মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ২ বাংলাদেশিকে নিয়ে এখন পর্যন্ত যা জানা গেছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ণ
সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ২ বাংলাদেশিকে নিয়ে এখন পর্যন্ত যা জানা গেছে

সৌদি আরবের মক্কা অঞ্চলে একটি মসজিদে ‘অনৈতিক কর্মকাণ্ডে’ জড়িত থাকার অভিযোগে গত ১৪ অক্টোবর দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে দেশটির কর্তৃপক্ষ। তারা সিতি আখতার ও নজরুল ইসলাম আবদুল বশির বলে জানায় সৌদি কর্তৃপক্ষ। তবে সরকারি নথি অনুযায়ী ওই নারীর নাম সুইটি আক্তার এবং যুবকের নাম নজরুল ইসলাম। সাজাপ্রাপ্ত যুবকের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এবং নারীর বাড়ি টাঙ্গাইলে। সামাজিকমাধ্যমে তাদেরকে স্বামী-স্ত্রী এবং তারা উমরাহ করতে সে দেশে গেছেন বলে দাবি করা হলেও তাদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে, তারা সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী নন এবং কাজের উদ্দেশ্যে তারা আলাদাভাবে সৌদি আরবে যান।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সাজাপ্রাপ্ত নজরুল ইসলাম ২০২২ সালের অক্টোবরে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর ছাড়পত্র নেন সৌদি আরবে কাজের উদ্দেশ্যে। পরের বছর ৫ ফেব্রুয়ারিতে ক্লিয়ারেন্স নেন সুইটি আক্তার। প্রসঙ্গত, কাজের উদ্দেশ্যে যেকোনও দেশে যেতে হলে এই ছাড়পত্র গ্রহণ করতে হয়।

সৌদি আরবের বাংলাদেশ দূতাবাস ইতোমধ্যে এই দুইজনের বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া শুরু করেছে। তাদের সঙ্গে বসবাস করা কর্মী এবং অন্যান্য কর্মীদের সঙ্গেও কথা বলেছে। দূতাবাস ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে কথা বলে জানা গেছে, সৌদি সরকারের কাছে তাদের দুইজনের মামলার রায়ের কপি এবং নথিপত্র চাওয়া হয়েছে। সেগুলো পাওয়া গেলে প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে জানা যাবে।

সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্যমতে, তাদেরকে ২০২৩ সালে আটক করা হয়েছিল। কারাগারে থাকা অবস্থায় দুইজনই পরিবারের সঙ্গে মাসে একদিন করে যোগাযোগের সুযোগ পেয়েছেন। তবে মৃত্যুদণ্ডের সাজা এবং বাস্তবায়নের বিষয়ে তাদের পরিবারকে কিছুই জানায়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আটকের পর সৌদি আরবের ক্রিমিনাল কোর্টে তাদের প্রত্যেকের ২০ বছরের সাজা হয়। তবে সেই সাজায় সন্তুষ্ট না হওয়ায় তারা ওই রায়ের বিরুদ্ধে দেশটির উচ্চ আদালতে আপিল করেন। উচ্চ আদালত রায়ে তাদের মৃত্যুদণ্ড দেন।

কূটনৈতিক সূত্র বলছে, ওই তরুণ-তরুণীর সেই ‘অনৈতিক কর্মকাণ্ডের’ ভিডিও ধারণ করেন অপর একজন। তবে তিনি কোন দেশের নাগরিক তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই তাকে পাকিস্তানি নাগরিক হিসেবে দাবি করলেও তিনি ভারতীয় নাগরিক হতে পারেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে। ভিডিও করার অপরাধে তাকেও সাজা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সেই ভিডিও বিভিন্ন মাধ্যমে শেয়ার করার অপরাধে আরও অন্তত ২০ জনকে আটক করা হয় এবং সাইবার ক্রাইমের মামলায় তাদেরকে সাজা দেওয়া হয়।

