শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ এ কে এম নাজিম উল্লাহ আর নেই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৯:০১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ এ কে এম নাজিম উল্লাহ আর নেই
এসএম বিপ্লব হোসেন: সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের সাবেক স্বনামধন্য অধ্যক্ষ, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এ কে এম নাজিম উল্লাহ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রোববার ভোর ৪টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে জেলার শিক্ষা অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মরহুমের জানাজার নামাজ রোববার বাদ যোহর মেহেদীবাগ এলাকার খাদিজাতুল কোবরা মসজিদে (সার্কিট হাউসের পশ্চিম পাশে) অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাঁকে নলতা শরীফের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
এ কে এম নাজিম উল্লাহ ১৯৯৮ সালে খুলনার ডুমুরিয়া শাহপুর কলেজ থেকে সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন এবং ২০১২ সালে অবসর গ্রহণ করেন। তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা, ন্যায়নিষ্ঠা, দক্ষ প্রশাসন এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে কলেজটিকে জেলার অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেন।
তাঁর নেতৃত্বে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলাফলের ভিত্তিতে সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজ খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ কলেজের স্বীকৃতি অর্জন করে। এ কৃতিত্বের জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত থেকে কলেজ কর্তৃপক্ষ পুরস্কার ও সনদ গ্রহণ করে, যা প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসে একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত।
অবকাঠামোগত উন্নয়নেও তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। কলেজের নিজস্ব আয়ের অর্থে, বড় ধরনের সরকারি অনুদান ছাড়াই, একটি টিনশেড ক্যাম্পাসকে উন্নীত করে চারতলা ও পাঁচতলা একাডেমিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ ও বাস্তবায়ন তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বেরই ফল। এ ধরনের আত্মনির্ভরশীল উন্নয়ন দেশের বেসরকারি কলেজগুলোর মধ্যে বিরল দৃষ্টান্ত হিসেবে পরিচিত।
শিক্ষকতা যে কেবল একটি পেশা নয়, বরং একটি মহান ব্রত, এ কে এম নাজিম উল্লাহ তাঁর সততা, নিষ্ঠা, দায়িত্ববোধ ও শিক্ষার্থী-শিক্ষকবান্ধব মনোভাবের মাধ্যমে তা আজীবন ধারণ ও লালন করেছেন। তাঁর আদর্শ, কর্মনিষ্ঠা এবং শিক্ষার প্রতি নিবেদন আগামী প্রজন্মের শিক্ষকদের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।
তাঁর মৃত্যুতে শিক্ষার্থী, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।

Ads small one

খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে ধস, সংস্কারকাজ শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৯ পূর্বাহ্ণ
খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে ধস, সংস্কারকাজ শুরু

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার তুয়ারডাঙ্গার মুচির কোনা এলাকায় খোলপেটুয়া নদীর উপকূলীয় ওয়াপদা বেড়িবাঁধে ধস নেমেছে। খবর পেয়ে দ্রুত জিওটিউব ফেলে কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
পাউবোর শাখা কর্মকর্তা (এসও) আলমগীর হোসেন জানান, দুপুরে বেড়িবাঁধের আনুমানিক ৩০০ ফুট ধসে যাওয়ার খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান এবং বিকল্প বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দ্রুত কাজ শেষ না হলে জোয়ারের পানি ঢুকে খাজরা ও বড়দল ইউনিয়নের ১৫ থেকে ২০ হাজার বিঘা জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং পাউবোকে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

কয়রায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প উপলক্ষে লিফলেট বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ
কয়রায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প উপলক্ষে লিফলেট বিতরণ

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার কয়রা কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজন উপলক্ষে এলাকায় লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। আগামী ১২ আগস্ট এ দিনব্যাপী চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে।
খুলনা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পির ব্যবস্থাপনায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রচারণার অংশ হিসেবে জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান নেতাকর্মীদের নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও জনবহুল স্থানে লিফলেট বিতরণ করেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এলাকার দরিদ্র ও সাধারণ মানুষ যেন কোনো খরচ ছাড়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পেতে পারেন, সে লক্ষ্যেই এই ক্যাম্পের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরায় ধানের বীজতলায় বিষ প্রয়োগের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ধানের বীজতলায় বিষ প্রয়োগের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পার-কুখরালীতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ধানের বীজতলায় ঘাস মারার বিষ প্রয়োগ করার অভিযোগ উঠেছে।
পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবু সাইদ জানান, তাঁর বাবা ২০০২ সালে জব্বার সরদারের কাছ থেকে জমিটি কেনেন। কিন্তু বিআরএস রেকর্ডে ভুলবশত প্রতিপক্ষের নাম ওঠায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) আদালতে মামলা (নং ১৯৩৭/২৫) চলমান রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, মৃত জব্বার সরদারের ছেলে আব্দুর রকিব জমিতে ফসল না করার জন্য পূর্বে হুমকি দিয়েছিলেন। এরপর জমিতে গিয়ে দেখা যায় বীজতলার চারাগুলো বিষ প্রয়োগের কারণে মরে গেছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আব্দুর রকিব। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আবু সাইদ এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষি বিভাগ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।