বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক প্রচারণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক প্রচারণা

স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার অন্যতম পূর্বশর্ত হলো তথ্যের সহজলভ্যতা। নাগরিকের প্রয়োজনীয় তথ্য জানার সুযোগ যত বাড়ে, সরকারি ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম তত বেশি জনপর্যবেক্ষণের আওতায় আসে। ফলে সেবাপ্রাপ্তিতে অনিয়ম, হয়রানি, বৈষম্য ও দুর্নীতির ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীলতা ও সেবার মান উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হয়। এ কারণে তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ শুধু তথ্য পাওয়ার একটি আইনি ব্যবস্থা নয়; এটি নাগরিক ক্ষমতায়ন, সামাজিক জবাবদিহিতা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।

এই পেক্ষাপটে “তথ্যই শক্তি: দুর্নীতি থেকে মুক্তি”Ñএই স্লোগানকে সামনে রেখে টিআইবি-এর সহায়তায় সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), সাতক্ষীরার উদ্যোগে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ বিষয়ক প্রচারণামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন বরা হয়। কলেজের বিভিন্ন ট্রেডের মোট ৯০ জন শিক্ষার্থী এতে অংশগ্রহণ করেন। সনাক সদস্য ও শিক্ষকদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের নার্সিং ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জ মোছাঃ সুরাইয়া ইয়াসমিন।
প্রচারণার অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ সম্পর্কে ওরিয়েন্টেশন প্রদান করেন টিআইবির এরিয়া সমন্বয়কারী আল-আমিন।

সনাক-সাতক্ষীরার এআই ডেস্ক উপকমিটির আহবায়ক সৈয়দা সুলতানা সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোছাঃ সুরাইয়া ইয়াসমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সনাক সদস্য ভারতেশ্বরী বিশ্বাস ও ডাঃ সুশান্ত কুমার ঘোষ।

সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দা সুলতানা বলেন, “তথ্য অধিকার আইন জনগণের অধিকার নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। তরুণ শিক্ষার্থীদের এ আইনসহ দেশের সকল আইন মেনে নীতি-নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে।”

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোছাঃ সুরাইয়া ইয়াসমিন বলেন, “তথ্যই শক্তি। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সেবা ও কার্যক্রম সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য জানা থাকলে সেবার মানোন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব। এর মাধ্যমে দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা যায়।”

বিশেষ অতিথি সনাক সদস্য ডাঃ সুশান্ত কুমার ঘোষ বলেন, “দেশপ্রেম, নীতি ও মূল্যবোধের চর্চার মাধ্যমে প্রত্যেকের নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করা উচিত। দুর্নীতি ও অনিয়মের শিকার হওয়া থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে জানা এবং এর যথাযথ প্রয়োগ করা প্রয়োজন।”

আলোচনা শেষে সনাক সদস্য ভারতেশ্বরী বিশ্বাসের নেতৃত্বে অংশগ্রহণকারীরা দুর্নীতিবিরোধী শপথ পাঠ করেন। পরে তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

Ads small one

৫০ অসহায় পরিবারের হাতে মাসিক ত্রাণ তুলে দিল রুবিয়া রহমান ফাউন্ডেশন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ
৫০ অসহায় পরিবারের হাতে মাসিক ত্রাণ তুলে দিল রুবিয়া রহমান ফাউন্ডেশন

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের শার্শার উলাশীতে রুবিয়া রহমান ফাউন্ডেশনের নিজস্ব কার্যালয়ে ৫০টি অসহায় পরিবারের মাঝে মাসিক ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অসহায় পরিবারের হাতে চাল, ডাল, তেল, সাবানসহ এক মাসের প্রয়োজনীয় বাজারসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি নির্বাচিত ৫০টি পরিবারের হাতে দেওয়া হয় মাসিক ত্রাণ কার্ড। এ কার্ডের মাধ্যমে এসব পরিবার নিয়মিত প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী পাবেন।
একই অনুষ্ঠানে অসহায় মো. জাহাঙ্গীরের অপারেশনের জন্য নগদ ৫০ হাজার টাকা চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি তাঁর পরিবারের জন্যও মাসিক ত্রাণ কার্ডের মাধ্যমে এক মাসের প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। রুবিয়া রহমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান রুবিয়া রহমানের নিজস্ব অর্থায়নে এসব মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা কতদূর?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা কতদূর?