নজরুলের পরিবার জানায়, আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ছয় লাখ টাকা ঋণ নিয়ে ২০২২ সালের ১০ নভেম্বর বড় ছেলে নজরুল ইসলামকে (২২)সৌদি আরবে পাঠান তার বাবা। কিন্তু সেখানে যাওয়ার আট মাসের মাথায় গ্রেফতার হন নজরুল। ঋণের সাড়ে চার লাখ টাকা তখনও পরিশোধ করা বাকি। এরপর কেটে গেছে প্রায় তিন বছর। কারাগারে থাকা ছেলের সঙ্গে মাঝেমধ্যে ফোনে কথা বলতে পারতেন বাবা-মা। সর্বশেষ কথা হয়েছিল গত ১১ অক্টোবর। দুই থেকে আড়াই মিনিটের সেই কথোপকথনের পর ছেলের কণ্ঠ আর শোনা হয়নি তাদের।

গত বুধবার (১৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সৌদি আরব থেকে ফোন করে পরিবারকে জানানো হয়, নজরুলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

ছেলেকে হারানোর শোকে গত কয়েক দিন ধরে কাঁদছেন মা রহিমা বেগম। তিনি বলেন, ‘‘ছেলেই একমাস পরপর ফোন করতো। এক থেকে দুই মিনিট কথা বলতো। আমার ছেলের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা মিথ্যা। আমি শেষবারের মতো ছেলের লাশ দেখতে চাই।’’

অপরদিকে সুইটির পরিবারের সূত্রে জানা যায়, দিনমজুর ফজল মিয়ার পাঁচ মেয়ে। তাদের মধ্যে সুয়েতি আক্তার সবার ছোট। তার ডাক নাম সুইটি। গত ২০১৬ সালের দিকে সুইটির একই উপজেলার তরফপুর গ্রামের বাসিন্দা সেলিম মিয়ার সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। সেখানে পারিবারিক কলহের কারণে একবছর পর তাদের বিচ্ছেদ হয়। এর কিছুদিন পর ২০১৮ সালের দিকে মহেড়া গ্রামের শিপন মিয়ার সঙ্গে দ্বিতীয় বিয়ে হয়। ৬ মাস পর স্বামী শিপন মিয়া দ্বিতীয় বিয়ে করায় সেখান থেকেও ডিভোর্স হয় সুইটি আক্তারের। অভাবের সংসার ও মানসিকভাবে অস্বস্তিতে থাকার কারণে সুইটি সৌদি আরবে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে ২০২৩ সালের দিকে স্থানীয় এক দালালের মাধ্যমে দেড় লাখ টাকা ঋণ করে তাকে সৌদি আরবে পাঠায় তার পরিবার। সৌদির আল মাজাল আল-আরাবি গ্রুপ কোম্পানিতে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে সুইটির চাকরি হয়। প্রতিমাসে তিনি ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা করে বাড়িতে পাঠাতেন। সব মিলিয়ে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পাঠিয়েছিলেন। সৌদি যাওয়ার ৬ মাস পর হঠাৎ করে কোম্পানিতে মারামারির ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে সুইটি আক্তারকে দোষারোপ করা হয়। পরে সৌদি পুলিশ গ্রেফতার করে। এরপর থেকেই তিনি কারাবন্দি ছিলেন। তবে কিছুদিন পরপর বাড়িতে ফোনে কথা বলতেন। সর্বশেষ গত ১৩ অক্টোবর (মঙ্গলবার) তার ভাগনি জেদনী আক্তারের সঙ্গে কথা হয়েছে সুইটির। এরপর থেকে পরিবারের সঙ্গে তার আর কোনও খোঁজ নেই।

