মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির ২১ দফা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:০১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির ২১ দফা

সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির ২১ দফা দাবী:

১. প্রাকৃতিক দুর্যোগ, নদী ভাঙ্গন ও জলাবন্ধতা কবলিত সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকাকে ‘দুর্যোগ প্রবণ এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা এবং সুন্দরবন উপকূলে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে “সুন্দরবন উপকূলীয় বোর্ড” ও “মন্ত্রণালয় গঠন” এবং বাজাটে দুর্যোগ মোকাবেলায় থোক বরাদ্দ রাখতে হবে।

২. সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমসহ আগামী শিক্ষা বর্ষ থেকে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করতে হবে।

৩. সাতক্ষীরা মুন্সিগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত রেল লাইন নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু করতে হবে।

৪. আয়তন ও জনসংখ্যা বিবেচনায় সাতক্ষীরায় আরো একটি উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রমঃ বাস্তবায়ন করতে হবে।

৫. অবিলম্বে ভোমরা স্থলবন্দর পূর্ণাঙ্গরূপে এবং বসন্তপুর নৌবন্দর চালুর দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

৬. সাতক্ষীরায় জেলা সদরসহ সকল উপজেলায় আধুনিক মানের স্টেডিয়াম, ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ করতে হবে।

৭. জেলার পর্যটন শিল্প বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ দিতে হবে। সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের অভ্যন্তরে একাধিক পর্যটন স্পট নির্মাণ করতে হবে এবং সাতক্ষীরা রেঞ্জের নিকটবর্তি এলাকাকে পর্যটন এলাকা ঘোষণা করতে হবে। সুন্দরবনের সম্পদ ভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলে সুন্দরবনের উপর জেলে বাওয়ালি মাওয়ালিদের নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনতে হবে।

৮. অবিলম্বে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজকে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু, ও ক্যান্সার রিসার্চ সেন্টার স্থাপন করতে হবে। জনবলসহ অন্যান্য সমস্যা সমাধান করতে হবে। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে।

৯. সাতক্ষীরায় বেকার সমস্যা সমাধানে শ্রমঘন বিশেষ শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা ও শিল্প কলকারখানা গড়ে তুলতে হবে। সুন্দরবন টেক্সটাইল মিলকে আধুনিকায়ন করে চালু করতে হবে। আইটি পার্ক গড়ে তুলতে হবে।

১০. জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনার আওতায় সাতক্ষীরার সকল উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতঃ জেলার সকল স্থানে লবনাক্ত, আর্সেনিক ও আয়রণমুক্ত নিরাপদ সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে হবে।

১১. শহরে বাস ও ট্রাক টার্মিনাল স্থাপন, বিআরটিসির বাস সংখ্যা বাড়ানো, সাতক্ষীরা থেকে সরাসরি শ্যামনগর পর্যন্ত যাত্রীবাহী বাস চলাচলের প্রতিবন্ধকতা নিরসনসহ শহরে সিটি সার্ভিস চালু করতে হবে।

১২. সাতক্ষীরা বাইপাস সড়কের মেডিকেল কলেজের অংশটি লিংক রোড় হিসেবে চালু রেখে মূল সড়কটি বাইপাস হয়ে আলিপুর চেকপোস্টে ভোমরা সড়কের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।

খ) সাতক্ষীরা শহরের প্রধান সড়কটি চার লেনে উন্নীতকরে জেলায় চলাচলে অযোগ্য রাস্তাঘাট সংস্কার ও পুন:নির্মাণ করতে হবে।

গ) আশাশুনির সাথে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সাতক্ষীরা শহরের পূর্বাংশে প্রস্তাবিত বাইপাস সড়ক দ্রুত নির্মাণ করতে হবে।

ঘ) ঢাকার সাথে সাতক্ষীরার দুরত্ব কমিয়ে আনতে মাওয়া-ভাঙ্গা-নড়াইল-বসুন্দিয়া-চুকনগর-সাতক্ষীরা সড়ক নির্মাণ করতে হবে।

