শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩

৬০ দিনের মধ্যে চাকরি না পেলে ছাড়তে হবে যুক্তরাষ্ট্র

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ণ
৬০ দিনের মধ্যে চাকরি না পেলে ছাড়তে হবে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতে সাম্প্রতিক ছাঁটাইয়ের ঢেউয়ে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েছেন এইচ-১বি ভিসায় কর্মরত বিদেশি প্রযুক্তিকর্মীরা। চাকরি হারানোর ৬০ দিনের মধ্যে নতুন নিয়োগ না পেলে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হতে পারে তাদের। সম্প্রতি মেটা, অ্যামাজন ও লিংকডইনের মতো প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোতে ব্যাপক ছাঁটাইয়ের জেরে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিন পার করছেন এ ধরনের হাজার হাজার বিদেশি।

শুধু চাকরি হারানো নয়, তাদের জন্য এটি সময়ের বিরুদ্ধেও লড়াই হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইনে এইচ-১বি ভিসা নির্দিষ্ট নিয়োগকর্তার সঙ্গে যুক্ত থাকে। ফলে চাকরি শেষ হওয়ার পরপরই শুরু হয় ৬০ দিনের কাউন্টডাউন।

কী এই ৬০ দিনের নিয়ম
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সংস্থা (ইউএসসিআইএস)–এর নিয়ম অনুযায়ী, এইচ-১বি ভিসাধারী কর্মীরা চাকরি হারালে সাধারণত ৬০ দিনের ‘গ্রেস পিরিয়ড’ পান। এই সময়ের মধ্যে নতুন নিয়োগকর্তা খুঁজে ভিসা স্থানান্তর করতে হবে অথবা অন্য ভিসা ক্যাটাগরিতে যেতে হবে। তা না হলে দেশ ছাড়তে হয়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই সময় গণনা শুরু হয় কর্মীর শেষ কর্মদিবস থেকে। শেষ বেতন পাওয়ার দিন থেকে নয়।এই নিয়ম অভিবাসী কর্মীদের জন্য নতুন নয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে চাকরির বাজার সংকুচিত হওয়ায় বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে।

ছাঁটাইয়ের নেপথ্যে এআই?
প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এখন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইকেন্দ্রিক পুনর্গঠনে মনোযোগ দিচ্ছে। সম্প্রতি মেটা প্রায় আট হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে। প্রতিষ্ঠানটি এআই খাতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে।

ওয়েবসাইট লে-অফস ডট এফওয়াইআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর প্রযুক্তি খাতে ১ লাখ ১০ হাজারের বেশি কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। এদের একটি বড় অংশই বিদেশি কর্মী। এর মধ্যে ভারতীয়রা সংখ্যাগরিষ্ঠ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অনেক বিদেশি কর্মী বছরের পর বছর গ্রিন কার্ডের অপেক্ষায় রয়েছেন। কেউ বাড়ি কিনেছেন। কারও সন্তান যুক্তরাষ্ট্রে জন্মেছে। ফলে চাকরি হারানো শুধু আয়ের বিষয় নয়, পুরো পরিবারের ভবিষ্যৎই অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে।

বিকল্প পথও কঠিন হচ্ছে
বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনেক কর্মী অস্থায়ীভাবে বি-২ ভিজিটর ভিসায় যাওয়ার চেষ্টা করছেন। এতে অতিরিক্ত কয়েক মাস যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সুযোগ পাওয়া যায়। তবে সম্প্রতি এই আবেদনগুলো আরও কঠোরভাবে যাচাই করা হচ্ছে বলে অভিবাসন আইনজীবীদের দাবি। অতিরিক্ত নথি চাওয়া ও কঠিন জিজ্ঞাসাবাদের ঘটনা বাড়ছে।

বদলে যাচ্ছে ‘আমেরিকান ড্রিম’
দশকের পর দশক ধরে ভারতীয়দের কাছে যুক্তরাষ্ট্র ছিল উচ্চ বেতন, কর্মজীবনে উন্নতি ও বৈশ্বিক সুযোগের প্রতীক। কিন্তু এখন বারবার ছাঁটাই, ভিসা-নির্ভরতা ও এআই-চালিত পরিবর্তন অনেককে নতুন করে ভাবাচ্ছে।

একটি সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, চাকরি হারালে প্রায় অর্ধেক ভারতীয় কর্মী দেশে ফেরার কথা ভাবছেন। কেউ কেউ কানাডা ও ইউরোপকেও বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করছেন।

Ads small one

জনপ্রতিনিধি হতে হলে জনগণের সেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে: ইজ্জত উল্লাহ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:৫৩ অপরাহ্ণ
জনপ্রতিনিধি হতে হলে জনগণের সেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে: ইজ্জত উল্লাহ

