বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

সাতক্ষীরার উপকুল বাঁচাতে বিশেষ বাজেট এখন সময়ের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৫:০২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরার উপকুল বাঁচাতে বিশেষ বাজেট এখন সময়ের দাবি

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত নিয়ে যখন আলোচনা হয়, তখন উপকূলীয় এলাকার কথা আসে সবার আগে। আর সেই তালিকায় সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জেলার নাম নিঃসন্দেহে সাতক্ষীরা। প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকা এই জনপদের মানুষ যেন বছরের পর বছর এক অনন্ত দুর্ভোগের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। একদিকে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন ও লবণাক্ততার আগ্রাসন, অন্যদিকে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও অবকাঠামো গত দুর্বলতাÑসব মিলিয়ে সাতক্ষীরা এখন জলবায়ু সংকটের এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। অথচ জাতীয় বাজেটে এখনো এই জেলার জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষ ও স্থায়ী বরাদ্দ নিশ্চিত হয়নি।

 

তাই আসন্ন বাজেটে সাতক্ষীরাকে আলাদা গুরুত্ব দেওয়ার দাবি শুধু যৌক্তিক নয়, অপরিহার্যও। উপকূলের মানুষ দুর্যোগের সঙ্গে পরিচিত। কিন্তু সাতক্ষীরার বাস্তবতা অন্য অনেক জেলার চেয়ে কঠিন। ২০০৯ সালের ঘূর্ণিঝড় আইলা এই জেলার মানুষকে যে ক্ষত দিয়েছিল, তার অনেক চিহ্ন আজও মুছে যায়নি। এরপর আম্পান, ইয়াস, রেমালসহ একের পর এক দুর্যোগ নতুন করে ক্ষত তৈরি করেছে। বাঁধ ভেঙেছে, গ্রাম প্লাবিত হয়েছে, হাজার হাজার পরিবার নিঃস্ব হয়েছে। বহু মানুষ এখনও টেকসই ঘরবাড়ি পায়নি। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে এলাকা ছেড়ে শহরমুখী হয়েছে। জলবায়ু উদ্বাস্তু শব্দটি সবচেয়ে বেশি বাস্তব হয়ে উঠেছে সাতক্ষীরাতেই। সবচেয়ে ভয়াবহ সংকটগুলোর একটি হলো লবণাক্ততা।

 

আশাশুনি, শ্যামনগর, কালীগঞ্জসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় মাটির নিচের পানিও লবণাক্ত হয়ে পড়েছে। সুপেয় পানির জন্য নারীদের প্রতিদিন দীর্ঘ পথ হাঁটতে হয়। কোথাও কোথাও একটি নিরাপদ পানির উৎসকে ঘিরে শত শত মানুষের নির্ভরতা। নিরাপদ পানির সংকট শুধু জীবন যাত্রাকে কঠিন করছে না, বাড়িয়ে দিচ্ছে স্বাস্থ্যঝুঁকিও। বিশেষ করে নারী ও শিশুরা নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। অথচ এই সংকট মোকাবিলায় দীর্ঘ মেয়াদি ও কার্যকর প্রকল্প এখনো পর্যাপ্ত নয়। কৃষিও বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে।

 

একসময় সাতক্ষীরার বিস্তীর্ণ মাঠে ধানসহ নানা ফসলের আবাদ হতো। এখন সেই জমির বড় অংশ লবণাক্ততার কারণে অনুৎপাদন শীল হয়ে পড়ছে। কৃষকেরা বাধ্য হয়ে বিকল্প জীবিকার দিকে ঝুঁকছেন। অনেকে চিংড়ি চাষে যাচ্ছেন, কিন্তু সেখানেও রয়েছে নানা অনিয়ম ও পরিবেশগত ঝুঁকি। ফলে কৃষি, পরিবেশ ও জীবিকার মধ্যে এক অস্বাভাবিক সংকট তৈরি হয়েছে। সাতক্ষীরার মানুষের সবচেয়ে বড় ভরসা উপকূলীয় বেড়িবাঁধ। কিন্তু বাস্তবে সেই বাঁধই অনেক ক্ষেত্রে দুর্বল ও অরক্ষিত।

 

