বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সারের আকাশছোঁয়া দাম ও সংকট নিরসনে পদক্ষেপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ
সারের আকাশছোঁয়া দাম ও সংকট নিরসনে পদক্ষেপ

মো. মাসুদ রানা

‎কৃষিপ্রধান বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলেন আমাদের কৃষক সমাজ। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি ও এমপিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় রাসায়নিক সারের দাম সাধারণ ও প্রান্তিক কৃষকদের নাগালের বাইরে চলে গেছে। ডিলার পর্যায়ের সিন্ডিকেট, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি এবং স্থানভেদে সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি মূল্যে সার বিক্রির কারণে কৃষকেরা চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।

‎উৎপাদন খরচ বহুগুণ বেড়ে যাওয়ায় অনেক কৃষক চাষাবাদ কমাতে বাধ্য হচ্ছেন, যার সরাসরি প্রভাব পড়তে যাচ্ছে আগামী মৌসুমের সামগ্রিক খাদ্য উৎপাদনের ওপর।

‎‎সারের দাম বৃদ্ধি ও সংকটের প্রধান কারণসমূহ-
‎‎ডিলার ও অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট: সরকার নির্ধারিত দামে সার না দিয়ে কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রি করা।
‎‎মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য: খুচরা বাজার ও প্রান্তিক পর্যায়ে সারের পৌঁছানোর মাঝখানে একাধিক হাতবদল হওয়া।
‎দেশীয় উৎপাদনে জ্বালানি সংকট: সার কারখানাগুলোতে পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহের অভাবে দেশীয় উৎপাদন ব্যাহত হওয়া এবং আমদানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা।
‎‎তদারকির অভাব: স্থানীয় পর্যায়ে উপজেলা ও ইউনিয়ন কৃষি অফিসের নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের ঘাটতি।

‎‎কৃষি ও কৃষকদের রক্ষায় আশু করণীয় পদক্ষেপ-
‎‎ক. বাজার নিয়ন্ত্রণ ও সরকারি তদারকি
‎কঠোর মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট: ‎ডিলার ও খুচরা সার বিক্রেতাদের গুদাম এবং দোকানে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি নিশ্চিত করা। অসাধু সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে দ্রুত শাস্তির ব্যবস্থা করা।
‎‎সার ডিলারশিপ ব্যবস্থা পুনঃমূল্যায়ন: যেসব ডিলার কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বা নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি নেয়, তাদের লাইসেন্স তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল করা।

‎‎খ. ডিজিটাল পদ্ধতিতে সরাসরি ভর্তুকি প্রদান
‎কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রণোদনা: সারের ভর্তুকি যেন কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর পকেটে না যায়, সেজন্য মোবাইল ব্যাংকিংয়ের (বিকাশ/নগদ/রকেট) মাধ্যমে নিবন্ধিত প্রকৃত কৃষকদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি সারের ভর্তুকির টাকা বা ডিজিটাল ভাউচার পাঠানো।

‎‎গ. সরবরাহ নিশ্চিতকরণ ও বিকল্প ব্যবস্থা
‎দেশীয় কারখানায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গ্যাস সরবরাহ: দেশীয় সার কারখানাগুলো চালু রেখে উৎপাদন সর্বোচ্চ পর্যায়ে নেওয়া, যাতে আমদানির ওপর নির্ভরতা ও খরচ দুই-ই কমে।
‎সেচ ও বিদ্যুৎ সুবিধা: সেচ মৌসুমে কৃষি ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ বিভ্রাট কমানো এবং সারের বিকল্প হিসেবে জৈব ও সুষম সার ব্যবহারে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।

‎‎ঘ. প্রান্তিক কৃষকদের আর্থিক সুরক্ষা
‎সহজ শর্তে কৃষি ঋণ: সারের বাড়তি খরচ সামাল দিতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য জামানতহীন ও নামমাত্র সুদে জরুরি কৃষি ঋণের সুবিধা চালু করা।

‎‎সারের অনিয়ন্ত্রিত মূল্যবৃদ্ধি কেবল কৃষকের একার সমস্যা নয়; এটি পুরো দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি। সারের দাম অবিলম্বে নিয়ন্ত্রণে না আনলে চাল, ডাল ও শাকসবজির উৎপাদন ব্যাপক হ্রাস পাবে, যা দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতিকে আরও ভয়াবহ রূপ দেবে। তাই কালক্ষেপণ না করে ডিলার সিন্ডিকেট ভেঙে ফেলা, বাজারে প্রশাসনিক নজরদারি জোরদার করা এবং কৃষকের হাতে সরাসরি সরকারি সহায়তা পৌঁছানো এখন সময়ের দাবি।

