বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩

আরো এক বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু, জান্নাতুল বাকিতে দাফন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৯ অপরাহ্ণ
আরো এক বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু, জান্নাতুল বাকিতে দাফন

সৌদি আরবে শামসুল আলম (৬৩) নামে আরো এক হজযাত্রী মারা গেছেন। তিনি গত ২৮ এপ্রিল সৌদি আরবের স্থানীয় সময় রাত ৮টায় মারা যান।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এ তথ্য জানা যায়।
শামসুল আলম রংপুর জেলার কোতোয়ালি মেট্রো থানার ভোগিবালাপাডার বাসিন্দা। তার বাবার নাম আজিজুল ইসলাম ও মায়ের নাম শামসুন নাহার। তিনি সরকারি মাধ্যমে হজ পালনের জন্য সৌদি আরব গিয়েছিলেন।

বাংলাদেশ হজ অফিস মদিনা আল মুনাওয়ারা সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ এপ্রিল শারীরিক দুর্বলতা ও অসুস্থতা নিয়ে বাংলাদেশ হজ অফিস মেডিকেল সেন্টারে আসেন শামসুল আলম। সেখানে প্রাথমিক চিকিংসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে স্থানীয় মালিক ফাহাদ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বুধবার ফজর নামাজের পর জানাজা শেষে মদিনার জান্নাতুল বাকিতে তাকে দাফন করা হয়।

এ নিয়ে বুধবার পর্যন্ত মোট সাত বাংলাদেশি হজযাত্রী মারা গেছেন।

Ads small one

পাইকগাছায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও কাল বৈশাখী ঝড়বৃষ্টিতে আতঙ্কে কৃষক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:০৭ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও কাল বৈশাখী ঝড়বৃষ্টিতে আতঙ্কে কৃষক

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): খুলনার পাইকগাছায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও কাল বৈশাখী ঝড় ও ধান কাটা শ্রমিক সংকটে দিশেহারা হয়ে পড়েছে কৃষকরা। সম্প্রতি এ অঞ্চলের উপর দিয়ে ৩/৪ বার ঘূর্ণিঝড় বয়ে যাওয়ায় ক্ষেতের ধানগাছ এলামেলো হয়ে পড়লেও ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এলাকার প্রায় সব ক্ষেতের ধান এক সাথে পাকার কারণে ধান কাটা শ্রমিক সংকটে মাঠের ধান ঘরে তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, বোরো মৌসুমে উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিভিন্ন বিলে ৬ হাজার ১৭ হেক্টর হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বোরো চাষে ডিজেল ও বিদ্যুতের সরবরাহ চাহিদা মত ছিলো না। তারপরও সব মিলিয়ে এ বছর ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে।

উপকূলের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঝড়-বৃষ্টি মৌসুম এবার আগেভাগেই শুরু হয়েছে। প্রায় প্রতিদিন কমবেশি এর প্রভাব পড়ছে। এলাকার কৃষক আব্দুল মান্নান জানান, এক সপ্তার মধ্যে উপজেলার সর্বত্রই ধান কাটা ও মাড়াই শুরু হবে। উৎপাদন খরচও গত বারের চেয়ে এ বছর বেশী হয়েছে। এরপরও কৃষি শ্রমিকরা ধান কাটার জন্য মোটা অংকের দাম হাকাচ্ছে। এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে শ্রমিক সংকটের পাশাপাশি কৃষকরা সীমাহীন ক্ষতির মধ্যে পড়বে। এ বছর ধানের দাম কমের কারণে কষ্টের ধানে শেষ পর্যন্ত উৎপাদন খরচ উঠবে কিনা তা নিয়েও কৃষকরা সংশয়ে রয়েছেন।

উপজেলার হিতামপুর গ্রামের কৃষক আব্দুর সালাম সানা বলেন, ঝড়বৃষ্টির কারণে ধান কেটে মাঠে পালা দিয়ে পলিথিত দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। এতে ধান ও বিচুলির ক্ষতি হচ্ছে। ধান কাটার শ্রমিক মিলছে না। গ্রামের লোকজন গার্মেন্ট, ইটের ভাটাসহ বিভিন্ন কাজে দেশের বিভিন্ন এলাকায় চলে যাচ্ছে। ফলে কৃষি কাজে দিন দিন শ্রমিক সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। ধান কাটার সময় চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় চড়া দামে শ্রমিক আনতে হচ্ছে। এক হেক্টর জমির ধান কেটে বাড়ি আনতে তার ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। ফলে ধানের উৎপাদন খরচও বেড়ে যাচ্ছে।

পাইকগাছা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ একরামুল হোসেন বলেন, উপকূলের এ উপজেলায় বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। আর ৫/৭ দিনের মধ্যে মাঠে ধান পুরাদমে শুরু হবে। চলতি মৌসুমে বোরোর ফলন ভাল হয়েছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ও ক্ষেত সঠিক ভাবে পরিচর্যা করায় বোরোর ফলন ভাল হয়েছে। কৃষকরা বিচুলীতে অধিক দাম পাওয়ায় বোরো চাষে তাদের আগ্রহ বেড়েছে।

আশাশুনিতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:০০ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনিতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে মাসিক আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ড।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, আশাশুনি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, থানার অফিসার ইনচার্জ শামীম আহম্মেদ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডাঃ নিতিশ কুমার দাশ, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আফরোজা খাতুন রুমা, পিআইও আমিরুল ইসলাম, শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার বর্মন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম, বিএনপি নেতা স,ম হেদায়েতুল ইসলাম, জামায়াতের আমির আবু মুসা তারিকুজ্জামান তুষার, ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুস, মাওলানা আবু বক্কর সিদ্দিক, মাহাবুবুল হক ডাবলু, দীপঙ্কর বাসার দিপু, আবু দাউদ ঢালী, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এজিএম মাহমুদুল হাসান, প্রধান শিক্ষক মুস্তাফিজুর রহমানসহ বিভিন্ন অফিস প্রধানগন ও কমিটির সদস্যবৃন্দ।

সবাই বাল্যবিবাহ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, মৎস্য ঘেরে চুরি-ছিনতাই, মরিচ্চাপ ব্রিজের নিচে জমি দখল, সাম্প্রতি চক বাউশুলি মৌজায় জমি দখল, বিভিন্ন এলাকায় জমির ডিসিআর-এ অনিয়মের কারনে মারামারি, ঝগড়া-বিবাদ সহ আইন-শৃঙ্খলার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

 

আশাশুনি বাজার ও ব্রীজ সংলগ্ন নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করলেন পাওবো কর্মকর্তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
আশাশুনি বাজার ও ব্রীজ সংলগ্ন নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করলেন পাওবো কর্মকর্তা

Oplus_16908288

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি উপজেলা সদর বাজার ও মরিচ্চাপ ব্রীজ নদী ভাঙ্গনে হুমকিগ্রস্থ হওয়ায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম তাজকিয়া।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টার দিকে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে ভাঙ্গনস্থল পরিদর্শন করেন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পাওবোর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নাজমুল হক, এসডিই রাশেদুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমির আবু মুসা তারিকুজ্জামান তুষার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মশিউর হুদা তুহিন, জামায়াতের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন পিন্টু, জামায়াত নেতা মাওঃ রুহুল কুদ্দুস, বাজার বণিক সমিতির কোষাধ্যক্ষ আহসান উল্লাহ, দপ্তর সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও আশাশুনি প্রেসক্লাবের কর্মকর্তাবৃন্দ।

ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনকালে পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম তাসকিয়া সাংবাদিকদের জানান, ভয়াবহ ভাঙ্গনের বিষয়ে অবহিত হয়ে সরজমিনে পরিদর্শনে এসেছি। তিনি বলেন, মরিচ্চাপ নদী নতুন করে খননের পর পূর্বের চলমান বাজার সংলগ্ন নদী ভাঙ্গন প্রকট আকার ধারন করেছে। আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা হিসেবে বালি ভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং কাজ শুরু হবে। উপস্থিত সূধীজনের দাবীর মুখে স্থায়ী ভাঙ্গন রোধে কার্যকরী ব্যবস্থা হিসেবে সিসি ব্লক কাজ করা হবে তবে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে প্রকল্প পাঠানো হবে। তা পাশ হওয়া সাপেক্ষে ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করার আশ্বাস প্রদান করেন।

প্রসঙ্গতঃ মরিচ্চাপ নদী খননের পর সদর বাজার ও মরিচ্চাপ নদীর উপর নির্মিত মরিচ্চাপ ব্রীজ এলাকা ভয়াবহ নদী ভাঙ্গন পূর্বের থেকে প্রকট আকার ধারণ করেছে। ফলে বাজার ও ব্রীজ হুমকির সম্মুখিন হয়ে পড়েছে। বাজারের অসংখ্য দোকানপাট, পাউবো সহ সরকারি বেসরকারি অফিস, বসতবাড়ী যে কোন মুহূর্তে মরিচ্চাপ নদী গর্ভে বিলীন হতে পারে। ইতোমধ্যে, ব্রীজ সংলগ্ন একটি পাকা বসত বাড়ী নদী গর্ভে চলে গেছে।

 

উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ দ্রুত এবং পর্যায়ক্রমে বাজার রক্ষায়, ব্রীজ ও ব্রীজের উত্তর পার্শ্বে চাপড়া-মাদ্রা গ্রামের ভাঙ্গনও প্রকট আকার ধারন করেছে। মাদ্রা গ্রামের সামনে ভাঙ্গনও দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ওই গ্রামের বাড়ী ঘর নদী গর্ভে চলে যাবে। দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে পাউবো’র উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভূক্তভোগী এলাকাবাসি।