মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

কলারোয়ার জয়নগরে সরকারি গাছ আত্মসাতের চেষ্টা, এলাকাবাসীর বাধার মুখে পন্ড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ণ
কলারোয়ার জয়নগরে সরকারি গাছ আত্মসাতের চেষ্টা, এলাকাবাসীর বাধার মুখে পন্ড

oplus_0

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়া উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নে অবৈধভাবে সরকারি গাছ কেটে আত্মসাতের অপচেষ্টা চালিয়েছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। জয়নগর দক্ষিণপাড়া ঈদগাহের সামনের সড়ক সংলগ্ন বনবিভাগের জমি থেকে বড় আকারের নয়টি শিলকড়ই গাছ কেটে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু হলেও এলাকাবাসীর জোরালো প্রতিবাদের মুখে তা প- হয়ে গেছে। তবে প্রতিবাদের আগেই দুটি গাছ কেটে সটকে পড়ে দুর্বৃত্তরা।
স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, সড়কের পাশের ওই জমিতে মার্কেট নির্মাণের পরিকল্পনা করেন বারিক গাইন নামের এক ব্যক্তি। তবে সরকারি গাছগুলো অপসারণের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। পরবর্তীতে গাছের অপসারণ নিশ্চিত করতে স্থানীয় মাওলানা জাহাঙ্গীর আলমের সহায়তা নেন তিনি। গত ৩১ জুলাই (শুক্রবার) সকালে সব ধরনের প্রশাসনিক নিয়মকানুন তোয়াক্কা না করে একদল লোক নিয়ে সম্পূর্ণ গায়ের জোরে গাছ কাটা শুরু করেন জাহাঙ্গীর আলম। মোশাররফ হোসেন নামের এক কাঠ ব্যবসায়ীর কাছে গাছগুলো বিক্রি করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।
গাছ কাটার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দারা একত্র হয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দেন। সে সময় এলাকাবাসীকে ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা করা হলেও তাঁরা সরে যাননি। এর মধ্যেই দুটি গাছ কেটে নিয়ে যাওয়া হয় এবং বাকি সাতটি গাছের ডালপালা কেটে মুড়ো করে রাখা হয়। এমনকি গাছগুলোর শেকড় কাটার জন্য গোড়ার মাটি খোঁড়া হয়েছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকাবাসী তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) বিষয়টি জানান।
শুক্রবার সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় ইউএনওর নির্দেশে জয়নগর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব হাবিবুর রহমান দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাছ কাটা বন্ধ করার নির্দেশ দেন। পরে উপজেলা পরিষদের সার্ভেয়ার সরজমিনে জমি মেপে নিশ্চিত করেন গাছগুলো সরকারি সম্পদ। গাছ সুরক্ষায় কলারোয়া উপজেলা বনবিভাগকে দায়িত্ব দেওয়ার পাশাপাশি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেয় উপজেলা প্রশাসন। তবে ঘটনার এক সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সচেতন এলাকাবাসী।
ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মজিদ এবং স্থানীয় বাসিন্দা আবদুর রহিম শামীম ও আলমগীর হোসেন জানান, জমিটির মূল মালিক মরহুম মোকছেদ আলী খানের ছেলে আবদুল লতিফ খান। কিন্তু লতিফ সরদার নামের অন্য এক ব্যক্তি নামের আংশিক মিলকে কাজে লাগিয়ে ভুয়া মালিকানা দাবি করছেন। তিনি বিভ্রান্তি ছড়িয়ে সরকারি সম্পদ আত্মসাতের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন।
সার্বিক বিষয়ে জয়নগর ইউপি সচিব হাবিবুর রহমান জানান, ইউএনওর নির্দেশে তিনি সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে গাছ কাটা বন্ধ করেছিলেন। বিষয়টি বর্তমানে বনবিভাগ তদন্ত করে দেখছে।
এদিকে জয়নগর ইউনিয়নের সরসকাটি দাখিল মাদ্রাসার সরকারি গাছ বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের আরেকটি চাঞ্চল্যকর খবর সামনে এসেছে। প্রতিষ্ঠানের পাঁচটি বড় মেহগনি ও দুটি শিশুগাছ অবৈধভাবে বিক্রি করে প্রায় ৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন এলাকাবাসী।
মো. বজলুর রহমান নামের এক স্থানীয় বাসিন্দার লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২০ এপ্রিল মাদ্রাসা চলাকালীন সময়েই প্রতিষ্ঠানের আঙিনায় থাকা পাঁচটি মেহগনি ও দুটি শিশুগাছ কেটে নিয়ে যান স্থানীয় এক কাঠ ব্যবসায়ী। অভিযোগ অনুযায়ী, মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট মাওলানা মুজিবুর রহমান এবং পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাওলানা কামরুজ্জামান যোগসাজশ করে সরকারি নিয়মনীতি না মেনে গাছগুলো বিক্রি করেন। ইতোমধ্যে সুপার ও সভাপতি গাছ বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী। অনিয়মের মাধ্যমে সরকারি সম্পদ বিক্রি করে অর্থ আত্মসাৎকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক আইনি শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