১৩. মানুষের চাহিদা ও প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করে জেলার বিভিন্ন ফিডার রোডে চলাচলরত হাজার হাজার ইজিবাইক, ব্যাটারিচালিত ভ্যান ও ইঞ্জিন ভ্যানের আধুনিকায়ন করতে হবে। স্থানীয়ভাবে এগুলোর চলাচলের লাইসেন্স দিতে হবে। চালকদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। তাদেরকে হয়রানী করা বন্ধ করতে হবে।

১৪. জেলার সাথে সকল উপজেলার সরাসরি যাতায়াতের জন্য আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্পন্ন পরিবহন ব্যবস্থা ও নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে হবে। পুরাতন, ফিটনেস বিহীন, অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধ করতে হবে।

১৫. আম-কুল-লিচু-পেয়ারাসহ বিভিন্ন মৌসুমী ফলের ক্রয় বিক্রয় এর জন্য সুনির্দিষ্ট কৃষি বাজার নির্মাণ করতে হবে। বিভিন্ন ফল, শাক-সবজী ও দুধ সংরক্ষণের জন্য চাহিদা অনুযায়ী উপজেলায় আধুনিক হিমাগার ও সংরক্ষণাগার নির্মাণ ও কৃষিভিত্তিক ইকোভিলেজ মার্কেট স্থাপন করতে হবে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে নিরাপদ ও স্বল্প খরচের পরিবহন ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

১৬. শিশুর বিকাশের জন্য জেলা সদর ও প্রত্যেক উপজেলা সদরে শিশুপার্ক নির্মাণ করতে হবে। সকল সরকারী অফিস ও পাবলিক প্লেসে ব্রেস্ট ফিডার কর্নার স্থাপন করতে হবে। যানবাহনে নারী, প্রতিবন্ধী ও প্রবীণদের জন্য আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

১৭. ক) সাতক্ষীরা জেলার উন্নয়ন মাষ্টার প্লান এবং সাতক্ষীরা পৌরসভার নতুন মাস্টার প্লান করতে হবে।

খ) নতুন ভবন নির্মাণের সময় চলাচলের পর্যাপ্ত রাস্তা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা রাখতে হবে।

গ) শহরের সকল রাস্তা প্রসস্ত করতে হবে। ফুটপাথ রাখতে হবে। গুরুত্বপূর্ণস্থানে ওভারপাস নির্মাণ করতে হবে।

ঘ) প্রাণ সায়ের খালের দু’পাশে যোগাযোগ সহজ করতে ইটাগাছা কর্মকারপাড়া ও সাবেক পৌর মেয়র এমএ জলিলের বাড়ির সামনে, পাসপোট অফিসের সামনে আরো একাধিক ব্রীজ নির্মাণ, এসব ব্রীজ সংলগ্ন গলিপথগুলো সম্প্রসারণের উদ্যোগ এবং প্রধান সড়কগুলো ডিভাইডার দিয়ে দুই ও চার লেন করতে হবে।

ঙ) ইটাগাছা হাট, পুরাতন সাতক্ষীরা হাট, কদমতলা হাট ও সাতক্ষীরা বড়বাজার প্রসস্ত ও নতুন বহুতল ভবন নির্মাণ করে আধুনিক হাট-বাজারে রূপান্তরিত করতে হবে।

চ) শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক দখলমুক্ত ও ব্যবহারের উপযোগী করতে হবে।

ছ) জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য সাতক্ষীরা অডিটরিয়ামের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ ও খেলার মাঠ করতে হবে।

জ) শহরে পর্যাপ্ত ডাস্টবিন ও গণ-শৌচাগার নির্মাণ করতে হবে। ঝ) শহরে শিশু পার্ক ও একাধিক হকার্স মার্কেট গড়ে তুলতে হবে।