সামান্য জলোচ্ছ্বাসেই ভেঙে যায় কোথাও কোথাও। প্রতি বছর সংস্কারের নামে বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও টেকসই সমাধান মিলছে না। স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণেই অনেক বাঁধ দীর্ঘস্থায়ী হয় না। ফলে দুর্যোগ এলেই মানুষকে আবারও একই দুর্ভোগে পড়তে হয়। জাতীয় বাজেটে তাই শুধু বরাদ্দ নয়, সঠিক পরিকল্পনা ও জবাবদিহিও নিশ্চিত করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে সাতক্ষীরার সামাজিক কাঠামোও বদলে যাচ্ছে। জীবিকা হারিয়ে মানুষ শহরমুখী হচ্ছে।

 

পরিবার ভেঙে যাচ্ছে, বাড়ছে শিশুদের শিক্ষাছুট। নারীরা নানা ধরনের অনিরাপত্তার মুখে পড়ছেন। অথচ জলবায়ু সংকটকে কেন্দ্র করে সামাজিক সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তার বিষয়টি এখনো যথেষ্ট গুরুত্ব পাচ্ছে না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলোÑসাতক্ষীরার সংকট কোনো এক জেলার সংকট নয়। এটি জাতীয় সংকট। সুন্দরবন বাংলাদেশের প্রাকৃতিক ঢাল। এই বন ও উপকূল রক্ষা করতে না পারলে ভবিষ্যতে দেশের বড় অংশ আরও ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে পড়বে। তাই সাতক্ষীরায় বিনিয়োগ মানে শুধু একটি অঞ্চলের উন্নয়ন নয়; বরং দেশের পরিবেশগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

 

এখন প্রয়োজন বাস্তবমুখী ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। জাতীয় বাজেটে সাতক্ষীরার জন্য বিশেষ জলবায়ু তহবিল গঠন করা যেতে পারে। টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নিরাপদ পানি সরবরাহ, জলবায়ু সহনশীল কৃষি, বিকল্প কর্মসংস্থান, আধুনিক আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ ও দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসনের জন্য আলাদা বরাদ্দ জরুরি। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট সংস্থা গুলোর কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

 

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পরিসরে জলবায়ু ঝুঁকির কথা তুলে ধরে সহায়তা চায়। কিন্তু দেশের ভেতরে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য যদি কার্যকর উদ্যোগই নেওয়া না হয়, তবে সেই অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ে। সাতক্ষীরার মানুষ বছরের পর বছর প্রকৃতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে টিকে আছেন। তাদের এই সংগ্রামকে অবহেলা করার সুযোগ নেই।জাতীয় বাজেট শুধু আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়; এটি রাষ্ট্রের অগ্রাধিকারের প্রতিফলন। সেই অগ্রাধিকারে সাতক্ষীরার নাম এবার সবার ওপরে থাকা উচিত। কারণ উপকূল বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে।

লেখক: সংববাদকর্মী

 

Ads small one

তীব্র লোডশেডিংয়ে অচল সাতক্ষীরা সদর: গ্রামে ত্রাহি অবস্থা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ণ
তীব্র লোডশেডিংয়ে অচল সাতক্ষীরা সদর: গ্রামে ত্রাহি অবস্থা

সংবাদদাতা: কোনো এলাকাতেই স্বস্তি নেই; তীব্র তাপদাহ আর ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো সাতক্ষীরা সদর উপজেলা। শহরের কাটিয়া, পলাশপোল, ইটাগাছা কিংবা সুলতানপুর-সবখানেই বিদ্যুতের একই দশা। অপরদিকে গ্রামীণ ফিডারগুলোর অবস্থা আরও শোচনীয়। ঝাউডাঙ্গা, বল্লী, ফিংড়ী, বাশদহা কিংবা কুশখালী ইউনিয়নে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অর্ধেকর ও বেশি সময়ই বিদ্যুৎ থাকছে না। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, এটি এখন আর সাধারণ বিভ্রাট নয়, এটি বিদ্যুতের ‘মহামারি’।

সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও ওজোপাডিকো মিলিয়ে পুরো জেলায় বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৫০ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ মিলছে মাত্র ৯৫ মেগাওয়াট। প্রতিদিন প্রায় ৫৫ মেগাওয়াট ঘাটতি নিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে সরবরাহ।

পৌর এলাকায় তাও কিছুটা বিদ্যুৎ পাওয়া গেলেও, সদরের গ্রামগুলোতে লোডশেডিংয়ের মাত্রা ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। রাতে কমপক্ষে ৮ থেকে ১০ বার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করছে।