মো. মাসুদ রানা, ‎এমএসসি, পদার্থ বিজ্ঞান, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ

Ads small one

বেক্সিমকোর আরও দুই কোম্পানির পর্ষদ থেকে বাদ সালমান এফ রহমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০৬ পূর্বাহ্ণ
বেক্সিমকোর আরও দুই কোম্পানির পর্ষদ থেকে বাদ সালমান এফ রহমান

 

বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের পর এবার বেক্সিমকো গ্রুপের তালিকাভুক্ত আরও দুই প্রতিষ্ঠান শাইনপুকুর সিরামিকস ও বেক্সিমকো লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ থেকেও বাদ পড়েছেন সালমান এফ রহমান। এর ফলে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বেক্সিমকো গ্রুপের তিন কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদেই আর থাকছেন না তিনি।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সভায় শাইনপুকুর সিরামিকস ও বেক্সিমকো লিমিটেডের পুনর্গঠিত পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিএসইসি সূত্র জানায়, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থসহ সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে কোম্পানি দুটির পর্ষদ পুনর্গঠনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দুই কোম্পানির পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। পুনর্গঠিত দুই পর্ষদ থেকেই সালমান এফ রহমানকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের অনুমোদন দেয় বিএসইসি। ওই পর্ষদ থেকেও সালমান এফ রহমানকে বাদ দেওয়া হয়। ফলে তালিকাভুক্ত বেক্সিমকো গ্রুপের তিন প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, শাইনপুকুর সিরামিকস ও বেক্সিমকো লিমিটেড; কোনোটির পরিচালনা পর্ষদেই এখন আর তিনি নেই।

দুই কোম্পানির চেয়ারম্যান এ এস এফ রহমান

বিএসইসির অনুমোদিত পুনর্গঠিত পর্ষদ অনুযায়ী, শাইনপুকুর সিরামিকসের চেয়ারম্যান করা হয়েছে সালমান এফ রহমানের ভাই আহমেদ সোহেল ফসিহুর রহমানকে (এ এস এফ রহমান)। কোম্পানিটির উদ্যোক্তা পরিচালক হিসেবে রয়েছেন ওসমান কায়সার চৌধুরী, ইকবাল আহমেদ, আজমল কবির ও কামরুন নাহার আহমেদ।

এ ছাড়া শাইনপুকুর সিরামিকসের পর্ষদে দুজন স্বতন্ত্র পরিচালক যুক্ত করার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে বিএসইসি। তবে তাদের একজনেরও নাম এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

অন্যদিকে বেক্সিমকো লিমিটেডের চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পেয়েছেন এ এস এফ রহমান। কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে পর্ষদে রয়েছেন ওসমান কায়সার চৌধুরী।

বেক্সিমকো লিমিটেডের পুনর্গঠিত পর্ষদে উদ্যোক্তা পরিচালক হিসেবে ইকবাল আহমেদ, আজমল কবির ও কামরুন নাহার আহমেদকে রাখা হয়েছে। স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে শাহ মঞ্জুরুল হকসহ আরও একজনকে রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে দ্বিতীয় স্বতন্ত্র পরিচালকের নাম এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

পর্ষদে থাকছেন সালমান-ঘনিষ্ঠরা

বেক্সিমকো গ্রুপের তালিকাভুক্ত তিন কোম্পানির পর্ষদ থেকে সালমান এফ রহমান বাদ পড়লেও পুনর্গঠিত পর্ষদে তার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিদের অনেকেই রয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য, দেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বেক্সিমকো গ্রুপ যে প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছে, তা বিবেচনায় নিয়ে সালমান এফ রহমান পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়াতে সম্মত হন। তার কারণে কোম্পানির ব্যবসা ও শেয়ারধারীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই পর্ষদ পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় তালিকাভুক্ত তিন কোম্পানির পর্ষদ পুনর্গঠন করা হচ্ছে।

গত বছর শেয়ারবাজারে আজীবন অবাঞ্ছিত ঘোষণা

২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বেক্সিমকো গ্রুপের ব্যবসা ও আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে নানা আলোচনা তৈরি হয়। একই সময়ে সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

এর আগে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে সালমান এফ রহমানকে শেয়ারবাজারে ‘আজীবন অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করে বিএসইসি। এরপর ধাপে ধাপে বেক্সিমকো গ্রুপের তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

প্রথমে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের পর্ষদ থেকে তাকে সরানো হয়। এবার একই প্রক্রিয়ায় শাইনপুকুর সিরামিকস ও বেক্সিমকো লিমিটেডের পর্ষদ থেকেও তার নাম বাদ পড়লো।ফলে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বেক্সিমকো গ্রুপের তিন প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে সালমান এফ রহমানের সরাসরি কোনো পদ থাকলো না।