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেই নির্বাচনে অংশ নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ। তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধি হতে হলে জনগণের সেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে এবং সততা, যোগ্যতা ও জনকল্যাণমূলক মানসিকতা নিয়ে কাজ করতে হবে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেল চারটায় তালা উপজেলার পাটকেলঘাটাস্থ জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীদের নিয়ে এই কর্মশালার আয়োজন করে তালা উপজেলা জামায়াত।

তালা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মফিদুল্লাহর সভাপতিত্বে কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ডা. মাহমুদুল হক, জেলা শুরা সদস্য ডা. আফতাব উদ্দিনসহ উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক ইদ্রিস আলী।

 

কর্মশালায় স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। এদিকে সন্ধ্যায় পাটকেলঘাটার শরিলিয়া বাজারে জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন সংসদ সদস্য।

 

আজ বিশ্ব শ্রবণ দিবস: নিস্তব্ধতার মাঝেও শব্দ আছে, শোনার শিল্প ও আমাদের সংকট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
আজ বিশ্ব শ্রবণ দিবস: নিস্তব্ধতার মাঝেও শব্দ আছে, শোনার শিল্প ও আমাদের সংকট

সাকিবুর রহমান বাবলা

ভ্রুণাবস্থা থেকেই মানুষ শব্দের প্রতি সংবেদনশীল। জন্মের পর পৃথিবীকে চেনার অন্যতম প্রধান মাধ্যম হয়ে ওঠে শ্রবণ। আমরা শব্দ শুনি, ভাষা শিখি ও সম্পর্ক গড়ি। অথচ প্রযুক্তি ও তথ্যপ্রবাহের এই যুগে মানুষ কথা বলছে বেশি, কিন্তু শুনছে কম। কোলাহল বাড়ছে, কমছে মনোযোগী শ্রবণ। এমন বাস্তবতায় ১৮ জুলাই পালিত ‘বিশ্ব শ্রবণ দিবস’ আমাদের মনে করিয়ে দেয়-শোনা কেবল কানের কাজ নয়; এটি মানুষ, প্রকৃতি ও স্্রষ্টার সঙ্গে গভীর সম্পর্ক তৈরির এক অনন্য মানবিক অনুশীলন।

২০১০ সাল থেকে পালিত এই দিবসটি কানাডীয় ধ্বনি-পরিবেশবিদ আর. মারে শেফারের জন্মদিন স্মরণে নির্ধারিত। তাঁর গবেষণালব্ধ জ্ঞান আমাদের শিখিয়েছে, একটি সমাজকে বুঝতে হলে তার ‘সাউন্ডস্কেপ’ বা শব্দজগতকে বুঝতে হয়। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য “অনুশীলন হিসেবে শ্রবণ” আমাদের শেখায় যে, শোনা কোনো নিষ্ক্রিয় কাজ নয়; বরং সচেতনতার একটি চর্চা।
বিশ্ব শ্রবণ দিবসের লক্ষ্য হলো শব্দদূষণ সম্পর্কে সচেতনতা ও শ্রবণ-পরিবেশের গুরুত্ব অনুধাবন। মানুষের শ্রবণসীমা সাধারণত ২০ থেকে ২০,০০০ হার্জ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ, কিন্তু প্রকৃতির শব্দজগৎ এর বাইরেও বিস্তৃত।

 

বিজ্ঞানীরা পরিবেশের শব্দজগৎকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করেছেন: প্রাণীকুলের শব্দ ‘বায়োফোনি’, প্রকৃতির জড় উপাদানজাত ‘জিওফোনি’ এবং মানুষের সৃষ্টি ‘অ্যানথ্রোপোনি’। ইকোলজিস্ট বার্নি ক্রাউসের মতে, একটি সুস্থ পরিবেশে এই শব্দগুলো মিলে এক অপূর্ব ঐকতান সৃষ্টি করে। কিন্তু বর্তমানে মানবসৃষ্ট শব্দদূষণে প্রকৃতির সেই ভারসাম্য বিঘিœত হচ্ছে। মূলত, প্রকৃতির এই অগোচরে থাকা শব্দতরঙ্গ ও নিস্তব্ধতার গভীরে লুকিয়ে আছে পৃথিবীর অপার রহস্য, যা আমাদের অস্তিত্বের সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত। এই অদৃশ্য শব্দতরঙ্গ প্রযুক্তির মাধ্যমে দুর্যোগ পূর্বাভাস ও চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিপ্লব এনেছে। প্রকৃতির এই বিশাল শব্দবিশ্ব আমাদের মনে করিয়ে দেয়, যা আমরা শুনি না, তার মধ্যেও নিহিত রয়েছে অপার রহস্য।