সাতক্ষীরা বিসিক শিল্পনগরী সূত্র জানায়, ৪২টি কারখানাসহ সদরের শত শত লেদ ও চালকলের উৎপাদন পুরোপুরি লাটে উঠেছে। বিদ্যুৎ না থাকায় শ্রমিকেরা অলস বসে থাকছেন, অথচ মালিকদের গুনতে হচ্ছে নিয়মিত বেতন।
দাবদাহের কারণে ফসলের মাঠ শুকিয়ে চৌচির হলেও বিদ্যুৎ সংকটে সেচ পাম্পগুলো চালানো যাচ্ছে না। এতে আমন ও রবি শস্যের আবাদ মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে।

রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের বিশেষ করে পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রচন্ড গরমে ভাইরাসজনিত রোগ ও চর্মরোগের প্রকোপ বাড়ায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে রোগীর ভিড় উপচে পড়ছে।

ক্ষুব্ধ গ্রাহক ও কর্তৃপক্ষের অসহায়ত্ব বিদ্যুতের এই ভয়াবহ সংকটের কারণে সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেক এলাকায় গ্রাহকেরা বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তাদের অবহেলাকে দায়ী করছেন। তবে বিদ্যুৎ বিভাগের দাবি, জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ না পাওয়ায় তাদের কিছুই করার নেই। তীব্র গরমে ফ্যানের পাশাপাশি এসির ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় লোড আরও বেড়েছে, যা বর্তমান সরবরাহ দিয়ে সামাল দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সংবাদদাতা: মোঃ রবিউল ইসলাম

কপিলমুনিতে এক ব্যক্তির আত্মহত্যা!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:৩৫ অপরাহ্ণ
কপিলমুনিতে এক ব্যক্তির আত্মহত্যা!

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: কপিলমুনির পার্শ্ববর্তী উত্তর সলুয়া গ্রামে জিয়ারুল মজলিস (৪২) নামে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত জিয়ারুল মজলিস উত্তর সলুয়া গ্রামের মৃত নওয়াব আলী মজলিসের ছেলে। তিনি দুই পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার রাতে কোনো এক সময় বাড়ির পাশে একটি গাছের ডালে গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন জিয়ারুল। বুধবার সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান।

খবর পেয়ে পাইকগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

নিহতের স্ত্রী জানান, “এর আগেও একবার তিনি বিষপান করেছিলেন। এরপর থেকে তিনি মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন।”

এ বিষয়ে হরিঢালী ইউপি’র ৮নং ওয়ার্ড সদস্য বিষু পদ রায় বলেন, “জিয়ারুল ভালো মানুষ ছিলেন। তবে কিছুদিন ধরে তিনি মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

সাতক্ষীরা স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:৩০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঈদ পুনর্মিলনী-২০২৬ এবং এফসিপিএস পার্ট-১ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ চিকিৎসকদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডা. মোঃ মাহমুদুল হাসান পলাশ, ডা. মোঃ মাহমুদুল হাসান মামুন, ডা. এস. এম. এ. মুক্তাদির তামিম এবং ডা. আব্দুর রহমানসহ অন্যান্য চিকিৎসকবৃন্দ।

এ সময় এফসিপিএস পার্ট-১ পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের তিন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। সংবর্ধনা প্রাপ্তরা হলেন ডা. আমিনুর রহমান রিংকু, ডা. মনিরুল ইসলাম এবং ডা. মুজাহিদ বিল্লাহ।

বক্তারা বলেন, এফসিপিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া চিকিৎসকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের এসব মেধাবী শিক্ষার্থী ভবিষ্যতে চিকিৎসা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন এবং তাঁদের কর্মদক্ষতা ও সেবার মাধ্যমে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ তথা সাতক্ষীরা জেলার সুনাম দেশ-বিদেশে আরও উজ্জ্বল করবেন।

বক্তারা নবীন চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে মানবিক মূল্যবোধ, পেশাগত দক্ষতা এবং রোগীদের প্রতি আন্তরিক সেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তাঁদের এই সাফল্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠান শেষে সংবর্ধনা প্রাপ্ত চিকিৎসকদের ফুলেল শুভেচ্ছা, সম্মাননা স্মারক প্রদান এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময়ের মাধ্যমে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।