বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩

দক্ষিণ কাটিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটির বৈঠক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
দক্ষিণ কাটিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটির বৈঠক

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার দক্ষিণ কাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির (ম্যানেজিং কমিটি) জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯ আগস্ট সকাল ১১টায় বিদ্যালয় কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে ও প্রধান শিক্ষক সানজিদা শাহনাজের সঞ্চালনায় সভায় দ্বিতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি, নজরুল বর্ষ উদযাপন এবং ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় সভাপতি আব্দুর রহমান বলেন, শিক্ষার মান উন্নত করতে শিক্ষক, অভিভাবক ও পরিচালনা কমিটিকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। প্রধান শিক্ষক সানজিদা শাহনাজ বলেন, দ্বিতীয় প্রান্তিক মূল্যায়নে শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিতের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সহশিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত করতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

Ads small one

হামলার মামলা তুলে নিতে হুমকির অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ
হামলার মামলা তুলে নিতে হুমকির অভিযোগ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কুশখালীতে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে হামলার ঘটনায় মামলা করার পর বাদীর পরিবারকে মামলা তুলে নিতে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরও হুমকি অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা।
গত ১০ আগস্ট কুশখালী এলাকায় অশোক কুমার রায় (৫০) ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে প্রতিবেশী অরুণ কুমার বিশ্বাস ও তাঁর দুই ছেলে সুশান্ত কুমার ও প্রশান্ত বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। হামলায় অশোক কুমার, তাঁর ভাই দীপঙ্কর ও কাকা রতন আহত হন। বর্তমানে তাঁরা সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় অশোক কুমার রায় বাদী হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলা করেন।

আন্তর্জাতিক চিকিৎসা পরিবহন ও জরুরি চিকিৎসা দিবস: জীবনরক্ষার নেপথ্যের সহায়কদের প্রতি সম্মান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ
আন্তর্জাতিক চিকিৎসা পরিবহন ও জরুরি চিকিৎসা দিবস: জীবনরক্ষার নেপথ্যের সহায়কদের প্রতি সম্মান