বাংলাদেশের নদী, পাখি ও প্রকৃতির অকৃত্রিম সুর আমাদের দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ, যা আজ অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও যান্ত্রিক শব্দদূষণের কারণে ম্লান হয়ে যাচ্ছে। ঢাকা শহর বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম কোলাহলপূর্ণ নগরী হওয়ায় আমরা বৃষ্টির শব্দ বা পাখির ডাকের মতো প্রকৃতির সূক্ষ্ম সুরগুলো থেকে ক্রমেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছি, যা মানুষের মানসিক প্রশান্তি ও স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

 

এর বিপরীতে নরওয়ে ও ফিনল্যান্ডের মতো দেশগুলো পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনা ও কার্যকর শব্দ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে পরিবেশের স্বাভাবিক ছন্দ টিকিয়ে রাখতে সফল হয়েছে। আন্টার্কটিকা বা হালেয়াকালোর মতো শান্ত অঞ্চলগুলো বিশ্ববাসীকে শেখায় যে, নীরবতা মানে শব্দের অভাব নয়, বরং প্রকৃতির সূক্ষ্ম সুরগুলো শোনার সক্ষমতা। এরইমধ্যে আমাদের উপকূলীয় সাতক্ষীরার শান্ত প্রকৃতি এবং সুন্দরবনের নিস্তব্ধতার যে ভাষা, তা যেন আমরা আধুনিক কোলাহলে হারিয়ে না ফেলি।

বিশ্ব শ্রবণ দিবস তাই কেবল একটি আন্তর্জাতিক দিবস নয়; এটি মানুষ, প্রকৃতি ও সমাজের মধ্যে ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়া সংযোগকে নতুনভাবে উপলব্ধি ও পুনর্গঠনের একটি বৈশ্বিক উদ্যোগ। এই দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে শ্রবণ কেবল শব্দ শোনা নয়, বরং বোঝা, পর্যবেক্ষণ করা, চিন্তা করা এবং চারপাশের পরিবেশের সঙ্গে সচেতন সম্পর্ক গড়ে তোলা।

 

তাই কোলাহলময় এই সময়ে কিছুটা সময় প্রকৃতির স্বাভাবিক ধ্বনি, পরিবেশের সূক্ষ্ম পরিবর্তন এবং মানুষের কথাকে মনোযোগ দিয়ে শোনার অভ্যাস গড়ে তোলা আরও সচেতন, ভারসাম্যপূর্ণ ও মানবিক সমাজ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আজ আমাদের প্রয়োজন প্রকৃতির সুর, পরিবেশের ভাষা এবং মানুষের কথাকে আরও মনোযোগ দিয়ে শোনার শিল্প সংস্কৃতি গড়ে তোলা।

সাতক্ষীরায় ‘অদম্য জুলাই’ কর্মসূচিতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ‘অদম্য জুলাই’ কর্মসূচিতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

সংবাদদাতা: গণহত্যার বিচার, জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং জুলাই ঘোষণাপত্র কার্যকরের দাবিতে দেশব্যাপী ঘোষিত ‘অদম্য জুলাই’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টায় কলারোয়া সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা চত্বরে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি মো. জুবায়ের হোসেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাবেক জেলা সভাপতি মো. জিয়ারুল ইসলাম জিয়া। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা সেক্রেটারি মো. নাজমুল ইসলাম।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা অফিস সম্পাদক নাহিদ হাসান, জেলা অর্থ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, জেলা মাদ্রাসা সম্পাদক, জেলা বিজ্ঞান সম্পাদক ফয়সাল হোসেন, জেলা সহকারী অফিস সম্পাদক আহসান হাবীব ইমরোজ, কলারোয়া পৌর সভাপতি মোস্তাকিম বিল্লাহ, কলারোয়া পূর্ব সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক, কলারোয়া পশ্চিম সভাপতি আবু রায়হানসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন নেতাকর্মী।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, শহীদ ও আহত ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের বিনিময়ে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে। তাই শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি না করে অবিলম্বে জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

তারা আরও বলেন, এসব দাবি বাস্তবায়ন না হলে ছাত্র-জনতা আবারও জুলাই অভ্যুত্থানের মতো ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামতে বাধ্য হবে। ছাত্র-জনতা পুনরায় মাঠে নামলে সেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সরকারের জন্য কঠিন হয়ে পড়বে বলেও বক্তারা মন্তব্য করেন।

সমাবেশে বক্তারা গণহত্যার বিচার, জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং জুলাই ঘোষণাপত্র দ্রুত কার্যকরের দাবি জানিয়ে এসব দাবিতে শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।