রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

সরকারি বরাদ্দে কি আসলেই বৈষম্য হচ্ছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
সরকারি বরাদ্দে কি আসলেই বৈষম্য হচ্ছে

নির্বাচনি এলাকায় বিশেষ বরাদ্দের ক্ষেত্রে বৈষম্য হচ্ছে, সংসদে এমন অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। তবে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। এ নিয়ে দুপক্ষই বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। আর রাজনৈতিক মহলেও চলছে নানা আলোচনা।

সর্বশেষ গত ৮ জুন জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে এ নিয়ে প্রথম বিতর্কের সূচনা করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। এদিন প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি উল্লেখ করেন, ‘‘গত ৩০ এপ্রিল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ৮৫ লাখ টাকা এবং ৯০ টন চাল-গমের বরাদ্দ ‘শুধু সরকারি দলের’ সংসদ সদস্যদের আসনে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রে বিরোধী দলের এমপিদের প্রতি বৈষম্য করা হয়েছে।’’

তবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু জানান, মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ রাজনৈতিক বিবেচনায় নয়, চাহিদা ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘‘যখন যেখানে দুর্যোগ সংঘটিত হয়, জেলা প্রশাসকদের কাছে জিআর ক্যাশ এবং জিআর রাইসের বরাদ্দ দেওয়া থাকে। টিআর ও কাবিখা কর্মসূচির ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যদের চাহিদাপত্রের ভিত্তিতে বরাদ্দ দেওয়া হয়। অচিরেই বিরোধী দলের সদস্যরাও বরাদ্দ পেয়ে যাবেন।’’

বিরোধীদলীয় সদস্যদের অভিযোগের বিপরীতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রীর এমন সরল ব্যাখ্যার পরও এ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। আসলেই কি বৈষম্য হচ্ছে? যদি না হয়ে থাকে, তাহলে বিরোধী দল এমন প্রশ্ন কেন করছে? আর বৈষম্য যদি নাই হয়ে থাকে, তাহলে সরকারি দলের সদস্যরা আগে পাবেন কেন? এ নিয়েও নানা বিশ্লেষণ হচ্ছে।

জানতে চাইলে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘অতীতেও বিশেষ বরাদ্দের ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীন দলের এমপিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হতো। এটি অবশ্যই বৈষম্য। কিন্তু জুলাই আন্দোলনের দাবি অনুযায়ী এখন এ ধরনের আচরণের সুযোগ নেই। তাই নিয়ে একটি নীতিমালা করতে হবে। কারণ একটি এলাকার সংসদ সদস্য যে দলেরই হোক, সেখানের বরাদ্দ তো হবে সাধারণ জনগণের কল্যাণে। তাই সামাজিক নিরাপত্তা বা থোক বরাদ্দসহ এ ধরনের সুবিধা বরাদ্দে বিরোধী দলের সদস্যদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। বিশেষ করে অভাবী ও দারিদ্র্যপ্রবণ এলাকার দিকে বিশেষ দৃষ্টি রাখতে হবে।’’

বিরোধী এমপিদের অভিযোগ, মন্ত্রীর ব্যাখ্যা

বিশেষ বরাদ্দ নিয়ে সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ আসনের এমপি আখতার হোসেন বলেন, ‘‘দুর্যোগ যখন আসে তখন কিন্তু সরকারি দল, বিরোধী দল দেখে আসে না। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় এই বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু আমরা দেখলাম, ৩০ এপ্রিলের বরাদ্দ শুধু সরকারি দলের আসনগুলোতে দেওয়া হয়েছে।’’ বিরোধী দলের আসনগুলোর জন্য সমতাভিত্তিক বরাদ্দ নিশ্চিতে সরকার কী পদক্ষেপ নেবে, তা জানতে চান তিনি।

একই ধরনের অভিযোগ আনেন নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ। এর বাইরেও সরকারি দলের কয়েকজন সদস্যও নিজেদের এলাকায় বিশেষ বরাদ্দের দাবি জানান।

এ সময় ত্রাণমন্ত্রী তাদের আশ্বস্ত করে বলেন, ‘‘কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে এ ক্ষেত্রে ব্যত্যয় হয়েছে। অচিরেই সংশ্লিষ্ট এলাকায় বরাদ্দ পৌঁছে যাবে।’’

নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের প্রশ্নের জবাবে আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘‘বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রতিটি সংসদীয় আসনে কাবিটা (কাজের বিনিময়ে টাকা) ২৫ লাখ টাকা এবং টিআর (টেস্ট রিলিফ) ৩০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’’

এছাড়া কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য) কর্মসূচির আওতায় ২০ মেট্রিক টন চাল ও ২০ মেট্রিক টন গম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর অতিরিক্ত বিভিন্ন সংসদীয় আসনে সরকারি ও বিরোধী উভয় দলের সংসদ সদস্যদের ডিও এবং স্থানীয় চাহিদার আলোকে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দেওয়া হয়। আশা করি শিগগিরই বিরোধী দলের সদস্যরাও বরাদ্দ পেয়ে যাবেন।’’

সরকারি দল আগে, বিরোধী দল পরে কেন?

