিত নকশা এবং সোনালি আবরণযুক্ত পিতলের কর্নার প্রটেক্টর।

এটি টানা পঞ্চম বিশ্বকাপ যেখানে ট্রফির জন্য বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে লুই ভিতোঁ। এর আগে ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও একই দায়িত্ব পালন করেছিল ফরাসি এই বিলাসবহুল ব্র্যান্ড।