বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় ডিস্ট্রিক্ট হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার নেটওয়ার্কের মাসিক সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ডিস্ট্রিক্ট হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার নেটওয়ার্কের মাসিক সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: উত্তরণের ‘ডিফেন্ডিং হিউম্যান রাইটস থ্রু নেটওয়ার্ক স্ট্রেংদেনিং’ (ডিএইচআরএনএস) প্রকল্পের আওতায় মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)-এর সহযোগিতায় সাতক্ষীরায় ডিস্ট্রিক্ট হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার নেটওয়ার্কের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২২ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় উত্তরণ আঞ্চলিক কার্যালয়ে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন নেটওয়ার্কের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের সমন্বয়কারী টিপু সুলতানের মৃত্যুতে শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরবর্তীতে নেটওয়ার্কের সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মুনিরুদ্দীন বিগত সেপ্টেম্বর মাসের মানবাধিকার লঙ্ঘনজনিত ঘটনার প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। মুক্ত আলোচনায় জেলার বিভিন্ন স্থানে হত্যা, নির্যাতন, শিশুশ্রম, জমি জবরদখলসহ সামগ্রিক মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

 

সভায় বক্তব্য দেন সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক মাধব চন্দ্র দত্ত, কমিটির সদস্য ও সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুল হামিদ, অধ্যক্ষ আশেক এলাহী, সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আগাদ হোসেন বেলাল, দ্য ডেইলি স্টারের জেলা প্রতিনিধি কল্যাণ ব্যানার্জী, ডিস্ট্রিক্ট হিউম্যান রাইটস জার্নালিস্ট নেটওয়ার্কের আহ্বায়ক এম কামরুজ্জামান, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আনিছুর রহমান, চ্যানেল ২৪-এর সাংবাদিক আমিনা বিলকিস ময়না, জেলা নাগরিক কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আীরনুর খান বাবুল, অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ, কাউন্সিলর ফরিদা আক্তার বিউটি, অ্যাডভোকেট রঘুনাথ মণ্ডল, অ্যাডভোকেট এস এম বিপ্লব হোসেন, অধিকারকর্মী সাকিবুর রহমান বাবলা, সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক আসাদুজ্জামান মধু এবং যুব এইচআরডি নেটওয়ার্কের আহ্বায়ক সালাউদ্দীন রানা প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডিস্ট্রিক্ট হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার নেটওয়ার্কের সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মুনিরুদ্দীন।

Ads small one

ফেসবুকে ছবি পোস্ট করে জবাব দিলেন রুমিন ফারহানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩২ পূর্বাহ্ণ
ফেসবুকে ছবি পোস্ট করে জবাব দিলেন রুমিন ফারহানা

ন্যাশনাল ডেস্ক: সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডি থেকে একটি পোস্ট করেছেন। পোস্টটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ডিজিটাল প্রযুক্তিতে তৈরি দেবী দুর্গার অবয়বে তাঁর নিজের মুখমণ্ডল বসানো একটি ছবি যুক্ত করা হয়েছে।

 

সেখানে তিনি লিখেছেন: নিচের ছবিটি কেউ একজন তৈরি করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়েছে বিভাজন ঘৃনা উস্কে দিতে। যারা ঘৃণার চাষকে ধর্ম ভাবেন তাদের লিখেছেন। পোস্টের বিস্তারিত বিবরণ ও ছবিতে দেখা যায়, ধর্ম, সামাজিক নৈতিকতা, অপরাধ এবং ধর্মীয় সহনশীলতা নিয়ে ২২টি ভিন্ন ভিন্ন বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।

 

পোস্টের শেষ অংশে তিনি লেখেন, ধর্ম যায় কেবল অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হলে। বিশেষ দ্রষ্টব্যে লেখা রয়েছে, মা দুর্গা দশভুজা, আটভুজা না। যাই হোক মূর্খের সমাজ, কি আর করা।

রুমিন ফারহানার ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত সেই পোস্টের পূর্ণাঙ্গ লেখা নিচে তুলে ধরা হলো:

