শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

হিট স্ট্রোক প্রতিরোধে কী খাবেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ
হিট স্ট্রোক প্রতিরোধে কী খাবেন

গরম যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি। অতিরিক্ত তাপমাত্রায় প্রয়োজন ছাড়া রোদে বের না হওয়াই সবচেয়ে ভালো। পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসেও কিছু পরিবর্তন আনলে শরীরকে ঠান্ডা রাখা এবং পানিশূন্যতা এড়ানো সহজ হয়। আপনি কী খাচ্ছেন, তার ওপর অনেকটাই নির্ভর করে শরীরের প্রতিক্রিয়া। তাই এসময় জলীয় উপাদানসমৃদ্ধ খাবার ও ইলেক্ট্রোলাইট পূরণকারী পানীয় বেশি গ্রহণ করা জরুরি।
জলীয় উপাদানসমৃদ্ধ ফল ও সবজি
তরমুজ (প্রায় ৯২% পানি): শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে, পাশাপাশি ভিটামিন A ও C সরবরাহ করে।
শসা (৯৫–৯৬% পানি): শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর, উচ্চ ফাইবারও রয়েছে।
লেবুজাতীয় ফল: কমলা, লেবু ইত্যাদি ভিটামিন C সরবরাহ করে এবং শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে।
শাক-সবজি: বিভিন্ন শাকে প্রচুর পানি ও প্রয়োজনীয় খনিজ থাকে।
বেরি জাতীয় ফল: স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ, যা প্রদাহ কমাতে সহায়ক।
ইলেক্ট্রোলাইট পূরণকারী খাবার ও পানীয়
ডাবের পানি: পটাশিয়াম ও প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইটের চমৎকার উৎস।
ঘোল বা দই: প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ, যা অন্ত্র ভালো রাখে এবং শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
লেবুর শরবত: পানি, লবণ ও সামান্য চিনি মিশিয়ে তৈরি শরবত ঘামের কারণে হারানো ইলেক্ট্রোলাইট পূরণ করে।
পুদিনা পাতা: শরীরে সতেজ ও শীতল অনুভূতি আনে।

যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন
ডুবো তেলে ভাজা, অতিরিক্ত মসলাদার ও তৈলাক্ত খাবার।
অতিরিক্ত ভারী বা উচ্চ-প্রোটিনযুক্ত খাবার, যা শরীরের তাপমাত্রা বাড়াতে পারে।

আরো কিছু পরামর্শ
একবারে বেশি পানি না খেয়ে অল্প অল্প করে বারবার পানি পান করুন।
খাদ্যতালিকায় কাঁচা ও হালকা খাবার রাখুন।
ঘোল বা লাচ্ছিতে জিরা বা হালকা মসলা ব্যবহার করলে হজম ভালো হয় এবং শরীর ঠান্ডা থাকে।

Ads small one

বুধহাটায় জমি দখল ও ঘর নির্মাণের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ণ
বুধহাটায় জমি দখল ও ঘর নির্মাণের অভিযোগ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটায় জোরপূর্বক জমি দখল ও সেখানে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার বাড়ির সীমানা প্রাচীরের গ্রেডবিম কেটে পুকুরে ফেলে দেওয়ারও গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে গত ১০ সেপ্টেম্বর থানায় অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার না পেয়ে তিনি ১৫ সেপ্টেম্বর আদালতে ১৪৫ ধারায় মামলা করেন। কিন্তু বিজ্ঞ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অভিযুক্ত মিজানুর লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে পুনরায় নির্মাণকাজ চালাতে থাকেন। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের অসহযোগিতায় তিনি এই সুযোগ পেয়েছেন দাবি করে ভুক্তভোগী গত ৮ অক্টোবর আদালতে আরও একটি মামলা দায়ের করেন, যেখানে আদালত আশাশুনি থানাকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যদিকে, একই এলাকার সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউনুছ আলী অভিযোগ করেন, তিনি সুশীল কর্মকারের নিকট থেকে ১৯৯৭ সালে জমি কিনে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছেন এবং বাড়ির সীমানায় নিরাপদে গ্রেডবিম নির্মাণ করেছিলেন। কিন্তু গত ১০ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে অভিযুক্ত মিজানুর লোকজন নিয়ে এসে তাঁর সীমানা প্রাচীরের গ্রেডবিম কেটে পাশের পুকুরে ফেলে দেন। এ ঘটনায় তিনি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করলে আদালত আশাশুনি থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। এসআই লিটন কুমার ঘোষ তদন্ত শেষ করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন বলে তিনি জানতে পেরেছেন।

