রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩
রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩

এক লাল কার্ডে বদলে গেলো আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড ম্যাচের গতিপথ, কী ঘটেছিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ
এক লাল কার্ডে বদলে গেলো আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড ম্যাচের গতিপথ, কী ঘটেছিল

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচে ভিএআরের এক বিরল সিদ্ধান্তে লাল কার্ড দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন সুইজারল্যান্ডের ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলো। মূলত এই সিদ্ধান্তেই বদলে গেছে ম্যাচের গতিপথ।

ম্যাচের ৭২তম মিনিটে ১-১ সমতায় থাকা অবস্থায় ঘটনাটি ঘটে। এমবোলো বল নিয়ে আর্জেন্টিনার বাইলাইনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় পারেদেস তাকে চ্যালেঞ্জ করেন। প্রথমে পর্তুগিজ রেফারি জোয়াও পিনহেইরো মনে করেন, পারেদেস ফাউল করেছেন এবং তাকে হলুদ কার্ড দেখান।

কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে ভিএআর কর্মকর্তা গিয়ের্মো পাচেকো রেফারিকে জানান, পারেদেসকে নয়, বরং এমবোলোকে ‘সিমুলেশন’ (ডাইভ দেওয়ার চেষ্টা) করার জন্য হলুদ কার্ড দেওয়া উচিত ছিল। রিপ্লে দেখে ম্যাচ কর্মকর্তারা সিদ্ধান্তে পৌঁছান, ফাউল হওয়ার মতো কোনো সংস্পর্শই হয়নি। বরং ফাউল আদায়ের উদ্দেশ্যে এমবোলো ‘সিমুলেশন’ বা ডাইভ দিয়েছেন।

এরপর ‘মিস্টেকেন আইডেন্টিটি’ বা ভুল খেলোয়াড়কে শাস্তি দেওয়ার বিধান প্রয়োগ করে রেফারি পারেদেসের কার্ড বাতিল করেন এবং এমবোলোকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখান। দ্বিতীয় হলুদ হওয়ায় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় সুইস এই ফরোয়ার্ডকে।

ফিফার ভিএআর প্রটোকল অনুযায়ী, এমন ক্ষেত্রে ভুল খেলোয়াড়কে দেখানো হলুদ কার্ড বাতিল করতে হয় এবং যে খেলোয়াড় সিমুলেশন করেছেন, তাকে হলুদ কার্ড দেখাতে হয়। ফলে পারেদেসের হলুদ কার্ড প্রত্যাহার করা হয় এবং এম্বোলোকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয়। যেহেতু ম্যাচের শুরুতেই তিনি একটি হলুদ কার্ড দেখেছিলেন, তাই দ্বিতীয় হলুদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাল কার্ডে পরিণত হয়।

লাল কার্ড দেখার পর এমবোলো আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। দুই হাতে মুখ ঢেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। পরে সতীর্থ ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মাঠ ছেড়ে টানেলে চলে যান।

ম্যাচের শুরুতে ১০ মিনিটে আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক আক্রমণে যায় সুইজারল্যান্ড। ৬৭ মিনিটে দান এনদয়ের গোলে সমতাও ফেরে। তবে ৫ মিনিট পর এমবোলোর লাল কার্ড ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের গতি কমিয়ে দেয়।

 

ঘটনার পর ধারাভাষ্যকার ক্রিস ওয়াইজ বলেন, ‘ঘটনার এই মোড়ে এসে এমবোলো যে কতটা বিধ্বস্ত, তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।’

সাবেক মার্কিন গোলরক্ষক ব্র্যাড ফ্রিডেল বলেন, ‘এটি সত্যিই অবিশ্বাস্য একটি ঘটনা। শুধু সুইজারল্যান্ড নয়, এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এমন সিদ্ধান্তে অনেকেই অসন্তুষ্ট হবেন। এমবোলোর জন্য আমার খুব খারাপ লাগছে। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সুইস খেলোয়াড়রা যেন মাথা ঠান্ডা রাখে।’

তবে সাবেক ফুটবলার ব্র্যাডলি রাইট-ফিলিপসের মত ভিন্ন। তিনি বলেন, ‘এমবোলোর জন্য নয়, তার সতীর্থদের জন্য আমার খারাপ লাগছে। সে হয়তো তার দলকে সেমিফাইনালে ওঠার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করেছে।’

