বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় দিনদুপুরে গৃহবধূর ওপর সন্ত্রাসী তাণ্ডব: চাঁদা না পেয়ে বাড়ি ভাঙচুর, স্বর্ণালঙ্কার লুট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় দিনদুপুরে গৃহবধূর ওপর সন্ত্রাসী তাণ্ডব: চাঁদা না পেয়ে বাড়ি ভাঙচুর, স্বর্ণালঙ্কার লুট
নিজস্ব প্রতিনিধি: ​সাতক্ষীরা পৌর এলাকায় জমি জবরদখল ও পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে এক গৃহবধূর নির্মাণাধীন বাড়িতে তাণ্ডব চালিয়েছে চিহ্নিত একদল সন্ত্রাসী। সন্ত্রাসীরা কেবল বাড়ি ভাঙচুর ও টাকা-স্বর্ণালঙ্কার লুট করেই ক্ষান্ত হয়নি, ওই নারী ও তাঁর ভাইকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা এবং প্রকাশ্যে শ্লীলতাহানির অভিযোগও উঠেছে। গত ৯ সেপ্টেম্বর বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে সাতক্ষীরা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কামালনগর বউ বাজারের পাশে এ ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটে।
​এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ মোছাঃ আরিফা খাতুন (৩৯) বাদী হয়ে সাতক্ষীরা বিজ্ঞ আমলী ১ নম্বর আদালতে একটি সি.আর. মামলা দায়ের করেছেন (আরজি তারিখ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬)। মামলাটিতে দণ্ডবিধির ১৪৭, ১৪৮, ৩২৩, ৩৭৯, ৩০৭, ৩২৫, ৩৫৪, ৩৮৫, ৩৮৬, ৫০৬ (২য় অনুচ্ছেদ), ৩৪ ও ১১৪ ধারায় আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।
​অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন—কামালনগর এলাকার মোঃ রফিকুল ইসলাম (মন্টু) (৪২), মহাসিন আলী (৪০), মুজিবর রহমান (৪৫), আক্তার হোসেন (চঞ্চল) (৪০) এবং আব্দুস সবুর (৪৫)। এছাড়া আরও বেশ কয়েকজন অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসী এ হামলায় অংশ নেয় বলে জানা গেছে।
​ভুক্তভোগী আরিফা খাতুন জানান, তিনি ও তাঁর বোন ২০১৩ এবং ২০২২ সালে কামালনগর এলাকায় ৮.২৫ শতক জমি খরিদ করেন (কোবলা নং-১০৪৪ ও ৩০১৬)। স্বামী ব্যাংকে চাকরির সুবাদে অধিকাংশ সময় বাইরে থাকায় উক্ত আসামীরা দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের জমি জবরদখলের চেষ্টা করে আসছিল এবং পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছিল। চাঁদা না দিলে জমিতে ঘর তুলতে বা বসবাস করতে দেবে না বলে ক্রমাগত ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছিল তারা।
​ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে আরিফা খাতুন তাঁর নির্মাণাধীন বাড়িতে অবস্থানকালে আসামীরা মারাত্মক দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অনধিকার প্রবেশ করে। তারা ছাদের সেন্টারিংয়ের বাঁশ, খুঁটি ও কাঠ ভাঙচুর শুরু করে। ভুক্তভোগী বাধা দিলে রফিকুল ইসলাম, মহাসিন আলী ও আক্তার হোসেন সরাসরি পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং না দিলে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।
​উগ্রমূর্তি দেখে আতঙ্কিত হয়ে আরিফা খাতুন ছাদের রড কেনার জন্য ব্যাগে থাকা ৮০,০০০ টাকা রফিকুল ইসলামের হাতে দিয়ে মিনতি জানান। তবে এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আসামীরা তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। রফিকুল ইসলামের নির্দেশে তাঁকে পিচের রাস্তার ওপর ফেলে অমানুষিক মারধর করা হয়। রফিকুল ইসলাম লোহার রড দিয়ে আরিফা খাতুনের মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করলে তিনি সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তবে রডের আঘাত তাঁর পিঠের মেরুদণ্ডে লাগে। এরপর মহাসিন আলী বাঁশ দিয়ে মাথার পেছনে আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
​এ সময় বোনকে বাঁচাতে ভাই মনিরুজ্জামান এগিয়ে এলে আক্তার হোসেন ও আব্দুস সবুর তাঁকে লোহার রড ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত ও ফোলা জখম করে। আহত আরিফা খাতুন কোনোমতে উঠে দাঁড়ালে আসামীরা তাঁকে আবার ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। একপর্যায়ে মহাসিন আলী তাঁর বুকের ওপর উঠে দাঁড়ায় এবং আব্দুস সবুর হত্যার উদ্দেশ্যে তাঁর গলার ওপর পা দিয়ে চেপে ধরে।
​তাণ্ডব চলাকালে আসামীরা আরিফা খাতুনের গলা থেকে ১ ভরি ওজনের সোনার চেইন (আনুমানিক মূল্য ২,০০,০০০ টাকা) এবং কানের ৮ আনার সোনার দুল (আনুমানিক মূল্য ৯০,০০০ টাকা) জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়। এছাড়া মহাসিন আলী তাঁর পরনের পোশাক ছিঁড়ে ফেলে শ্লীলতাহানি করে এবং আসামীরা দড়ি দিয়ে তাঁর হাত-পা বেঁধে মুখ চেপে ধরে চরম নির্যাতন চালায়।
​পরে মনিরুজ্জামানের আর্তচিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে এলে সন্ত্রাসীরা হুমকি দেয় যে—‘এক সপ্তাহের মধ্যে বাকি ৪,২০,০০০ টাকা চাঁদা না দিলে আরিফা খাতুন ও তাঁর সন্তানকে প্রকাশ্য দিবালোকে খুন করে লাশ গুম করে ফেলা হবে’।
​ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরিফা খাতুন ও তাঁর ভাইকে রাত আনুমানিক ৭টার দিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানান, গৃহবধূর মেরুদণ্ডের হাড়ে আঘাত লাগায় এক্স-রে এবং মাথায় মারাত্মক আঘাত থাকায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর ব্রেনের সিটি স্ক্যান করানো হয়। মনিরুজ্জামান ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এবং আরিফা খাতুন ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
​হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর ভুক্তভোগী পরিবার সাতক্ষীরা থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়েরের পরামর্শ দেয়। সুস্থ হয়ে আরিফা খাতুন আদালতে সি.আর. মামলা দায়ের করেন।
​বর্তমানে এ ঘটনায় গভীর আতঙ্ক ও চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পরিবারটি। আসামীরা প্রকাশ্য দিবালোকে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আরিফা খাতুন ও তাঁর পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। পরিবারটির জীবনের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা এবং চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা।