২৭০০ বিড়াল চুরি করে মাংস বিক্রি, ভিয়েতনামে মূলহোতাসহ চক্রের ১২ সদস্য গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০০ পূর্বাহ্ণ
২৭০০ বিড়াল চুরি করে মাংস বিক্রি, ভিয়েতনামে মূলহোতাসহ চক্রের ১২ সদস্য গ্রেফতার

ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটিতে প্রায় ২ হাজার ৭০০টি বিড়াল চুরি ও মাংসের জন্য বিক্রির অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের ১২ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে স্থানীয় পুলিশ। তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ বিড়াল ধরার ফাঁদ, পশম তোলার মেশিন ও ডিজিটাল স্কেল জব্দ করেছে।

অনলাইন পোর্টাল ভিএনএক্সপ্রেস ইন্টারন্যাশনাল-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়, গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে ৩৯ বছর বয়সী লু থান বিনকে এই নেটওয়ার্কের মূলহোতা হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। সম্পত্তি চুরির অভিযোগে বিন ও তার ১১ সহযোগীর বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, চক্রটির সদস্যরা রাতের বেলা ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে মোটরসাইকেলে করে বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় ঘুরে বেড়াত। যেসব বাড়িতে বিড়াল পোষা হতো, সেগুলোর বাইরে ছোপ ছোপ মাছ দিয়ে ফাঁদ পেতে রাখা হতো। প্রতিটি দল প্রতি রাতে চার থেকে ১০টি করে বিড়াল চুরি করতো।

গত ৮ জুলাই ডং থান কম্যুনে চালানো এক অভিযানে এই নেটওয়ার্কের সন্ধান মেলে। সেখানে ৫০টি বিড়াল, ৫৫টি ফাঁদ ও দুটি স্কেল উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের মুখে ১২ আসামি স্বীকার করেছেন, তারা প্রায় ২ হাজার ৭০০টি বিড়াল চুরি করে বিক্রি করেছেন। তবে এই চক্র কত দিন ধরে সক্রিয় ছিল, তা পুলিশ এখনও নির্ধারণ করতে পারেনি।

বিড়াল চুরির পাশাপাশি বিন অন্যান্য স্বাধীন বিক্রেতাদের কাছ থেকেও বিড়াল কিনতেন। জুলাইয়ে উদ্ধার হওয়া ৫০টি বিড়ালের মধ্যে ১৩টিকে প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ভিয়েতনামে, বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের বয়স্ক জনগোষ্ঠীর মধ্যে কুকুর ও বিড়ালের মাংস খাওয়া বৈধ। বৈজ্ঞানিক প্রমাণ না থাকলেও অনেকে মনে করেন, বিড়ালের মাংস খেলে ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয়। দেশটির বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় প্রকাশ্যেই এ ধরনের মাংসের খাবার বিক্রি করা হয়; তবে বিক্রেতাদের কাছে প্রাণীর উৎসের সঠিক অনুমোদনপত্র থাকতে হয়।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ভিয়েতনামে কুকুর ও বিড়ালের মাংসের ব্যবসা বন্ধের দাবিতে আড়াই লাখেরও বেশি মানুষ এক পিটিশনে স্বাক্ষর করেন। এছাড়া ২০২১ সালে দেশটির হোই আন শহর কুকুর ও বিড়ালের মাংস বিক্রি ও গ্রহণ বন্ধের অঙ্গীকার করে।

সূত্র: এনডিটিভি

সাফের আগে ধাক্কা, জায়ান হাকিমকে পাচ্ছে না বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ
সাফের আগে ধাক্কা, জায়ান হাকিমকে পাচ্ছে না বাংলাদেশ

 

নভেম্বরে ঢাকায় হতে যাচ্ছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। তার আগে বাংলাদেশ দলে আরও প্রবাসী ফুটবলার অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা চলছে। তবে সেই উদ্যোগের শুরুতেই ধাক্কা খেতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।

ইংল্যান্ডে জন্ম নেওয়া জায়ান হাকিমকে আপাতত পাচ্ছে না বাংলাদেশ দল। ২৭ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডকে নিয়ে বাংলাদেশ দলের কোচ থমাস ডুলি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘বাফুফে জায়ান হাকিম-সম্পর্কিত সব বিষয়ে কাজ করছে। আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তবে সবকিছু আমাদের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে না। ফিফার নিয়মাবলীর অধীনে জায়ান হাকিমের মতো একজন খেলোয়াড় বাংলাদেশের হয়ে খেলার যোগ্য নন। তিনি এর আগে একাধিকবার অ্যান্টিগার হয়ে খেলেছেন। সম্ভবত এ কারণেই তিনি বাংলাদেশের হয়ে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন না।’