রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

সুফিয়া কামাল: মানবতা, সৌন্দর্য ও নারী জাগরণের চিরন্তন কণ্ঠস্বর,,

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
সুফিয়া কামাল: মানবতা, সৌন্দর্য ও নারী জাগরণের চিরন্তন কণ্ঠস্বর,,

শেখ সিদ্দিকুর রহমান
আজ ২০ জুন, বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক প্রথিতযশা কবি, মানবতাবাদী, সমাজসংস্কারক এবং নারী জাগরণের অগ্রদূত সুফিয়া কামালের জন্মদিন। ১৯১১ সালের এই দিনে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বরিশাল জেলার শায়েস্তাবাদে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা সৈয়দ আব্দুল বারী এবং মাতা সাবেরা খাতুন। রক্ষণশীল পারিবারিক পরিবেশে বেড়ে ওঠায় প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ তাঁর খুব সীমিত ছিল, কিন্তু অদম্য ইচ্ছাশক্তি, মেধা ও আত্মপ্রচেষ্টার মাধ্যমে তিনি নিজেকে গড়ে তুলেছিলেন বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে।
শৈশব থেকেই সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি তাঁর গভীর আকর্ষণ ছিল। তিনি নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার সংস্পর্শে এসে নারীর শিক্ষা, আত্মমর্যাদা ও সমাজ পরিবর্তনের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হন। তাঁর সাহিত্যজীবনের শুরু অল্প বয়সেই। তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতা ছিল ‘বাসন্তী’। পরবর্তীতে ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘সাঁঝের মায়া’, যা বাংলা সাহিত্যে তাঁর একটি শক্তিশালী আবির্ভাবের ঘোষণা দেয়।
‘সাঁঝের মায়া’ কাব্যগ্রন্থের মুখবন্ধ লেখেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। তিনি সুফিয়া কামালের কবিতার অনুভব ও সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে লিখেছিলেন-“সাঁঝের মায়ার কবিতাগুলি সাঁঝের মায়ার মতোই যেমন বিষাদঘন, তেমনি রঙিন—গোধূলির রঙের মতো রঙিন। এ সন্ধ্যা কৃষ্ণা-তিথির সন্ধ্যা নয়, শুক্লা চতুর্দশীর সন্ধ্যা। প্রতিভার পূর্ণচন্দ্র আবির্ভাবের জন্য বুঝি এমনি বেদনাপুঞ্জিত অন্ধকারের, বিষাদের প্রয়োজন আছে।
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও সুফিয়া কামালের কবিতা পড়ে তাঁর প্রতিভার প্রশংসা করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ তাঁর লেখনীতে সুফিয়া কামালের কবিত্বশক্তি, ভাষার সৌন্দর্য ও অনুভূতির আন্তরিকতার স্বীকৃতি দেন। রবীন্দ্রনাথের মতো বিশ্বকবির এই স্বীকৃতি সুফিয়া কামালের সাহিত্যজীবনে ছিল এক অনন্য সম্মান এবং অনুপ্রেরণার উৎস।
সুফিয়া কামালের কবিতার সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল তাঁর সহজ-সরল ভাষা, গভীর মানবিকতা এবং হৃদয়স্পর্শী অনুভূতি। তিনি জটিল শব্দচয়নের মাধ্যমে নয়, মানুষের হৃদয়ের কথা মানুষের ভাষায় প্রকাশ করে পাঠকের ভালোবাসা অর্জন করেছেন। তাঁর কবিতায় বাংলার প্রকৃতির রূপ, নদী, পাখি, ফুল, ঋতুচক্র যেমন জীবন্ত হয়ে উঠেছে, তেমনি উঠে এসেছে মানুষের দুঃখ, বেদনা, ভালোবাসা, সংগ্রাম এবং স্বপ্ন।
তিনি শুধু কবিতার জগতে সীমাবদ্ধ ছিলেন না; সমাজ ও রাষ্ট্রের নানা সংকটময় সময়ে তিনি ছিলেন একজন সাহসী কণ্ঠস্বর। ভাষা আন্দোলন, স্বাধিকার আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশে নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তাঁর অবদান ইতিহাসে চিরস্মরণীয়। দীর্ঘদিন তিনি বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং নারীর অধিকার, শিক্ষা ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় নিরলস সংগ্রাম করেছেন।
সাহিত্যে তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘সাঁঝের মায়া’, ‘মায়া কাজল’, ‘মন ও জীবন’, ‘উদাত্ত পৃথিবী’ এবং স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ ‘একাত্তরের ডায়েরি’। সাহিত্য ও সমাজসেবায় অসামান্য অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, একুশে পদক এবং স্বাধীনতা পুরস্কারসহ অসংখ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মাননায় ভূষিত হন।
১৯৯৯ সালের ২০ নভেম্বর এই মহীয়সী নারী পৃথিবী থেকে বিদায় নেন। কিন্তু তাঁর মৃত্যু তাঁর আদর্শের মৃত্যু নয়। তাঁর কবিতা, মানবপ্রেম, অসাম্প্রদায়িক চেতনা এবং নারী মুক্তির সংগ্রাম আজও আমাদের পথ দেখায়।
সুফিয়া কামাল ছিলেন এমন এক আলোকবর্তিকা, যিনি কলমকে ব্যবহার করেছেন সৌন্দর্যের জন্য, মানুষের মুক্তির জন্য এবং সমাজের অন্ধকার দূর করার জন্য। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য যতদিন বেঁচে থাকবে, ততদিন তাঁর কবিতা ও তাঁর আদর্শ নতুন প্রজন্মের হৃদয়ে প্রেরণার আলো জ্বালিয়ে রাখবে।
“সাঝের মায়া”
অনন্ত সূর্যাস্ত-অন্তে আজিকার সূর্যাস্তের কালে
সুন্দর দক্ষিণ হস্তে পশ্চিমের দিকপ্রান্ত-ভালে
দক্ষিণা দানিয়া গেল, বিচিত্র রঙের তুলি তারথ
বুঝি আজি দিনশেষে নিঃশেষে সে করিয়া উজাড়
দানের আনন্দ গেল শেষ করি মহাসমারোহে।
সুমধুর মোহে
ধীরে ধীরে ধীরে
প্রদীপ্ত ভাস্কর এসে বেলাশেষে দিবসের তীরে
ডুবিল যে শান্ত মহিমায়,
তাহারি সে অন্তরাগে বসন্তের সন্ধ্যাকাশ ছায়।
ওগো ক্লান্ত দিবাকর! তব অন্ত-উৎসবের রাগে
হেথা মর্তে বনানীর পল্লবে পল্লবে দোলা লাগে।
শেষ রশ্মিকরে তব বিদায়ের ব্যথিত চুম্বন
পাঠায়েছ। তরুশিরে বিচিত্র বর্ণের আলিম্পন
করিয়াছে উন্মন অধীর
মৌনা, বাক্যহীনা, মূক বক্ষখানি স্তব্ধ বিটপীর।
তারো চেয়ে বিড়ম্বিতা হেথা এক বন্দিনীর আঁখি
উদাস সন্ধ্যায় আজি অস্তাচল-পথপরি রাখি
ফিরাইয়া আনিতে না পারে
দূর হতে শুধু বারে বারে
একান্ত এ মিনতি জানায়:
কখনও ডাকিয়ো তারে তোমার এ শেষের সভায়!
সাঙ্গ হলে সব কর্ম, কোলাহল হলে অবসান,
দীপ-নাহি-জ্বালা গৃহে এমনি সন্ধ্যায় যেন তোমার
আহ্বান