সাকিবুর রহমান বাবলা
প্রতি বছর ২০ আগস্ট পালিত হয় আন্তর্জাতিক চিকিৎসা পরিবহন ও জরুরি চিকিৎসা দিবস। এই দিবসটি আমাদের সেইসব নীরব পেশাজীবীদের অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়, যাঁরা সংকটময় মুহূর্তে রোগীর জীবন রক্ষায় প্রথম সারির সহায়ক হিসেবে কাজ করেন। অ্যাম্বুলেন্স চালক, প্যারামেডিক, জরুরি চিকিৎসা সেবাকর্মী, রোগী পরিবহনকর্মী, জরুরি যোগাযোগকারী এবং বিশেষায়িত চিকিৎসা পরিবহন দলের সদস্যরা প্রতিনিয়ত এমন এক পরিবেশে কাজ করেন, যেখানে কয়েক সেকেন্ডের দ্রুত সিদ্ধান্ত একজন মানুষের জীবন বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এই দিবসের ঐতিহাসিক সূত্র খুঁজে পাওয়া যায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় রয়্যাল আর্মি মেডিকেল কর্পসের কার্যক্রমে। যুদ্ধক্ষেত্রে আহত সৈন্যদের দ্রুত ও নিরাপদে চিকিৎসাকেন্দ্রে পৌঁছে দিতে গিয়ে ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্সকর্মীরা যেসব পদ্ধতি ও প্রোটোকল উদ্ভাবন করেছিলেন, সেগুলোর অনেকাংশই আধুনিক জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থার ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে চিকিৎসা পরিবহনের ইতিহাস আরও পুরোনো। প্রাচীনকালে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে আহতদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য ঘোড়ায় টানা রথ ও গাড়ি ব্যবহার করা হতো। সেই দীর্ঘ পথপরিক্রমা অতিক্রম করে আজ চিকিৎসা পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর ও জীবনরক্ষাকারী সেবায় পরিণত হয়েছে।
চিকিৎসা পরিবহন সেবাকে সাধারণত তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করা যায়। প্রথমত, জরুরি চিকিৎসা সেবা, যেখানে দুর্ঘটনা, হৃদরোগ, শ্বাসকষ্ট বা অন্যান্য সংকটজনক পরিস্থিতিতে রোগীকে তাৎক্ষণিক সেবা দিয়ে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। দ্বিতীয়ত, অ-জরুরি চিকিৎসা পরিবহন, যা ডায়ালাইসিস, নিয়মিত চিকিৎসা, পুনর্বাসন বা ফলো-আপ সেবার জন্য রোগীদের যাতায়াতে সহায়তা করে। তৃতীয়ত, হাসপাতাল আন্তঃপরিবহন সেবা, যার মাধ্যমে রোগীকে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতাল বা বিশেষায়িত চিকিৎসা ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়।
একজন চিকিৎসা পরিবহনকর্মীর কাজ শুধু রোগীকে বহন করা নয়। তাঁদের রোগীর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে হয়, প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করতে হয়, রোগী ও স্বজনদের মানসিক সহায়তা দিতে হয় এবং প্রয়োজনে জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিচালনা করতে হয়। সিপিআর , স্বয়ংক্রিয় বহিঃস্থ ডিফিব্রিলেটর ব্যবহার, জরুরি যোগাযোগ রক্ষা এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ তাঁদের পেশাগত দক্ষতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অনেক সময় অস্থিতিশীল বা ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতেও তাঁদের দায়িত্ব পালন করতে হয়, যা এই পেশার গুরুত্ব ও চ্যালেঞ্জকে আরও স্পষ্ট করে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চিকিৎসা পরিবহন ব্যবস্থা এখনো নানা সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি। বড় শহর থেকে শুরু করে জেলা ও উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত যানজট, পর্যাপ্ত অ্যাম্বুলেন্সের অভাব, প্রশিক্ষিত জনবলের সংকট এবং সমন্বিত জরুরি সেবার সীমাবদ্ধতা রোগী পরিবহনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। অনেক ক্ষেত্রে জরুরি রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স দীর্ঘ সময় যানজটে আটকে থাকে, যা রোগীর জীবনের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করে। এ কারণে জরুরি যানবাহনের জন্য অগ্রাধিকারভিত্তিক চলাচল নিশ্চিত করা, কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা এবং দ্রুত সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমানে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এবং স্বাস্থ্য বাতায়নের ১৬২৬৩ নম্বর সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করছে, তবে এসব সেবার কার্যকারিতা আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।
আন্তর্জাতিক চিকিৎসা পরিবহন ও জরুরি চিকিৎসা দিবস স্বাস্থ্যসেবা খাতের বিভিন্ন ধরনের পরিবহনকর্মীদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। এর আওতায় জরুরি অ্যাম্বুলেন্স চালক ও ক্রু সদস্য, রোগী পরিবহন সেবার চালক, এয়ার অ্যাম্বুলেন্স কর্মী, মেডিক্যাল ইভাকুয়েশন দলের সদস্য এবং অ-জরুরি রোগী পরিবহনকর্মীরা অন্তর্ভুক্ত। স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার নেপথ্যে কাজ করলেও রোগীদের সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসাসেবার কাছে পৌঁছে দিতে তাঁদের ভূমিকা অপরিসীম।
এই দিবসকে আরও অর্থবহ করে তুলতে কয়েকটি উদ্যোগ গ্রহণ করা যেতে পারে। অ্যাম্বুলেন্স চালক ও জরুরি সেবাকর্মীদের আনুষ্ঠানিক সম্মাননা প্রদান, স্কুল-কলেজ ও তরুণ সমাজের মধ্যে প্রাথমিক চিকিৎসা এবং সিপিআর প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ, জাতীয় জরুরি নম্বর সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসা সরঞ্জামে বিনিয়োগ বাড়ানো সময়ের দাবি। পাশাপাশি প্যারামেডিক ও জরুরি চিকিৎসা কর্মীদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আন্তর্জাতিক চিকিৎসা পরিবহন ও জরুরি চিকিৎসা দিবস কেবল একটি স্মারক দিবস নয়; এটি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার এক অপরিহার্য ভিত্তিকে নতুনভাবে মূল্যায়নের সুযোগ। চিকিৎসা পরিবহন পেশাজীবীরা নীরবে, প্রচারের আড়ালে থেকে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের জীবন রক্ষায় অবদান রেখে চলেছেন। তাঁদের দক্ষতা, সাহস, মানবিকতা এবং পেশাগত নিষ্ঠার যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া যেমন জরুরি, তেমনি তাঁদের কর্মপরিবেশ ও সেবার মানোন্নয়ন নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে একটি আধুনিক, সমন্বিত ও প্রযুক্তিনির্ভর চিকিৎসা পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে দেশের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা আরও কার্যকর ও মানবিক হয়ে উঠবে।

খোলপাটুয়া-চুনা নদীতে কুমিরের বিচরণ: জীবিকার তাগিদে ঝুঁকি নিয়ে চিংড়ি পোনা ধরছেন জেলেরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
খোলপাটুয়া-চুনা নদীতে কুমিরের বিচরণ: জীবিকার তাগিদে ঝুঁকি নিয়ে চিংড়ি পোনা ধরছেন জেলেরা

