সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩

সংসদ চত্বরে আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস: কূটনৈতিক সৌজন্যতা নাকি আত্মমর্যাদার সংকট?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ৪:৩০ অপরাহ্ণ
সংসদ চত্বরে আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস: কূটনৈতিক সৌজন্যতা নাকি আত্মমর্যাদার সংকট?

‎‎গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

‎একটি জাতির কিছু প্রতীক থাকে, যা কেবল ইট-পাথরের স্থাপনা নয়, বরং তার ইতিহাস, আত্মত্যাগ, স্বাধীনতা এবং জাতীয় চেতনার বহিঃপ্রকাশ। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন তেমনই একটি প্রতীক। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা এবং স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অস্তিত্বের অন্যতম প্রধান প্রতীক এই জাতীয় সংসদ ভবন।

‎সেই সংসদ ভবনের সামনে বিদেশি কোনো রাষ্ট্রের জাতীয় দিবস উদযাপনের আয়োজন নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রশ্নের জন্ম দেয়। প্রশ্নটি কোনো দেশের বিরুদ্ধে নয়, কোনো জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধেও নয়; বরং প্রশ্নটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা, জাতীয় আত্মসম্মান এবং পররাষ্ট্রনীতির ভারসাম্য রক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত।

‎বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হলো “সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়।” এই নীতির অর্থ কখনোই কোনো পরাশক্তির প্রতি অতিরিক্ত অনুরাগ প্রদর্শন নয়, বরং সমমর্যাদা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রাখা। কিন্তু জাতীয় সংসদের মতো একটি সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় প্রতীকের সামনে বিদেশি রাষ্ট্রের জাতীয় উৎসব আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হলে সাধারণ মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে এটি কি কেবল কূটনৈতিক সৌজন্য, নাকি এর মাধ্যমে একটি ভিন্ন রাজনৈতিক বার্তা দেওয়া হচ্ছে?

‎বিশ্বের অধিকাংশ স্বাধীন ও আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র তাদের জাতীয় প্রতীক, সংসদ ভবন কিংবা রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রকে বিশেষ মর্যাদার সঙ্গে সংরক্ষণ করে। এসব স্থান কেবল প্রশাসনিক কেন্দ্র নয়, বরং জাতীয় সার্বভৌমত্বের দৃশ্যমান প্রতীক। ফলে এসব স্থানের ব্যবহার নিয়ে জনগণের সংবেদনশীলতা থাকা স্বাভাবিক।

‎বাংলাদেশের জনগণ রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই রাষ্ট্র। সেই ইতিহাসের প্রতি সম্মান দেখানো রাষ্ট্রের প্রতিটি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানের নৈতিক কর্তব্য। জাতীয় সংসদ ভবনের মতো একটি স্থানের ব্যবহারে তাই সর্বোচ্চ সতর্কতা ও বিচক্ষণতা প্রত্যাশিত।

‎এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আসে। বিশ্বের প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোর জাতীয় সংসদ, প্রেসিডেন্সিয়াল কমপ্লেক্স কিংবা ক্ষমতার কেন্দ্রগুলোর সামনে অন্য দেশের জাতীয় দিবস উদযাপনের কতটুকু নজির রয়েছে? যদি এমন নজির খুবই সীমিত হয়, তাহলে বাংলাদেশে এমন আয়োজনের যৌক্তিকতা ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়।

‎ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতায় বর্তমান বিশ্ব ক্রমেই প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠছে। বড় শক্তিগুলোর কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। এ অবস্থায় রাষ্ট্রীয় প্রতীক ও জাতীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যবহার এমন হওয়া উচিত, যাতে দেশের নিরপেক্ষতা, স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং কৌশলগত ভারসাম্য সম্পর্কে কোনো বিভ্রান্তি সৃষ্টি না হয়।

‎জনগণের একটি অংশ মনে করে, জাতীয় সংসদ ভবনের মতো স্থানে বিদেশি রাষ্ট্রের জাতীয় উৎসব উদযাপনের সুযোগ দেওয়া হলে ভবিষ্যতে একই ধরনের দাবি অন্যান্য দেশও তুলতে পারে। তখন রাষ্ট্র কোন নীতির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে, সেই প্রশ্নও সামনে আসবে। তাই এ ধরনের সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট নীতিমালা, জনজবাবদিহিতা এবং জাতীয় স্বার্থের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