শ্যামল শীল
২০২৩ সালের ২ নভেম্বর জাতীয় সংসদে সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২৩ পাশ হয়। ১৩ নভেম্বর সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ৬২ নং আইন) গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।
বিলটির উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষায় পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে অগ্রসরমান বিশ্বের সাথে সংগতি রক্ষা ও সমতা অর্জন এবং জাতীয় পর্যায়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা, বিশেষ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আধুনিক জ্ঞানচর্চা পঠন-পাঠনের সুযোগ সৃষ্টি ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক সাতক্ষীরা জেলায় একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ এবং সম্প্রসারণ কার্যক্রমের অগ্রগতিকল্পে এবং এ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস ইনকিউবেটর-এর মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই দেশকে উন্নত দেশে রূপান্তর করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা অতীব প্রয়োজনীয় ও যুক্তিযুক্ত।
একইদিনে নারায়নগঞ্জে আরো একটি বিশ্ববিদ্যালয় এর আইন পাশ করা হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক ও একাডেমিক কার্যক্রম এখনো শুরু হয়নি। তবে, ২০২৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়টির নাম পরিবর্তন করে ‘নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’ নামকরণ করা হয়।
জাতীয় সংসদের গত বাজেট অধিবেশনে ১০৬ সাতক্ষীরা-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মুহাম্মাদ আব্দুল খালেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে “সাতক্ষীরা জেলায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা; এবং একই সাথে জেলা/উপজেলা পর্যায়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপনের কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা; এবং থাকলে, তা কতদিনে বাস্তবায়ন হতে পাবে? প্রশ্ন করেন।
উত্তরে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, “সাতক্ষীরা জেলায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে বর্তমানে সরকার কর্তৃক কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। তবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার প্রসার এবং আঞ্চলিক বৈষমা হ্রাসের লক্ষ্যে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়টি সরকার সময়ে সময়ে পর্যালোচনা করে থাকে। এছাড়া জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসার, উদ্ভাবনী চর্চা, গবেষণামনকতা বৃদ্ধি এবং তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমুখী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত, প্রয়োজনীয়তা নিরূপণ, সম্ভাবাতা যাচাই এবং অর্থায়নের প্রাপ্যতা সাপেক্ষে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে। যদি এ সংক্রান্ত কোনো প্রকল্প গ্রহণ ও অনুমোদিত হয়, তবে প্রকল্পের ধরন ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা অনুযায়ী সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে।”
মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয় তাঁর প্রশ্নে সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ৬২ নং আইন) সম্পর্কে যেমন সুনিদিষ্ঠ কিছু বলেননি, ঠিক একইভাবে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় এর উত্তরেও “চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি” উল্লেখ করে আইনের বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন।
সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় যে আইনটি বিগত সময়ে প্রণয়ন হয়েছিল, সেটি বাতিল হয়েছে এমন কোন তথ্য আমরা খুজে পাইনি। যদি আইনটি থাকে, তবে চুড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আর কি কি প্রয়োজন সেটা সম্পর্কেও সুনিদিষ্ঠ কোন তথ্য কারো কাছ থেকে জানতে পারিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমের সাথে যুক্ত ছিলেন আমার এমন একজন শিক্ষকের সাথে কথা বললে তিনি জানিয়েছেন, আইন পাশের পর প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরুর জন্য ভিসিসহ অন্যান্য পদে নিয়োগ এবং একাডেমিক কার্যক্রম যে কোন সময় শুরু করা যেতে পারে।
সাতক্ষীরা জেলায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এটা এখন সময়ের দাবী। তবে, রাজনৈতিক গ্যাড়াকলে পড়ে আমাদের অনেক দাবীই বারবার উপেক্ষিত হয়েছে। বিশ্বাবদ্যালয় প্রতিষ্ঠার যে সম্ভাবনাটুকু অতিতে সৃষ্টি হয়েছিল তা আবার হাওয়ায় মিলিয়ে যাচ্ছে। আমাদের প্রয়োজন থেকেই এই জনপদে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হোক-এই দাবীতে সাতক্ষীরাবাসীর দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হওয়াটা এখন জরুরি। এব্যাপারে সকলে এগিয়ে আসুন।

 

ভারতে ইছামতীর পানি বৃদ্ধিতে প্লাবিত বেনাপোল সীমান্তের ১০০ পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ
ভারতে ইছামতীর পানি বৃদ্ধিতে প্লাবিত বেনাপোল সীমান্তের ১০০ পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: ভারতের ইছামতী নদীর উজান থেকে নেমে আসা পানির চাপে যশোরের বেনাপোল সীমান্তে প্লাবিত ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বুধবার বিকেলে দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে সীমান্ত এলাকায় পানিবন্দী হয়ে পড়া ১০০টি পরিবারের মধ্যে এ ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। ত্রাণ হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারের হাতে চাল, ডাল, আটা, তেল, লবণ ও চিনি তুলে দেন ২১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান। সম্প্রতি নদীর পানি বৃদ্ধিতে ঘরবাড়ি তলিয়ে বিপাকে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। দুর্ভোগ কমাতে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পক্ষ থেকে এই মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়। ২১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান জানান, যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে সীমান্তবর্তী সাধারণ মানুষের পাশে বিজিবির এই সহায়তার ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।