শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

এনজিও কর্তৃক সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কতটা যুক্তিযুক্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ণ
এনজিও কর্তৃক সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কতটা যুক্তিযুক্ত

প্রকাশ ঘোষ বিধান

এনজিও কর্তৃক সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয়টি সমকালীন সাংবাদিকতায় একটি বহুল আলোচিত এবং দ্বিমুখী বিতর্কযুক্ত বিষয়। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, পেশাদারিত্ব এবং এনজিওর নিজস্ব এজেন্ডার ওপর ভিত্তি করে এর পক্ষে ও বিপক্ষে শক্তিশালী যুক্তি রয়েছে।

প্রশিক্ষণের পক্ষে যুক্তি বিশেষায়িত বিষয়ে দক্ষতার উন্নয়ন: সাধারণ সাংবাদিকতায় অনেক সময় জলবায়ু পরিবর্তন, মানবাধিকার, জেন্ডার সমতা, টেকসই উন্নয়ন বা জনস্বাস্থ্যের মতো জটিল বিষয়গুলো গভীরভাবে তুলে ধরা সম্ভব হয় না। জলবায়ু পরিবর্তন, মানবাধিকার, জেন্ডার সমতা, শিশু অধিকার এবং টেকসই উন্নয়নের মতো জটিল ও সংবেদনশীল বিষয়গুলোতে এনজিওদের গভীর প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান থাকে। এনজিওগুলো এসব বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে সাংবাদিকদের নিবিড় প্রশিক্ষণ দেয়, যা রিপোর্টিংয়ের গুণগত মান বাড়ায়।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অনেক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানেরই নিজস্ব অর্থায়নে সাংবাদিকদের নিয়মিত আধুনিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার বাজেট থাকে না। বিশেষ করে মফস্বল বা স্থানীয় পর্যায়ের সাংবাদিকদের জন্য এনজিওর এই উদ্যোগগুলো পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির বড় সুযোগ তৈরি করে। এনজিওগুলো মাঠপর্যায়ে প্রচুর গবেষণা ও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাংবাদিকরা এই নির্ভরযোগ্য ডেটা সোর্স বা উপাত্তগুলো ব্যবহারের কৌশল শিখতে পারেন, যা অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় সাহায্য করে। আধুনিক যুগে ডেটা জার্নালিজম, ফ্যাক্ট-চেকিং বা ডিজিটাল নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলোতে এনজিও বা আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাগুলো উন্নতমানের প্রশিক্ষণের আয়োজন করে থাকে, যা সাংবাদিকদের যুগের সাথে তাল মেলাতে সাহায্য করে।

প্রশিক্ষণের বিপক্ষে যুক্তি স্বার্থের সংঘাত: এনজিওগুলোর নিজস্ব লক্ষ্য, দাতা সংস্থার এজেন্ডা এবং নির্দিষ্ট প্রজেক্ট থাকে। অনেক সময় প্রশিক্ষণের আড়ালে তারা সাংবাদিকদের চিন্তাচেতনাকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে, যা সাংবাদিকতার মূল ভিত্তি নিরপেক্ষতার পরিপন্থী। কোনো এনজিওর কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা বা প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর, ওই নির্দিষ্ট এনজিওর কোনো অনিয়ম, দুর্নীতির বা ব্যর্থতার খবর সাংবাদিকরা সাধারণত প্রকাশ করতে চান না। এতে ওই সংস্থার প্রতি এক ধরনের সফট কর্নার বা পক্ষপাত তৈরি হয়।

এনজিওগুলো অনেক সময় দেশের মৌলিক বা সামষ্টিক সমস্যার চেয়ে তাদের প্রজেক্ট-সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোকে মিডিয়াতে বেশি ফোকাস করাতে চায়। ফলে জনগুরুত্বপূর্ণ অনেক মৌলিক ইস্যু আড়ালে চলে যেতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, প্রশিক্ষণটি প্রকৃত অর্থে সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নয়, বরং এনজিওর নিজস্ব প্রচার বা পিআর কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