সুইটি আক্তারের বাবা মো. ফজল মিয়া বলেন, ‘‘আমি দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালাই। একদিন মাটি কাটি আবার আরেকদিন ভ্যান চালাই। এভাবেই আমার ৫ মেয়েকে বড় করেছি। অভাবের সংসারে ছোট মেয়ে সুয়েতি আক্তারকে (সুইটি আক্তার) দুই বার বিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু বিয়ে টিকেনি। এজন্য সংসারের হাল ধরতে সৌদিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সে। দেড় লাখ টাকা ঋণ করে তাকে সৌদিতে পাঠানো হয়। মক্কা নগরির একটি কোম্পানিতে কাজ করতো। সেখানে কোম্পানির লোকজনের সাথে ঝগড়া হয়। কিন্তু আমার মেয়ে ঝগড়ার মধ্যে ছিল না। তারপরও পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। আড়াই বছর ধরে আমার মেয়ে জেলে রয়েছে। মাঝে মধ্যে ফোনে কথা বলতো। কয়েকদিন আগে সে বলেছিল, আগামী দুই মাস পর দেশে ফিরবে। কিন্তু গত মঙ্গলবারের (১৩ অক্টোবর) পর আর কথা হয়নি। এখন অনেকেই বলতেছে, আমার মেয়ে সুয়েতিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডের রায়ের ব্যাপারে আমার মেয়ে কিছুই জানায়নি।’’

তিনি আরও বলেন, ‘‘আমার মেয়ে মসজিদের ভেতরে কোনও অনৈতিক কাজ করেনি। তার কোনও বন্ধুও ছিল না। অনৈতিক কাজের বিষয়টি মিথ্যা। মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার বিষয়টি এখনও প্রশাসনের মাধ্যমে নিশ্চিত হতে পারিনি। আমার মেয়েকে ফেরত চাই। মেয়েকে ফেরত দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও সৌদি সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।’’

Ads small one

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনের অনলাইন কার্যক্রম বন্ধ ৬ দিন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ
জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনের অনলাইন কার্যক্রম বন্ধ ৬ দিন

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের অনলাইন কার্যক্রম ছয় দিনের জন্য বন্ধ থাকবে। নিবন্ধন সংক্রান্ত সফটওয়্যার বিডিআরআইএস রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৯ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ২৫ অক্টোবর সকাল ৬টা পর্যন্ত জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সংক্রান্ত সব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

সফটওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাময়িকভাবে এ কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

ভিডিও ঘিরে বিতর্ক, দুঃখ প্রকাশ করলেন মাহমুদউল্লাহ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ
ভিডিও ঘিরে বিতর্ক, দুঃখ প্রকাশ করলেন মাহমুদউল্লাহ

একটি ভিডিও ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্কের মুখে পড়েছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান জমজম ব্রাদার্সের একটি নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগের প্রচারে তার উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পরে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে মাহমুদউল্লাহ জানিয়েছেন, প্রকল্পটি সম্পর্কে আগে থেকে তার কোনো ধারণা ছিল না। এর সঙ্গে তার কোনো ব্যবসায়িক বা আর্থিক সম্পর্কও নেই।

বিতর্ক তৈরি হওয়ার পর মাহমুদউল্লাহর অনুরোধে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে সরিয়ে নিয়েছে জমজম ব্রাদার্স। অনিচ্ছাকৃত এই ঘটনায় কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে কিংবা বিভ্রান্ত হয়ে থাকলে দুঃখ প্রকাশ করেছেন অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার। ভবিষ্যতে এ ধরনের বিষয়ে আরও সতর্ক থাকার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

ঘটনার সূত্রপাত সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়েরের একটি ফেসবুক পোস্ট থেকে। সেখানে তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের জাতীয় দলের এক সাবেক ক্রিকেটার ভানুয়াতু নামের দ্বীপ রাষ্ট্রের নাগরিকত্বে বিনিয়োগ করা প্রমোট করছেন। এ ধরনের বিনিয়োগের অর্থ বিদেশে পাঠানোর বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। বলেছেন, এ ধরনের নাগরিকত্বে বিনিয়োগের জন্যে যে অর্থ প্রয়োজন তা বাংলাদেশ হতে বিদেশে প্রেরণের কোন আইনি উপায় নেই। পাশাপাশি মাহমুদউল্লাহর মতো পরিচিত একজন ক্রিকেটারের এমন প্রচারে যুক্ত থাকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