১৮. দুর্যোগের কারণে এই এলাকা থেকে ব্যাপকহারে অভিবাসন বন্ধ করতে বিশেষ বরাদ্দ ও অর্থনৈতিক প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। জলাবদ্ধ ও ভাঙ্গন কবলিত এলাকার দরিদ্র মানুষের জন্য স্থায়ী রেশনের ব্যবস্থা করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগকে মাথায় রেখে স্থায়ী, মজবুত ও টেকসই বেড়িবাঁধ পুন:নির্মাণ করতে হবে। সামগ্রীক উন্নয়ন অংশিদার সুনির্দ্দিষ্ট এসডিজি অর্জনে অগ্রধিকার ভিত্তিতে গৃহীত ডেল্টা ও ব্লু প্লানের আওতায় টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে।

ক) বেড়িবাঁধের নদীর সাইটে পর্যাপ্ত জায়গা রাখতে হবে এবং সেখানে বৃক্ষরোপণ করতে হবে।

খ) লোকালয় সাইডে বেড়িবাঁধ ও কাঁচা-পাকা যে কোন সড়ককে চিংড়ি ঘেরের বাঁধ হিসেবে ব্যবহার বন্ধ করতে হবে এবং বেড়িবাঁধ ও ঘেরের বাঁেধর মধ্যবর্তি স্থানে বৃক্ষরোপন করতে হবে।

গ) যেসব স্থানে বারবার বাঁধ ভাঙছে সেইসব স্থান চিহ্নিত করে সেখানে ভাঙ্গন প্রতিরোধক স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করতে হবে।

ঘ) বাঁধ নির্মাণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিজস্ব জমি না থাকলে ক্ষতিপূরণ দিয়ে জমি অধিগ্রহণ করতে হবে।

ঙ) বাঁধের নিচে ১০০ ফুট এবং সেই অনুপাতে উচ্চতা ও উপরে চওড়া করতে হবে।

চ) বাঁধ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য জরুরী তহবিল গঠন ও বাঁধ ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় সরকারকে সম্পৃক্ত করতে হবে।

জ) জলবায়ু পরিবর্তনকে একমাত্র কারণ হিসেবে চিহ্নিত না করে এই এলাকায় প্রতিনিয়ত নদী ভাঙ্গন ও জলাবন্ধতার কারণ অনুসন্ধানে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করতে হবে এবং মনুষ্য সৃষ্ট কারণগুলো চিহ্নিত করে তা নিরসনের ব্যবস্থা করতে হবে।

ঝ) উপকূলীয় সকল মানুষের খাবার পানির টেকসই ও স্থায়ী সমাধান করতে হবে। অন্যান্য প্রাণিকূলের জন্য মিষ্টি পানির আধার গড়ে তুলতে হবে ও প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণে সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী কর্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

ঞ) দুর্যোগ প্রবণ এলাকাগুলোতে জেন্ডার ফ্রেন্ডলি সকল সুবিধা সহ পর্যাপ্ত আশ্রয় কেন্দ্রসহ মাটির কেল্লা তৈরী করতে হবে।

১৯. ক) জেলার সকল নদী-খালের জোয়ার-ভাটার স্বাভাবিক প্রবাহ যতদুর সম্ভব পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সকল বাধা অপসারণ করতে হবে।

খ) সিএস ম্যাপ অনুযায়ী নদী-খালের সীমানা নির্ধারণ করে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করতে হবে এবং উদ্ধারকৃত জমি ইজারা দেওয়া যাবে না। নতুন করে আর কোন অপ্রয়োজনীয় স্লুইস গেট ও ক্লোজার নির্মাণ করা যাবে না।

গ) গ্রাম-শহরের পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয় এমন স্থানে চিংড়ি চাষ বন্ধ করতে হবে।

ঘ) ইছামতি নদীর সাথে মরিচ্চাপ-খোলপেটুয়া নদীর সংযোগ স্থাপনকারী কুলিয়ার লাবণ্যবতি ও পারুলিয়ার সাপমারা খালের দু’পাশের স্লুইস গেট অপসারণ করে জোয়ার-ভাটা চালু করতে হবে।

