বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

সাতক্ষীরা জেলা মন্দির সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা মন্দির সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরা জেলা মন্দির সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার দুপুর ১২টায় পুরাতন সাতক্ষীরা মায়ের বাড়ির নাটমন্দির প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি অ্যাড. সোমনাথ ব্যাণার্জী।

বার্ষিক সাধারণ সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন মন্দির সমিতির উপদেষ্টা বিশ^নাথ ঘোষ, ডাঃ প্রশান্ত কু-ু, সহসভাপতি দীলিপ চ্যাটার্জী, অ্যাড. তারক মিত্র, স্বপন কুমার শীল, বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ি মিশন দত্ত, মানবাধিকার কর্মী রঘুনাথ খাঁ, তরুন গুহ, নারায়ন মজুমদার, বিকাশ ঘোষ, সুজন বিশ^াস প্রমুখ।

 

অনুষ্ঠান শুরুতেই গীতা পাঠ ও বার্ষিক কর্ম পরিকল্পনার প্রতিবেদন পাঠ করেন মন্দির সমিতির কোষাধ্যক্ষ আনন্দ সরকার। বিগত এক বছরের আয় ও ব্যয় এর হিসাব তুলে ধরেন মন্দির সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন।

 

সভায় সাতক্ষীরা জেলাজুড়ে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া শ্যামনগরের বৈশখালির ডাঃ অনিমেষ পরমান্য অপহরণ, সদরের মাগুরা বউবাজারের বীথিকা সাধু হত্যা, কালিগঞ্জের চম্পাফুলের মাধবী ম-ল ও তার ছেলে শঙ্কর ম-লকে অমানবিক নির্যাতন করে জমি ও ঘরবাড়ি জবরদখলের চেষ্টা, শ্যামনগরে যশোরেশ^ী কালীমন্দিরে কালী মায়ের মুকুট চুরির ঘটনায় দায়সারা পুলিশ প্রতিবেদন, মন্দিরের প্রধান ফটকের সামনে মন্দিরের জায়গা দখল করে আকবর মোল্লা ও বেল্লাল হোসেন এর দোকার ঘর নির্মাণ, জেলেখালিতে বিষ্টু পরমান্য এর জমির উপর দিয়ে জোরপূর্বক জহির গাজীর রাস্তা নির্মাণ, হরিণগরের দীলিপ গাইনের ঘরবাড়ি পোড়ানো মামলার চুড়ান্ত প্রতিবেদন ও তার তিন ভাইপোর নামে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা দেওয়া, সাতক্ষীরার সরকার পাড়ায় শ্যামল রাহার বাড়িতে, কাটিয়ার পিসি জুয়েলাার্সের মালিকের বাড়িতে, মধুমোল্লারডাঙিতে সাংবাদিক রামকৃষ্ণ চক্রবর্তীর বাড়িতে, পুরাতন সাতক্ষীরায় অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মী গোবিন্দ ঘোষের বাড়িতে, সাতক্ষীরা মায়ের বাড়িতে, কাটিয়া মায়ের বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরিসহ বিভিন্ন ঘটনার প্রতিকার ও বিচার নিয়ে আলোকপাত করা হয়।

 

এ ছাড়া চিন্ময় কৃষ্ণ দাস প্রভুর দ্রুত মুক্তির বিষয়টি ও আলোচনায় স্থান পায়। অনুষ্ঠান শুরুতেই প্রয়াত সদস্যদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

 

সভায় নাটমন্দিরের ছাদ, মন্দিরের প্রাচীর উচ্চকরণসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয়বহনে সকল উপদেষ্টা ও আজীবন সদস্যদের এগিয়ে আসার আহবান জানানো হয়। একইসাথে বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থিতি বাড়ানোর জন্য গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জেলা মন্দির সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন।

Ads small one

সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে সরকারি ও বেসরকারি সমমনা সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৪ জুন দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিসিডিবি এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিসিডিবি’র উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রূপন। সিসিডিবি’র রেজিলিয়েন্স বিল্ডিং ম্যানেজার সামিউল আলিম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও শামসুজ্জামান কনক। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সারিদ বিন শফিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছপালা কেটে ফেলা এবং জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বসন্তপুর গ্রামের বৈদ্যনাথ দাস বাদী হয়ে শংকর দাস ও দিপঙ্কর দাসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা (নং-৪০৬/২০২৬) দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বসন্তপুর মৌজার ৫৮ শতক পৈতৃক সম্পত্তির একটি রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে, যা নিয়ে আগেও একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। বাদীর অভিযোগ, চলমান মামলার তোয়াক্কা না করে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক তাঁর জমিতে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছগাছালি কেটে সাবাড় করেছে এবং জমি দখলের চেষ্টা চালিয়েছে। বিবাদীদের আর্থিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে তাঁর পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আলিপুর থেকে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত অংশে সরকারি খাস জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। সড়কের ‘অপ্রয়োজনীয় অংশ’ উচ্ছেদ না করে কেবল মূল কাজের জন্য যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু জমি ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে গত ২৪ জুন জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি দিয়েছেন তাঁরা। আগামী ৮ ও ৯ জুলাই সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের পক্ষ থেকে মহাসড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁর হাতে আবেদনপত্রটি তুলে দেন।
এ সময় কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবু হুরাইরা এবং সমাজসেবক মোজাম্মেল হোসেনসহ (মিনু ডাক্তার) এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিষদ প্রশাসক ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, এলাকার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কের উন্নয়ন কাজকে স্থানীয়রা স্বাগত জানান। তবে সওজ-এর নকশা অনুযায়ী ঢালাওভাবে উচ্ছেদ করা হলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান, পুঁজি ও জীবিকা হারিয়ে পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। গ্রামীণ অর্থনীতি, মাছের শেড ও স্থানীয় বাজার ব্যবস্থা এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী বহু ভূমিহীন পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। মানবিক ও সামাজিক দিক বিবেচনা করে সড়ক উন্নয়নে যতটুকু জমি অপরিহার্য, ঠিক ততটুকু রেখে বাকি অংশ উচ্ছেদ না করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।