বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক যত্ন ও সহায়তা দিবস: মানবিকতা, অধিকার ও মর্যাদাপূর্ণ পরিচর্যার প্রত্যয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১১ অপরাহ্ণ
আন্তর্জাতিক যত্ন ও সহায়তা দিবস: মানবিকতা, অধিকার ও মর্যাদাপূর্ণ পরিচর্যার প্রত্যয়

সাকিবুর রহমান বাবলা

২৯ অক্টোবর আন্তর্জাতিক যত্ন ও সহায়তা দিবস। শিশু, প্রবীণ, অসুস্থ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পরিচর্যায় নিয়োজিত পেশাদার এবং অবৈতনিক সেবাদানকারীদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া, লিঙ্গবৈষম্য দূর করা এবং পরিচর্যাসেবার উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়ানো এ দিবসের মূল উদ্দেশ্য। ২০২৩ সালের ২৪ জুলাই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এ/আরইএস/৭৭/৩১৭ নম্বর প্রস্তাব গ্রহণের মাধ্যমে দিবসটি ঘোষণা করে। একই বছরের ২৯ অক্টোবর প্রথমবার দিবসটি পালিত হয়। এর মধ্য দিয়ে পরিচর্যাকে নিছক পারিবারিক দায়িত্ব নয়, বরং সামাজিক কল্যাণ, মানবাধিকার ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ জোরদার হয়।

পরিচর্যা মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। শিশুর বেড়ে ওঠা, অসুস্থ ব্যক্তির সেবা, প্রবীণের দৈনন্দিন কাজে সহায়তা কিংবা প্রতিবন্ধী ব্যক্তির স্বাধীন জীবনযাপন—সব ক্ষেত্রেই যত্ন ও সহায়তা প্রয়োজন। অথচ এসব কাজের বড় অংশ অবৈতনিক এবং অনেক ক্ষেত্রে অদৃশ্য শ্রম হিসেবে বিবেচিত হয়। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার বহুল উদ্ধৃত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বে অবৈতনিক পরিচর্যাকাজের ৭৬ দশমিক ২ শতাংশ নারীরা সম্পন্ন করেন। তাঁরা পুরুষদের তুলনায় প্রায় ৩ দশমিক ২ গুণ বেশি সময় এ কাজে ব্যয় করেন। ফলে অনেক নারী শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও ব্যক্তিগত উন্নয়নের সুযোগ থেকে পিছিয়ে পড়েন। এ বৈষম্য কমাতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

পরিচর্যাসেবার অর্থনৈতিক গুরুত্বও ব্যাপক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি হিসাব অনুযায়ী, অবৈতনিক স্বাস্থ্য ও পরিচর্যাসেবার মূল্য বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ, যা বছরে আনুমানিক ১ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমতুল্য। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বে পরিচর্যাসেবার প্রয়োজন রয়েছে এমন মানুষের সংখ্যা ২৩০ কোটিতে পৌঁছাতে পারে। এ পরিস্থিতিতে পরিচর্যাসেবায় বিনিয়োগ বাড়ানো, মানসম্মত দিবাযত্ন কেন্দ্র গড়ে তোলা, প্রবীণ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা সম্প্রসারণ এবং পেশাদার সেবাদানকারীদের ন্যায্য পারিশ্রমিক নিশ্চিত করা জরুরি। জাতিসংঘ, ইউএন উইমেন ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে সংলাপ এ লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

পরিচর্যাসেবার মান নির্ভর করে সেবাগ্রহীতা ও সেবাদানকারী—উভয়ের কল্যাণের ওপর। দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, স্বল্প বেতন, বিশ্রামের অভাব ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় সীমিত প্রবেশাধিকারের কারণে পরিচর্যাকারীরা মানসিক চাপ, অবসাদ ও কর্মক্ষেত্রজনিত ক্লান্তিতে ভুগতে পারেন। এতে সেবার মান কমে যাওয়ার পাশাপাশি দক্ষ কর্মী ধরে রাখাও কঠিন হয়। তাই তাঁদের প্রশিক্ষণ, মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ন্যায্য পারিশ্রমিক নিশ্চিত করতে হবে। অবৈতনিক পরিচর্যায় নিয়োজিত পরিবারের সদস্যদেরও সামাজিক স্বীকৃতি, পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া জরুরি। পরিচর্যা নিছক করুণা কিংবা ব্যবসা নয়; এটি মানুষের মর্যাদা ও অধিকারের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি মানবিক দায়িত্ব।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে পরিচর্যার দায়িত্ব পরিবার, সমাজ ও সরকারের মধ্যে ন্যায্যভাবে ভাগ করে নেওয়া প্রয়োজন। সংবিধানের ১৫ অনুচ্ছেদে চিকিৎসা ও সামাজিক নিরাপত্তাসহ মৌলিক চাহিদা পূরণের কথা বলা হয়েছে। ১৮ অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টির উন্নয়ন এবং ১৯ অনুচ্ছেদে সুযোগের সমতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে সংবিধানের ৮(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্র পরিচালনার এসব মূলনীতি সরাসরি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয়।

শিশুদের সুরক্ষায় শিশু আইন, ২০১৩ এবং শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র আইন, ২০২১ গুরুত্বপূর্ণ। প্রবীণদের ক্ষেত্রে পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩ সন্তানদের দায়িত্ব নির্ধারণ করেছে। অন্যদিকে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩ তাঁদের অধিকার, মর্যাদা ও বৈষম্যহীনতার স্বীকৃতি দিয়েছে। অসুস্থ ব্যক্তিদের চিকিৎসা ও জনস্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতেও সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