এই ভূমিদস্যুর হাত থেকে রক্ষা পেতে ও পৈতৃক বা কেনা সম্পত্তি রক্ষায় ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শ্যামনগরে জামায়াতের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে জামায়াতের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ

শ্যামনগর প্রতিনিধি: ক্রমবর্ধমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। দলীয় কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার সকাল ১০টা থেকে শ্যামনগর পৌরসভার নকিপুর বাজারসহ জনবহুল এলাকাগুলোতে এই প্রচারপত্র বিলি করা হয়।
উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুর রহমানের নেতৃত্বে কর্মসূচিতে অংশ নেন পৌর জামায়াতের আমির হারুন-অর রশীদ সাচ্চু, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মঈনুদ্দীন, গোলাম মোস্তফা, যুব বিভাগের সাঈদী হাসান বুলবুল এবং ছাত্রশিবিরের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। এর আগে সকালে জামায়াতের একটি দল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করে।
কর্মসূচিপালনের সময় নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে ডেঙ্গুর প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে, যা সাধারণ মানুষের জনজীবন ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। এই মহামারি থেকে রক্ষা পেতে হলে নিজের আঙিনাসহ চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণ করা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে ডেঙ্গু লক্ষণে ভয় না পেয়ে চিকিৎসকের পরমর্শ অনুযায়ী সঠিক ওষুধ সেবন ও মানসিক শক্তি ধরে রাখার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা।

 

পাটকেলঘাটা-কলারোয়া সড়কের দুপাশে ঝোপঝাড়: পথচারীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটা-কলারোয়া সড়কের দুপাশে ঝোপঝাড়: পথচারীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

এমএম জামান মনি, পাটকেলঘাটা: পাটকেলঘাটা-কলারোয়া সড়কের সরুলিয়া বাজার থেকে মুরারিকাটি পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার সড়কের উভয় পাশ দীর্ঘদিন ধরে ঘন ঝোপঝাড়ে আচ্ছাদিত হয়ে আছে। এতে রাস্তা সংকীর্ণ হয়ে যাওয়ায় প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। পাশাপাশি ডাকাতি, মাদকসেবন ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধমূলক কর্মকা- বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এই রুটে চলাচলকারী যানবাহনচালক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তালা ও কলারোয়াÑএই দুই উপজেলার প্রায় তিন লাখ মানুষ প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে। সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ের কারণে বেশ কিছু স্থান দিনের বেলাতেও নির্জন ও আড়ালযুক্ত হয়ে থাকে। ফলে সেখানে অপরাধীরা সহজেই লুকিয়ে থাকে।

নিয়মিত যাতায়াতকারী ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি মাহমুদুল হক জানান, দীর্ঘদিন ধরে ঝোপঝাড় পরিষ্কার না করায় পরিবেশ নষ্ট হয়েছে এবং উচ্ছৃঙ্খল যুবকরা এই জঙ্গলের আড়ালকে অপরাধের কাজে ব্যবহার করছে। ধানদিয়া চৌরাস্তা মোড়ের মুদি দোকানদার ফরিদুল ইসলাম জানান, বাইরের পথচারীরা প্রায়ই ছিনতাইয়ের শিকার হন। সন্ধ্যার পর ক্রেতাদের সুরক্ষায় বাড়তি সতর্ক থাকতে হয়, কারণ অপরাধীরা লুটপাট করে দ্রুত জঙ্গলের মধ্যে পালিয়ে যাওয়ায় তাদের ধরা সম্ভব হয় না।

স্থানীয়দের দাবি, সড়কের দুই পাশের আগাছা ও জঙ্গল নিয়মিত পরিষ্কার করা হলে দৃশ্যমানতা বাড়বে এবং অপরাধীদের লুকিয়ে থাকার সুযোগ থাকবে না। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের চলাচলের আতঙ্ক কাটাতে সড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত টহল বাড়ানোর জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে এলজিআরডির এক কর্মকর্তা জানান, খুব দ্রুতই সড়কটির দুই পাশের ঝোপঝাড় পরিষ্কার করা হবে। তবে বর্ষাকাল হওয়ায় জঙ্গল দ্রুত বেড়ে ওঠে। পাটকেলঘাটা থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাস্তার দুই পাশ পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি। জনগণের জানমালের সুরক্ষা দিতে নিয়মিত পুলিশি টহল অব্যাহত রয়েছে এবং আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে এই টহল আরও জোরদার করা হবে।