বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

সুন্দরবনের জলদস্যু জোনাব বাহিনীর তিন সক্রিয় সদস্য আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনের জলদস্যু জোনাব বাহিনীর তিন সক্রিয় সদস্য আটক

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে আজিবার গাজী (৪৭), রবিউল গাজী (৪৪) ও ফারুক হোসেন (৩৬) নামে তিন জলদস্যুকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার কালিঞ্চি স্লুইসগেট এলাকা থেকে কৈখালী বিসিজি স্টেশন সদস্যরা তাদের আটক করে। এসময় আটককৃতদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে সুন্দরবনের হরিণটানা খালসংলগ্ন এলাকা থেকে একটি একনলা বন্দুকসহ দুই রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। আটককৃতরা উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের কালিঞ্চি গ্রামের বাসিন্দা।

কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, “অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড”-এর আওতায় পরিচালিত অভিযানে তিন জলদস্যুকে মঙ্গলবার রাতে আটক করা হয়েছে। তারা সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত জোনাব বাহিনীর সক্রিয় সদস্য। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে সুন্দরবন থেকে একটি অস্ত্র ও কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। সুন্দরবনে ডাকাতিসহ সাধারণ জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল তারা।

এদিকে শরীফ উদ্দীন ও জামির আলীসহ স্থানীয়রা জানিয়েছে রবিউল ইসলাম ওরফে চেঙ্গিজ রবিউল সুন্দরবনের কুখ্যাত জলদস্যু মঞ্জু বাহিনীর সেকেন্ড-ইন কমান্ড হিসেবে ২০১৭ সালে আত্মসমর্পণ করে। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৫ আগষ্টের পর আবারও সুন্দরবনে দস্যুতায় সক্রিয় হয়ে জোনাব বাহিনী নামে কাজ শুরু করে। শ্যামনগর পৌরসদরের প্রভাবশালী দুই রাজনীতিকের প্রকাশ্য সহায়তায় সাম্প্রতিক সময়ে সামীন্তের চোরাচালান নিয়ন্ত্রণসহ সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে দস্যুতা চালিয়ে আসছিল তার বাহিনী। চেঙ্গিজ রবিউলকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে গডফাদারের নাম পরিচয় প্রকাশসহ অস্ত্র ভান্ডারের বিষয়ে গুরুত্বপুর্ন তথ্য মিলবে বলবে।

শ্যামনগর থানার থফিসার ইনচার্জ খালেদুর রহমান জানান আটককৃতদের বিরুদ্ধে কোস্টগার্ড সদস্যরা বাদি হয়ে মামলা দিয়েছে। অস্ত্র আইনের মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

Ads small one

তীব্র লোডশেডিংয়ে অচল সাতক্ষীরা সদর: গ্রামে ত্রাহি অবস্থা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ণ
তীব্র লোডশেডিংয়ে অচল সাতক্ষীরা সদর: গ্রামে ত্রাহি অবস্থা

সংবাদদাতা: কোনো এলাকাতেই স্বস্তি নেই; তীব্র তাপদাহ আর ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো সাতক্ষীরা সদর উপজেলা। শহরের কাটিয়া, পলাশপোল, ইটাগাছা কিংবা সুলতানপুর-সবখানেই বিদ্যুতের একই দশা। অপরদিকে গ্রামীণ ফিডারগুলোর অবস্থা আরও শোচনীয়। ঝাউডাঙ্গা, বল্লী, ফিংড়ী, বাশদহা কিংবা কুশখালী ইউনিয়নে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অর্ধেকর ও বেশি সময়ই বিদ্যুৎ থাকছে না। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, এটি এখন আর সাধারণ বিভ্রাট নয়, এটি বিদ্যুতের ‘মহামারি’।

সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও ওজোপাডিকো মিলিয়ে পুরো জেলায় বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৫০ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ মিলছে মাত্র ৯৫ মেগাওয়াট। প্রতিদিন প্রায় ৫৫ মেগাওয়াট ঘাটতি নিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে সরবরাহ।

পৌর এলাকায় তাও কিছুটা বিদ্যুৎ পাওয়া গেলেও, সদরের গ্রামগুলোতে লোডশেডিংয়ের মাত্রা ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। রাতে কমপক্ষে ৮ থেকে ১০ বার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করছে।

সাতক্ষীরা বিসিক শিল্পনগরী সূত্র জানায়, ৪২টি কারখানাসহ সদরের শত শত লেদ ও চালকলের উৎপাদন পুরোপুরি লাটে উঠেছে। বিদ্যুৎ না থাকায় শ্রমিকেরা অলস বসে থাকছেন, অথচ মালিকদের গুনতে হচ্ছে নিয়মিত বেতন।
দাবদাহের কারণে ফসলের মাঠ শুকিয়ে চৌচির হলেও বিদ্যুৎ সংকটে সেচ পাম্পগুলো চালানো যাচ্ছে না। এতে আমন ও রবি শস্যের আবাদ মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে।

রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের বিশেষ করে পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রচন্ড গরমে ভাইরাসজনিত রোগ ও চর্মরোগের প্রকোপ বাড়ায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে রোগীর ভিড় উপচে পড়ছে।

ক্ষুব্ধ গ্রাহক ও কর্তৃপক্ষের অসহায়ত্ব বিদ্যুতের এই ভয়াবহ সংকটের কারণে সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেক এলাকায় গ্রাহকেরা বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তাদের অবহেলাকে দায়ী করছেন। তবে বিদ্যুৎ বিভাগের দাবি, জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ না পাওয়ায় তাদের কিছুই করার নেই। তীব্র গরমে ফ্যানের পাশাপাশি এসির ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় লোড আরও বেড়েছে, যা বর্তমান সরবরাহ দিয়ে সামাল দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সংবাদদাতা: মোঃ রবিউল ইসলাম

জনবল-সংকটে থমকে যাচ্ছে চিংড়ি চাষ প্রদর্শনী খামারের কার্যক্রম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:৪১ অপরাহ্ণ
জনবল-সংকটে থমকে যাচ্ছে চিংড়ি চাষ প্রদর্শনী খামারের কার্যক্রম

কোটি টাকার আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারে নেই টেকনিশিয়ান, অকেজো হওয়ার শঙ্কা

সংবাদদাতা: চিংড়ি শিল্পকে আধুনিক ও টেকসই করতে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল চিংড়ি চাষ প্রদর্শনী খামার। উদ্দেশ্য ছিল গবেষণা, উন্নত পোনা উৎপাদন, পানির গুণগত মান পর্যবেক্ষণ এবং খামারিদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি। কিন্তু প্রয়োজনীয় জনবল ও দক্ষ টেকনিশিয়ানের অভাবে সেই স্বপ্ন এখন অনেকটাই থমকে গেছে। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপিত আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের অভাবে অকেজো হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

খামারটিতে রয়েছে আধুনিক হ্যাচারি, পিসিআর ল্যাব, কোয়ারেন্টাইন ল্যাবসহ বিভিন্ন ভারী ও আধুনিক যন্ত্রপাতি। পাশাপাশি রয়েছে পানির গুণগত মান পরীক্ষার (ওয়াটার কোয়ালিটি টেস্টিং) ব্যবস্থা, উন্নত পোনা উৎপাদনের প্রযুক্তি এবং গবেষণাগার। এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে রোগমুক্ত ও মানসম্মত পোনা উৎপাদন, পানির পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং রোগ প্রতিরোধ বিষয়ে গবেষণার সুযোগ থাকলেও দক্ষ অপারেটর ও পর্যাপ্ত প্রযুক্তিগত জনবল না থাকায় অনেক যন্ত্রই নিয়মিত ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চিংড়ি শিল্প এখন কঠিন সময় পার করছে। রোগব্যাধি, মানসম্মত পোনার সংকট, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের কারণে অনেক খামারি ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে গবেষণা ও প্রশিক্ষণভিত্তিক এই প্রদর্শনী খামার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারত। কিন্তু জনবল সংকটের কারণে প্রতিষ্ঠানটি তার পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগাতে পারছে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক চিংড়ি চাষে পানির তাপমাত্রা, লবণাক্ততা, দ্রবীভূত অক্সিজেন ও পিএইচ পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব তথ্যের ভিত্তিতে রোগ প্রতিরোধ ও উৎপাদন বৃদ্ধি সম্ভব। এজন্য উন্নত ল্যাব ও পরীক্ষণ যন্ত্রের প্রয়োজন হলেও শুধু যন্ত্রপাতি স্থাপন করলেই হবে না, সেগুলো পরিচালনার জন্য দক্ষ জনবলও অপরিহার্য।
খামারের একটি প্রধান লক্ষ্য ছিল মাঠপর্যায়ের চাষিদের আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাও বলছে, প্রদর্শনী খামার ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ কৃষকদের নতুন প্রযুক্তি গ্রহণে সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। কিন্তু বর্তমানে নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় উপকূলের বহু খামারি সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

এদিকে চিংড়ি শিল্পে রোগব্যাধির ঝুঁকি বাড়ছে। অতীতে ব্যাকটেরিয়া আক্রমণে দেশের বিভিন্ন হ্যাচারিতে শতকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। আবার ভাইরাসজনিত রোগে সাতক্ষীরা অঞ্চলের চিংড়ি খামারগুলোও বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। গবেষণা ও আগাম সতর্কতামূলক কার্যক্রম জোরদার না হলে ভবিষ্যতেও এমন সংকট দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

