বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকার চোরাচালানী মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকার চোরাচালানী মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: বুধবার (০৫ আগস্ট ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ কুশখালি, সুলতানপুর ও হিজলদী বিওপির টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় ঔষধ আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, কুশখালি বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার বেড়ি বাঁধ হতে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। হিজলদী বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার বড়ালি হতে ৭০ হাজার টাকার ভারতীয় ঔষধ আটক করে।

এছাড়াও, সুলতানপুর বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার কাঁঠাল বাগান হতে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

Ads small one

কলারোয়ায় ২০ বোতল এসকাফসহ গ্রেপ্তার ১

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১:৫৩ পূর্বাহ্ণ
কলারোয়ায় ২০ বোতল এসকাফসহ গ্রেপ্তার ১

 

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২০ বোতল নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য এসকাফসহ (ঊংশঁভ) সুজন হোসেন (২৮) নামের এক এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, বুধবার কলারোয়া থানা-পুলিশের একটি প্রতিনিধি দল উপজেলার দক্ষিণ ভাদিয়ালি গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত সুজন ওই এলাকার মোমরেজুলের ছেলে। তিনি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৫ আগস্ট দায়ের করা একটি মামলার (মামলা নম্বর-৮) এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহীন জানান, উদ্ধার করা আলামতসহ আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের এ বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

নগরঘাটায় উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে প্রার্থী ইবাদুল ইসলামের মতবিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১:৫১ পূর্বাহ্ণ
নগরঘাটায় উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে প্রার্থী ইবাদুল ইসলামের মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিনিধি: অবকাঠামোগত উন্নয়ন, রাস্তাঘাট সংস্কার ও জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা জোরদারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মতবিনিময় সভা করেছেন তালার ২ নম্বর নগরঘাটা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থী আলহাজ মো. ইবাদুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার বিকেলে পোড়ার বাজারে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সভায় সভাপতিত্ব করেন তিনি। শিল্পপতি ও সমাজসেবক ইবাদুল ইসলাম বলেন, নির্বাচিত হওয়ার অপেক্ষা না করেই তিনি নিজ অর্থায়নে এলাকার বিভিন্ন চলাচলের অনুপযোগী সড়ক সংস্কার ও জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। আগামী দু-এক দিনের মধ্যে ইউনিয়নবাসীর জরুরি চিকিৎসার সুবিধার্থে একটি আধুনিক অ্যাম্বুলেন্স প্রদান এবং প্রতি বছর প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে একজন অসচ্ছল ব্যক্তিকে নিজ খরচে হজে পাঠানোর ঘোষণা দেন তিনি।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সচিবালয়ের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলহাজ মো. নুর নওয়াজ সরদার। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জাসদের জেলা সভাপতি সরদার কাজেম, পোড়ার বাজার কমিটির সভাপতি সাইদুল আলম বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন। সভায় স্থানীয় বাসিন্দারা এলাকার বিভিন্ন অবকাঠামোগত সমস্যা তুলে ধরেন এবং সম্মিলিতভাবে নগরঘাটার উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সম্পাদকীয়/ আইনি ফাঁকফোকর ও প্রশাসনিক দায় এড়ানোর সংস্কৃতিতে ধামাচাপা পড়ছে বাল্যবিয়ে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ আইনি ফাঁকফোকর ও প্রশাসনিক দায় এড়ানোর সংস্কৃতিতে ধামাচাপা পড়ছে বাল্যবিয়ে

উপজেলার দাতিনাখালী গ্রামে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরী ও ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরের বিয়ে হওয়ার ঘটনাটি আমাদের সমাজ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার এক নির্মম বাস্তবতাকে উন্মেচিত করেছে। উভয় পক্ষই অপ্রাপ্তবয়স্ক; বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন অনুযায়ী এটি পরিষ্কার শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অথচ এফিডেভিটের দোহাই দিয়ে এবং প্রশাসনিক দায় ঠেলার অদ্ভুত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এই বেআইনি কর্মকা-টি নির্বিঘেœ সম্পন্ন হয়েছে।
এই ঘটনায় সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের ভূমিকা। থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) বলছেন, অন্য দপ্তর থেকে ‘আনুষ্ঠানিক সাহায্য’ না চাইলে তাদের কিছু করার থাকে না। আবার মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কেবল ‘খবর পাঠানো’র মধ্যেই নিজ দায়িত্ব সীমাবদ্ধ রাখছেন। প্রশাসনিক এই লাল ফিতার দৌরাত্ম্য ও সমন্বয়হীনতার সুযোগ নিয়েই মূলত অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। পুলিশের এমন নিষ্ক্রিয়তা এবং এক দপ্তর থেকে অন্য দপ্তরে দায় চাপানোর মানসিকতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
আরেকটি আশঙ্কাজনক প্রবণতা হলো আদালতের এফিডেভিটকে বাল্যবিয়ে আইনি করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা। ভুয়া বয়স দেখিয়ে কিংবা জাল নথির ভিত্তিতে এফিডেভিট করে বাল্যবিয়ে বৈধ করার এই নোংরা কৌশল বন্ধে উচ্চ আদালতের স্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও তা কার্যকর হচ্ছে না। উপরন্তু, বিয়ে না দেওয়ার জন্য আগে থেকে নেওয়া ‘লিখিত অঙ্গীকারনামা’ অমান্য করেও মূল অপরাধীরা কীভাবে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, তা বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জেলাজুড়ে গোপনে চলা বাল্যবিয়ের এই প্রথা বন্ধে অবিলম্বে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করতে হবে। শুধু খবর পাঠিয়ে দায়িত্ব শেষ না করে মহিলা বিষয়ক দপ্তর ও থানা পুলিশকে যৌথভাবে সমন্বিত অভিযান চালাতে হবে। এফিডেভিটের নামে বেআইনি বিয়ে রেজিস্ট্রি করা কাজীদের আইনের আওতায় আনতে হবে এবং বিয়েতে সম্পৃক্ত উভয় পক্ষের অভিভাবকদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। স্থানীয় প্রশাসনিক তদারকি জোরদার না হলে এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধ করা কখনোই সম্ভব হবে না।
এই ঘটনার যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নিয়ে সরকার কি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে, নাকি আমলাতান্ত্রিক জটিলতার অজুহাতে বাল্যবিয়ের এই কুপ্রথাকে প্রশ্রয় দিয়েই যাবে?