Ads small one

কালিগঞ্জ থানার পরিত্যক্ত ভবন ভাঙতে গিয়ে ককটেল বিস্ফোরণে দুই শ্রমিক আহত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ণ
কালিগঞ্জ থানার পরিত্যক্ত ভবন ভাঙতে গিয়ে ককটেল বিস্ফোরণে দুই শ্রমিক আহত

বিশেষ প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ থানার পরিত্যক্ত ভবন ভাঙার কাজ চলাকালে মাটির নিচে থাকা একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়ে দুই শ্রমিক আহত হয়েছেন। রবিবার (১২ জুলাই) বেলা দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত শ্রমিকরা জানান, কয়েকদিন যাবত থানার পুরাতন ভবন ভাঙার করছেন শ্রমিকরা। রবিবার থানা চত্ত্বরে কোদালের সাহায্যে মাটি সরানোর সময় উপজেলার বাজারগ্রাম এলাকার গফফার মোড়লের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৪২) এর কোদালের আঘাতে একটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে। এতে তার দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম হয়। এ সময় বাজারগ্রাম এলাকার কামরুল হাসান (৩০) নামে আরও এক শ্রমিক আহত হন।
ককটেল বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শুনে পুলিশ ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে যেয়ে আহত দুই শ্রমিককে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ককটেলটি দীর্ঘদিন ধরে ভবনের ফ্লোরের পাশে মাটির নিচে পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। বিষয়টি অধিকতর তদন্ত চলছে। তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় সাতক্ষীরা সিলভার জুবিলি মডেল স্কুলের বড় সাফল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ণ
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় সাতক্ষীরা সিলভার জুবিলি মডেল স্কুলের বড় সাফল্য

নিজস্ব প্রতিনিধি: ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে সাতক্ষীরা সিলভার জুবিলি মডেল স্কুল। এ বছর বিদ্যালয়টি থেকে ২৩ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ১৪ জনই বৃত্তি পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বৃত্তিপ্রাপ্ত ১৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১১ জন ট্যালেন্টপুলে (মেধাবৃত্তি) এবং ৩ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে। পাসের হার ও মেধার ভিত্তিতে এই ফলাফলকে বিদ্যালয়টির অন্যতম সেরা সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের এই অর্জনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন নবনির্বাচিত সভাপতি। তিনি বলেন, শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম, শিক্ষার্থীদের গভীর অধ্যাবসায় এবং অভিভাবকদের সার্বিক সহযোগিতার কারণেই এই গৌরবোজ্জ্বল অর্জন সম্ভব হয়েছে। সাফল্যের এই ধারা ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে এবং শিক্ষার্থীরা আগামীতে দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পাটকেলঘাটায় ২০ বছর ধরে বেহাল দূর্বাডাঙ্গা-গাছা সড়ক, চরম দুর্ভোগে বাসিন্দারা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটায় ২০ বছর ধরে বেহাল দূর্বাডাঙ্গা-গাছা সড়ক, চরম দুর্ভোগে বাসিন্দারা

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটা থানার দূর্বাডাঙ্গা-গাছা গ্রামের ১ কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘ ২০ বছর ধরে সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সড়কটি স্থায়ীভাবে মেরামত না করায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এলাকার হাজারো মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ এখন চরমে, বিশেষ করে সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটি কাদাময় ও চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ফলে প্রতিদিন শিক্ষার্থী, কৃষক, চাকরিজীবীসহ সাধারণ মানুষকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, হাঁটুসমান কাদা মাড়িয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জুতা হাতে নিয়ে খালি পায়ে স্কুলে যেতে বাধ্য হচ্ছে। এতে যেমন শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার সড়কটি সংস্কারের দাবি জানানো হলেও কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বর্ষা মৌসুমে এই দুর্ভোগ তীব্র আকার ধারণ করে। ফলে জরুরি প্রয়োজনে কোনো রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া, কৃষিপণ্য পরিবহন এবং দৈনন্দিন যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, খলিসখালি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোজাফফর রহমানের আমলে রাস্তাটি মাটি দিয়ে উঁচু করা হয়েছিল, যার ফলে সে সময় সাময়িক কিছুটা স্বস্তি মিলেছিল। স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য পঙ্কজ কুমার এলাকার মানুষের যাতায়াতের এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। বছরের পর বছর ধরে চলা এই দুর্ভোগের অবসান ঘটিয়ে সাধারণ মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সড়কটি দ্রুত পাকাকরণের জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।