তবে আইন প্রণয়নই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন কার্যকর বাস্তবায়ন ও জবাবদিহি। সরকারকে সমন্বিত পরিচর্যানীতি প্রণয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণ, প্রশিক্ষিত পরিচর্যাকারী তৈরি এবং সেবাকেন্দ্রের মান নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগী হতে হবে। একই সঙ্গে নির্যাতন, অবহেলা ও বৈষম্যের অভিযোগের কার্যকর প্রতিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বিনা মূল্যের পরিচর্যাসেবায় দায়িত্ব ও ব্যয়ের স্বচ্ছতা এবং অর্থের বিনিময়ে দেওয়া সেবায় নির্ধারিত ফি, কর্মঘণ্টা, দায়িত্ব ও ন্যায্য পারিশ্রমিক নিশ্চিত করতে হবে। উভয় ক্ষেত্রেই সেবাগ্রহীতার সম্মতি, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষা করা জরুরি। চিকিৎসা ও নার্সিংয়ের মতো পেশাগত কাজ উপযুক্ত যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের মাধ্যমে সম্পন্ন করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

একটি মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে পরিচর্যার দায়িত্ব ন্যায্যভাবে ভাগ করে নেওয়া এবং সেবাদানকারীদের অবদানকে যথাযথ মর্যাদা দেওয়া অপরিহার্য। এ ক্ষেত্রে পরিবার, স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্য ও সমাজসেবা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি সংস্থা এবং সরকারকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পরিচর্যা হবে মানবিক, সেবা হবে নিরাপদ, পারিশ্রমিক হবে ন্যায্য এবং প্রত্যেক মানুষের অধিকার ও মর্যাদা থাকবে সুরক্ষিত—আন্তর্জাতিক যত্ন ও সহায়তা দিবসে এ হোক আমাদের অঙ্গীকার।

Ads small one

পাইকগাছায় চাঁদা দাবির মামলায় গ্রেপ্তার ৩

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৬ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় চাঁদা দাবির মামলায় গ্রেপ্তার ৩

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে দায়ের করা দুটি মামলায় আলোচিত গ্রেনেড বাবু ওরফে ডন বাবু ওরফে মোল্লা ইয়ামিন, তাঁর মা ও স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার শরাফপুর গ্রামের বাড়ি থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেনেড বাবু তাঁর স্ত্রীর সিম ব্যবহার করে গত ১৭ অক্টোবর পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জি এম আব্দুস সাত্তারের কাছে ১০ লাখ টাকা এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আক্কাস আলীর কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দিলে তাঁদের প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসনারা বিনতে আহমেদের কাছেও ফোনে হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবি করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এ ঘটনায় আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ২৭ অক্টোবর পাইকগাছা থানায় পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলা দুটির নম্বর ২৭ ও ২৮। অন্যদিকে, ডা. আহসনারা বিনতে আহমেদ সাধারণ ডায়েরি করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আজিজুর রহমান জানান, মোবাইল ফোনে কথোপকথনের সূত্র ধরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় এবং রামপাল থানা পুলিশের সহযোগিতায় গ্রেনেড বাবু, তাঁর স্ত্রী ও মাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের থানায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। গ্রেনেড বাবুর বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ আব্দুল আউয়াল কবির বলেন, গ্রেনেড বাবু পরিচয়ে একটি চক্র চিকিৎসক ও দুই আইনজীবীর কাছে ফোনে চাঁদা দাবি করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চক্রের অন্য সদস্যদেরও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

শ্যামনগরে সুশীলনের নতুন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩১ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে সুশীলনের নতুন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা সভা

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে উপকূলীয় এলাকায় স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ুবিষয়ক কার্যক্রম জোরদার করতে বেসরকারি সংস্থা সুশীলনের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষে ইউএনডিইএফের সহযোগিতায় এ সভা হয়।

প্রকল্প সমন্বয়ক শেখ মো. নুরুন্নবী প্রিন্সের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুজ্জাহান কনক। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওহেদুল ইসলাম, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুব্রত কুমার মণ্ডল, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিরাজ হোসেন ও যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম।

সভায় বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। স্বাগত বক্তব্যে প্রকল্প সমন্বয়ক শেখ মো. নুরুন্নবী প্রকল্পের মেয়াদ, লক্ষ্য, প্রধান কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন এলাকা সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

শ্যামনগরে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সমন্বয় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৪ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সমন্বয় সভা

মুন্সীগঞ্জ (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে উপকূলীয় পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে উপজেলা অ্যাডভোকেসি গ্রুপের ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০টায় উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরিতে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা অ্যাডভোকেসি গ্রুপের সদস্যসচিব পীযুষ বাউলিয়া পিন্টু। প্রধান অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন শ্যামনগর সরকারি মহসিন অনার্স কলেজের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক আবুল হোসেন।

ক্লাইমেট জাস্টিস রেজিলিয়েন্স ফান্ডের আর্থিক সহযোগিতায় গভর্ন্যান্স ফর ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট (জি৪সিআর) প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত সভায় গত তিন মাসের কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। ইউনিয়নভিত্তিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ, অগ্রাধিকার নির্ধারণ, কার্যকর অ্যাডভোকেসি কৌশল প্রণয়ন এবং দায়িত্ব বণ্টন ছিল সভার মূল লক্ষ্য।

আলোচনায় সহায়তা করেন প্রকল্পের প্রোগ্রাম অফিসার নাজিমউদ্দীন আহম্মেদ, ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর মোস্তাক আহম্মেদ, সিডিওর নির্বাহী পরিচালক গাজী আল ইমরান এবং ফিল্ড অর্গানাইজার ছালমা পারভীন ও মিনারুল ইসলাম।