Ads small one

সাতক্ষীরায় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহম্পতিবার সন্ধ্যায় প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শুভেচ্ছা বিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেম।

এসময় বক্তব্য রাখেন, জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির সভাপতি হাফিজুর রহমান মুকুল, সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ মনিরুজ্জামান প্রিন্স, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক সবুজসহ অন্যরা। সাংবাদিকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, ডেইলি স্টারের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি কল্যাণ ব্যানার্জি, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সময় টিভির সাতক্ষীরা প্রতিনিধি মমতাজ আহমেদ বাপী, দৈনিক দক্ষিণের মশালের সম্পাদক আশেক ই এলাহী, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজন, রুপালী বাংলাদেশ পত্রিকার সাতক্ষীরা প্রতিনিধি মোমিনুর রহমান, বৈশাখী টিভির সাতক্ষীরা প্রতিনিধি শামীম পারভেজ, মুক্তস্বাধীন পত্রিকার সম্পাদক আবুল কালাম, ডা: মহিদার রহমান, হৃদয় বার্তার সম্পাদক জি এম মোশাররফ হোসেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক আমিনুর রহমান, শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, মাহমুদ হাসান, ফয়জুল হক বাবু, এস এম জুলফিকার আলী জিন্নাহ, গাজী ফরহাদ, সাইদুল বাসার, সরদার আবু সাঈদ, সাইফুল আযম খান মামুন, শেখ মাসুদ আলীসহ অন্যরা। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ডিবিসি’র সাতক্ষীরা প্রতিনিধি এম.বেলাল হোসাইন।

শুভেচ্ছা বিনিময়কালে গণমাধ্যকর্মীরা নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দের কাছে জেলার সার্বিক উন্নয়ন ভূমিকা রাখা, মাদক, সন্ত্রাস এবং চাঁদাবাজি মুক্ত জেলা গঠনের দাবি জানান। এর জবাবে যুবদলের সভাপতি হাফিজুর রহমান বলেন, “অনলাইন জুয়া, মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আমরা সবসময় সোচ্চার রয়েছি। আমাদের দলের কোনো নেতা বা কর্মী যদি মাদক কিংবা চাঁদাবাজির সাথে জড়িত থাকে এবং তা প্রমাণিত হয়, তবে তাদের বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে সর্বোচ্চ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে বিন্দুমাত্র পিছপা হব না। এছাড়া সার্বিক বিষয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সহযোগিতা ও পরামর্শ কামনা করেন তিনি।

 