‎রাষ্ট্রের মর্যাদা কখনো অর্থনৈতিক সহায়তা, উন্নয়ন সহযোগিতা কিংবা কূটনৈতিক সম্পর্কের বিনিময়ে পরিমাপ করা যায় না। একটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শক্তি তার আত্মমর্যাদা, স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং জনগণের আস্থা। জাতীয় প্রতীকসমূহের মর্যাদা রক্ষার মধ্য দিয়েই সেই শক্তি প্রতিফলিত হয়।

‎আজ প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা। জনগণ জানতে চায় কোন নীতির আলোকে জাতীয় সংসদ চত্বরে এ ধরনের আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, ভবিষ্যতে একই সুযোগ কি অন্য দেশগুলোকেও দেওয়া হবে, এবং জাতীয় প্রতীকগুলোর মর্যাদা রক্ষায় সরকারের দীর্ঘমেয়াদি অবস্থান কী।

‎বাংলাদেশ কারও বিরোধী নয়, কারও শত্রুও নয়। বাংলাদেশ বন্ধুত্ব চায়, সহযোগিতা চায়, উন্নয়ন চায়। কিন্তু সেই বন্ধুত্ব হতে হবে সমমর্যাদার, সেই সহযোগিতা হতে হবে সম্মানের, আর সেই উন্নয়ন হতে হবে জাতীয় স্বার্থ ও আত্মসম্মান অক্ষুণœ রেখে। কারণ স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও যদি আমরা রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও জাতীয় প্রতীকগুলোর প্রশ্নে স্পষ্ট অবস্থান নিতে না পারি, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আমাদের অনেক প্রশ্নের জবাব দিতে হবে।

‎জাতীয় সংসদ ভবন বাংলাদেশের। এটি কোনো রাজনৈতিক দল, কোনো সরকার কিংবা কোনো বিদেশি শক্তির প্রতীক নয়; এটি ১৮ কোটি মানুষের আশা-আকাঙ্খা, সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের প্রতীক। সেই মর্যাদা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিক এবং প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব।

‎‎‎লেখক: গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ, সাবেক ছাত্রনেতা ও উদ্যোক্তা 

Ads small one

দুস্থদের পাশে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান এমপি ইজ্জত উল্লাহর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ
দুস্থদের পাশে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান এমপি ইজ্জত উল্লাহর

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: সমাজের দুস্থ ও অসহায় মানুষের চিকিৎসাসেবা ও জীবিকায় সাহায্যার্থে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ।
রোববার (২৭ জুলাই) বিকেল ৫টায় তালা উপজেলার মির্জাপুর বাজারে কাদের বক্স ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের নিজস্ব কার্যালয়ে নগদ টাকা ও ছাগল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি ডা. আলাউদ্দিন মল্লিকের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মাওলানা জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, “ধনী মানুষের সম্পদের ভেতরে আল্লাহ তাআলা গরিবের হক রেখে দিয়েছেন। আজকের সমাজে যদি জাকাতভিত্তিক অর্থনীতি চালু থাকত, তাহলে কোনো গরিব খুঁজে পাওয়া যেত না। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে অসহায় মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসতে হবে।”
অনুষ্ঠানে ১০ জন দুস্থ ও অসহায় মানুষকে ১টি করে ছাগল এবং ১ জনকে চায়ের দোকান দেওয়ার জন্য নগদ ২৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। ছাগলপ্রাপ্তরা হলেন বারাত গ্রামের মো. আব্দুল মজিদ ও মোসাঃ সাজেদা বেগম, কুমিরার ফাতেমা বেগম, মদনপুরের আছিয়া বেগম, ভাগবা গ্রামের শিরিনা বেগম, সেনপুরের মফিজুর রহমান ও সিদ্দিকুর রহমান, শেখ আব্দুল্লাহ, নোয়াকাটির নিসার আলী এবং জামাল উদ্দিন। এছাড়া চায়ের দোকান করার জন্য হাজরাপাড়ার কামরুল ইসলামকে নগদ ২৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ডা. মাহমুদুল হক, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি অধ্যাপক গাজী সুজায়েত আলী, ভিডিএফের জেলা সভাপতি ডা. আফতাব উদ্দীন, তালা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মফিদুল্লাহ, সেক্রেটারি অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, পাটকেলঘাটা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি নাজমুল হক খান, কুমিরা ইউনিয়ন আমীর মাস্টার বকুল, সেক্রেটারি মাওলানা তরিকুল ইসলাম, মাস্টার মাওলানা মোশাররফ হোসেন, ছাত্রনেতা জুবায়ের, সমাজসেবক আল মামুন, ডা. আবু হোসেন ও মতিউর রহমান।