Ads small one

সুন্দরবন থেকে পাচারের সময় ২৩০ মেট্রিক টন কয়লাসহ ৯ জন আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০৭ অপরাহ্ণ
সুন্দরবন থেকে পাচারের সময় ২৩০ মেট্রিক টন কয়লাসহ ৯ জন আটক

পত্রদূত ডেস্ক: অবৈধভাবে পাচারের অভিযোগে সোমবার (১৯ অক্টোবর) সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের ভোলা নদী থেকে ২৩০ টন কয়লা বোঝাই কার্গোসহ ৯ জনকে আটক করেছে বন বিভাগ। হাসান ভান্ডারী নামের ওই কার্গোটি মোংলার জয়মনি থেকে কয়লা নিয়ে সুন্দরবন হয়ে পাথরঘাটায় যাচ্ছিল।

 

বনবিভাগের টহলকালে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে কার্গোটিকে আটক করা হয়। শ্রমিক কর্মচারীদের ভাষ্য অনুযায়ী কার্গোটি পাথরঘাটা আমুয়া এলাকায় যাচ্ছিল। কয়লা ক্রয়ের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় তাদেরকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, মোঃ তরিকুল ইসলাম (৩৪), দুলাল হাওলাদার (৩৪), মোঃ সুমন তালুকদার (২১), মোঃ নূর নবী হোসেন (৪২), মোঃ এনায়েত করিম (৪০), মোঃ ওবায়দুল (২২), মোঃ মামুন (২২), মোঃ লায়েক মিয়া (৫০) ও মোঃ কবির হোসেন (৪৫)। এদের বাড়ি বাগেরহাটের মোংলা, মোরেলগঞ্জ, পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়।

জব্দকৃত কয়লার বাজার মূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা। ধারণা করা হচ্ছে মোংলার জয়মনি এলাকায় নোঙর করা মাদার ভ্যাসেল থেকে অবৈধভাবে এই কয়লা খালাস করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য দিতে পারেনি বন বিভাগ। এঘটনায় শরণখোলা থানায় অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান আইনে প্রথক দুটি মামলা দায়ের করেছে বন বিভাগ।

জব্দ কয়লা ও আটককৃতদের শরণখোলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের সরকারি বন সংরক্ষক মোঃ শরীফুল ইসলাম। তিনি বলেন, বন কর্মকর্তা শ্যামা প্রশাদ রায় বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা করেছেন। জব্দ কয়লা ও আটককৃতদের শরণখোলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

শ্যামনগরে প্রতিবন্ধকতা জয় করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন সোহাগের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫৩ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে প্রতিবন্ধকতা জয় করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন সোহাগের

সংবাদদাতা: শারীরিক সীমাবদ্ধতা কখনো স্বপ্নের পথ রুদ্ধ করতে পারে না-তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সোহাগ হোসেন। জন্মগত প্রতিবন্ধকতা ও চলাচলের তীব্র অসুবিধা সত্ত্বেও ভিক্ষাবৃত্তি বা অন্যের অনুকম্পার মুখাপেক্ষী না হয়ে নিজের মেধা ও পরিশ্রমে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য চেষ্টা করছে এই তরুণ।

সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার নূরনগর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর হাজীপুর গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী হালদারের ছেলে সোহাগ হোসেন। জন্ম থেকেই তিনি শারীরিক প্রতিবন্ধী। দুই পায়ে শক্তি পান না বললেই চলে; চলাফেরার একমাত্র সম্বল একজোড়া লাঠি। তবে জীবনের কঠিন বাস্তবতার কাছে হার মানেননি তিনি।