১. বলাৎকারে ধর্ম যায় না,

২. ঘুষ খেলে ধর্ম যায় না,

৩. শিশু ধর্ষণ বা নির্যাতনে ধর্ম যায় না,

৪. মানুষ খুনে ধর্ম যায় না,

৫. নারীর উপর সহিংসতায় ধর্ম যায় না,

৬. নারীকে কুৎসিত অপবাদ দিলে ধর্ম যায় না,

৭. অন্যের সম্পদ লুট করলে ধর্ম যায় না,

৮. প্রতারণা আর মানুষ ঠকালে ধর্ম যায় না,

৯. সারাবেলা মিথ্যার চাষে ধর্ম যায় না,

১০. নোংরামি করে ধরা পড়ে মুতা বিয়া বললে ধর্ম যায় না,

১১. মুনাফেকিকে জীবনের মূল মন্ত্র বানালে ধর্ম যায় না,

১২. ধর্মকে ব্যবসা বানালে ধর্ম যায় না,

১৩. বোনের হিস্যা ভাই মারলে ধর্ম যায় না,

১৪. বাবা মাকে বৃদ্ধ বয়সে ভাগাড়ে ফেললে ধর্ম যায় না,

১৫. অন্যের হক মেরে খেলে ধর্ম যায় না,

১৬. মিথ্যার বেসাতিতে ধর্ম যায় না,

১৭. ধর্মকে ঢাল বানিয়ে পাপাচারে লিপ্ত হলে ধর্ম যায় না,

১৮. ওজন বা মাপে কম দিলে ধর্ম যায় না,

১৯. খাদ্যে ভেজাল এমন কি বিষ মেশালেও ধর্ম যায় না,

২০. ব্যাভিচারে ধর্ম যায় না,

২১. দুর্বলের উপর অত্যাচারে ধর্ম যায় না

২২. দুষ্টের লালন পালনে ধর্ম মজবুত হয়, ধর্ম যায় কেবল অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হলে।

বি:দ্র: মা দুর্গা দশভুজা, আটভুজা না। যাই হোক মূর্খের সমাজ, কি আর করা।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতি ও মানুষের জীবনযাত্রায় পরিবর্তনের প্রত্যাশা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৯ পূর্বাহ্ণ
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতি ও মানুষের জীবনযাত্রায় পরিবর্তনের প্রত্যাশা

অনলাইন ডেস্ক: মোংলা বন্দর, সুন্দরবন, নৌঘাঁটি এবং প্রস্তাবিত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এই সফরের পর বন্দর সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক অঞ্চল, এলএনজি টার্মিনালসহ দীর্ঘদিনের উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে গতি আসবে এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে।

 

বৃহস্পতিবার সকালে উপকূলীয় দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও মোংলা বন্দরের সক্ষমতা পর্যালোচনে সরকারি সফরে মোংলায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। হেলিকপ্টার ও জলযানে খুলনা, সুন্দরবন এবং উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনের পর তিনি নৌবাহিনীর বানৌজা মোংলা ঘাঁটিতে যান। সেখানে নৌবাহিনী, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

 

বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে প্রধানমন্ত্রী মোংলা বন্দরের জেটি এলাকায় পৌঁছান। তিনি বন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প, জেটি সুবিধা, কনটেইনার ইয়ার্ডসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ঘুরে দেখেন। পরে বিকেল সোয়া ৪টার দিকে প্রস্তাবিত বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনে যান। সফর শেষে হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে মোংলা ত্যাগ করেন।

 

পরিদর্শনের পথে সড়কের দুই পাশে অপেক্ষমাণ নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে হাত মেলানোর সুযোগ পেয়ে স্থানীয় অনেকেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে মোংলা ও আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের আশা, বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ এবং ড্রেজিং ও অসম্পূর্ণ জেটি নির্মাণসহ আটকে থাকা প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন এ অঞ্চলে বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করবে।

 

স্থানীয়দের মতে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতি, অবকাঠামো এবং মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।

সফরকালে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আব্দুল্লাহ হারুন, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিপ আহমেদ মোস্তফা, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম এবং নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সকালে সুন্দরবন পরিদর্শনের পর বেলা সাড়ে ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করেন। সেখান থেকে নৌপথে বানৌজা মোংলায় যান। পুরো সফরজুড়ে সুন্দরবন, দাকোপ ও মোংলা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যদের মোতায়েন রেখে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়।

বাগেরহাটের স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের ফলে এ অঞ্চলে বিনিয়োগের গতি বাড়তে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় মানুষের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরিতেও উন্নয়ন প্রকল্পগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

 

যদিও স্থানীয়দের প্রত্যাশা অনেক, তবে এসব সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ দিতে হলে প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলোর অনুমোদন, অর্থায়ন ও বাস্তবায়নে কার্যকর অগ্রগতি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

আশাশুনিতে জামায়াতের দায়িত্বশীল ও প্রার্থীদের নিয়ে লিডারশিপ ট্রেনিং ক্যাম্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে জামায়াতের দায়িত্বশীল ও প্রার্থীদের নিয়ে লিডারশিপ ট্রেনিং ক্যাম্প

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ইউনিয়ন দায়িত্বশীল ও স্থানীয় নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে লিডারশিপ ট্রেনিং ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২২ অক্টোবর দুপুরে উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে এই ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।

 

উপজেলা আমির ও আশাশুনি সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাতক্ষীরা জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান।

উপজেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা আনওয়ারুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা সহ-সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওলানা ওবায়দুল্লাহ, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাড. আব্দুস সোবহান মুকুল ও মাওলানা আবু বক্কর সিদ্দিক। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপজেলা জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতারা উপস্থিত ছিলেন।