সায়েরের পোস্টের পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা বাড়ে। এর মধ্যেই জমজম ব্রাদার্সকে ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানান মাহমুদউল্লাহ। তার অনুরোধের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া হয়।

তার পর মঙ্গলবার নিজের ফেসবুক পোস্টে পুরো বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন সাবেক এই অধিনায়ক। মাহমুদউল্লাহ জানান, শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জমজম ব্রাদার্সের সঙ্গে তার প্রথম পরিচয় হয়। পরে প্রতিষ্ঠানটির আমন্ত্রণে অফিসে গেলে তাদের নতুন একটি ব্যবসায়িক প্রকল্পের প্রচারের জন্য ভিডিও করার অনুরোধ জানানো হয়েছিল।

মাহমুদউল্লাহ লিখেছেন, ‘সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে, সে বিষয়ে আমি আমার অবস্থান পরিষ্কার করতে চাই। কিছুদিন আগে শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জমজম ব্রাদার্সের সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় হয়। তাদের আমন্ত্রণে একদিন তাদের অফিসে গেলে, তারা তাদের একটি নতুন ব্যবসায়িক প্রকল্পের বিষয়ে ভিডিও করার অনুরোধ জানান। তবে প্রকল্পটি সম্পর্কে আমার আগে থেকে কোনো ধারণা ছিল না এবং এর সঙ্গে আমার কোনো ধরনের ব্যবসায়িক এবং অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততাও নেই।’

ক্যারিয়ারের পুরোটা সময় ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে বিতর্ক এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছেন বলেও উল্লেখ করেন মাহমুদউল্লাহ। অনিচ্ছাকৃত এই ঘটনায় কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে কিংবা বিভ্রান্ত হয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমার পুরো ক্যারিয়ারে ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে সব সময় বিতর্ক এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছি। অনিচ্ছাকৃত এই ঘটনায় কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে কিংবা কোনো ধরনের বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়ে থাকলে, আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী।’

ভবিষ্যতে এ ধরনের বিষয়ে আরও সতর্ক থাকার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি। পোস্টের শেষাংশে মাহমুদউল্লাহ লিখেছেন, ‘ভবিষ্যতে এ ধরনের বিষয়ে আরও সতর্ক থাকব, ইনশাআল্লাহ। সবার ভালোবাসা, সমর্থন ও বোঝাপড়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।’

ইতিহাস গড়া নারী কাবাডি দল পেলো অর্থপুরস্কার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ
ইতিহাস গড়া নারী কাবাডি দল পেলো অর্থপুরস্কার

এশিয়ান বিচ গেমসে ব্রোঞ্জ জিতে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ নারী কাবাডি দল। আন্তর্জাতিক মঞ্চে এই সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে এবার খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা ও অর্থপুরস্কার দিয়েছে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ)। দলের প্রত্যেক খেলোয়াড় পেয়েছেন এক লাখ টাকা করে।

ষষ্ঠ এশিয়ান বিচ গেমসে নারী কাবাডিতে ব্রোঞ্জ পদক জেতে বাংলাদেশ। দলের এই অর্জন উদযাপন ও খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করতে মঙ্গলবার সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিওএ। সেখানে খেলোয়াড়দের হাতে সম্মাননা ও অর্থপুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মো. জোবায়েদুর রহমান রানা, বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. ইসরাইল হাওলাদার এবং যুগ্ম সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন।

এশিয়ান বিচ গেমসের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পদক জয়ের মাধ্যমে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা। নারী কাবাডি দলের এই সাফল্য দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্যের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের হয়ে পদক জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার প্রত্যয়ও রয়েছে নারী কাবাডি দলের।