ভারসাম্যপূর্ণ সমাধান বা গ্রহণযোগ্যতার শর্ত এনজিও কর্তৃক সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ তখনই পুরোপুরি যুক্তিযুক্ত এবং ফলপ্রসূ হতে পারে, যখন কয়েকটি বিষয় কঠোরভাবে মেনে চলা হয়। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ বা যাতায়াত ভাতার বাইরে সাংবাদিকদের কোনো ধরনের অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা বা উপহার দেওয়া উচিত নয়। প্রশিক্ষণ সাংবাদিক নিলেও, ওই বিষয়ে নিউজ করার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সম্পাদকীয় নীতি অনুযায়ী হতে হবে। এনজিওর দেওয়া তথ্য বা উপাত্ত অন্ধভাবে বিশ্বাস না করে, সাংবাদিকসুলভ সন্দেহবাদী দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রেখে তা ক্রস-চেক বা যাচাই করে নিতে হবে।

এনজিও বা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ প্রদানের বিষয়টি বেশ ইতিবাচক ও যুক্তিযুক্ত, তবে এর পেছনে কিছু বিতর্ক এবং সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। উন্নয়নমূলক সাংবাদিকতা ও দক্ষতার বিকাশে এটি যেমন বড় ভূমিকা রাখে, তেমনি সাংবাদিকদের নিরপেক্ষতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে কিছু প্রশ্নও তোলে।

প্রেস কাউন্সিল, তথ্য অধিদপ্তর বা সাংবাদিকদের নিজস্ব ইউনিয়নগুলোর উচিত এনজিওর ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল না হয়ে সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগে পেশাদারী প্রশিক্ষণের পরিধি বাড়ানো। এনজিওর প্রশিক্ষণ সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য যুক্তিযুক্ত এবং ইতিবাচক, যদি সাংবাদিকরা তাদের পেশাগত স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা বিসর্জন না দিয়ে কেবল জ্ঞান ও দক্ষতা টুকুই গ্রহণ করেন।

এনজিও কর্তৃক সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া ততক্ষণই যুক্তিযুক্ত, যতক্ষণ তা সাংবাদিকদের পেশাদারিত্ব ও সম্পাদকীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ না করে। সাংবাদিকরা যদি এনজিওর দেওয়া কারিগরি জ্ঞান ও তথ্য গ্রহণ করার পরও নিজের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখতে পারেন, তবে এই ধরণের প্রশিক্ষণ সামগ্রিক সাংবাদিকতার জন্য অত্যন্ত কল্যাণকর।

লেখক : সাংবাদিক ও কলামিস্ট

 

Ads small one

মাদকমুক্ত সমাজ ও শ্যামনগর গড়ার আহ্বান পুলিশ কর্মকর্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ
মাদকমুক্ত সমাজ ও শ্যামনগর গড়ার আহ্বান পুলিশ কর্মকর্তার

শ্যামনগর প্রতিনিধি: মাদকমুক্ত সমাজ ও পরিচ্ছন্ন শ্যামনগর গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী। বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি অনঙ্গ কুমার ম-লের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক রুস্তম আলী, বিএনপি নেতা মোজাম মোল্লাসহ স্থানীয় মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাফিউল ইসলাম বলেন, সমাজ থেকে মাদককে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের স্বার্থে মাদকসেবী ও কারবারিদের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে। মাদক সমাজকে গ্রাস করে চলেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাদকের ভয়াবহতার কারণে সন্তান জন্মদাতা মা-বাবাকে পর্যন্ত মারধর কিংবা হত্যার মতো জঘন্য অপরাধ ঘটাচ্ছে। অতীতে মাদকাসক্তির কারণে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ঘটনার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভেবে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

শারদীয় দুর্গাপূজার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে মানুষের বিবেককে সর্বাগ্রে কাজে লাগাতে হবে। ধর্ম ভিন্ন হলেও সুষ্ঠু সমাজ গঠনে হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে এবারের শারদীয় উৎসব উদযাপিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পূজা উদ্যাপনকে কেন্দ্র করে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে বা মাদকদ্রব্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলে তাকে কঠোর আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। এ সময় তিনি দেশ ও রাষ্ট্রবিরোধী সব ধরনের অপপ্রচার থেকে দূরে থাকার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