ঙ) ইছামতি থেকে মাদার নদীর (আদি যমুনা) প্রবাহ স্বাভাবিক করতে হবে।

চ) নিচু বিলগুলো উচু করতে টিআরএম করতে হবে।

ছ) সাতক্ষীরা শহরের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত প্রাণসায়র খালের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে ও বেতনা ও মরিচ্চাপের সাথে সংযুক্ত করতে হবে। জ) নদী খালের নেট-পাটা অপসারণ করতে হবে।

২০. চিংড়ি চাষের কারণে প্রান্তিক কৃষকের জমি হারানো রোধ করতে হবে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বন্দোবস্ত দিতে হবে।

২১. জেলার প্রতিটি উপজেলার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

ক) সাতক্ষীরা’র সকল পূরাকীর্তি সংরক্ষণসহ মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল স্মৃতিবিজড়িত স্থান, বধ্যভূমি, গণকবর সংরক্ষণে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।

খ) কালিগঞ্জে বিদ্যুৎ সাব স্টেশন ও বিদ্যুৎ উদপাদন কেন্দ্র নির্মাণ করতে হবে।

গ) শ্যামনগরের গাবুরা ও পদ্মপুকুর এবং কয়রা উপজেলার সাথে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনে একাধিক ব্রিজ নির্মাণ করতে হবে।

ঘ) তালা-কুমিরা ও দেবহাটা-সখিপুর সড়কের বাক কমিয়ে সহজ সরল যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

ঙ) খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প স্থাপন করতে হবে

চ) মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ জোন প্রতিষ্ঠা কতে হবে

ছ) সীমান্ত সড়ক নির্মাণ করতে হবে

জ) জেলার সকল পর্যায়ে দুর্নীতি অনিয়ম বন্ধ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ বানিজ্য বন্ধ করতে হবে। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

 

 

Ads small one

সাতক্ষীরায় মব সৃষ্টি করে শিক্ষককে পিটিয়ে জখম, ক্লাসে শ্লীলতাহানির প্রমান মেলেনি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৫:৫২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় মব সৃষ্টি করে শিক্ষককে পিটিয়ে জখম, ক্লাসে শ্লীলতাহানির প্রমান মেলেনি

পত্রদূত রিপোর্ট: সপ্তম শ্রেণীতে অংকের ক্লাস চলাকালে এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে এক শিক্ষককে শ্রেণীকক্ষে চপেটাঘাত ও দ্বিতীয় দফায় শিক্ষকদের কক্ষে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। মব সৃষ্টিকারিদের হাত থেকে জীবন বাঁচাতে থানায় টেলিফোন করে ওই শিক্ষককে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ৩৮ নং ইন্দিরা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

সরেজমিনে মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলার ইন্দিরা গ্রামে গেলে ইন্দিরা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর এক ছাত্রীর অভিভাবক এক চা বিক্রেতা জানান, ঈদের ছুটির পর গত রবিবার ইন্দিরা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। দুপুর ১২টার দিকে সপ্তম শ্রেণীর অংকের ক্লাস নিচ্ছিলেন শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান। একটি অংক বোর্ডে করতে দেন তিনি। অংক করে শিক্ষকের টেবিলে জমা দেয় শিক্ষার্থীরা।

 

তার মেয়ের খাতা তিনবার বলার পর বেঞ্চে এসে ফেরৎ দেওয়ার সময় ওই শিক্ষক তার মেয়ের শ্লীলতাহানি করে। বিষয়টি সোমবার বিকেল সোয়া তিনটায় বাড়িতে এসে তার মাকে অবহিত করলে তিনি জানতে পারেন। বিষয়টি তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবহিত করেন। সোমবার সকাল পৌনে নয়টার দিকে বাড়ির পাশের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আজগার আলী সরদারকে অবহিত করেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষক বিষয়টি নিয়ে কোন গুরুত্ব না দেওয়ায় স্থানীয়দের সাথে নিয়ে সকাল ১০টার দিকে তিনি ওই বিদ্যালয়ে যান তিনি।