প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ও ত্রাণ বিতরণের ক্ষেত্রে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের পরে বরাদ্দ নিয়েও অনেক কথা হয়েছে। বিগত দিনে বিরোধী দলের কয়েকজন সংসদ সদস্য এ অভিযোগ এনেছেন। পরে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার পর তাদেরও দেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব বলেন, ‘‘সরকারের অগণতান্ত্রিক অনেক সিদ্ধান্তের সঙ্গে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা একমত পোষণ করেন না। তাই তাদের প্রতি এক ধরনের বৈষম্য করা হচ্ছে। বিশেষ বরাদ্দের ক্ষেত্রে সব সময় ক্ষমতাসীনদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। বিরোধী দলকে দেওয়া হচ্ছে সবার পরে। অনেক সময় দেওয়া হচ্ছে না, আবার কম দেওয়া হচ্ছে।’’

তিনি বলেন, ‘‘এখন আবার শোনা যাচ্ছে বিরোধী দলের এমপিদের আসনে ক্ষমতাসীন দলের সংরক্ষিত নারী এমপিদের বরাদ্দ দেওয়ার পাঁয়তারা করা হচ্ছে। মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে নিজেদের খবরদারি প্রতিষ্ঠা করা। যাতে বিরোধী এমপিরা এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে না পারেন। আমরা বলবো, এ ধরনের অগণতান্ত্রিক ও বৈষম্যমূলক আচরণ বন্ধ করে সবার জন্য সমান বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে।’’

একই অভিযোগ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিমের। তিনি বলেন, ‘‘সরকার মুখে গণতন্ত্র ও উদারতার কথা বললেও বাস্তবে বৈষম্যমূলক আচরণ করছে। যেকোনও বরাদ্দ নিজেদের দলের এমপিদের আগে দেওয়া হচ্ছে। যখন গণমাধ্যমে এ নিয়ে কথা হয়, তখন বিভিন্ন ব্যাখ্যা দিচ্ছে। আমরা মনে করি এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষকেও অবজ্ঞা করা হচ্ছে। আশা করি সরকারপ্রধান এ বিষয়টিকে বিশেষভাবে দেখবেন।’’

জানতে চাইলে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন, ‘‘উন্নয়ন বরাদ্দসহ যেকোনও অনুদান বরাদ্দে সরকারের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ সঠিক নয়। হয়তো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কিছু বিধিনিষেধ রয়েছে। সে অনুযায়ী হয়তো কিছু আসন একটু পরে বরাদ্দ পাচ্ছে। এটা ইচ্ছে করে করা হয় বলে মনে করি না। আশা করি আগামী দিনে এ ধরনের অভিযোগ আসবে না।’

Ads small one

দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:২১ পূর্বাহ্ণ
দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ড এবং স্পেনের কাছে ফ্রান্সের বিদায়ের পর দুই দলের সমর্থকদের মাঝেই যেন বিশ্বকাপের আমেজ অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে। তারই সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ সময় রবিবার রাত ৩টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য দুই ইউরোপীয় জায়ান্টের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী বা ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে। ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর আগমুহূর্তেও ফিফার অফিসিয়াল সাইটগুলোতে হাজার হাজার টিকিট অবিক্রিত পড়ে রয়েছে।

ফিফার টিকিট পোর্টাল এবং অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের এই ম্যাচটি ঘিরে এখনও প্রায় ৭,০০০ টিকিট অবিক্রিত অবস্থায় তালিকাভুক্ত রয়েছে। সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১,২৪৬টি টিকিট অবিক্রিত আছে, যার একেকটির মূল্য হাঁকা হচ্ছে ৮৬৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬৫৭ পাউন্ড) থেকে ১,১২৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৮৫৫ পাউন্ড) পর্যন্ত।

সবচেয়ে বড় চমক দেখা গেছে অফিসিয়াল রিসেল বা পুনঃবিক্রয় প্ল্যাটফর্মে। সেখানে প্রায় ৫,৮৬৪টি টিকিট বিক্রির জন্য জমা পড়ে আছে। সমর্থকরা তাদের কেনা টিকিট নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিতে চাইছেন। সবচেয়ে সস্তা ক্যাটাগরি-৩-এর টিকিটগুলো ফেস ভ্যালু ৪৫৫ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে (এর সঙ্গে ফিফার ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত ফি যুক্ত হবে)।