সাতক্ষীরার দেড় বছরে ১৬ ছাত্রীর বাল্যবিবাহের ঘটনায় অভিভাবকদের কাছ থেকে মুচলেকা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরার দেড় বছরে ১৬ ছাত্রীর বাল্যবিবাহের ঘটনায় অভিভাবকদের কাছ থেকে মুচলেকা

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শাল্যে আদর্শ দাখিল মাদ্রাসার অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণির ১৬ জন ছাত্রীর বাল্যবিবাহ হয়েছে। গত দেড় বছরের মধ্যে এসব বিয়ে হয় বলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যে তিন ছাত্রীর বিয়ে ভেঙে যাওয়ায় তারা আবার বাবার বাড়িতে ফিরে পড়াশোনা শুরু করেছে।

২৪ সেপ্টেম্বর ওই ১৬ ছাত্রীর অভিভাবককে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে ডেকে আনা হয়। তাঁদের মধ্যে ১৩ জন ছাত্রীও উপস্থিত ছিল। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ইউএনওর কার্যালয়ের সভাকক্ষে গিয়ে দেখা যায়, ছাত্রী ও অভিভাবকেরা বসে আছেন। সাতক্ষীরা মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের প্রকল্প কর্মকর্তা ফাতেমা জোহরা তাঁদের তথ্য ও নথিপত্র যাচাই করছিলেন। পরে ইউএনও অর্ণব দত্ত উপস্থিত হয়ে অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেন।

বৈঠকে এক অভিভাবক জানান, তাঁর মেয়ে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পরিবারের অজান্তে বিয়ে করে। ভ্যান চালিয়ে সংসার চালানো ওই অভিভাবক বলেন, কাজের প্রয়োজনে বাইরে থাকতে হওয়ায় মেয়ের ওপর সব সময় নজর রাখা সম্ভব হয়নি। আরেক অভিভাবক জানান, মুঠোফোনের মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে তাঁর মেয়ে পঞ্চগড়ের এক যুবকের সঙ্গে গোপনে বিয়ে করে। পরে মেয়েকে ফিরিয়ে এনে পারিবারিকভাবে বিয়ে দিলেও তা নিবন্ধিত হয়নি।

আরেকজন অভিভাবক বলেন, বখাটেদের উপদ্রব থেকে রক্ষা করতেই তিনি তাঁর ১৫ বছরের মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। ইউএনও তাঁকে প্রশ্ন করেন, বিষয়টি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বা প্রশাসনকে জানানো হয়েছিল কি না। ওই অভিভাবক জানান, তিনি কাউকেই জানাননি।

ইউএনও অর্ণব দত্ত বলেন, কোনো ছাত্রী বাল্যবিবাহের ঝুঁকিতে থাকলে বিষয়টি প্রথমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে জানতে হবে এবং পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনকে অবহিত করতে হবে। প্রতিষ্ঠানপ্রধান এ দায়িত্ব এড়াতে পারেন না।

বৈঠক শেষে অভিভাবকদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয় যে মেয়েদের ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে শ্বশুরবাড়িতে পাঠানো যাবে না এবং তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হবে। নির্দেশ অমান্য করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন ইউএনও।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ‘স্মল এরিয়া এস্টিমেশন’ প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে বাল্যবিবাহের হারে সাতক্ষীরা জেলা অষ্টম স্থানে রয়েছে, যেখানে ১৮ বছরের কম বয়সী মেয়েদের বাল্যবিবাহের হার ৬২ শতাংশের বেশি।

সাতক্ষীরায় সুপেয় পানি প্রকল্পের শিখন ও অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় সুপেয় পানি প্রকল্পের শিখন ও অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে পরিচালিত ‘সাতক্ষীরা রেজিলিয়েন্ট ওয়াটার সিস্টেমস পাইলট প্রজেক্ট’-এর শিখন ও অর্জন বিনিময় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই কর্মশালার আয়োজন করে উন্নয়ন সংস্থা ‘উত্তরণ’। সেভ দ্য চিলড্রেন কোরিয়ার অর্থায়ন ও সেভ দ্য চিলড্রেন ইন বাংলাদেশের কারিগরি সহায়তায় প্রকল্পটি পরিচালিত হয়।

সেভ দ্য চিলড্রেনের প্রজেক্ট অফিসার নাসরিন সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আলমগীর কবির এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক সঞ্জিত কুমার দাস।
কর্মশালায় প্রকল্পের ভিজ্যুয়াল প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন উত্তরণের প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. আবু হাসনাত।

কর্মশালায় জানানো হয়, রিভার্স অসমোসিস প্ল্যান্ট, গভীর নলকূপ, পিএসএফ ও স্কুলভিত্তিক মিনি আরও সিস্টেমের মাধ্যমে উপকূলীয় এলাকার ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ এবং ৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী এখন নিরাপদ সুপেয় পানি পাচ্ছে।