সদরের ইন্দারায় পূর্বশত্রুতার জেরে হামলা, ২ নারীসহ আহত ৩

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
সদরের ইন্দারায় পূর্বশত্রুতার জেরে হামলা, ২ নারীসহ আহত ৩

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদরের আগরদাঁড়ি ইউনিয়নের ইন্দারা গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় দুই নারীসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। মারাত্মক জখম অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ১০ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। হামলায় আহতরা হলেন মোছা. হামিদা খাতুন (৬৫), লাভলী পারভীন (৩৮) এবং মো. আব্দুল গফুর (৪৩)।
হাসপাতালের শয্যায় চিকিৎসাধীন আব্দুল গফুর জানান, জমি নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জের ধরে স্থানীয় আবাদের হাট বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। আগে থেকে ওত পেতে থাকা তাঁর আপন সেজ ভাই পাটকেলঘাটা পূবালী ব্যাংক শাখার নিরাপত্তাকর্মী আব্দুল জলিলের নেতৃত্বে ৬-৭ জনের একদল উগ্র কিশোর ও যুবক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অতর্কিত আক্রমণ চালায়। এ সময় আঘাত সামলাতে না পেরে তিনি ড্রেনের মধ্যে পড়ে যান। তাঁর আত্মচিৎকারে মা হামিদা খাতুন ও স্ত্রী লাভলী পারভীন বাঁচাতে এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদের ওপরও চড়াও হয়। লোহার রডের আঘাতে আব্দুল গফুরের মাথা ফেটে যায় এবং বাঁ হাতের দুটি আঙুল ভেঙে যায়।
এ ঘটনায় রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে তাঁরা শঙ্কামুক্ত বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) জামিরুল মারামারির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে।

মৌচাক সাহিত্য পরিষদের আয়োজনে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাতক্ষীরায় বিশেষ অনুষ্ঠান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ
মৌচাক সাহিত্য পরিষদের আয়োজনে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাতক্ষীরায় বিশেষ অনুষ্ঠান

সংবাদদাতা: মৌচাক সাহিত্য পরিষদের আয়োজনে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী সাহিত্যকর্মের ওপর এক বিশেষ আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

‘নজরুল বর্ষ’ উদ্যাপন উপলক্ষে সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী তুফান কনভেনশন সেন্টার ও লেকভিউ প্রাঙ্গণে এই মহতী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিকেলে “মৌচাক সাহিত্য পরিষদ, সাতক্ষীরা”-এর ব্যানারে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ডা. আবুল কালাম বাবলা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক, কবি ও নাট্যকার আব্দুল ওহাব আজাদ।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. জাহারুল ইসলাম (টুটুল)। তিনি তাঁর বক্তব্যে জাতীয় কবির বিদ্রোহী চেতনা ও তাঁর সাহিত্যিক অবদান বর্তমান প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে কবির জীবন ও সৃষ্টির নান্দনিক দিক নিয়ে গভীর ও তাত্ত্বিক আলোচনা করেন সম্মানিত আলোচকদ্বয়Ñযশোর ও বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের সাবেক কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর মো. আবু নসর এবং সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসুদেব বসু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মৌচাক সাহিত্য পরিষদের উপদেষ্টা আব্দুর রব ওয়ার্ছি, মাওলানা আনোয়ারুল হাসান, মুসা করিম, সহসভাপতি শেখ মোসফিকুর রহমান মিলটন, প্রভাষক মহিনুর ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মো. মছরুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ, সাহিত্য সম্পাদক মনিরুজ্জামান মুন্না, জেলা সাহিত্য পরিষদের সভাপতি কবি শহীদুর রহমান, ড. মুফতি আখতারুজ্জামান, সংগীতশিল্পী আবু আফফান রোজ বাবু এবং কবি পল্টু বাশারসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি করে দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করে রুফাইয়া রহমান মাইসা, শেখ মিফাতাহুল জান্নাত ও সানজিদা সুরাইয়া শেফা।