শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার

সুন্দরবনের সামুদ্রিক ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রজনন এবং স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে প্রতিবছর তিন মাসের জন্য জলজ সম্পদ আহরণে সরকারি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, সুরক্ষার এই সুনির্দিষ্ট সময়েও বনভূমির ওপর একশ্রেণির অসাধু ব্যক্তির নির্মম অত্যাচার থেমে নেই। বন বিভাগের চোখ ফাঁকি দিয়েÑকিংবা তাঁদের নজরদারির শিথিলতার সুযোগ নিয়েÑনিষিদ্ধ এলাকায় বিষ প্রয়োগ করে মাছ ও কাঁকড়া শিকারের খবর উঠে আসছে, যা দেশের ফুসফুসখ্যাত সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যের জন্য চরম এক হুমকির সংকেত।
পত্রিকান্তরে প্রকাশিত খবরে দেখা যায়, সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের সোরা এলাকার এক জেলে সুন্দরবনের নিষিদ্ধ অঞ্চল থেকে বিষ দিয়ে প্রায় ২৯০ কেজি চিংড়ি শিকার করে লোকালয়ের আড়তে প্রকাশ্যে বিক্রি করেছেন। সংরক্ষিত বনাঞ্চলে বিষ ঢেলে মাছ ধরা মানে কেবল বড় মাছগুলোকে হত্যা করা নয়, বরং হাজার হাজার মাছ ও কাঁকড়ার রেণুপোনা ধ্বংস করে পুরো মৎস্যসম্পদের বংশবৃদ্ধির ধারাকে স্থবির করে দেওয়া। বিষের এই বিষাক্ত প্রভাবে সুন্দরবনের সংবেদনশীল জলজ পরিবেশ ও খাদ্যশৃঙ্খলে দীর্ঘমেয়াদি বিপর্যয় নেমে আসছে।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো প্রশাসন ও বন বিভাগের ভূমিকা। সরকারি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকা অবস্থায় এবং উপকূলজুড়ে টহল ব্যবস্থা থাকার পরও কীভাবে বিষ দিয়ে শিকার করা শত শত কেজি মাছ লোকালয়ে এনে প্রকাশ্যে বেচাকেনা হয়Ñএ প্রশ্নের উত্তর আজও অধরা। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর বন বিভাগের স্থানীয় কর্মকর্তারা বিষয়টিকে অস্বীকার করে লিখিত অভিযোগের অযুহাত দিয়েছেন। দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের এ ধরনের দায়সারা অবস্থান পুরো নজরদারি ব্যবস্থাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে।
সুন্দরবন কেবল কোনো সাধারণ বনাঞ্চল নয়; এটি উপকূলীয় কোটি কোটি মানুষের প্রাকৃতির ঢাল এবং দেশের এক অমূল্য প্রাকৃতিক সম্পদ। এ ধরনের ধ্বংসাত্মক কর্মকা- রোধে প্রশাসনিক শৈথিল্য কিংবা তদারকির অভাব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। বিষ প্রয়োগে মাছ শিকারের পেছনের সিন্ডিকেটকে চিহ্নিত করে অবিলম্বে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। কেবল কাগজে-কলমে নিষেধাজ্ঞা না রেখে, ড্রোন ও উন্নত প্রযুক্তির সহায়তায় নদীপথের নজরদারি আরও কঠোর করা জরুরি। সুন্দরবনের প্রাণ প্রকৃতি বাঁচাতে বন বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এবার সত্যি সত্যি কঠোর ভূমিকায় নামতে হবে।

 

 

Ads small one

খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে ধস, সংস্কারকাজ শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৯ পূর্বাহ্ণ
খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে ধস, সংস্কারকাজ শুরু

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার তুয়ারডাঙ্গার মুচির কোনা এলাকায় খোলপেটুয়া নদীর উপকূলীয় ওয়াপদা বেড়িবাঁধে ধস নেমেছে। খবর পেয়ে দ্রুত জিওটিউব ফেলে কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
পাউবোর শাখা কর্মকর্তা (এসও) আলমগীর হোসেন জানান, দুপুরে বেড়িবাঁধের আনুমানিক ৩০০ ফুট ধসে যাওয়ার খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান এবং বিকল্প বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দ্রুত কাজ শেষ না হলে জোয়ারের পানি ঢুকে খাজরা ও বড়দল ইউনিয়নের ১৫ থেকে ২০ হাজার বিঘা জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং পাউবোকে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

কয়রায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প উপলক্ষে লিফলেট বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ
কয়রায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প উপলক্ষে লিফলেট বিতরণ

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার কয়রা কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজন উপলক্ষে এলাকায় লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। আগামী ১২ আগস্ট এ দিনব্যাপী চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে।
খুলনা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পির ব্যবস্থাপনায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রচারণার অংশ হিসেবে জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান নেতাকর্মীদের নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও জনবহুল স্থানে লিফলেট বিতরণ করেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এলাকার দরিদ্র ও সাধারণ মানুষ যেন কোনো খরচ ছাড়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পেতে পারেন, সে লক্ষ্যেই এই ক্যাম্পের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরায় ধানের বীজতলায় বিষ প্রয়োগের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ধানের বীজতলায় বিষ প্রয়োগের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পার-কুখরালীতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ধানের বীজতলায় ঘাস মারার বিষ প্রয়োগ করার অভিযোগ উঠেছে।
পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবু সাইদ জানান, তাঁর বাবা ২০০২ সালে জব্বার সরদারের কাছ থেকে জমিটি কেনেন। কিন্তু বিআরএস রেকর্ডে ভুলবশত প্রতিপক্ষের নাম ওঠায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) আদালতে মামলা (নং ১৯৩৭/২৫) চলমান রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, মৃত জব্বার সরদারের ছেলে আব্দুর রকিব জমিতে ফসল না করার জন্য পূর্বে হুমকি দিয়েছিলেন। এরপর জমিতে গিয়ে দেখা যায় বীজতলার চারাগুলো বিষ প্রয়োগের কারণে মরে গেছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আব্দুর রকিব। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আবু সাইদ এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষি বিভাগ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।