রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় ‘জুলাই শহীদ স্মরণ’ ফুটবল: চ্যাম্পিয়ন মাটিয়াডাঙ্গা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ‘জুলাই শহীদ স্মরণ’ ফুটবল: চ্যাম্পিয়ন মাটিয়াডাঙ্গা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার ডিবি ইউনাইটেড হাইস্কুল মাঠে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘জুলাই শহীদ স্মরণে গ্রামভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’। শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতার ফাইনালে রামচন্দনপুর ফুটবল দলকে ট্রাইবেকারে ৫-৪ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে মাটিয়াডাঙ্গা ফুটবল একাদশ।

ফ্রেন্ডস স্পোর্টিং ক্লাবের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডিবি ইউনাইটেড হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘মা’ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. মমিনুর রহমান মুকুল। ক্লাবের সভাপতি কামরুজ্জামান পলাশের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন সাংবাদিক মশিউর রহমান ফিরোজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইমরান হোসেন, বদরুজ্জামান ও সাইফুল ইসলাম।

ফাইনালে নির্ধারিত সময়ের খেলা গোলশূন্য ড্র থাকায় ম্যাচটি ট্রাইবেকারে গড়ায়। বিজয়ী চ্যাম্পিয়ন দলকে ৪ হাজার টাকা এবং রানার্সআপ দলকে ৩ হাজার টাকা প্রাইজমানি প্রদান করা হয়। রেফারির দায়িত্ব পালন করেন কনক মাঝি।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Ads small one

আমের সুবাসে জমজমাট ফল উৎসব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ৯:২৮ অপরাহ্ণ
আমের সুবাসে জমজমাট ফল উৎসব

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার বিখ্যাত আমসহ নানা বাহারি ফলের সৌরভ আর উৎসবমুখর পরিবেশে শহরে অনুষ্ঠিত হলো ‘ফল উৎসব’। রোববার (১০ মে) বিকেলে শহরের ম্যানগ্রোভ সভাঘরে নিউ মার্কেট ক্লাব সাতক্ষীরা এই আনন্দঘন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

উৎসবে বক্তারা বলেন, মধুমাসের বৈচিত্র্যময় ফলের মধ্যে সাতক্ষীরার আম এখন দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। এই সুনাম ধরে রাখতে পারলে জেলাটি অর্থনৈতিকভাবে আরও সমৃদ্ধ হবে। তবে সাতক্ষীরায় উৎপাদিত আমের সঠিক বিপণন ও সংরক্ষণের জন্য দ্রুত একটি ‘ফ্রুট প্রসেসিং সেন্টার’ (ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র) ও হিমাগার স্থাপনের দাবি জানান তারা।

নিউ মার্কেট ক্লাব সাতক্ষীরার সভাপতি মশিউর রহমান ফিরোজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ বাসুদেব বসু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেনÑ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনির হোসেন, সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জী, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেম, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুমন সাহা।

ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমানের সঞ্চালনায় উৎসবে আরও উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা বরুণ ব্যানার্জী, সহ-সভাপতি আব্দুল মোমিন, আকরামুল ইসলামসহ ক্লাবের সদস্যরা। নানা পদের আম, জাম, লিচুসহ মৌসুমি ফলের এই আয়োজন স্থানীয় সুধীমহল ও দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করে।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে সাতক্ষীরার আম কেবল একটি ফল নয়, এটি জেলার ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই বাগান থেকে বাজারÑপ্রতিটি পর্যায়ে গুণমান বজায় রাখা এখন সময়ের দাবি।

 

সুন্দরবনে ‘দুলাভাই বাহিনীকে মুক্তিপণ দিয়ে ফিরলেন ১৩ মৌয়াল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ৯:২৬ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনে ‘দুলাভাই বাহিনীকে মুক্তিপণ দিয়ে ফিরলেন ১৩ মৌয়াল

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: সুন্দরবনে মধু আহরণে গিয়ে বনদস্যু ‘দুলাভাই বাহিনী’র হাতে অপহরণের শিকার ১৩ জন মৌয়াল মুক্তিপণ দিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। শনিবার (৯ মে) বিকেলে তারা খুলনার কয়রা উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের বাড়িতে পৌঁছান। তবে ফেরার পথে তারা কেবল শূন্য হাতেই ফেরেননি, সঙ্গে নিয়ে এসেছেন দস্যুদের নির্মম নির্যাতন আর ঋণের বোঝা।

