রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় ১৬ আগস্ট শুরু হচ্ছে জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ২:২২ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ১৬ আগস্ট শুরু হচ্ছে জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল

নিজস্ব প্রতিনিধি: বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরায় আগামী ১৬ আগস্ট থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’। সোমবার জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. জাহারুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে টুর্নামেন্টের এই সময়সূচি ও ফিক্সচার প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, টুর্নামেন্টের প্রতিটি ম্যাচ প্রতিদিন বেলা সাড়ে তিনটায় শুরু হবে।
খেলার সূচি: ১৬ আগস্ট (প্রথম ম্যাচ): শ্যামনগর উপজেলা বনাম কলারোয়া উপজেলা। ১৭ আগস্ট (দ্বিতীয় ম্যাচ): সাতক্ষীরা পৌরসভা বনাম কালিগঞ্জ উপজেলা। ১৮ আগস্ট (তৃতীয় ম্যাচ): সাতক্ষীরা সদর বনাম তালা উপজেলা। ১৯ আগস্ট (চতুর্থ ম্যাচ): দেবহাটা উপজেলা বনাম আশাশুনি উপজেলা।
সেমিফাইনাল ও ফাইনাল: ২১ আগস্ট (প্রথম সেমিফাইনাল): দ্বিতীয় ম্যাচের বিজয়ী বনাম তৃতীয় ম্যাচের বিজয়ী। ২২ আগস্ট (দ্বিতীয় সেমিফাইনাল): প্রথম ম্যাচের বিজয়ী বনাম চতুর্থ ম্যাচের বিজয়ী। ২৪ আগস্ট: ফাইনালে মুখোমুখি হবে দুই সেমিফাইনালের বিজয়ী দল। ক্রীড়ামোদী দর্শকদের মাঠে উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ করার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

Ads small one

দৃশ্যমান হয়ে উঠছে ৩৫ হাজার মুক্তায় গাঁথা বুড়িয়ার দুর্গাপ্রতিমা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
দৃশ্যমান হয়ে উঠছে ৩৫ হাজার মুক্তায় গাঁথা বুড়িয়ার দুর্গাপ্রতিমা

আশাশুনি সংবাদদাতা: প্রতিমার শরীরে মাটির প্রলেপ, তার ওপর রং-তুলির কাজ। এরপর একে একে বসানো হচ্ছে হাজার হাজার মুক্তা। পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হতে এখনও বাকি। এরই মধ্যে ব্যতিক্রমী প্রতিমা দেখতে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী বুড়িয়া সার্বজনীন দুর্গামন্দিরে চলছে এমন আয়োজন। বুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থিত মন্দিরটিতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। প্রতিমাশিল্পী ও কারিগরেরা ব্যস্ত রং, সাজসজ্জা ও মুক্তার কাজ নিয়ে। ১৩টি প্রতিমার সাজসজ্জায় ব্যবহার করা হচ্ছে প্রায় ৩৫ হাজার মুক্তা। সব মিলিয়ে প্রতিমা তৈরিতে খরচ হচ্ছে প্রায় চার লাখ টাকা।

 

আয়োজকরা জানান, এবারের মূল আকর্ষণ মুক্তার কারুকাজ। প্রচলিত সাজসজ্জার বাইরে ভিন্ন নকশায় তৈরি করা হচ্ছে ১৩টি প্রতিমা। প্রতিমার শরীর ও অলংকারের বিভিন্ন অংশে বসানো হয়েছে মুক্তা। পূজা শুরুর আগেই দূর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা এসে প্রতিমা তৈরির কাজ দেখছেন। প্রতিমাশিল্পী প্রকাশ ম-ল বলেন, প্রতিবছরই নতুন কিছু করার চেষ্টা করেন তাঁরা। এবার দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমায় দেখা কয়েকটি মূর্তির নকশার সঙ্গে নিজেদের পরিকল্পনা মিলিয়ে প্রতিমার নকশা করা হয়েছে। মুক্তার কাজ সূক্ষ্ম হওয়ায় সময় ও শ্রম বেশি লেগেছে। চারজন শিল্পী ৫২ দিন ধরে কাজ করেছেন। ১৩টি প্রতিমায় প্রায় ৩৫ হাজার মুক্তা ব্যবহার করা হয়েছে। কাজের প্রায় ৯৭ শতাংশ শেষ হয়েছে। বুড়িয়া সার্বজনীন দুর্গামন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি অর্ধেন্দু ম-ল বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই মন্দিরে দুর্গোৎসব হয়ে আসছে। প্রতিবছর ঐতিহ্য ধরে রেখে নতুন কিছু করার চেষ্টা করা হয়। এবার মুক্তার কারুকাজের মাধ্যমে প্রতিমায় ভিন্নতা আনা হয়েছে।

 

