শনিবার, ৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহণ, ঐক্যবদ্ধ থাকার ডাক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৩:৫৬ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহণ, ঐক্যবদ্ধ থাকার ডাক

Oplus_131072

এসএম শহীদুল ইসলাম: সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রকাশনা সম্পাদক সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব জনতার সংবর্ধনায় সিক্ত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। শনিবার (৬ জুন) সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ চত্বরে এ উপলক্ষে এক গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দায়িত্ব গ্রহণ ও সংবর্ধনাকে কেন্দ্র করে জেলা বিএনপির সব স্তরের নেতা-কর্মী এক মঞ্চে সমবেত হয়ে দলীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছেন।

সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এইচ এম রাহমতউল্যাহ পলাশের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব। জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আইনজীবী সৈয়দ ইফতেখার আলী, সাবেক সংসদ সদস্য কাজী আলাউদ্দিন, বিএনপি নেতা আবদুর রউফ, কামরুল ইসলাম ফারুক, মাস্টার আবদুল ওয়াহেদ, হাসান হাদী, তারিকুল ইসলাম এবং সাতক্ষীরা পৌরসভার সাবেক মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি প্রমুখ।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে জেলা পরিষদ চত্বর কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানের শুরুতে নবনিযুক্ত প্রশাসককে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান জেলার শীর্ষ নেতারা।

বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ প্রয়াত নেতা-কর্মী ও শহীদদের। বিগত দিনের রাজনৈতিক আন্দোলনে আহত, পঙ্গুত্ববরণকারী এবং জেল-জুলুমের শিকার নেতা-কর্মীদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়। একই সঙ্গে হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে এই পদে নিযুক্ত করায় সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বক্তারা।

অনুষ্ঠানে বিএনপির শীর্ষ নেতারা দলীয় ভেদাভেদ ভুলে শহীদ জিয়ার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে গণতন্ত্রের প্রহরী হিসেবে সাধারণ মানুষের পাশে থাকার আহ্বান জানান। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয় ব্যক্ত করে নেতারা বলেন, অনৈক্যের কারণে বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার চারটি আসনেই বিএনপির পরাজয় হয়েছিল। তবে আজ অনৈক্যের সেই দেয়াল ভেঙে বিএনপি সম্পূর্ণ ঐক্যবদ্ধ। আগামী দিনের যেকোনো নির্বাচনে বিজয়ী হতে এই ঐক্যকে আরও সুসংগঠিত করতে হবে।

দায়িত্ব গ্রহণের পর হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন, “এখন থেকে জেলা পরিষদের দরজা সাধারণ মানুষের জন্য সব সময় খোলা থাকবে। সাতক্ষীরার সার্বিক উন্নয়নে বর্তমান সরকার ও জেলা পরিষদ যৌথভাবে কাজ করতে বদ্ধপরিকর।”

সাতক্ষীরাবাসীর মনে নতুন আশার আলো সঞ্চারিত হয়েছে উল্লেখ করে নতুন প্রশাসক জেলার উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি আরও বলেন, “সাতক্ষীরাকে বাংলাদেশের একটি আদর্শ, দুর্যোগ-সহনশীল এবং অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধশালী জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে পারলেই আমাদের এই প্রচেষ্টা সার্থক হবে।”

অনুষ্ঠান শেষে দেশ ও জাতির শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন জেলা ওলামা দলের নেতা আনিসুজ্জামান আজাদী।

Ads small one

পাটকেলঘাটায় গৃহবধূকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৮:২৬ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটায় গৃহবধূকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি: ​সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় তাছফিয়া খাতুন (১৯) নামের এক গৃহবধূকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার পাটকেলঘাটা থানার বাইগুনি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

​নিহত তাছফিয়া সদর উপজেলার পরানদাহ এলাকার সিদ্দিক আলী সরদারের মেয়ে। প্রায় দেড় বছর আগে বাইগুনি গ্রামের আলামিন দালালের সঙ্গে তাঁর পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়েছিল।

​নিহতের পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে তাছফিয়ার ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন তাঁর স্বামী, শাশুড়ি ও দেবর রুহুল আলামিন। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিস-বৈঠকও হয়েছে।

​তাছফিয়ার বাবা সিদ্দিক আলী সরদার বলেন, “বিয়ের পর থেকেই জামাতা ও শাশুড়ি টাকার জন্য আমার মেয়েকে নির্যাতন করত। এর আগে ট্রলি কেনার কথা বলে আমার কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা নেয় আলামিন। কিছুদিন আগে নতুন আরেকটি ট্রলি কেনার জন্য সে আরও এক লাখ টাকা দাবি করে। গত পরশু সেই টাকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু টাকা দিতে না পারায় তারা আমার মেয়েকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যা করেছে।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, একটি প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতায় পুলিশকে ম্যানেজ করে ঘটনাটিকে ‘অপমৃত্যু’ বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে শ্বশুরবাড়ির লোকজন।

​নিহতের ফুফু রোকসানা পারভীন বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি তাছফিয়ার লাশ বারান্দায় রাখা এবং ঘরে তালা ঝুলছে। আত্মহত্যার বিষয়ে একেক সময় একেক রকম কথা বলছে আলামিন। কখনো বলছে ওড়না দিয়ে, কখনো বলছে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়েছে। পরে লাশের গায়ে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পেয়েছি আমরা। এটি স্পষ্ট হত্যাকাণ্ড, যাকে আত্মহত্যার নাটক হিসেবে সাজানো হচ্ছে।”