গত বৃহস্পতিবার সকালে সুন্দরবনের বানিয়াখালি ফরেস্ট স্টেশন থেকে অনুমতি নিয়ে মধু কাটতে গিয়েছিলেন এই মৌয়ালরা। শিবসা নদী সংলগ্ন কুমড়াখালি খাল এলাকায় পৌঁছালে ওত পেতে থাকা দস্যুরা তাদের দুটি নৌকা আক্রমণ করে। মৌয়াল দলের সরদার আব্দুল গফুর গাজী জানান, বনের ভেতর আটকে রেখে তাদের বেধড়ক মারধর করা হয়। দস্যুরা তাদের কাছে থাকা নগদ ৪২ হাজার টাকা, কাপড়চোপড় ও সরঞ্জাম ছিনিয়ে নেয়। পরে বিকাশের মাধ্যমে আরও ৩৬ হাজার টাকা মুক্তিপণ দেওয়ার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী মৌয়ালদের অভিযোগ, এই দস্যুবৃত্তির পেছনে স্থানীয় একজন জনপ্রতিনিধির প্রত্যক্ষ মদদ রয়েছে। মৌয়াল হারুন গাজী ও খোকন ম-ল জানান, দস্যুরা তাদের মারধরের সময় বারবার বলছিলÑ ‘কেন হাসান মেম্বরের কাছে টাকা না দিয়ে বনে ঢুকেছ?’

মৌয়ালদের দাবিÑআমাদি ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবুল হাসান ওরফে হাসান মেম্বর এই ‘দুলাভাই বাহিনী’ নিয়ন্ত্রণ করেন। তার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের বিনিময়ে ‘টোকেন’ সংগ্রহ করলে তবেই দস্যুরা বনে শান্তিতে কাজ করতে দেয়। হাসান মেম্বরের সহযোগী বিপুল ম-ল দস্যুদের খাবার সরবরাহ এবং লুট করা মধু বিক্রির কাজ তদারকি করেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য আবুল হাসান বলেন, “এলাকার শাহাদাত কবিরাজের সঙ্গে আমার বিরোধ থাকায় দস্যু আফজাল আমার নাম ব্যবহার করে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।”

অন্যদিকে, বানিয়াখালী ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা নাসির উদ্দীন জানান, মৌয়ালরা ফিরে এসেছেন বলে তিনি শুনেছেন। তবে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ না পাওয়ায় কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দাদন নিয়ে বনে যাওয়া মৌয়ালরা এখন দিশেহারা। মৌয়াল পরিমল সরকার আক্ষেপ করে বলেন, “ডাকাতরা নগদ টাকা তো নিছেই, আবার বাড়ি থেকেও টাকা পাঠাতে হইছে। এখন মহাজনের ঋণ শোধ করবো কী করে আর পরিবারকে খাওয়াবো কী?” স্থানীয়দের ক্ষোভÑপরিচিত দস্যু ও তাদের মদদদাতারা লোকালয়ে ঘুরে বেড়ালেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

পাইকগাছায় মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের মানববন্ধন

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: পেশাগত মর্যাদা রক্ষা এবং ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতের দাবিতে খুলনার পাইকগাছায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১০ মে) সকালে উপজেলা পরিষদের সামনের প্রধান সড়কে ‘পাইকগাছা ফার্মাসিউটিক্যালস ম্যানেজার্স ফোরাম’-এর উদ্যোগে এই প্রতিবাদী কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বক্তারা আক্ষেপ করে বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতে ঔষধের সঠিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এমনকি করোনা মহামারির সময়ও তারা সম্মুখসারিতে কাজ করেছেন। অথচ বিভিন্ন সময় তাদের ‘দালাল’ বলে অবমাননাকর মন্তব্য করা হয়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা মনে করিয়ে দেন, এই পেশার সঙ্গে জড়িতরা দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষিত ও প্রশিক্ষিত জনগোষ্ঠীর অংশ।

পাইকগাছা ফারিয়ার সভাপতি মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে পেশাজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। সভায় বক্তারা বলেন, “আমরা কোনো অনুগ্রহ চাই না, আমরা আমাদের কাজের স্বীকৃতি ও সম্মানজনক পরিবেশ চাই। কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।”

মো. আব্দুর রাজ্জাকের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেনÑমো. ইকরামুল কবির, মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, মো. রইছ খান, মো. শাহ জালাল, মো. সায়েম সিদ্দিকী, মো. আরিফুর রহমান প্রমুখ। মানববন্ধন শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পেশাগত নিরাপত্তা ও সম্মানজনক কর্মপরিবেশ নিশ্চিতের জোর দাবি জানিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত মিছিল করা হয়।