ম্যাচের আকর্ষণ ও দর্শক আগ্রহ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে প্রিমিয়াম বা ক্যাটাগরি-১-এর টিকিটগুলোতে। যে টিকিটগুলোর মূল ক্রয়মূল্য ছিল ১,১২৫ ডলার, সেগুলো এখন প্রায় অর্ধেক বা বিশাল ডিসকাউন্টে মাত্র ৬৫৯ ডলারে রিসেল প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:১০ পূর্বাহ্ণ
মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের মহারণে নামার ঠিক আগের দিন বড়সড় ধাক্কা খেলো স্পেন শিবির। নিউজার্সির বৈরী আবহাওয়ার কারণে শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত প্রস্তুতি আর ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন করতে পারলো না লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। প্রবল বৃষ্টি ও লাগাতার বজ্রপাতের কারণে শনিবারের (১৮ জুলাই) নির্ধারিত শেষ দিনের পুরো অনুশীলন সেশনটিই বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শনিবার নিউজার্সির হুইপ্যানিতে স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়) স্পেনের অনুশীলনে নামার কথা ছিল। স্প্যানিশরা এই সেশনের জন্য বেছে নিয়েছিল নিউইয়র্ক রেড বুলসের সাবেক অনুশীলন কেন্দ্র এবং বর্তমানে এনডব্লিউএসএল ক্লাব গথাম এফসির ভবিষ্যৎ ট্রেনিং কমপ্লেক্সটি। কিন্তু সকাল থেকেই শুরু হয় তীব্র বজ্রঝড়। প্রথমে অনুশীলন কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত পুরো সেশনই বাতিল ঘোষণা করা হয়। মাঠে প্রবেশের অপেক্ষায় থাকা সংবাদকর্মীদেরও নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারিত কর্মক্ষেত্রের ভবনের ভেতরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রে বজ্রঝড় নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা নিখুঁত ও কঠোর, তা প্রকাশ পেয়েছে মাঠের এক কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, অনুশীলন বা ম্যাচ ভেন্যুর ৮ মাইলের মধ্যে কোথাও বজ্রপাত শনাক্ত হলেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের সব ধরনের কার্যক্রম সঙ্গে সঙ্গে স্থগিত করা হয়। এরপর প্রতি ৩০ মিনিট পরপর পরিস্থিতি গভীরভাবে মূল্যায়ন বা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

বজ্রপাতের এই ঝুঁকি যখন পুরোপুরি কেটে যায়, তখনই কেবল নিরাপত্তা বিভাগ থেকে ‘অল ক্লিয়ার’ সংকেত দেওয়া হয়। এই সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই খেলোয়াড়রা মাঠে প্রবেশের অনুমতি পান। তবে শনিবার সকালে হুইপ্যানির পরিস্থিতি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল যে স্পেনকে মাঠে নামার অনুমতি দেওয়াই সম্ভব হয়নি।

চলতি বিশ্বকাপজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ভেন্যুগুলোতে একই বজ্রঝড়-সংক্রান্ত কঠোর নিরাপত্তা নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে। এর আগে এই নিয়মের মারপ্যাঁচে পড়ে চলমান টুর্নামেন্টের একাধিক ম্যাচের সময়সূচিতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছিল। কোনও কোনও ম্যাচ দীর্ঘ সময় স্থগিতও রাখতে হয়েছিল।

বাংলাদেশ সময় রবিবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় (স্থানীয় সময় সন্ধ্যা) নিউজার্সির বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বসেরার মুকুটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। যেখানে আর্জেন্টিনা দল তাদের প্রস্তুতি ঠিকঠাক সারতে পেরেছে, সেখানে অনুশীলনের এই ঘাটতি স্পেনের জন্য কতটা ভোগান্তি বাড়াবে তা বলা মুশকিল। তবে ফুটবলপ্রেমীদের মনে এখন সবচেয়ে বড় শঙ্কা— নিউজার্সির এই বৈরী আবহাওয়া ফাইনালকেও কোনও বিঘ্নের মুখে ফেলে কি না!

বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

বিশ্বকাপ ট্রফি শুধু ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পুরস্কারই নয়, এটি মর্যাদা ও ঐতিহ্যেরও প্রতীক। সেই ট্রফিকে ফাইনালের মঞ্চে নিয়ে যেতে এবারও বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে ফরাসি বিলাসবহুল ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান লুই ভিতোঁ। ২০১০ সাল থেকে টানা পঞ্চম বিশ্বকাপে এই দায়িত্ব পালন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বিশেষভাবে তৈরি লুই ভিতোঁর এই ট্রাঙ্কে করেই মাঠে আনা হবে বিশ্বকাপ ট্রফি।

বিশেষ এই ট্রাঙ্কের সামনে রয়েছে সোনালি রঙের ইংরেজি অক্ষর ‘ভি’। যা একদিকে ভিক্টরি তথা জয় -এর প্রতীক, অন্যদিকে ভিতোঁর আলাদা পরিচয় বহন করছে। ট্রাঙ্কজুড়ে রয়েছে লুই ভিতোঁর পরিচিত নকশা এবং সোনালি আবরণযুক্ত পিতলের কর্নার প্রটেক্টর।

এটি টানা পঞ্চম বিশ্বকাপ যেখানে ট্রফির জন্য বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে লুই ভিতোঁ। এর আগে ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও একই দায়িত্ব পালন করেছিল ফরাসি এই বিলাসবহুল ব্র্যান্ড।