খামার সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, বর্তমানে অনেক যন্ত্রপাতি সীমিতভাবে ব্যবহার হচ্ছে, কিছু যন্ত্র দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থায় রয়েছে। সময়মতো রক্ষণাবেক্ষণ না হলে এসব মূল্যবান যন্ত্রপাতি স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তখন নতুন করে যন্ত্রপাতি কেনা ও অবকাঠামো সচল করতে আবারও বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হবে।

সাতক্ষীরাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল দেশের চিংড়ি উৎপাদনের অন্যতম কেন্দ্র। জেলার হাজার হাজার পরিবার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এ খাতের ওপর নির্ভরশীল। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রদর্শনী খামারটি পূর্ণ সক্ষমতায় চালু করা গেলে মানসম্মত পোনা উৎপাদন, রোগ ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু দ্রুত জনবল নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু না হলে কোটি টাকার প্রযুক্তি অব্যবহৃত থেকে যাবে, আর হারিয়ে যেতে পারে চিংড়ি শিল্পে সম্ভাবনার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।

সাতক্ষীরা জেলা চিংড়ি পোনা ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি এবং শ্রিম্প হ্যাচারি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (সেব)-এর সাতক্ষীরা ও খুলনা অঞ্চলের সভাপতি ডা. আবুল কালাম বাবলা বলেন, “সাতক্ষীরার পিসিআর ল্যাব চালু করা গেলে পোনা ছাড়ার আগে জীবাণু আছে কি না তা জানা যেত। এতে আমাদের উৎপাদন অনেক ভালো হতো।” তিনি আরও বলেন, “এই যন্ত্রপাতিগুলো চালুর বিষয়ে আমি সচিবালয়ের বৈঠকেও জানিয়েছি। কিন্তু জনবল সংকটের কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না। এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।”

চিংড়ি চাষ প্রদর্শনী খামারের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহ: শফিকুল ইসলাম বলেন, আধুনিক এসব যন্ত্রপাতি জেলা মৎস্য কর্মকর্তার অধীনে। “আপনি উনার সাথে কথা বলুন। আমি একটি মিটিংয়ে আছি, পরে কথা হবে,”
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জি. এম. সেলিম বলেন, “সাতক্ষীরা থেকে দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ বাগদা চিংড়ি উৎপাদন হয়। এখানে পিসিআর ল্যাব, কোয়ারেন্টাইন ল্যাবসহ অনেক ভারী ও আধুনিক যন্ত্রপাতি রয়েছে। কিন্তু জনবল সংকটের কারণে সেগুলো ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এসব যন্ত্রপাতির কেমিক্যালের মেয়াদ ২০২৮ সালে শেষ হয়ে যাবে। আমরা আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে জনবল নেওয়ার জন্য লিখিতভাবে জানিয়েছি। এসব যন্ত্র ব্যবহার করা খুবই প্রয়োজন।”

 

তিনি আরও বলেন, “আগে এসব পরীক্ষার জন্য খুলনা বা ঢাকায় যেতে হতো। এখন এখানে পরীক্ষা করা সম্ভব হলে সময় ও খরচ দুটোই কমবে। পোনাগুলো জীবাণুমুক্ত কি না তা পরীক্ষা করা যাবে, এতে ব্যবসায়ীরা লাভবান হবেন। এছাড়া পানির গুণগত মান পরীক্ষার জন্যও এখানে আধুনিক যন্ত্রপাতি রয়েছে।” সংবাদদাতা আব্দুর রহমান

 

 

কপিলমুনিতে এক ব্যক্তির আত্মহত্যা!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:৩৫ অপরাহ্ণ
কপিলমুনিতে এক ব্যক্তির আত্মহত্যা!

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: কপিলমুনির পার্শ্ববর্তী উত্তর সলুয়া গ্রামে জিয়ারুল মজলিস (৪২) নামে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত জিয়ারুল মজলিস উত্তর সলুয়া গ্রামের মৃত নওয়াব আলী মজলিসের ছেলে। তিনি দুই পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার রাতে কোনো এক সময় বাড়ির পাশে একটি গাছের ডালে গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন জিয়ারুল। বুধবার সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান।

খবর পেয়ে পাইকগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

নিহতের স্ত্রী জানান, “এর আগেও একবার তিনি বিষপান করেছিলেন। এরপর থেকে তিনি মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন।”

এ বিষয়ে হরিঢালী ইউপি’র ৮নং ওয়ার্ড সদস্য বিষু পদ রায় বলেন, “জিয়ারুল ভালো মানুষ ছিলেন। তবে কিছুদিন ধরে তিনি মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।