 

সপ্তম শ্রেণীর ক্লাস নেওয়ার সময় ওই শিক্ষককে তিনি কয়েকটি চড় মারেন। পরে স্থানীয়রা শিক্ষক রুমে ঢুকে ওই শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানকে ভারী জিনিস দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়। পরে স্থানীয় লোকজন ও শিক্ষকম-লী ওই শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। তবে বিষয়টি স্থানীয় আগরদাঁড়ি ইউপি চেয়ারম্যান কবীর হোসেন মিলন দায়িত্ব নেওয়ায় তিনি থানায় কোন লিখিত অভিযোগ করেননি। তবে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে গত বছর পঞ্চম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করার পর ওই শিক্ষার্থীর পিতা চলতি বছরে তার মেয়েকে পাশর্^বর্তী আবাদেরহাট বালিকা বিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার ছোট মেয়ে ওই বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী। তার কোন সমস্যা না হলে বড় মেয়েকে আজ বা কালের মধ্যে অন্যত্র ভর্তি করাবেন। তবে তার মেয়ের সাথে কথা বলতে চাইলে আপত্তি করেন তিনি।

এদিকে মঙ্গলবার সপ্তম শ্রেণীর তামিম হোসেনসহ তিনজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে তারা এ প্রতিবেদককে জানায়, রবিবার ক্লাসে তারা তাদের সহপাঠীর সাথে মোস্তাফিজ স্যারের কোন খারাপ আচরণ করতে দেখেননি। তবে সোমবার তাদের এক সহপাঠীর বাবা ক্লাস চলাকালিন সময়ে স্যারকে মারপিট করেছে।
আগরদাঁড়ি ইউপি চেয়ারম্যান কবীর হোসেন মিলন জানান, বিষয়টি দূঃখজনক। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সম্মান বিদ্যালয়ের পরিবেশ ভাল রাখার জন্য সকলের সঙ্গে পরামর্শ করেই কোন ধরণের মামলা করা হচ্ছে না।
মুঠোফোনে মঙ্গলবার শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার স্ত্রী কাশেমপুরের এক মাদ্রাসা শিক্ষক তার স্বামীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে প্রশাসনের কাছে ন্যয় বিচার প্রার্থনা করেছেন।

ইন্দিরা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আজগার আলী সরদার বলেন, প্রাথমিক বিভাগে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত তার বিদ্যালয়ে ৩৯০ জন ও ষষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত ৫০ জন শিক্ষার্থ রয়েছে। সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থীর সংখ্যা- ২২ জন। কোন শিক্ষক বা শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কোন অনিয়ম বা অভিযোগ থাকলে তাকে অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দেওয়ার নিয়ম রয়েছে।

 

রবিবারের ঘটনা সম্পর্কে সোমবার সকালে তাকে অবহিত করা হলে তিনি ওই শিক্ষার্থীর বাবাকে বিদ্যালয়ে আসতে বলেন। সকাল ১০টার দিকে ওই শিক্ষার্থীর বাবাসহ শতাধিক লোক বিদ্যালয়ে ঢুকে পড়লে তিনি তার অফিস কক্ষের বারান্দার দরজা লাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। একপর্যায়ে ওই শিক্ষার্থীর বাবা শ্রেণীকক্ষে যেয়ে শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানকে কয়েকটি চড় মারেন। পরে ওই শিক্ষক শিক্ষকরুমে এলে বহিরাগতদের মধ্যে একজন লোহার রড দিয়ে তার মাথা ফাটিয়ে দেয়।

 

বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সদর সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সোহাগ হোসেন, সদর প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামানকে অবহিত করা হয়। মব থেকে জীবন বাঁচাতে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। তবে এ সময় ওই বিদ্যালয়ের ১৭জন শিক্ষককের চোখে ও মুখে আতঙ্কের ছাপ দেখা যায়। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকসহ কয়েকজন শিক্ষক জানান, তারা তাদের সহকর্মীকে নিরাপত্তা দিতে পারেননি। তবে মব থেকে জীবন বাঁচাতে তাকে পুলিশে দিয়েছেন। হতাশার সুরে তারা বলেন, সূযোগ পেলে দ্রুত এ বিদ্যালয় থেকে অন্যত্র বদলী হয়ে যাবেন।

ওই শিক্ষার্থীর চাচা ইন্দিরা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী জানান, ওই শিক্ষার্থী তার আপর ভাইঝি। অথচ তাকেও ঘটনার দিনে বিষয়টি অবহিত করেনি তার ভাই।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক ও স্থানীয় গ্রামবাসি জানান, বর্তমানে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির ঘটনা ক্রমশঃ বাড়ছে। তবে দিনদুপুরে পাঠদান চলাকালে শ্লীলতাহানির অভিযোগ মানতে কষ্ট হয়। স্থানীয়ভাবে যে পরিমান বিকল্প শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি হচ্ছে তাতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে শিক্ষার্থী কমে যাচ্ছে। দুই বছর আগে এ বিদ্যালয়ে ৫২০ জন শিক্ষার্থ থাকলেও এখন কমে দাঁড়িয়েছে ৪৪০ এ। বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের হাতে শিক্ষার্থীরা নিরাপদ নয় এমন ঘটনা ঘটাতে পারলে পরিকল্পনা অনুযায়ি অনেক অভিভাবক ওই বিদ্যালয় থেকে সন্তানদের নিয়ে নিকটস্ত মাদ্রসায় বা বিদ্যালয়ে ভর্তি করাবে। যাহা ওই বিদ্যালয়ের জন্য একটা অশনি সংকেত হিসেবে দেখা দেবে।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান জানান, কোন শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা তাকেসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে জানানো পারতেন ওই শিক্ষার্থীর অভিভাবক। কিন্তু তা না করে মব সৃষ্টির মাধ্যমে শ্রেণীকক্ষে বা শিক্ষকরুমে নির্যাতন ন্যয় বচার পরিপন্থি। এতে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হবে। শিক্ষক মোস্তাফিজুরকে তিন দিনের ছুটি নিয়ে চিকিৎসা নিতে বলা হয়েছে। তাকে দ্রুত অন্যত্র বদলী করিয়ে ঘটনার তদন্ত করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হবে। তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ি ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মাসদুর রহমান বলেন, লিখিত অভিযোগ না পাওয়ায় ওই শিক্ষককে সোমবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

 

দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে চোরাই গরু উদ্ধার, আটক ১, থানায় মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে চোরাই গরু উদ্ধার, আটক ১, থানায় মামলা

Oplus_131072

দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলায় পুলিশের অভিযানে চোরাই একটি গরু উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অপর এক আসামিকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার দেবীশহর গ্রামের মৃত মোহর আলীর ছেলে আব্দুর সাত্তার গাজী (৬৫) গত ৫ জুন সকাল ৭টার দিকে দেবীশহর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে ময়নাতলা বিলের মাঠে তার তিনটি গরু ঘাস খাওয়ানোর জন্য বেঁধে রেখে বাড়িতে যান। পরে সকাল ১০টার দিকে মাঠে গিয়ে তিনি দেখতে পান, তিনটির মধ্যে দুটি গরু বিলে বাঁধা থাকলেও একটি কালো রঙের এঁড়ে গরু নিখোঁজ রয়েছে।