অনেকে শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে অজুহাত বানিয়ে সহজ পথ বেছে নিলেও সোহাগ হেঁটেছেন সম্পূর্ণ ভিন্ন পথে। বর্তমানে তিনি নূরনগর বাজারের সর্বজনীন দুর্গামন্ডপসংলগ্ন সড়কের পাশে একটি অস্থায়ী দোকান দিয়ে ব্যবসা শুরু করেছেন। সেখানে তিনি বিক্রি করছেন নিজ বাড়িতে তৈরি হরেক রকমের সুস্বাদু কেক। সোহাগ জানান, ক্রেতাদের কাছ থেকে বেশ ভালো সাড়াও পাচ্ছেন।

পরিবারকে তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “বাড়িতে সম্পূর্ণ নিজস্ব উপায়ে মানসম্মত কেক তৈরিতে আমাকে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করছেন আমার বড় বোন শারমিন সুলতানা এবং বাবা-মা। তাঁদের নিরলস সমর্থন না থাকলে আমি এত দূর আসতে পারতাম না।”

সোহাগের আকুল আবেদন, সরকার বা কোনো সামাজিক সংস্থার পক্ষ থেকে যদি তাঁকে এককালীন আর্থিক সহায়তা কিংবা কম্পিউটার বিষয়ের ওপর উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো, তবে তিনি আরও বড় পরিসরে নিজের আত্মকর্মসংস্থান গড়ে তুলতে পারতেন এবং সমাজে আরও উন্নত জীবনযাপন করতে পারতেন।

প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর এই অনন্য প্রয়াস স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। সুশীল সমাজের মতে, সোহাগের মতো আত্মপ্রত্যয়ী তরুণদের পাশে যদি সরকারি বা বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা দাঁড়ায়, তবে তাঁরা সমাজের বোঝা না হয়ে দেশের সম্পদে পরিণত হতে পারেন।

 

যশোরে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ
যশোরে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শন

বিদ্যুৎ, জ¦ালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আজ (মঙ্গলবার) সকালে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে যশোরের আরবপুর ইউনিয়নের আদিবাসী সর্বজনীন পূজাম-প, দেয়াড়া চান্দুটিয়া পূজামন্ডপ, চুড়ামনকাটি দাসপাড়া মন্দির, কাশিমপুর বিজয়নগর কুন্ডুপাড়া মন্দির, নওয়াপাড়া বাহাদুরপুর সর্বজনীন পূজাম-পসহ বিভিন্ন পূজাম-প পরির্দশন ও ভক্তদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এসময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। উৎসবমূখর পরিবেশে এবারের দুর্গাপূজা উদযাপন করা হচ্ছে। দেশের সকল স্তরের মানুষ নির্বিঘেœ ও শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মীয় উৎসব পালন করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থানের উন্নয়নের পাশাপাশি সরকার মন্দির ও শ্মশানঘাটগুলোর উন্নয়ন করছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, মাদক থেকে সন্তানদের দূরে রাখতে হবে। মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সন্তানদের সতর্ক করে দিবেন। মাদক সন্তানদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিতে পারে। তাদের খেলাধুলা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে গুরুত্বসহকারে জানাতে হবে। খেলাধুলার মান উন্নয়নে যশোর জেলা স্টেডিয়াম নতুনভাবে উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ প্রদান করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত এপ্রিলে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এ হাসপাতালে দ্রুত করোনারী চিকিৎসা সুবিধা পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এখানে হৃদরোগের চিকিৎসা হবে, আপনাদের আর বিদেশে যেতে হবে না। তিনি নতুনভাবে যশোরকে গড়তে ও সাজাতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন মন্দির কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বিকালে তিনি চাঁচড়া ইউনিয়নের বর্মনপাড়া মন্দির, রামনগর বাজুয়াডাঙ্গা সার্বজনীন মন্দির, নরেন্দ্রপুরের রূপদিয়া বাজার কালী মন্দির, কচুয়া রায়মানিক পূজা মন্দিরসহ বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শন করেন।

বিদ্যুৎ, জ¦ালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত গতকাল ১৯ অক্টোবর রাতে যশোর চৌরাস্তা পূজাম-প, সুধীর ঘোষ পূজাম-প, বেজপাড়া সার্বজনীন পূজাম-প, শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রম পূজাম-পসহ বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শন ও ভক্তদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তথ্যবিবরণী