​একই দাবি করে নিহতের চাচি হাজিরা খাতুন বলেন, শুক্রবার সকালে পারিবারিক কলহের জেরে দেবর ও শাশুড়ি মিলে তাছফিয়াকে পিটিয়ে হত্যা করেন। পরে দায় এড়াতে লাশ ঘরের ভেতর ঝুলিয়ে দিয়ে আত্মহত্যা বলে প্রচার করতে থাকেন।

​তবে পুলিশ এখনই একে হত্যাকাণ্ড বলতে নারাজ। জানতে চাইলে পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে বিষয়টিকে আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে।

​ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং সেই অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আশাশুনির বাওচাষে শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ, স্কুলের অফিস সহকারী সাসপেন্ড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
আশাশুনির বাওচাষে শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ, স্কুলের অফিস সহকারী সাসপেন্ড

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে স্কুল ছাত্রী শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত শোভনালী ইউনিয়নের বাওচাষ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী বিকাশ চন্দ্র সাহাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

বিভিন্ন সূত্রে জানাগেছে, বাওচাষে নানার বাড়িতে আসা ২য় শ্রেণির ছাত্রী গত সোমবার সন্ধ্যায় স্কুলের পার্কে ঘুরতে ছিল। এসময় স্কুলের অফিস সহকারী কাম নৈশ প্রহরী বিকাশ চন্দ্র সাহা শিশুকে ফুসলিয়ে বাগানে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। মেয়েটি চিৎকার, কান্নাকাটি করলে ছেড়ে দেয়। কাঁদতে কাঁদতে বাড়িতে গিয়ে নানাদের জানালে নানা, মামারা জমিদাতা আলাল হোসেনের বাড়িতে গিয়ে অভিযোগ করলে তিনি বিকাশ চন্দ্র সাহাকে ডেকে জিজ্ঞাসা করেন।

 

তখন প্রধান শিক্ষক ছাবিনা খাতুনকে ডেকে বিষয়টি নিয়ে পরামর্শ শেষে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ক্লাস্টার অফিসিরকে অবহিত করা হয় এবং তার নিকট থেকে স্কুলের চাবি ফেরৎ নেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও ক্লাস্টার অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান স্কুলে গিয়ে সভায় মিলিত হন এবং শুনানী জানাবোঝা শেষে বিকাশকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। উপস্থিত সদস্যবৃন্দ জানান, বিকাশ এর আগেও অনুরূপ কাজ করায় তাকে মুচলেকা নিয়ে সতর্ক করা হয়েছিল।

তবে, অফিস সহকারী বিকাশ চন্দ্র সাহা ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছাবিনা খাতুন জানান, স্কুলে ঈদের ছুটি চলছিল। আমি চাই সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ, ভিকটিম ও পরিবারের লোকজনের সাথে কথা বলে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় বিকাশকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তদন্ত করে প্রমানিত হলে স্থায়ী সাসপেন্ড করা হবে। থানায় মামলা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, মামলা পরিবারের পক্ষ থেকে করতে হবে।

আশাশুনিতে বিএনপির আহ্বায়ক হেদায়েতুল ইসলামের ওপর হামলা, আটক-২

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে বিএনপির আহ্বায়ক হেদায়েতুল ইসলামের ওপর হামলা, আটক-২

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সদস্য স ম হেদায়েতুল ইসলাম (৭৬) এর ওপর অতর্কিত হামলার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৫ জুন) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে থানার মেইন ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় আহত বিএনপি নেতাকে আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আশাশুনি থানায় (০৮)০৬/২৬ নং মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে আশাশুনি বাজার জামে মসজিদে এশার নামাজ আদায় শেষে হেদায়েতুল ইসলাম একা বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে থানার প্রধান ফটকের সামনে পৌঁছালে পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা একদল ব্যক্তি তার পথরোধ করে হামলা চালায়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, মোছা. সাইলা খাতুনের নির্দেশে এজাহারভুক্ত আসামি মোঃ শাওন (৩২), মোঃ শোভন (২৯), মোঃ জহুরুল ইসলাম (৩২), মোঃ হারুন (৪২), মোঃ পিয়াস হোসেন (২৮) ও মোঃ মুর্শেদ (৩০)সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জন তার ওপর হামলা চালায়।

হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহতর শিকার হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। একপর্যায়ে তিনি রাস্তায় পড়ে গেলে তার ডান হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লাগে। এছাড়া কোমরে আঘাতপ্রাপ্ত হন এবং তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টাও করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া আরও উল্লেখ করা হয়, হামলাকারীরা তার শার্টের পকেটে থাকা নগদ ২ হাজার ৫০০ টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং টানাহেঁচড়ায় প্রায় ২ হাজার টাকা মূল্যের পরিধেয় বস্ত্র নষ্ট করে। তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

পালানোর সময় স্থানীয় জনতা ও আহত নেতার সমর্থকেরা ধাওয়া করে মোঃ শোভন ও মোঃ জহুরুল ইসলামকে আটক করে। পরবর্তীতে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের দুইজনকে থানা হেফাজতে নেয়।

আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ শামীম আহমদ খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মো. হেদায়েতুল ইসলামের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। আটক দুই আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।