এ ঘটনায় আব্দুর সাত্তার গাজী বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রামনাথপুর (মাঝিপাড়া) গ্রামের রবিন ঘোষের ছেলে অনিল ঘোষ (২৪)-এর বাড়ি থেকে চোরাই গরুটি উদ্ধার করে। এ সময় অপর অভিযুক্ত জগন্নাথপুর গ্রামের রাশেদ সরদারের ছেলে মাসুদ সরদার (৪০) পালিয়ে যায়।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অনিল ঘোষকে গ্রেপ্তার করে এবং উদ্ধারকৃত গরুটি মালিকের কাছে ফেরত দেয়।
দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলিম জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে চোরাই গরুটি উদ্ধার এবং একজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। পলাতক অপর আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কলারোয়ায় উপকূলীয় দুর্যোগ ও ভূমিরূপ মানচিত্রায়নে জিএসবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৫:০৭ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় উপকূলীয় দুর্যোগ ও ভূমিরূপ মানচিত্রায়নে জিএসবি

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ভূমিরূপের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ এবং আনুষঙ্গিক উপকূলবর্তী প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিরূপণের লক্ষ্যে বিশেষ উপকূলীয় ভূতাত্ত্বিক ও ভূ-প্রাকৃতিক মানচিত্রায়ন কর্মসূচি শুরু করেছে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি)।

 

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ এই গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সংস্থার একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ দল বর্তমানে কলারোয়া এলাকায় মাঠপর্যায়ে তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহের কাজ পরিচালনা করছেন। সংশ্লিষ্ট সরকারি সূত্র জানায়, ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের বার্ষিক বহিরঙ্গন কর্মসূচির আওতায় “সাতক্ষীরা জেলার অন্তর্গত কলারোয়া উপজেলার ভূমিরূপের বৈশিষ্ট্য এবং আনুষঙ্গিক উপকূলবর্তী দুর্যোগ নির্ধারণের লক্ষ্যে উপকূলীয় ভূতাত্ত্বিক ও ভূ-প্রাকৃতিক মানচিত্রায়ন” শীর্ষক এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

 

গত ১৩ মে ২০২৬ থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ মাঠ জরিপ কার্যক্রম আগামী ১১ জুন ২০২৬ পর্যন্ত অথবা প্রকৃত যাত্রার তারিখ হতে পরবর্তী ৩০ দিনব্যাপী চলমান থাকবে। বিজ্ঞানসম্মত এই ভূতাত্ত্বিক জরিপ ও গবেষণার মূল লক্ষ্য হলো কলারোয়া অঞ্চলের মাটির গঠন, ভূ-প্রকৃতি এবং উপকূলীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিগুলো নিরূপণ করা। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে এই অঞ্চলের টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ, পরিবেশ সুরক্ষা, মাটির টেকসই ব্যবহার এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ডাটা বা তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যাবে, যা দীর্ঘমেয়াদী সরকারি উন্নয়ন পরিকল্পনায় বড় ভূমিকা রাখবে।

 

অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, মাঠপর্যায়ে নিয়োজিত জিএসবির বিশেষজ্ঞ দলে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং সরাসরি যুক্ত আছেন তিন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তা। তারা হলেন ড. মো: বজলুর রশীদ, উপ-পরিচালক (ভূতত্ত্ব), মো: রুবেল শেখ, উপ-পরিচালক (ভূতত্ত্ব), অনিত আহমেদ, সহকারী পরিচালক (ভূতত্ত্ব)।

 

বিশেষজ্ঞ এই দলটির মাঠপর্যায়ে অবস্থানকালীন সময়ে সার্বিক প্রশাসনিক সহযোগিতা, তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ, আবাসন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য জিএসবির পরিচালক (ভূতত্ত্ব) মোহাম্মদ আশরাফুল কামাল স্বাক্ষরিত এক পত্রে সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং কলারোয়ার উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশনাক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

 

কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাটির প্রকৃতি পরীক্ষা ও স্থানীয় ভৌগোলিক পরিবেশের ওপর তথ্য সংগ্রহের কাজ বর্তমানে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের এই যুগে এই ধরণের বৈজ্ঞানিক উদ্যোগকে কলারোয়ার সচেতন মহল অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় বলে সাধুবাদ জানিয়েছেন।