এমএ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): সুন্দরবন সংলগ্ন খোলপাটুয়া ও চুনা নদীতে সম্প্রতি কুমিরের বিচরণ দেখা গেলেও জীবিকার তাগিদে ঝুঁকি নিয়ে নদীতে নেমে চিংড়ি পোনা ও অন্যান্য মাছের পোনা শিকার করছেন স্থানীয় জেলেরা। এতে একদিকে কুমিরের আক্রমণের আশঙ্কা বাড়ছে, অন্যদিকে জীবিকার প্রয়োজনে ঝুঁকি নিয়েই নদীতে নামতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁরা।
শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ও নীলডুমুর এলাকার জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সুন্দরবন সংলগ্ন নদী ও খালগুলোতে বিভিন্ন সময় কুমিরের দেখা মিলছে। বিশেষ করে খোলপাটুয়া ও চুনা নদীর বিভিন্ন অংশে জেলেরা জাল ফেলতে গিয়ে কুমিরের উপস্থিতি দেখতে পান। কখনো কখনো নদীতে জাল টানার সময় কুমির খুব কাছ দিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনাও ঘটছে বলে জানান স্থানীয় জেলেরা।
বুড়িগোয়ালিনী-নীলডুমুর এলাকার জেলে জেহের আলী ও বক্স সরদার বলেন, নদীতে জাল টানার সময় মাঝেমধ্যেই কুমির চোখে পড়ে। কুমির দেখলে ভয় লাগে এবং জীবন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়। কিন্তু মাছের পোনা ধরে বিক্রি করে সংসার চালাতে হয়। নদীতে না নামলে খাবার জোগাড় করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই ঝুঁকি থাকলেও বাধ্য হয়ে নদীতে নেমে জাল টেনে পোনা সংগ্রহ করতে হচ্ছে।
স্থানীয় জেলেদের ভাষ্য, সুন্দরবনসংলগ্ন নদ-নদীতে চিংড়ির পোনা পাওয়া যায়। এসব পোনা সংগ্রহ করেই অনেক পরিবার তাদের দৈনন্দিন জীবিকা নির্বাহ করে। ফলে কুমিরের বিচরণ সম্পর্কে জানার পরও অনেকে নদীতে নামছেন। এতে যেকোনো সময় অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
এদিকে সুন্দরবন সংলগ্ন নদী ও খালে কুমিরের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং প্রজননের উপযোগী পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ। বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, সুন্দরবন সংলগ্ন নদী ও খালগুলোতে কুমিরের প্রজনন ও বিস্তার বাড়ানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন স্থান থেকে কুমির সংগ্রহ করে সুন্দরবনের উপযোগী এলাকায় অবমুক্ত করা হয়েছে। ফলে এসব নদী ও খালে কুমিরের বিচরণ স্বাভাবিকভাবেই বাড়তে পারে।
বন বিভাগের পক্ষ থেকে জেলেদের সতর্ক করে বলা হয়েছে, কুমিরের উপস্থিতি রয়েছে এমন নদী-খালে পানিতে নেমে মাছ বা চিংড়ির পোনা শিকার করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে জাল টানার সময় পানিতে অবস্থান না করে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা এবং কুমির দেখা গেলে দ্রুত স্থান ত্যাগ করার জন্য জেলেদের আহ্বান জানানো হয়েছে। বন কর্মকর্তারা আরও বলেন, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষার পাশাপাশি মানুষের নিরাপত্তাও গুরুত্বপূর্ণ। কুমির সুন্দরবনের গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী এবং এর প্রজনন ও সংখ্যা বৃদ্ধি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে। তাই জেলেদের জীবিকার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে তাদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি কুমিরের বিচরণক্ষেত্র সম্পর্কে স্থানীয়দের নিয়মিত সতর্ক করা প্রয়োজন।
স্থানীয়দের দাবি, শুধু সতর্ক করলেই হবে না; নদীতে পোনা ধরার ওপর নির্ভরশীল দরিদ্র জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান ও জীবিকার সুযোগ তৈরি করতে হবে। তাহলে কুমিরের বিচরণ এলাকায় জীবন ঝুঁকিতে ফেলে নদীতে নামার প্রবণতা কমবে। সুন্দরবনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কুমিরের নিরাপদ বিচরণ যেমন প্রয়োজন, তেমনি সুন্দরবনসংলগ্ন নদ-নদীর ওপর নির্ভরশীল মানুষের জীবন ও জীবিকার নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।