 

সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির কমিটি থেকে একযোগে ৮ নেতার পদত্যাগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির কমিটি থেকে একযোগে ৮ নেতার পদত্যাগ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির বর্তমান ১৯ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি প্রত্যাখান করে একযোগে পদত্যাগ করেছেন ৮ জন শীর্ষ নেতা। পদত্যাগকারীরা হলেন কার্যকরী সভাপতি শেখ সাঈদ আহমেদ রঞ্জু, সহ-সভাপতি মো. জিয়ারুল ইসলাম, অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক মো. তৌহিদুজ্জামান বাবলু, এবং কার্যকরী সদস্য যথাক্রমে আব্দুল মোমেন খান চৌধুরী (সান্টু), মো. আবু হাসান, মো. নুরুজ্জামান জামু, শেখ শাহাজাহান আলী ও মো. দেলোয়ার হোসেন সুজন।
রবিবার (২৬ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। পদত্যাগপত্রটি সমিতির সাধারণ সম্পাদক বরবোর ডাকযোগে পাঠানো হয়েছে।
পদত্যাগকারী নেতাদের অভিযোগ, গত ২৯ নভেম্বর সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ১৯ সদস্যের কমিটি অনুমোদিত হলেও পরবর্তীতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিজেদের সুবিধাজনক ব্যক্তিদের নিয়ে ৯ সদস্যের একটি পৃথক কমিটি গঠন করে খুলনা শ্রম অধিদপ্তর থেকে অনুমোদন করিয়ে আনেন। বিষয়টি নিয়ে বারবার আপত্তি জানানো হলেও কোনো সমাধান করা হয়নি। এছাড়া অনুমোদিত কমিটির কয়েকজন কর্মকর্তার নিজস্ব কোনো ট্রাক নেই বলেও অভিযোগ করেন তারা। এসব অসাংগঠনিক কর্মকা-ের প্রতিবাদেই তারা একযোগে পদত্যাগ করেছেন।

সংসদ সদস্য গাজী নজরুলের পদত্যাগের দাবিতে শ্যামনগরে কুশপুত্তলিকা দাহ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ণ
সংসদ সদস্য গাজী নজরুলের পদত্যাগের দাবিতে শ্যামনগরে কুশপুত্তলিকা দাহ

পত্রদূত রিপোর্ট: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে শ্যামনগরে আন্দোলন অব্যাহত আছে। সংসদ সদস্য পদ থেকে তাঁর পদত্যাগের দাবিতে টানা পঞ্চম দিনের মতো শ্যামনগরে রোববার বিক্ষোভ মিছিল, প্রতিবাদ সমাবেশ ও কুশপুত্তলিকা দাহ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
বেলা ১১টার দিকে শ্যামনগর উপজেলার সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে বাবলাতলা মোড় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। এটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাব চত্বরে গিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ হয়। এ সময় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়।
প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঠিকাদার মো. শামসুদ্দোহা। বক্তব্য দেন রবিউল ইসলাম, আবদুস সালাম, মফিজুল ইসলাম, মো. রাসেল প্রমুখ।
মফিজুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। জনগণের নৈতিক প্রত্যাশা ও সংসদ সদস্যের পদমর্যাদার কথা বিবেচনায় নিয়ে গাজী নজরুল ইসলামের পদত্যাগ করা উচিত। একই সঙ্গে তাঁরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানান।
অন্য বক্তরা বলেন, শ্যামনগরের ভাবমূর্তি রক্ষা এবং জনমতের প্রতি সম্মান জানিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তাঁদের দাবি, গাজী নজরুল ইসলামকে ইতিমধ্যে শ্যামনগরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি দ্রুত সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ না করলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। প্রয়োজনে শ্যামনগর অচল কর্মসূচির পাশাপাশি জেলার সব উপজেলায় একযোগে আন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
গত সোমবার রাতে গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত মুহূর্তের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে এক তরুণীর সঙ্গে তাঁকে ঘনিষ্ঠভাবে দেখা যায়। তবে পরদিন গাজী নজরুল ইসলাম নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে জানান, ভিডিওতে থাকা তরুণী তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী। বিষয়টি নিয়ে নানা বিতর্ক ও নির্বাচনী এলাকায় ক্ষোভ-বিক্ষোভ চলার মধ্যে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ জরুরি সভায় বসে গাজী নজরুলকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়। এর পর থেকে তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে না।