Ads small one

দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:২১ পূর্বাহ্ণ
দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ড এবং স্পেনের কাছে ফ্রান্সের বিদায়ের পর দুই দলের সমর্থকদের মাঝেই যেন বিশ্বকাপের আমেজ অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে। তারই সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ সময় রবিবার রাত ৩টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য দুই ইউরোপীয় জায়ান্টের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী বা ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে। ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর আগমুহূর্তেও ফিফার অফিসিয়াল সাইটগুলোতে হাজার হাজার টিকিট অবিক্রিত পড়ে রয়েছে।

ফিফার টিকিট পোর্টাল এবং অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের এই ম্যাচটি ঘিরে এখনও প্রায় ৭,০০০ টিকিট অবিক্রিত অবস্থায় তালিকাভুক্ত রয়েছে। সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১,২৪৬টি টিকিট অবিক্রিত আছে, যার একেকটির মূল্য হাঁকা হচ্ছে ৮৬৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬৫৭ পাউন্ড) থেকে ১,১২৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৮৫৫ পাউন্ড) পর্যন্ত।

সবচেয়ে বড় চমক দেখা গেছে অফিসিয়াল রিসেল বা পুনঃবিক্রয় প্ল্যাটফর্মে। সেখানে প্রায় ৫,৮৬৪টি টিকিট বিক্রির জন্য জমা পড়ে আছে। সমর্থকরা তাদের কেনা টিকিট নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিতে চাইছেন। সবচেয়ে সস্তা ক্যাটাগরি-৩-এর টিকিটগুলো ফেস ভ্যালু ৪৫৫ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে (এর সঙ্গে ফিফার ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত ফি যুক্ত হবে)।

