সাতক্ষীরায় জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবের সঙ্গে ছাত্রদল নেতাদের শুভেচ্ছা বিনিময়
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসন ও সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসারের কার্যালয়ের উদ্যোগে বিভিন্ন জলাশয়ে এই অভিযান পরিচালনা করে চায়না দুয়ারী জাল উদ্ধার করে ধ্বংস ও পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন, কেশবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মেশকাতুল ইসলাম।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন জলাশয়ে অবাধে অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করায় দেশীয় মাছ ও জলজ প্রাণীর অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করে সাতবাড়িয়া ও সাগরদাঁড়ির কপোতাক্ষ নদ এলাকায় মাছ ধরা হচ্ছে ইউনিয়ন আনসার দলনেতারা খবর দিলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় বিলের পানি থেকে আনুমানিক দুই হাজার মিটার চায়না দুয়ারি জাল উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মেশকাতুল ইসলামের নির্দেশনায় জনসম্মুখে উদ্ধারকৃত জাল পুড়িয়ে ধ্বংস ও বিনষ্ট করা হয়েছে। এ সময় সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার সুদীপ বিশ্বাস, উপজেলা আনসার ভিডিপি অফিসার মিয়াজান আলীসহ পুলিশ ও আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পত্রদূত রিপোর্ট: ছেলে সুমন হুসাইনকে মোবাইল ফোনে বাড়ি থেকে ডেকে এনে পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর পানিতে ডুবিয়ে লাশ গুমের চেষ্টার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের পিতা আব্দুল হামিদ সরদার বাদি হয়ে সোমবার রাতে কারো নাম উল্লেখ না করে সাতক্ষীরা সদর থানায় এ মামলা দায়ের করেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, রবিবার রাত ১১টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের পূর্ব কৈখালি গ্রামের আব্দুল হমিদ সরদারের ছেলে প্রাইভেটকার চালক সুমন হুসাইনকে মুঠোফেনে ডেকে নিয়ে যায় অজ্ঞাতনামা কয়েক জন। পরদিন সকালে কেসমত আলীর মাছের ঘের থেকে তার বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ লাশের পাশ থেকে ৩৩ ভোল্টের বৈদ্যুতিক তার, দুটি লোহা কাটা ব্লেড ও সিমবিহীন একটি বাটাম ফোন উদ্ধার করে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মাসুদুর রহমান জানান, এ ঘঁনায় নিহতের পিতা আব্দুল হামিদ সরদার বাদি হয়ে কারো নাম উল্লেখ না করে অজ্ঞতনামা ৩/৪জনকে আসামী করে সোমবার রাতে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার ক্লু উদ্ধার করে দোষীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. এমরান খান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন।
পদত্যাগপত্রে এমরান খান লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের একজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট নিয়োগপ্রাপ্ত হই। আমি আমার ব্যক্তিগত কারণে উক্ত পদ থেকে আজ পদত্যাগ করলাম।’
এর আগে গত ২৩ জুন জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত সাত জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদত্যাগ করেন।