দর্শনার্থীদের নতুনত্বের স্বাদ দেওয়াই তাঁদের লক্ষ্য। তিনি জানান, দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়তে পারে বিবেচনায় নিরাপত্তার ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। ম-পে সিসি ক্যামেরার পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকেরা দায়িত্ব পালন করবেন। স্থানীয় বাসিন্দা অসিত ম-ল বলেন, বুড়িয়া আড়ংকে ঘিরে প্রতিবছরই মানুষের আগ্রহ থাকে। এবার মুক্তার কারুকাজ সেই আকর্ষণ আরও বাড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা এস এম শরিফুল ইসলাম বলেন, বড়দল ইউনিয়নে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করছেন। দুর্গোৎসবেও পারস্পরিক সহযোগিতার সেই সংস্কৃতি দেখা যাবে।

 

আশাশুনি পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রনজিত কুমার বৌদ্দ জানান, এ বছর উপজেলায় ১০৬টি মন্দিরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। বিভিন্ন ম-পে নেওয়া হয়েছে ব্যতিক্রমী প্রতিমা ও সাজসজ্জার উদ্যোগ। বুড়িয়ায় মুক্তাখচিত প্রতিমা, ঘুঘুমারীতে ঝরনার আদলে বিশেষ আয়োজন এবং বুধহাটা কাছারীবাড়ি ও দক্ষিণ বড়দলে ডাল দিয়ে প্রতিমা তৈরির কাজ শে পর্যায়ে। অপর দিকে বুধহাটা সুবর্ণ বনিক পাড়ায় সাধারণ মাটির কাজ দিয়ে তৈরি প্রতিমা সকলের নজড় কাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। পূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে ম-পগুলোর সঙ্গে প্রশাসন, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করছেন।

দেবহাটায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন: ভ্রাম্যমান আদালতে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০২ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন: ভ্রাম্যমান আদালতে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার নাংলা জামতলা এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানের নেতৃত্ব দেন দেবহাটা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইসতিয়াক আহমেদ অপু ।

রবিবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাংলা এলাকায় পরিচালিত উক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সত্যতা পাওয়ায় অবৈধ বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ সালের ৭ (ক) ও ১৫ (১) ধারা অনুযায়ী রফিকুল এন্ড ব্রাদারসের আশিকুর রহমানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১ মাসের কারাদন্ড প্রদান করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল। এতে আশপাশের ঘরবাড়ি, আবাদি জমি ও রাস্তাঘাট ধ্বসে পড়ার ঝুঁকিতে পড়েছিল। এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থলে গিয়ে ড্রেজার মেশিন বন্ধ করেন এবং জড়িতদের হাতেনাতে আটক করেন।

অভিযান শেষে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানান, ড্রেজার বা অবৈধ পন্থায় বালু উত্তোলন বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী দন্ডনীয় অপরাধ। জনস্বার্থে এবং পরিবেশ ও সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় দেবহাটায় এ ধরনের অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের ঝটিকা অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নাংলা এলাকার স্থানীয় সাধারণ মানুষ।

সাতক্ষীরায় বিনা মূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় বিনা মূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প উদ্বোধন

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুরে বিনা মূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও ছানি রোগী বাছাই ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৪ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ডি.বি. ইউনাইটেড হাইস্কুলে এ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।

সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পরপরই রোগীদের চোখ পরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম শুরু হয়।
৯ নম্বর ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা জাকির হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৯ নম্বর ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল ওয়ারেস, সাতক্ষীরা সিটি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক শেখ আব্দুল ওয়াদুদ, ডি.বি. ইউনাইটেড হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান মুকুল এবং ৯ নম্বর ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মনিরুল ইসলাম ফারুকী। ক্যাম্পের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মাওলানা আনিছুর রহমান।

ক্যাম্পে বিনা মূল্যে চোখের দৃষ্টি ত্রুটি, চোখের প্রেসার ও নেত্রনালীর পরীক্ষা করা হয়। পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থাপত্র দেওয়া হয় এবং ছানি রোগীদের বাছাই করা হয়।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাছাই করা ছানি রোগীদের বিদেশি লেন্সের মাধ্যমে ছানি অপারেশনের ব্যবস্থা করা হবে। এ ছাড়া তাঁদের প্রয়োজনীয় ওষুধ, কালো চশমা, যাতায়াত এবং থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থাও করা হবে। ক্যাম্পে কম মূল্যে ওষুধ ও চশমা পাওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়।

আয়োজকেরা জানান, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের কাছে বিনা মূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া এবং ছানি রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার আওতায় আনাই এ ক্যাম্পের মূল উদ্দেশ্য। ক্যাম্পে বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ চিকিৎসাসেবা নিতে উপস্থিত হন।