ম্যাচের আকর্ষণ ও দর্শক আগ্রহ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে প্রিমিয়াম বা ক্যাটাগরি-১-এর টিকিটগুলোতে। যে টিকিটগুলোর মূল ক্রয়মূল্য ছিল ১,১২৫ ডলার, সেগুলো এখন প্রায় অর্ধেক বা বিশাল ডিসকাউন্টে মাত্র ৬৫৯ ডলারে রিসেল প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:১০ পূর্বাহ্ণ
মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের মহারণে নামার ঠিক আগের দিন বড়সড় ধাক্কা খেলো স্পেন শিবির। নিউজার্সির বৈরী আবহাওয়ার কারণে শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত প্রস্তুতি আর ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন করতে পারলো না লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। প্রবল বৃষ্টি ও লাগাতার বজ্রপাতের কারণে শনিবারের (১৮ জুলাই) নির্ধারিত শেষ দিনের পুরো অনুশীলন সেশনটিই বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শনিবার নিউজার্সির হুইপ্যানিতে স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়) স্পেনের অনুশীলনে নামার কথা ছিল। স্প্যানিশরা এই সেশনের জন্য বেছে নিয়েছিল নিউইয়র্ক রেড বুলসের সাবেক অনুশীলন কেন্দ্র এবং বর্তমানে এনডব্লিউএসএল ক্লাব গথাম এফসির ভবিষ্যৎ ট্রেনিং কমপ্লেক্সটি। কিন্তু সকাল থেকেই শুরু হয় তীব্র বজ্রঝড়। প্রথমে অনুশীলন কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত পুরো সেশনই বাতিল ঘোষণা করা হয়। মাঠে প্রবেশের অপেক্ষায় থাকা সংবাদকর্মীদেরও নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারিত কর্মক্ষেত্রের ভবনের ভেতরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রে বজ্রঝড় নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা নিখুঁত ও কঠোর, তা প্রকাশ পেয়েছে মাঠের এক কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, অনুশীলন বা ম্যাচ ভেন্যুর ৮ মাইলের মধ্যে কোথাও বজ্রপাত শনাক্ত হলেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের সব ধরনের কার্যক্রম সঙ্গে সঙ্গে স্থগিত করা হয়। এরপর প্রতি ৩০ মিনিট পরপর পরিস্থিতি গভীরভাবে মূল্যায়ন বা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

বজ্রপাতের এই ঝুঁকি যখন পুরোপুরি কেটে যায়, তখনই কেবল নিরাপত্তা বিভাগ থেকে ‘অল ক্লিয়ার’ সংকেত দেওয়া হয়। এই সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই খেলোয়াড়রা মাঠে প্রবেশের অনুমতি পান। তবে শনিবার সকালে হুইপ্যানির পরিস্থিতি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল যে স্পেনকে মাঠে নামার অনুমতি দেওয়াই সম্ভব হয়নি।

চলতি বিশ্বকাপজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ভেন্যুগুলোতে একই বজ্রঝড়-সংক্রান্ত কঠোর নিরাপত্তা নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে। এর আগে এই নিয়মের মারপ্যাঁচে পড়ে চলমান টুর্নামেন্টের একাধিক ম্যাচের সময়সূচিতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছিল। কোনও কোনও ম্যাচ দীর্ঘ সময় স্থগিতও রাখতে হয়েছিল।

বাংলাদেশ সময় রবিবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় (স্থানীয় সময় সন্ধ্যা) নিউজার্সির বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বসেরার মুকুটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। যেখানে আর্জেন্টিনা দল তাদের প্রস্তুতি ঠিকঠাক সারতে পেরেছে, সেখানে অনুশীলনের এই ঘাটতি স্পেনের জন্য কতটা ভোগান্তি বাড়াবে তা বলা মুশকিল। তবে ফুটবলপ্রেমীদের মনে এখন সবচেয়ে বড় শঙ্কা— নিউজার্সির এই বৈরী আবহাওয়া ফাইনালকেও কোনও বিঘ্নের মুখে ফেলে কি না!

বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

বিশ্বকাপ ট্রফি শুধু ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পুরস্কারই নয়, এটি মর্যাদা ও ঐতিহ্যেরও প্রতীক। সেই ট্রফিকে ফাইনালের মঞ্চে নিয়ে যেতে এবারও বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে ফরাসি বিলাসবহুল ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান লুই ভিতোঁ। ২০১০ সাল থেকে টানা পঞ্চম বিশ্বকাপে এই দায়িত্ব পালন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বিশেষভাবে তৈরি লুই ভিতোঁর এই ট্রাঙ্কে করেই মাঠে আনা হবে বিশ্বকাপ ট্রফি।

বিশেষ এই ট্রাঙ্কের সামনে রয়েছে সোনালি রঙের ইংরেজি অক্ষর ‘ভি’। যা একদিকে ভিক্টরি তথা জয় -এর প্রতীক, অন্যদিকে ভিতোঁর আলাদা পরিচয় বহন করছে। ট্রাঙ্কজুড়ে রয়েছে লুই ভিতোঁর পরিচিত নকশা এবং সোনালি আবরণযুক্ত পিতলের কর্নার প্রটেক্টর।

এটি টানা পঞ্চম বিশ্বকাপ যেখানে ট্রফির জন্য বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে লুই ভিতোঁ। এর আগে ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও একই দায়িত্ব পালন করেছিল ফরাসি এই বিলাসবহুল ব্র্যান্ড।